Dhaka , Monday, 30 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন চবিতে সহকারী প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই শিক্ষক পেশাগত মানোন্নয়ন ও বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানে একসাথে কাজ করবে দুই প্রেস ক্লাব পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সবার অংশগ্রহণের আহ্বান মেয়রের। রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি ॥ ৪০ লক্ষাধিক টাকার মাল লুট রূপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ঝালকাঠি গাবখান নদীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর কিশোর আলিফের মরদেহ উদ্ধার হঠাৎ করেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব পাবনায়  হাসপাতালে ভর্তি ২৭ রোগীর বেশিরভাগই শিশু পেঁপে গাছে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু কুড়িগ্রাম সীমান্তে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র হানা: ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়িসহ বস্ত্র উদ্ধার গণভোট বাতিল ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি’: ইবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিন্দা “বাবার হাত ধরেই চন্দনাইশ উপজেলার মুসতাকিমের আইন পেশায় সাফলতা অর্জন” অপরাধে জিরো টলারেন্স ; রুপগঞ্জ থানার আস্থার প্রতীক ওসি সবজেল হোসেন আলোকিত রমজান, রঙিন ঈদ-২০২৬: তিন জেলায় প্রায় এক শতাধিক পরিবারের পাশে এনবিএ ডেপুটি স্পিকারের সহকারী একান্ত সচিব হলেন মীর্জা সালমান আরশাদ নজরুল নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ পাইকগাছায় রেড ক্রিসেন্টের রাস্তা সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শনে ইউএনও ফের ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ডাক চবি কলেজের শিক্ষার্থীদের, ৩ দফা দাবিতে উপাচার্য কে স্মারকলিপি     রূপগঞ্জে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আমরা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে না তারাই তবে কিভাবে মন্ত্রণালয়কে মুক্ত করবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজাপুরে নানা অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় ইটভাটা শ্রমিকের লাশ নোয়াখালীতে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার গোসল করতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক বাপ্পী ফতুল্লায় বক্তাবলী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী স্বৈরাচারের দোসর ইউপি সদস্য ইমরানের হুমকি ও অপপ্রচার, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পরিষদের কার্যক্রম কালীগঞ্জে রেললাইনে প্রাণ গেল বৃদ্ধের: ট্রেনের নিচে পড়ে নিথর দেহ উদ্ধার কালীগঞ্জ ও ভুরুঙ্গামারী সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র ঝটিকা অভিযান: বিপুল মাদকসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ

হঠাৎ করেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব পাবনায়  হাসপাতালে ভর্তি ২৭ রোগীর বেশিরভাগই শিশু

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:42:40 pm, Monday, 30 March 2026
  • 4 বার পড়া হয়েছে
মাসুদ রানা, পাবনা প্রতিনিধি:
হঠাৎ করেই হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে পাবনায়। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৭ জন। তবে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে রোগীর স্বজনদের। আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭ জন। আর গত সাতদিনে জেলায় ২৩ জন হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত আক্রান্ত্রের সংখ্যা ১১৮ জন। অন্যদিকে, বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ২৭ জন রোগীর মধ্যে ৩ মাস থেকে ১২ মাস বয়সী শিশু রয়েছে ২৫ জন। আর মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দু’জন যুবকের মধ্যে একজনের বয়স ২২ বছর অন্যজনের বয়স ৩২ বছর। রোববার দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে যেতে মেঝেতে রোগীতে ঠাসা। পায়ে হেঁটে যাবার উপায় নেই। শিশু ওয়ার্ডে একেকটি শয্যায় দুইজন তিনজন করে ভর্তি। এই ওয়ার্ডের বারান্দায় একটি কাঁচঘেরা কক্ষে হামে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসাধীন। সেখানেও একেকটি শয্যায় দুইজন করে, মেঝেতে চারজন শিশু চিকিৎসাধীন। পাবনা সদর উপজেলার আশুতোষপুর গ্রামের গৃহবধূ স্মৃতি খাতুন তার চার মাস বয়সী মেয়ে শিশুকে গত ২৬ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এখনও সুস্থ্য হয়নি তার সন্তান। তিনি জানান, তার মেয়ে প্রথমে ঠান্ডা জ্বর আসে। তারপর শরীরে মুখে লাল গুটি গুটি বের হয়। অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করে। বিছানায় ঘুমাতে পারে না। এমন অবস্থায় তারা হাসপাতালে এসে চিকিৎসকদের পরামর্শে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পরীক্ষা করে তাদের হাম সনাক্ত কলেছেন চিকি’ৎসকরা। একই উপজেলার হারিয়াবাড়িয়া গ্রামের সুফিয়া বেগম তার ৯ মাস বয়সী নাতী মাশরাফকে কোলে নিয়ে পাঁয়চারী করছিলেন। তার কান্না থামানোর চেষ্টা করছেন তিনি। সুফিয়া বেগম জানান, গত শনিবার (২৮ মার্চ) হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু  এখানে ঠিকমতো চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। এই কক্ষে ডাক্তার আসলে নার্সদের ডেকেও পাওয়া যাচ্ছে না। আর রুমটাও ঠিকমতো পরিস্কার করা হচ্ছে না। সদর উপজেলার মালিগাছা গ্রামের শিমলা খাতুন তার ৮ মাস বয়সী ছেলে সাফায়াতকে ঈদের পরদিন ভর্তি করেছেন। এখনও সুস্থ্য না হওয়ায় চিকিৎসাধীন। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ওষুধ ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ডাক্তার লিখে দিলে বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। আর নার্স, পরিচ্ছনতাকর্মী কেউ এই রুমে আসতে চাচ্ছে না। হাসপাতোলের শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানভীর ইসলাম বলেন, ‘হামের রোগী বাড়ার সাথে সাথে আমরা পৃথক  স্থানে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। আপাতত কোনো সমস্যা হচ্ছে না। বিষয়টি আমরা নজরদারিতে রেখেছি।’ আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. রফিকুল হাসান বলেন, ‘এটি ভাইরাস জনিত ছোঁয়াচে রোগ। শিশু সহ যেকোনো বয়সী মানুষের হাম হতে পারে। আপাতত ভর্তিকৃত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ায় কোনো সংকট নেই।’ রোগীর স্বজনেদের অভিযোগ বিষয়ে সহকারি পরিচালক জানান, ‘৩৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে প্রতিদিন ভর্তি থাকে ২০০ রোগীর উপরে। আমাদের তো ওই ৩৮ শয্যার ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এক্ষেত্রে কিছু সংকটতো থেকে যায়। তবে হামের জন্য নতুন করে একটি ওয়ার্ড চালুর কথা জানান তিনি।’ হামের টিকা নেওয়ার পরও কেন কি কারণে হঠাৎ করে হামের এমন প্রাদুর্ভাব বেড়েছে সে বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত করে দেখা দরকার বলে মনে করেন এই চিকিৎসক। এ বিষয়ে পাবনার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘প্রায় প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দু’চারজন করে হামের রোগী ভর্তি হচ্ছে। যেকারণে জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৃথক আইসোলেশন সেন্টার করা হয়েছে। ৯ মাস বা তার কম বয়সী শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশি। যেহেতু ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়ার পরও নতুন করে হামে আক্রান্ত হচ্ছে এ বিষয়টি নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

হঠাৎ করেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব পাবনায়  হাসপাতালে ভর্তি ২৭ রোগীর বেশিরভাগই শিশু

আপডেট সময় : 04:42:40 pm, Monday, 30 March 2026
মাসুদ রানা, পাবনা প্রতিনিধি:
হঠাৎ করেই হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে পাবনায়। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৭ জন। তবে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে রোগীর স্বজনদের। আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭ জন। আর গত সাতদিনে জেলায় ২৩ জন হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এছাড়া গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত আক্রান্ত্রের সংখ্যা ১১৮ জন। অন্যদিকে, বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ২৭ জন রোগীর মধ্যে ৩ মাস থেকে ১২ মাস বয়সী শিশু রয়েছে ২৫ জন। আর মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দু’জন যুবকের মধ্যে একজনের বয়স ২২ বছর অন্যজনের বয়স ৩২ বছর। রোববার দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে যেতে মেঝেতে রোগীতে ঠাসা। পায়ে হেঁটে যাবার উপায় নেই। শিশু ওয়ার্ডে একেকটি শয্যায় দুইজন তিনজন করে ভর্তি। এই ওয়ার্ডের বারান্দায় একটি কাঁচঘেরা কক্ষে হামে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসাধীন। সেখানেও একেকটি শয্যায় দুইজন করে, মেঝেতে চারজন শিশু চিকিৎসাধীন। পাবনা সদর উপজেলার আশুতোষপুর গ্রামের গৃহবধূ স্মৃতি খাতুন তার চার মাস বয়সী মেয়ে শিশুকে গত ২৬ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এখনও সুস্থ্য হয়নি তার সন্তান। তিনি জানান, তার মেয়ে প্রথমে ঠান্ডা জ্বর আসে। তারপর শরীরে মুখে লাল গুটি গুটি বের হয়। অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করে। বিছানায় ঘুমাতে পারে না। এমন অবস্থায় তারা হাসপাতালে এসে চিকিৎসকদের পরামর্শে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পরীক্ষা করে তাদের হাম সনাক্ত কলেছেন চিকি’ৎসকরা। একই উপজেলার হারিয়াবাড়িয়া গ্রামের সুফিয়া বেগম তার ৯ মাস বয়সী নাতী মাশরাফকে কোলে নিয়ে পাঁয়চারী করছিলেন। তার কান্না থামানোর চেষ্টা করছেন তিনি। সুফিয়া বেগম জানান, গত শনিবার (২৮ মার্চ) হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু  এখানে ঠিকমতো চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। এই কক্ষে ডাক্তার আসলে নার্সদের ডেকেও পাওয়া যাচ্ছে না। আর রুমটাও ঠিকমতো পরিস্কার করা হচ্ছে না। সদর উপজেলার মালিগাছা গ্রামের শিমলা খাতুন তার ৮ মাস বয়সী ছেলে সাফায়াতকে ঈদের পরদিন ভর্তি করেছেন। এখনও সুস্থ্য না হওয়ায় চিকিৎসাধীন। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ওষুধ ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ডাক্তার লিখে দিলে বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। আর নার্স, পরিচ্ছনতাকর্মী কেউ এই রুমে আসতে চাচ্ছে না। হাসপাতোলের শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানভীর ইসলাম বলেন, ‘হামের রোগী বাড়ার সাথে সাথে আমরা পৃথক  স্থানে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। আপাতত কোনো সমস্যা হচ্ছে না। বিষয়টি আমরা নজরদারিতে রেখেছি।’ আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. রফিকুল হাসান বলেন, ‘এটি ভাইরাস জনিত ছোঁয়াচে রোগ। শিশু সহ যেকোনো বয়সী মানুষের হাম হতে পারে। আপাতত ভর্তিকৃত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ায় কোনো সংকট নেই।’ রোগীর স্বজনেদের অভিযোগ বিষয়ে সহকারি পরিচালক জানান, ‘৩৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে প্রতিদিন ভর্তি থাকে ২০০ রোগীর উপরে। আমাদের তো ওই ৩৮ শয্যার ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এক্ষেত্রে কিছু সংকটতো থেকে যায়। তবে হামের জন্য নতুন করে একটি ওয়ার্ড চালুর কথা জানান তিনি।’ হামের টিকা নেওয়ার পরও কেন কি কারণে হঠাৎ করে হামের এমন প্রাদুর্ভাব বেড়েছে সে বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত করে দেখা দরকার বলে মনে করেন এই চিকিৎসক। এ বিষয়ে পাবনার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘প্রায় প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দু’চারজন করে হামের রোগী ভর্তি হচ্ছে। যেকারণে জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৃথক আইসোলেশন সেন্টার করা হয়েছে। ৯ মাস বা তার কম বয়সী শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশি। যেহেতু ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়ার পরও নতুন করে হামে আক্রান্ত হচ্ছে এ বিষয়টি নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।’