Dhaka , Sunday, 20 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
গাজা ইস্যুতে মুখ খুললেন এড শিরান ১৯ দিনে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ন্যায়বিচার চাইলেন জামায়াত আমির আইফোন ছাড়াও অপ্রতিমকে হত্যার আরও যেসব কারণ জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিদেশ যাত্রীর গাড়িতে ডাকাতি, আহত ২ স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত রামগঞ্জের ভোলাকোট ইউনিয়নের ৫০ হাজার মানুষ রূপগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন ঠেকাতে বিএনপির বিক্ষোভ লায়ন্স হাসপাতালের উদ্যোগে আড়াইহাজারে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন শ্রীপুরে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন সুন্দর সমাজ গঠনে তরুণদের ক্রীড়ামুখী করার আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ইবিতে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের উদ্যোগে সিলেটে বৃক্ষ পরিচর্যা ক্যান্সার এখন মহামারি: বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে যুবদল-ছাত্রদলের মিছিল সিদ্ধিরগঞ্জে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা পাইকগাছায় ডেঙ্গুর ছোবলে নিভে গেল অপুর জীবন পাইকগাছায় আদর্শ লাইব্রেরির উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে পল্লীকবি জসীম উদ্দীন স্মৃতি গোল্ড মেডেল স্কলারশীপ প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত মিয়ানমারে পাচারকালে ১২ টন ইউরিয়া সার, রসুন-পেঁয়াজসহ আটক ১০ কর্ণফুলী ব্রিজ ও কেন্দ্রীয় কারাগারে দুটি ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার উদ্বোধন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাদকমুক্ত সমাজের বার্তা নিয়ে, দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন কক্সবাজারে ২৭ মামলার আসামি বাদলসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হাইস গাড়ি, দুই মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা জব্দ ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং বাংলাদেশী যৌন উত্তেজক সিরাপ সহ গ্রেফতার- ০১ ধর্মপাশায় পাইকুরাটি- সেলবরষ ইউনিয়ন প্রবাসী উন্নয়ন সমিতির নগদ অর্থ বিতরণ। সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জলসিঁড়ির সাথে ১০ গ্রামের মানুষের ৯ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ নিষিদ্ধ আ.লীগের নৈরাজের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম : গাজীপুরে পথসভায় শফিকুর রহমান 

অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ইবির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:13:27 pm, Saturday, 2 March 2024
  • 622 বার পড়া হয়েছে

অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ইবির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।।

ইবি প্রতিনিধি।।

 

কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত সততা ফোয়ারাটি। এছাড়া স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার এবং ‘মুক্ত বাংলা’ স্থাপনাসমূহেরও ঠিকমতো করা হয়না পরিচর্যা। অযত্ন অবহেলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাগুলো। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এগুলো পরিণত হয়েছে ধুমপায়ী ও মাদকসেবীদের আড্ডাখানায়।

জানা যায়, দীর্ঘ চার বছর ধরে পানির প্রবাহ নেই সততা ফোয়ারায়। ২০১৮ সালে প্রায় ২০লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় এটি। উদ্বোধনের পর কিছুদিন চললেও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বর্তমানে বিকল হয়ে পড়ে আছে। নিয়মিত পরিচর্যা না থাকায় ধুলোর আস্তরণে চাপা পড়ে ফোয়ারাটির এখন জরাজীর্ণ অবস্থা। সরেজমিনে দেখা যায়, ফোয়ারার ভেতরের দেয়ালে জন্ম নিয়েছে বটের চারা, যা দীর্ঘদিন ধরে কাটা হয়নি। ফলে নষ্ট হচ্ছে দেয়ালের স্থায়িত্ব। ফোয়ারার পাইপের ওপরের অংশে বেশ কিছু ট্যাপ ভাঙা। এছাড়া সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ব্যবহৃত লাইটগুলোর অনেকগুলো ভাঙা আর বাকি গুলো নষ্ট। এবং ফোয়ারার চারদিকের চত্বরের টাইলসগুলোরও অধিকাংশ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে অযত্ন অবহেলায় বেহাল অবস্থায় রয়েছে ফোয়ারার পাশে অবস্থিত স্মৃতিসৌধ এবং প্রধান ফটকের উত্তর পাশে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’ও। জাতীয় দিবসসমূহ ছাড়া এসব স্থাপনাগুলোর তেমন কোনো পরিচর্যা করা হয় না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এগুলো পরিণত হয়েছে ধুমপায়ী ও মাদকসেবীদের আড্ডাখানায়। সরিজমিনে দেখা যায়, সিগারেটের প্যাকেট আর উচ্ছিষ্টাংশে ভরে আছে স্থাপনাগুলো। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করায় ময়লা আবর্জনা ও ধুলোবালিতে একাকার হয়ে আছে। এগুলোর দেওয়াল এবং ফ্লোরে জন্ম নিয়েছে বিভিন্ন আগাছা ও বটের চারা। ফলে স্থাপনাগুলোর দেওয়াল এবং ফ্লোরগুলো অধিকাংশ জায়গায় ফেটে গেছে। নোংরা অবস্থায় পড়ে থাকায় জুতো পায়েই এগুলোতে উঠে যাচ্ছেন দর্শনার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা৷ এছাড়া স্থাপনাগুলোর আলোকসজ্জার জন্য ব্যবহৃত লাইটগুলোর সবগুলোই নষ্ট এবং ভাঙা। ফলে রাতের বেলা স্মৃতিসৌধটিতে কয়েকটি লাইট জ্বললেও মুক্তবাংলা সম্পূর্ণ অন্ধকারে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে স্থাপনা দুইটির চারপাশে বনজঙ্গলে ভরে গিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আদর হোসাইন বলেন, ‘সর্বশেষ ২০১৯ সালে ভর্তি পরীক্ষার সময় ফোয়ারাটি চালু দেখেছিলাম। এরপর দীর্ঘ চার বছরেও আর এটি চলতে দেখিনি। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এটি সংস্কার করে চালুর ব্যবস্থা করুক। অন্যদিকে কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে স্থাপনাগুলোরও বেহাল দশা। সেগুলোতে বিভিন্ন আগাছা এবং বটের চারা জন্মেছে দেখে মনে হয় কোনো পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ি। আসলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অযত্নের কোনো ঘাটতি নেই।’

আল ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মনির হোসেন বলেন, ‘দেখা যায় শুধুমাত্র জাতীয় দিবসগুলো আসলেই কেবল এই স্থাপনাগুলো ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হয়। এছাড়া তেমন পরিচর্যা করা হয় না। মেইন গেইটের সামনে হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি হয়তো সবসময় পরিষ্কার করে রাখা হয়। কিন্তু এটির অবস্থানও যদি অন্য স্থাপনাগুলোর মতো একটু বাইরের দিকে হতো তাহলে ম্যুরালটির কি দশা হতো তা সহজেই অনুমেয়।’

এদিকে লোকবল সংকট দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এস্টেট অফিসের প্রধান সামছুল ইসলাম। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরাতো যথাসময়ে কাজগুলো বন্টন করে দিচ্ছি। কিন্তু লোকবল সংকট থাকলেতো কিছু করার নেই। মাত্র ১১জন মালি রয়েছে।

ফোয়ারা চালুর বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী একেএম শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘করোনার সময় দীর্ঘ দুই বছর ফোয়ারাটি বন্ধ থাকায় এটার অনেকগুলো পার্ট নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন মটরগুলো মেরামতের কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ফোয়ারাটি চালুর চেষ্টা করবো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা ইস্যুতে মুখ খুললেন এড শিরান

অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ইবির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।।

আপডেট সময় : 02:13:27 pm, Saturday, 2 March 2024

ইবি প্রতিনিধি।।

 

কর্তৃপক্ষের রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত সততা ফোয়ারাটি। এছাড়া স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার এবং ‘মুক্ত বাংলা’ স্থাপনাসমূহেরও ঠিকমতো করা হয়না পরিচর্যা। অযত্ন অবহেলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাগুলো। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এগুলো পরিণত হয়েছে ধুমপায়ী ও মাদকসেবীদের আড্ডাখানায়।

জানা যায়, দীর্ঘ চার বছর ধরে পানির প্রবাহ নেই সততা ফোয়ারায়। ২০১৮ সালে প্রায় ২০লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় এটি। উদ্বোধনের পর কিছুদিন চললেও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বর্তমানে বিকল হয়ে পড়ে আছে। নিয়মিত পরিচর্যা না থাকায় ধুলোর আস্তরণে চাপা পড়ে ফোয়ারাটির এখন জরাজীর্ণ অবস্থা। সরেজমিনে দেখা যায়, ফোয়ারার ভেতরের দেয়ালে জন্ম নিয়েছে বটের চারা, যা দীর্ঘদিন ধরে কাটা হয়নি। ফলে নষ্ট হচ্ছে দেয়ালের স্থায়িত্ব। ফোয়ারার পাইপের ওপরের অংশে বেশ কিছু ট্যাপ ভাঙা। এছাড়া সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ব্যবহৃত লাইটগুলোর অনেকগুলো ভাঙা আর বাকি গুলো নষ্ট। এবং ফোয়ারার চারদিকের চত্বরের টাইলসগুলোরও অধিকাংশ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে অযত্ন অবহেলায় বেহাল অবস্থায় রয়েছে ফোয়ারার পাশে অবস্থিত স্মৃতিসৌধ এবং প্রধান ফটকের উত্তর পাশে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’ও। জাতীয় দিবসসমূহ ছাড়া এসব স্থাপনাগুলোর তেমন কোনো পরিচর্যা করা হয় না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় এগুলো পরিণত হয়েছে ধুমপায়ী ও মাদকসেবীদের আড্ডাখানায়। সরিজমিনে দেখা যায়, সিগারেটের প্যাকেট আর উচ্ছিষ্টাংশে ভরে আছে স্থাপনাগুলো। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করায় ময়লা আবর্জনা ও ধুলোবালিতে একাকার হয়ে আছে। এগুলোর দেওয়াল এবং ফ্লোরে জন্ম নিয়েছে বিভিন্ন আগাছা ও বটের চারা। ফলে স্থাপনাগুলোর দেওয়াল এবং ফ্লোরগুলো অধিকাংশ জায়গায় ফেটে গেছে। নোংরা অবস্থায় পড়ে থাকায় জুতো পায়েই এগুলোতে উঠে যাচ্ছেন দর্শনার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা৷ এছাড়া স্থাপনাগুলোর আলোকসজ্জার জন্য ব্যবহৃত লাইটগুলোর সবগুলোই নষ্ট এবং ভাঙা। ফলে রাতের বেলা স্মৃতিসৌধটিতে কয়েকটি লাইট জ্বললেও মুক্তবাংলা সম্পূর্ণ অন্ধকারে থাকতে দেখা যায়। অন্যদিকে স্থাপনা দুইটির চারপাশে বনজঙ্গলে ভরে গিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আদর হোসাইন বলেন, ‘সর্বশেষ ২০১৯ সালে ভর্তি পরীক্ষার সময় ফোয়ারাটি চালু দেখেছিলাম। এরপর দীর্ঘ চার বছরেও আর এটি চলতে দেখিনি। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এটি সংস্কার করে চালুর ব্যবস্থা করুক। অন্যদিকে কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে স্থাপনাগুলোরও বেহাল দশা। সেগুলোতে বিভিন্ন আগাছা এবং বটের চারা জন্মেছে দেখে মনে হয় কোনো পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ি। আসলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অযত্নের কোনো ঘাটতি নেই।’

আল ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মনির হোসেন বলেন, ‘দেখা যায় শুধুমাত্র জাতীয় দিবসগুলো আসলেই কেবল এই স্থাপনাগুলো ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হয়। এছাড়া তেমন পরিচর্যা করা হয় না। মেইন গেইটের সামনে হওয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি হয়তো সবসময় পরিষ্কার করে রাখা হয়। কিন্তু এটির অবস্থানও যদি অন্য স্থাপনাগুলোর মতো একটু বাইরের দিকে হতো তাহলে ম্যুরালটির কি দশা হতো তা সহজেই অনুমেয়।’

এদিকে লোকবল সংকট দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন এস্টেট অফিসের প্রধান সামছুল ইসলাম। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরাতো যথাসময়ে কাজগুলো বন্টন করে দিচ্ছি। কিন্তু লোকবল সংকট থাকলেতো কিছু করার নেই। মাত্র ১১জন মালি রয়েছে।

ফোয়ারা চালুর বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী একেএম শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘করোনার সময় দীর্ঘ দুই বছর ফোয়ারাটি বন্ধ থাকায় এটার অনেকগুলো পার্ট নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন মটরগুলো মেরামতের কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ফোয়ারাটি চালুর চেষ্টা করবো।