Dhaka , Monday, 15 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ঝিনাইগাতীতে কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণ ও প্রস্তাবিত স্থান বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন। মেয়রের উদ্যোগে নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ প্রযুক্তির আশীর্বাদ নাকি আসক্তি? নোমোফোবিয়া নিয়ে নতুন ভাবনা গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাগত প্রো-ভিসি নিয়োগ প্রত্যাখ্যান, শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন মুমূর্ষু রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে দুর্গাপুরে ব্লাড ব্যাংক স্থাপনের দাবি নোয়াখালীতে মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২ দেশব্যাপী২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তারেক রহমানের নির্দেশিত বেতাগীতে বর্ণাঢ্য উদ্বোধন মধুপুরে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন পলাশে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস,৩০০ ফুট পতাকা নিয়ে মিছিল জাজিরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন এমপি সাঈদ আহমেদ আসলাম রামগঞ্জে সম্পত্তি বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর পুড়ে ছাই রূপগঞ্জে কারখানায় দুর্ধর্ষ ডাকাতিতে কোটি টাকার মালামাল লুট জিয়াউর রহমান বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন:- অধ্যাপক নছরুল কদির সন্দ্বীপে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবলুসহ ২ জন গ্রেপ্তার শিশুদের ইউটিআইয়ের ঝুঁকি বাড়ায় যে টয়লেট অভ্যাসগুলো, জানালেন বিশেষজ্ঞ কিশোরীদের মধ্যে স্কিনকেয়ার আসক্তি, সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা ‘হামলা হবে না’ শর্তে ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড়ছে আমিরাত অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশন, যা বলছেন সৌম্য হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রতিটি গোলের বিপরীতে গাছ রোপণ: লালমনিরহাটে ‘অদম্য যুব সংগঠন’ এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ভোরের কাগজ সাংবাদিকের পরিবারকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন প্রতিমন্ত্রীর আকর্ষিক পরিদর্শন বাবার আদর্শকে ধারণ করে চট্টগ্রামবাসীর ভাগ্যবদলে সবসময় পাশে থাকব:- ডা. শাহাদাত হোসেন কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার মাদক বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়  ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে উৎসবমুখর নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা আনন্দ-উল্লাস আর গান-গল্প-আড্ডায় মাতলেন সবাই পাইকগাছায় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবৈধ ঝুকিপূর্ণ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল মধুপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

সুন্দরগঞ্জে মাইদুলের ১১ বিয়ে-বউয়ের সর্বস্ব লুঠে নিয়ে দেন তালা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:08:04 pm, Thursday, 25 April 2024
  • 129 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে মাইদুলের ১১ বিয়ে-বউয়ের সর্বস্ব লুঠে নিয়ে দেন তালা।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা-প্রতিনিধি।।
স্বামী পরিত্যাক্তা, অর্থ ও বিত্তশালী সুন্দরী নারীদের বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব লুঠে নিয়ে স্ত্রীদের তালাক দেয়া নেশা বা পেশা মো. মাইদুল ইসলামের। এভাবে ১১ জন নারীকে বিয়ে করে তাদের নিকট থেকে সুকৌশুলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে তালাক দিয়েছেন মাইদুল। তালাক দেয়া স্ত্রীদের নিকট থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে মাইদুল ইসলাম দুর্গম চরাঞ্চলে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের বসতবাড়ি, কিনেছেন ৪ টি মোটরসাইকেল, ২টি ট্র্যাক্টরসহ আরও অনেক কিছু। সেই সাথে তিস্তার সোলার প্ল্যানেল বাগিয়ে নিয়েছেন কর্মচারীর চাকরি। তবে এলাকার অনেকের দাবি মাইদুলের তালাক দেয়া স্ত্রীর সংখ্যা পনের ছাড়িয়ে যাবে। মাইদুল ইসলাম গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা তারাপুর ইউনিয়নের চরখোর্দ্দা গ্রামের মো. ছলিম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে। তালাক দেয়া ১১ জন স্ত্রীর মধ্যে ২ জন স্ত্রীর ৩ জন সন্তান রয়েছে। সন্তানরা তার মায়ের সাথে থাকেন।
সর্বশেষ তালাক দেয়া স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের আদালতে দায়ের করা মামলা এবং থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী একই ইউনিয়নের নাচনী ঘগোয়া গ্রামের মৃত্যু মহসীন আলীর স্বামী পরিত্যক্তা কন্যা মৌসুমী আক্তারকে ২ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন মাইদুল। বিয়ের পরপরই মৌসুমীর নিকট থেকে সুকৌশুলে পূর্বের স্বামী নিকট থেকে দেনমোহর ও ভরণ পোষন বাবদ জমা থাকা ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর মৌসুমীর নিকট আরও ২ লাখ টাকা দাবি করে। যা মোবাইলের মেসেজে সংরক্ষিত রয়েছে। টাকা না দিলে তাকেও তালাক দেয়ার হুমকি দেয় এবং চলতি মাসেই চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তালাকের কাগজ পাঠিয়ে দেয়। 
মৌসুমি আক্তারের বলেন, তথ্য গোপন করে মাইদুল তাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের ১৫ মাসের মধ্যে সে ৫ মাসও ঘরসংসার করতে পারেনি, তার শ্বশুড়, শ্বশুড়ি, ননদ, ও স্বামীর শারীরিক এবং মানষিক অত্যাচারে করে। বিয়ের পরে এক মাসের মাথায় তার নিকট থেকে ট্র্যাক্টর কেনার কথা বলে ৫ লাখ টাকা নেয়। গত ২মাস থেকে মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে এবং মৌখিকভাবে ২ লাখ টাকার দাবি করে। টাকা না দিলে তালাক দেয়ার হুমকি দেয়। সে মোতাকে গত এক সপ্তাহ হল তালাকের কাগজ পাঠিয়েছে। এনিয়ে  প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত এবং পরে থানায় অভিযোগ দিলে কোন সুরাহা করতে পারেনি তারা। এঘটনার পর সে জানতে পারে ১১ জনের বেশি স্ত্রীকে সে এভাবে তালাক দিয়েছে। তার সংগ্রহে চারজনের কাবিনের কাগজ রয়েছে। পিতাহারা অসহায়  মৌসুমী প্রশাসনসহ সমাজের নিকট ন্যায় বিচার চান। 
 
একই দাবি তালাকপ্রাপ্তা মনোয়ারা বেগম, নুরবানু বেগম-আফলী বেগম-শাপলা বেগম ও হাফিজা বেগমসহ অন্যাদের।  তালাকপ্রাপ্তা অনেকা মানবেতর জীবন যাপন করছে। একই কৌশুল অবলম্বন করে তাদের নিকট থেকেও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে তালাক দেয় মাইদুল।
স্থানীয় মো. আব্দুর রহিম মিয়ার বলেন, মাইদুল আসলেই একজন দুষ্ট প্রকৃতির ছেলে। সে দীর্ঘদিন থেকে বিত্ত, বৈভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসহায় সুন্দরী নারীদের বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়ে তালাক দেন। 
 
মাইদুল ইসলামের বলেন, যে সব নারীদের তালাক দেয়া হয়েছে, তারা  তার বাবা-মা-ভাই ও বোনদেরকে মেনে নিতে পারেনি। প্রতিনিয়ত সংসারের অশান্তি সৃষ্টি করেছিল। সে কারণে তাদেরকে তালাক দেয়া হয়েছে। তার দাবি সে চারজন স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। তবে তালাক দেয়া স্ত্রীদের নিকট থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলামের বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সে ১০ জন স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। সে কাউকে তোয়াক্কা করে না। স্বামী পরিত্যাক্তা সুন্দরী নারীদের বিয়ে করে তাদের নিকট থেকে যৌতুক বাবদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে তালাক দেন মাইদুল। সর্বশেষ মৌসুমী আক্তারের বিষয় নিয়ে একাধিক বার গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নোটিশ করে  হয়েছিল তাকে হাজির করা সম্ভাব হয়নি। 
থানার ওসি মো. মাহবুব আলম জানান-মৌসুমীর নিকট থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে বহুবার থানায় ডাকা হয়েছে। কিন্তু সে পুলিশের ডাকে সারা দেয়নি। থানায় মামলা করার মত অভিযোগ না থাকায় এজাহার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন মধ্যবর্তী স্থানে নির্মাণ ও প্রস্তাবিত স্থান বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন।

সুন্দরগঞ্জে মাইদুলের ১১ বিয়ে-বউয়ের সর্বস্ব লুঠে নিয়ে দেন তালা।।

আপডেট সময় : 02:08:04 pm, Thursday, 25 April 2024
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা-প্রতিনিধি।।
স্বামী পরিত্যাক্তা, অর্থ ও বিত্তশালী সুন্দরী নারীদের বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব লুঠে নিয়ে স্ত্রীদের তালাক দেয়া নেশা বা পেশা মো. মাইদুল ইসলামের। এভাবে ১১ জন নারীকে বিয়ে করে তাদের নিকট থেকে সুকৌশুলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে তালাক দিয়েছেন মাইদুল। তালাক দেয়া স্ত্রীদের নিকট থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে মাইদুল ইসলাম দুর্গম চরাঞ্চলে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের বসতবাড়ি, কিনেছেন ৪ টি মোটরসাইকেল, ২টি ট্র্যাক্টরসহ আরও অনেক কিছু। সেই সাথে তিস্তার সোলার প্ল্যানেল বাগিয়ে নিয়েছেন কর্মচারীর চাকরি। তবে এলাকার অনেকের দাবি মাইদুলের তালাক দেয়া স্ত্রীর সংখ্যা পনের ছাড়িয়ে যাবে। মাইদুল ইসলাম গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা তারাপুর ইউনিয়নের চরখোর্দ্দা গ্রামের মো. ছলিম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে। তালাক দেয়া ১১ জন স্ত্রীর মধ্যে ২ জন স্ত্রীর ৩ জন সন্তান রয়েছে। সন্তানরা তার মায়ের সাথে থাকেন।
সর্বশেষ তালাক দেয়া স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের আদালতে দায়ের করা মামলা এবং থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী একই ইউনিয়নের নাচনী ঘগোয়া গ্রামের মৃত্যু মহসীন আলীর স্বামী পরিত্যক্তা কন্যা মৌসুমী আক্তারকে ২ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন মাইদুল। বিয়ের পরপরই মৌসুমীর নিকট থেকে সুকৌশুলে পূর্বের স্বামী নিকট থেকে দেনমোহর ও ভরণ পোষন বাবদ জমা থাকা ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর মৌসুমীর নিকট আরও ২ লাখ টাকা দাবি করে। যা মোবাইলের মেসেজে সংরক্ষিত রয়েছে। টাকা না দিলে তাকেও তালাক দেয়ার হুমকি দেয় এবং চলতি মাসেই চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তালাকের কাগজ পাঠিয়ে দেয়। 
মৌসুমি আক্তারের বলেন, তথ্য গোপন করে মাইদুল তাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের ১৫ মাসের মধ্যে সে ৫ মাসও ঘরসংসার করতে পারেনি, তার শ্বশুড়, শ্বশুড়ি, ননদ, ও স্বামীর শারীরিক এবং মানষিক অত্যাচারে করে। বিয়ের পরে এক মাসের মাথায় তার নিকট থেকে ট্র্যাক্টর কেনার কথা বলে ৫ লাখ টাকা নেয়। গত ২মাস থেকে মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে এবং মৌখিকভাবে ২ লাখ টাকার দাবি করে। টাকা না দিলে তালাক দেয়ার হুমকি দেয়। সে মোতাকে গত এক সপ্তাহ হল তালাকের কাগজ পাঠিয়েছে। এনিয়ে  প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত এবং পরে থানায় অভিযোগ দিলে কোন সুরাহা করতে পারেনি তারা। এঘটনার পর সে জানতে পারে ১১ জনের বেশি স্ত্রীকে সে এভাবে তালাক দিয়েছে। তার সংগ্রহে চারজনের কাবিনের কাগজ রয়েছে। পিতাহারা অসহায়  মৌসুমী প্রশাসনসহ সমাজের নিকট ন্যায় বিচার চান। 
 
একই দাবি তালাকপ্রাপ্তা মনোয়ারা বেগম, নুরবানু বেগম-আফলী বেগম-শাপলা বেগম ও হাফিজা বেগমসহ অন্যাদের।  তালাকপ্রাপ্তা অনেকা মানবেতর জীবন যাপন করছে। একই কৌশুল অবলম্বন করে তাদের নিকট থেকেও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে তালাক দেয় মাইদুল।
স্থানীয় মো. আব্দুর রহিম মিয়ার বলেন, মাইদুল আসলেই একজন দুষ্ট প্রকৃতির ছেলে। সে দীর্ঘদিন থেকে বিত্ত, বৈভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসহায় সুন্দরী নারীদের বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়ে তালাক দেন। 
 
মাইদুল ইসলামের বলেন, যে সব নারীদের তালাক দেয়া হয়েছে, তারা  তার বাবা-মা-ভাই ও বোনদেরকে মেনে নিতে পারেনি। প্রতিনিয়ত সংসারের অশান্তি সৃষ্টি করেছিল। সে কারণে তাদেরকে তালাক দেয়া হয়েছে। তার দাবি সে চারজন স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। তবে তালাক দেয়া স্ত্রীদের নিকট থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলামের বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সে ১০ জন স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। সে কাউকে তোয়াক্কা করে না। স্বামী পরিত্যাক্তা সুন্দরী নারীদের বিয়ে করে তাদের নিকট থেকে যৌতুক বাবদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে তালাক দেন মাইদুল। সর্বশেষ মৌসুমী আক্তারের বিষয় নিয়ে একাধিক বার গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নোটিশ করে  হয়েছিল তাকে হাজির করা সম্ভাব হয়নি। 
থানার ওসি মো. মাহবুব আলম জানান-মৌসুমীর নিকট থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে বহুবার থানায় ডাকা হয়েছে। কিন্তু সে পুলিশের ডাকে সারা দেয়নি। থানায় মামলা করার মত অভিযোগ না থাকায় এজাহার।