Dhaka , Tuesday, 18 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নেমে এলো সর্বনিম্নে চট্টগ্রামে নারীদের জন্য চালু হলো বিশেষ বাসসেবা আন্তর্জাতিক অ্যাবাকাস অলিম্পিয়াডে ‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস’ জোড়া মুকুট জয় রামু সেনানিবাসের শিক্ষার্থী আফিয়ার রূপগঞ্জে বিক্রমপুর স্টিলে বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার প্রমাণ পেয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেট দেখে ওষুধের দোকান বন্ধ করে পালালো ওষুধ ব্যবসায়ীরা ভোলায় বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ কাউখালীতে কাঠের ডাসার আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার ১৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ভাড়া নৈরাজ্য , ঘাটে ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ‘ভেঙে ভেঙে’ দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ কোম্পানীগঞ্জে মার্কেটে অগ্নিকান্ডে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি, ৯ দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হাটহাজারীতে দিনদুপুরে তরুণকে ধাওয়া করে গুলি রামুতে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী আটক নেত্রকোণায় ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্যের মহাসড়কে কোনো ধরনের থ্রি হুইলার চলতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাইল পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান: ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ৯ পাইকগাছায় টেকসই মৎস্য উৎপাদনে মতবিনিময় মধুপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হলদে পাখি’ সম্প্রসারণে মতবিনিময় সভা ঢাকায় নারীদের জন্য বিশেষ বাসসেবা চালু করছে বিআরটিসি প্রশিক্ষণ শেষে খালি হাতে ফিরবেন নারীরা, জানতে পেরেই উদ্যোগ নিলেন মানবিক ডিসি জাহিদ ভাতগ্রাম কে আর এস ইনস্টিটিউশনে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের অভিভাবকদের সংবর্ধনা পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে জনসচেতনতা জরুরি: রামুতে এমপি কাজল কক্সবাজার শহরের আবাসিক হোটেল থেকে ঢাকা মিরপুরের হানিফের মরদেহ উদ্ধার সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক: এবি পার্টি পে স্কেল নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে যা জানালেন মন্ত্রী দুর্গাপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত কলমাকান্দায় ৬ দফা দাবিতে উত্তাল সড়ক, দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ভাড়া নৈরাজ্য , ঘাটে ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ‘ভেঙে ভেঙে’ দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:00:41 pm, Tuesday, 18 August 2026
  • 4 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহাদ্দারহাট, চকবাজার হয়ে রিয়াজউদ্দীন বাজারের আমতল পর্যন্ত একসময় সরাসরি গাড়ি চলাচল করলেও এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে,
আমতল, তিন পুলের মাথা থেকে যাত্রী উঠিয়ে মাঝ পথে গাড়ির সমস্যার কথা বলে যাত্রী নামিয়ে আবার নতুন করে যাত্রী গাড়িতে তুলে ‘ভেঙে ভেঙে’ গন্তব্যে পৌঁছানোর কৌশলে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহদ্দারহাট ১৫ টাকা, বহদ্দারহাট থেকে চকবাজার ১০ টাকা, চকবাজার থেকে আনন্দকিল্লা ১৫ টাকা এবং আনন্দকিল্লা থেকে আমতল ১৫ টাকা—এভাবে কয়েক দফায় ভাড়া গুনতে গিয়ে একই যাত্রায় প্রায় ৪৫ টাকা বা তারও বেশি দিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ফুলতল-শাকপুরা পর্যন্ত দুপুরের দিকে ৪০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গ্যাস সংকটকে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণ হিসেবে দেখানো হলেও, সরকারি অনুমোদন ছাড়া এভাবে ভাড়া বাড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ, বোয়ালখালী-কালুরঘাট-কাপ্তাই রাস্তার মাথা রুটে চলাচলকারী কিছু টুকটুকি ও অন্যান্য যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র ও বিআরটিএ অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদি এসব যানবাহনের অনুমোদন না থাকে, তাহলে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করছে কীভাবে—এ প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে।
যাত্রীদের ভাষ্য, গাড়িচালকরা প্রথমে সরাসরি গন্তব্যে যাওয়ার কথা বললেও পথে গিয়ে বিভিন্ন ঘাটে যাত্রী নামিয়ে দেন। পরে আবার নতুন যাত্রী তুলে অন্য গাড়িতে পাঠানো হয়। ফলে যাত্রীরা একদিকে সময় হারাচ্ছেন, অন্যদিকে একই পথের জন্য বারবার ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ ব্যবস্থার পেছনে কথিত ‘সমিতি’, লাইনম্যান ও টোকেন ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। কারা গাড়ির লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন, কারা ভাড়া নির্ধারণ করেন এবং কোনো ধরনের টোকেন বা অর্থ আদায় হলে তার বৈধ ভিত্তি কী—তা তদন্ত করে প্রকাশ করা জরুরি।
আরও প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাফিক অভিযান পরিচালনার সময় কথিত সমিতির লোকজনের উপস্থিতি দেখা গেলে তারা কোন সরকারি বা আইনগত ক্ষমতাবলে সেখানে থাকেন। যানবাহনের বৈধতা, রুট পারমিট, ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স ও ভাড়া নির্ধারণ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়; কোনো বেসরকারি ব্যক্তি বা সংগঠনের নিজস্ব ‘আইন’ চালানোর সুযোগ থাকার কথা নয়।
স্থানীয়দের দাবি, কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত চালিয়ে প্রতিটি যানবাহনের কাগজপত্র, অনুমোদন, রুট পারমিট ও ভাড়া যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কথিত সমিতি ও লাইনম্যানদের কার্যক্রমের বৈধতাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সবশেষে প্রশ্ন একটাই—সড়কে চলবে সরকারি নির্ধারিত আইন, নাকি চালক-লাইনম্যান ও কথিত সমিতির ‘নিজস্ব আইন’? সরাসরি গণপরিবহন ও নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিত না হলে কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটসহ অন্যান্য সড়কে এইসব নৈরাজ্য যাত্রী হয়রানি বন্ধ হবে না—এমনটাই মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নেমে এলো সর্বনিম্নে

নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ভাড়া নৈরাজ্য , ঘাটে ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ‘ভেঙে ভেঙে’ দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : 06:00:41 pm, Tuesday, 18 August 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহাদ্দারহাট, চকবাজার হয়ে রিয়াজউদ্দীন বাজারের আমতল পর্যন্ত একসময় সরাসরি গাড়ি চলাচল করলেও এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে,
আমতল, তিন পুলের মাথা থেকে যাত্রী উঠিয়ে মাঝ পথে গাড়ির সমস্যার কথা বলে যাত্রী নামিয়ে আবার নতুন করে যাত্রী গাড়িতে তুলে ‘ভেঙে ভেঙে’ গন্তব্যে পৌঁছানোর কৌশলে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহদ্দারহাট ১৫ টাকা, বহদ্দারহাট থেকে চকবাজার ১০ টাকা, চকবাজার থেকে আনন্দকিল্লা ১৫ টাকা এবং আনন্দকিল্লা থেকে আমতল ১৫ টাকা—এভাবে কয়েক দফায় ভাড়া গুনতে গিয়ে একই যাত্রায় প্রায় ৪৫ টাকা বা তারও বেশি দিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ফুলতল-শাকপুরা পর্যন্ত দুপুরের দিকে ৪০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গ্যাস সংকটকে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণ হিসেবে দেখানো হলেও, সরকারি অনুমোদন ছাড়া এভাবে ভাড়া বাড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ, বোয়ালখালী-কালুরঘাট-কাপ্তাই রাস্তার মাথা রুটে চলাচলকারী কিছু টুকটুকি ও অন্যান্য যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র ও বিআরটিএ অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদি এসব যানবাহনের অনুমোদন না থাকে, তাহলে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করছে কীভাবে—এ প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে।
যাত্রীদের ভাষ্য, গাড়িচালকরা প্রথমে সরাসরি গন্তব্যে যাওয়ার কথা বললেও পথে গিয়ে বিভিন্ন ঘাটে যাত্রী নামিয়ে দেন। পরে আবার নতুন যাত্রী তুলে অন্য গাড়িতে পাঠানো হয়। ফলে যাত্রীরা একদিকে সময় হারাচ্ছেন, অন্যদিকে একই পথের জন্য বারবার ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ ব্যবস্থার পেছনে কথিত ‘সমিতি’, লাইনম্যান ও টোকেন ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। কারা গাড়ির লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন, কারা ভাড়া নির্ধারণ করেন এবং কোনো ধরনের টোকেন বা অর্থ আদায় হলে তার বৈধ ভিত্তি কী—তা তদন্ত করে প্রকাশ করা জরুরি।
আরও প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাফিক অভিযান পরিচালনার সময় কথিত সমিতির লোকজনের উপস্থিতি দেখা গেলে তারা কোন সরকারি বা আইনগত ক্ষমতাবলে সেখানে থাকেন। যানবাহনের বৈধতা, রুট পারমিট, ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স ও ভাড়া নির্ধারণ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়; কোনো বেসরকারি ব্যক্তি বা সংগঠনের নিজস্ব ‘আইন’ চালানোর সুযোগ থাকার কথা নয়।
স্থানীয়দের দাবি, কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত চালিয়ে প্রতিটি যানবাহনের কাগজপত্র, অনুমোদন, রুট পারমিট ও ভাড়া যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কথিত সমিতি ও লাইনম্যানদের কার্যক্রমের বৈধতাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সবশেষে প্রশ্ন একটাই—সড়কে চলবে সরকারি নির্ধারিত আইন, নাকি চালক-লাইনম্যান ও কথিত সমিতির ‘নিজস্ব আইন’? সরাসরি গণপরিবহন ও নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিত না হলে কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটসহ অন্যান্য সড়কে এইসব নৈরাজ্য যাত্রী হয়রানি বন্ধ হবে না—এমনটাই মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।