Dhaka , Sunday, 16 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রামে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রশাসন ও পুলিশ শ্রীপুরে কবি কাদের নেওয়াজের আঙিনায় সবুজ আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঈদগাঁওয়ে বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত ও হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বেলাবোতে শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু রামগঞ্জে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপির দোয়া ও মিলাদ ঈদগাঁওয়ে বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত ও হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া জরুরি: প্রভা মেসির পোস্টে রোনালদোর কমেন্ট, ভাঙল ইনস্টাগ্রামের সর্বকালের রেকর্ড ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মোদির ৬ বড় ঘোষণা চলতি মাসে আরও ৫ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার হাসিনাকে যে বার্তা দিলেন সোহেল তাজ গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইতালিতে স্বপ্নের সংসারে নৃশংস পরিণতি, স্ত্রী-কন্যাসহ বাবুলের দাফন সম্পন্ন ভরা মৌসুমেও ইলিশ নেই বিষখালীতে, দুশ্চিন্তায় জেলেপল্লি বাড়ির সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রূপগঞ্জে দেবরের হাতে ভাবি খুন, দেবরসহ গ্রেফতার-৩ রূপগঞ্জে হত্যার দায়ে আক্তার হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড সহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালত রূপগঞ্জে দেবরের হামলায় ভাবী নিহত \ গ্রেফতার ৩ ‘বাংলাদেশ অ-১৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর প্রধান উপদেষ্টা গোলাম ফারুক খোকন মির্জাপুরে মাদক ও জুয়া বিরোধী সভা ও কনসার্ট অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে বসতঘর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার রামগঞ্জে কাউন্সিলর সহ দুই যুবলীগ নেতা গ্রেফতার মাদককে না বলতে দুর্গাপুরে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত সীতাকুণ্ডে জাহাজ কাটার সময় দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে ডিসি জাহিদ কেওলা-ধূলিজুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র বহালের দাবি, আখলের বাজারে প্রতিবাদ সভা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আকাশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আলোকিত হবে:- ডিসি জাহিদ হরিপুরে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত। ঠিকানা বদলেও ৯ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার সিআইডি পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, নোয়াখালীতে সাবেক সেনা-নৌ সদস্যসহ ৭ জন গ্রেপ্তার আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি সদস্য ও আ.লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন গ্রেপ্তার

নেই নাট ক্লিপ ঝুঁকি নিয়েই চলে -ট্রেন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:48:54 am, Wednesday, 1 May 2024
  • 123 বার পড়া হয়েছে

নেই নাট ক্লিপ ঝুঁকি নিয়েই চলে -ট্রেন।।

মৌলভীবাজার-প্রতিনিধি।।
চুরি হচ্ছে নাট-বল্টু-ক্লিপ ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেনসিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত বেশকিছু পাহাড়ি এলাকা- ৮টি কালভার্ট ও সেতু ঝুঁকিপূর্ণ। এই পথ দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই চলছে ট্রেন। নাট-বল্টু বা ক্লিপ মাঝে মধ্যে পরিবর্তন করা হলেও রেললাইন সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নাট-বল্টু বা ক্লিপার -ক্লিপ- না থাকায় তীব্র গরমে রেললাইন বেঁকে গিয়ে বাকলিং হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া নিয়মিত দেখাভালের অভাবে রেললাইনের ক্লিপ-হুক চুরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কোথাও নাট থাকলেও বল্টু নেই। সেখানে বল্টুর পরিবর্তে সুতো দিয়ে বাধা হয়েছে।
  
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত রেললাইনের শ্রীমঙ্গল- ভানুগাছ- শমশেরনগর- মনু- টিলাগাঁও- লংলা ও কুলাউড়াস্টেশনের মাঝে অনেক স্থানে ক্লিপ-হুক নেই। ক্লিপ- হুক- ফিশ প্লেটসহ লোহার যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবু কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা করছে না। অনেক স্থানে রেললাইনের স্লিপারে নেই নাট-বল্টু। কোথাও নাট থাকলে বল্টুর পরিবর্তে সুতো দিয়ে বাঁধা হয়েছে। মেরামতের জন্য পুরাতন কাট ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার পরও লাগানো হচ্ছে না। এগুলো জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নাট-বল্টু ও ক্লিপ না থাকার কারণে তীব্র গরমে লাইন বাকলিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুরাতন সেতু ও কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সংস্কার না হওয়ায় অনেক সময় বড় বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ট্রেন। ২০১৮ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সেতু ভেঙে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছর লাউয়াছড়ায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যায়। এ ছাড়া রেলপথ ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় লাউয়াছড়া উদ্যানের পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত ট্রেন আটকা পড়ে। ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী ঝুলন চক্রবর্তী ও রুনা চক্রবর্তী বলেন, আমরা প্রায় সময় বিভিন্ন কাজে ট্রেনে আসা-যাওয়া করি। সিলেট থেকে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত রেলপথ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই অঞ্চলে ট্রেন চলার সময় অনেক ভয় হয়। কোথাও দ্রুতগতিতে চলে আবার কোথাও ধীরগতিতে। রেলওয়ের তদারকির অভাবে রেলপথের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। পুরাতন এই লাইনকে নতুন করে মেরামতের দাবি জানান তারা।
  
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী -পথ- গুলজার আহমদ বলেন- রেলের এই সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। লাইনের সমস্যা সমাধানে আমরা সবসময় কাজ করি। রেলপথে হুক- ক্লিপসহ লাইন মেরামত নিয়মিত করে থাকি। লাউয়াছড়া বনাঞ্চলে যে মাঝে মধ্যে ট্রেন আটকা পরে এ রকম ঘটনা আগেও হয়েছে। এখনো হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টগুলো সবসময় কাজ করা হয়। হুক- ক্লিপ চুরি হলে সেগুলো আমরা দ্রুতই লাগানোর চেষ্টা করি।
  
কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রুমান আহমেদ- শ্রীমঙ্গল স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন ও ভানুগাছ স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন- ট্রেন আসার আগে লাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য যা যা প্রয়োজন আমরা তাই করি। আমাদের দায়িত্ব স্টেশনে। রেলপথ দেখাশোনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে। তবে পুরাতন কাঠের লাইন থেকে মাঝে মধ্যে হুক-ক্লিপ চুরি হয়। নতুন পাকা লাইন থেকে এগুলো কম চুরি হয়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কোথাও কোথাও লাইন বাকলিং হয়। এসব স্থানে আমারা পানি- কচুরিপানা বা কাদা মাটি ব্যবহার করি।
  
কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনের সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান বলেন- আমাদের আয়ত্তে যত রেললাইন আছে এগুলো আমরা নিয়মিত লোক পাঠিয়ে মেরামত করি। যেখানে প্রয়োজন সেখানে নতুন স্লিপার লাগানো হয়। রেললাইনের নাট বা ক্লিপ কোথাও না থাকলে আমরা এগুলো আবার লাগিয়ে দেই। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে তাপমাত্রা গেলে রেল লাইন মাঝে মধ্যে বাকলিং হয়। কারণ গরমে লোহা নরম হয়ে যায়। তবে অতিরিক্ত তাপমাত্রা হলে যেখানে প্রয়োজন সেখানে পানি বা কচুরিপানা ব্যবহার করি যাতে লাইন শীতল থাকে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন

নেই নাট ক্লিপ ঝুঁকি নিয়েই চলে -ট্রেন।।

আপডেট সময় : 08:48:54 am, Wednesday, 1 May 2024
মৌলভীবাজার-প্রতিনিধি।।
চুরি হচ্ছে নাট-বল্টু-ক্লিপ ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেনসিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত বেশকিছু পাহাড়ি এলাকা- ৮টি কালভার্ট ও সেতু ঝুঁকিপূর্ণ। এই পথ দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই চলছে ট্রেন। নাট-বল্টু বা ক্লিপ মাঝে মধ্যে পরিবর্তন করা হলেও রেললাইন সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। নাট-বল্টু বা ক্লিপার -ক্লিপ- না থাকায় তীব্র গরমে রেললাইন বেঁকে গিয়ে বাকলিং হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া নিয়মিত দেখাভালের অভাবে রেললাইনের ক্লিপ-হুক চুরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কোথাও নাট থাকলেও বল্টু নেই। সেখানে বল্টুর পরিবর্তে সুতো দিয়ে বাধা হয়েছে।
  
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত রেললাইনের শ্রীমঙ্গল- ভানুগাছ- শমশেরনগর- মনু- টিলাগাঁও- লংলা ও কুলাউড়াস্টেশনের মাঝে অনেক স্থানে ক্লিপ-হুক নেই। ক্লিপ- হুক- ফিশ প্লেটসহ লোহার যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবু কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা করছে না। অনেক স্থানে রেললাইনের স্লিপারে নেই নাট-বল্টু। কোথাও নাট থাকলে বল্টুর পরিবর্তে সুতো দিয়ে বাঁধা হয়েছে। মেরামতের জন্য পুরাতন কাট ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার পরও লাগানো হচ্ছে না। এগুলো জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নাট-বল্টু ও ক্লিপ না থাকার কারণে তীব্র গরমে লাইন বাকলিং হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুরাতন সেতু ও কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সংস্কার না হওয়ায় অনেক সময় বড় বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ট্রেন। ২০১৮ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সেতু ভেঙে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছর লাউয়াছড়ায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ট্রেনের কয়েকটি বগি উল্টে যায়। এ ছাড়া রেলপথ ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় লাউয়াছড়া উদ্যানের পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত ট্রেন আটকা পড়ে। ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী ঝুলন চক্রবর্তী ও রুনা চক্রবর্তী বলেন, আমরা প্রায় সময় বিভিন্ন কাজে ট্রেনে আসা-যাওয়া করি। সিলেট থেকে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত রেলপথ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই অঞ্চলে ট্রেন চলার সময় অনেক ভয় হয়। কোথাও দ্রুতগতিতে চলে আবার কোথাও ধীরগতিতে। রেলওয়ের তদারকির অভাবে রেলপথের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। পুরাতন এই লাইনকে নতুন করে মেরামতের দাবি জানান তারা।
  
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী -পথ- গুলজার আহমদ বলেন- রেলের এই সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। লাইনের সমস্যা সমাধানে আমরা সবসময় কাজ করি। রেলপথে হুক- ক্লিপসহ লাইন মেরামত নিয়মিত করে থাকি। লাউয়াছড়া বনাঞ্চলে যে মাঝে মধ্যে ট্রেন আটকা পরে এ রকম ঘটনা আগেও হয়েছে। এখনো হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টগুলো সবসময় কাজ করা হয়। হুক- ক্লিপ চুরি হলে সেগুলো আমরা দ্রুতই লাগানোর চেষ্টা করি।
  
কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রুমান আহমেদ- শ্রীমঙ্গল স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন ও ভানুগাছ স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন- ট্রেন আসার আগে লাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য যা যা প্রয়োজন আমরা তাই করি। আমাদের দায়িত্ব স্টেশনে। রেলপথ দেখাশোনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে। তবে পুরাতন কাঠের লাইন থেকে মাঝে মধ্যে হুক-ক্লিপ চুরি হয়। নতুন পাকা লাইন থেকে এগুলো কম চুরি হয়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কোথাও কোথাও লাইন বাকলিং হয়। এসব স্থানে আমারা পানি- কচুরিপানা বা কাদা মাটি ব্যবহার করি।
  
কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনের সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান বলেন- আমাদের আয়ত্তে যত রেললাইন আছে এগুলো আমরা নিয়মিত লোক পাঠিয়ে মেরামত করি। যেখানে প্রয়োজন সেখানে নতুন স্লিপার লাগানো হয়। রেললাইনের নাট বা ক্লিপ কোথাও না থাকলে আমরা এগুলো আবার লাগিয়ে দেই। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে তাপমাত্রা গেলে রেল লাইন মাঝে মধ্যে বাকলিং হয়। কারণ গরমে লোহা নরম হয়ে যায়। তবে অতিরিক্ত তাপমাত্রা হলে যেখানে প্রয়োজন সেখানে পানি বা কচুরিপানা ব্যবহার করি যাতে লাইন শীতল থাকে।