Dhaka , Tuesday, 3 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামের অপহরণ, ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর খুলনা আগমন উপলক্ষে পাইকগাছা বিএনপির প্রস্তুতি সভা রূপগঞ্জে পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ সকল বাধা পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে: বিসিএস ক্যাডার হিসেবে অমিত খানের নতুন যাত্রা আবার উত্তপ্ত বরিশালের চরকাউয়া: বাস ও ইজিবাইক শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে জিম্মি তিন উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ কক্সবাজার শিল্প ও বাণিজ্য মেলা ২০২৬-২৭-এর উদ্বোধন, প্রধান অতিথি এমপি লুৎফুর রহমান কাজল ধর্মপাশার সার অবৈধভাবে পাচারের সময় বারহাট্টা থানায় আটক পাইকগাছায় ভাসমান হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন এমপি; ৩ মাস সেবা পাবেন সুবিধাবঞ্চিতরা হলুদের সাজে তৌসিফ-সাফা, নতুন নাটকের দৃশ্য নাকি পারিবারিক অনুষ্ঠান? চট্টগ্রামে যুবদল কর্মী জীবন হত্যা মামলার প্রধান আসামি জুয়েলসহ গ্রেপ্তার ৩ পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় খোয়া যাওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার শাস্তির অপেক্ষায় ম্যান সিটি, হালান্ডের ক্লাব ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন বাবা যোগদানের পরই মধুপুর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশংসিত ওসি ফজলুল হক মাটির স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জৈব সারে ভর্তুকির আহ্বান ‎মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন নাবিকসহ ইরানি জাহাজ ছিনতাই করল সোমালিয়া জলদস্যুরা চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ পোশাকশিল্পে অস্থিরতার পেছনে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা শফিকুর রহমানের পাইকগাছায় দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প; চিকিৎসাসেবা পেলেন শত শত রোগী পবিত্র ধর্মগ্রন্থেই সম্প্রীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া রয়েছে – জহির উদ্দিন স্বপন এখন যারা আন্দোলনের নামে সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ডিবির অভিযানে দেশীয় তৈরি এলজি ও কার্তুজসহ একজন গ্রেপ্তার টেকনাফে এসআরবি-১৫ ও বিজিবির যৌথ অভিযান, ১ লাখ ২৯ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ আবুধাবি থেকে আনা স্বর্ণের ‘ডিম’ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় ফেরত নেওয়ার চেষ্টা! কাস্টমস গোয়েন্দার জালে ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার ৬টি স্বর্ণের ডিম! ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ১৭৭ কারখানায় ছুটি ঘোষণা ধর্মপাশায় বোরো জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর

নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ভাড়া নৈরাজ্য , ঘাটে ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ‘ভেঙে ভেঙে’ দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:00:41 pm, Tuesday, 18 August 2026
  • 55 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহাদ্দারহাট, চকবাজার হয়ে রিয়াজউদ্দীন বাজারের আমতল পর্যন্ত একসময় সরাসরি গাড়ি চলাচল করলেও এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে,
আমতল, তিন পুলের মাথা থেকে যাত্রী উঠিয়ে মাঝ পথে গাড়ির সমস্যার কথা বলে যাত্রী নামিয়ে আবার নতুন করে যাত্রী গাড়িতে তুলে ‘ভেঙে ভেঙে’ গন্তব্যে পৌঁছানোর কৌশলে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহদ্দারহাট ১৫ টাকা, বহদ্দারহাট থেকে চকবাজার ১০ টাকা, চকবাজার থেকে আনন্দকিল্লা ১৫ টাকা এবং আনন্দকিল্লা থেকে আমতল ১৫ টাকা—এভাবে কয়েক দফায় ভাড়া গুনতে গিয়ে একই যাত্রায় প্রায় ৪৫ টাকা বা তারও বেশি দিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ফুলতল-শাকপুরা পর্যন্ত দুপুরের দিকে ৪০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গ্যাস সংকটকে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণ হিসেবে দেখানো হলেও, সরকারি অনুমোদন ছাড়া এভাবে ভাড়া বাড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ, বোয়ালখালী-কালুরঘাট-কাপ্তাই রাস্তার মাথা রুটে চলাচলকারী কিছু টুকটুকি ও অন্যান্য যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র ও বিআরটিএ অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদি এসব যানবাহনের অনুমোদন না থাকে, তাহলে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করছে কীভাবে—এ প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে।
যাত্রীদের ভাষ্য, গাড়িচালকরা প্রথমে সরাসরি গন্তব্যে যাওয়ার কথা বললেও পথে গিয়ে বিভিন্ন ঘাটে যাত্রী নামিয়ে দেন। পরে আবার নতুন যাত্রী তুলে অন্য গাড়িতে পাঠানো হয়। ফলে যাত্রীরা একদিকে সময় হারাচ্ছেন, অন্যদিকে একই পথের জন্য বারবার ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ ব্যবস্থার পেছনে কথিত ‘সমিতি’, লাইনম্যান ও টোকেন ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। কারা গাড়ির লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন, কারা ভাড়া নির্ধারণ করেন এবং কোনো ধরনের টোকেন বা অর্থ আদায় হলে তার বৈধ ভিত্তি কী—তা তদন্ত করে প্রকাশ করা জরুরি।
আরও প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাফিক অভিযান পরিচালনার সময় কথিত সমিতির লোকজনের উপস্থিতি দেখা গেলে তারা কোন সরকারি বা আইনগত ক্ষমতাবলে সেখানে থাকেন। যানবাহনের বৈধতা, রুট পারমিট, ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স ও ভাড়া নির্ধারণ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়; কোনো বেসরকারি ব্যক্তি বা সংগঠনের নিজস্ব ‘আইন’ চালানোর সুযোগ থাকার কথা নয়।
স্থানীয়দের দাবি, কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত চালিয়ে প্রতিটি যানবাহনের কাগজপত্র, অনুমোদন, রুট পারমিট ও ভাড়া যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কথিত সমিতি ও লাইনম্যানদের কার্যক্রমের বৈধতাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সবশেষে প্রশ্ন একটাই—সড়কে চলবে সরকারি নির্ধারিত আইন, নাকি চালক-লাইনম্যান ও কথিত সমিতির ‘নিজস্ব আইন’? সরাসরি গণপরিবহন ও নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিত না হলে কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটসহ অন্যান্য সড়কে এইসব নৈরাজ্য যাত্রী হয়রানি বন্ধ হবে না—এমনটাই মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের অপহরণ, ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার

নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ভাড়া নৈরাজ্য , ঘাটে ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ‘ভেঙে ভেঙে’ দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : 06:00:41 pm, Tuesday, 18 August 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহাদ্দারহাট, চকবাজার হয়ে রিয়াজউদ্দীন বাজারের আমতল পর্যন্ত একসময় সরাসরি গাড়ি চলাচল করলেও এখন সেই চিত্র বদলে গেছে। অভিযোগ উঠেছে,
আমতল, তিন পুলের মাথা থেকে যাত্রী উঠিয়ে মাঝ পথে গাড়ির সমস্যার কথা বলে যাত্রী নামিয়ে আবার নতুন করে যাত্রী গাড়িতে তুলে ‘ভেঙে ভেঙে’ গন্তব্যে পৌঁছানোর কৌশলে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে বহদ্দারহাট ১৫ টাকা, বহদ্দারহাট থেকে চকবাজার ১০ টাকা, চকবাজার থেকে আনন্দকিল্লা ১৫ টাকা এবং আনন্দকিল্লা থেকে আমতল ১৫ টাকা—এভাবে কয়েক দফায় ভাড়া গুনতে গিয়ে একই যাত্রায় প্রায় ৪৫ টাকা বা তারও বেশি দিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে ফুলতল-শাকপুরা পর্যন্ত দুপুরের দিকে ৪০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গ্যাস সংকটকে অতিরিক্ত ভাড়ার কারণ হিসেবে দেখানো হলেও, সরকারি অনুমোদন ছাড়া এভাবে ভাড়া বাড়ানোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ, বোয়ালখালী-কালুরঘাট-কাপ্তাই রাস্তার মাথা রুটে চলাচলকারী কিছু টুকটুকি ও অন্যান্য যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র ও বিআরটিএ অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যদি এসব যানবাহনের অনুমোদন না থাকে, তাহলে নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করছে কীভাবে—এ প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে।
যাত্রীদের ভাষ্য, গাড়িচালকরা প্রথমে সরাসরি গন্তব্যে যাওয়ার কথা বললেও পথে গিয়ে বিভিন্ন ঘাটে যাত্রী নামিয়ে দেন। পরে আবার নতুন যাত্রী তুলে অন্য গাড়িতে পাঠানো হয়। ফলে যাত্রীরা একদিকে সময় হারাচ্ছেন, অন্যদিকে একই পথের জন্য বারবার ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এ ব্যবস্থার পেছনে কথিত ‘সমিতি’, লাইনম্যান ও টোকেন ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। কারা গাড়ির লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন, কারা ভাড়া নির্ধারণ করেন এবং কোনো ধরনের টোকেন বা অর্থ আদায় হলে তার বৈধ ভিত্তি কী—তা তদন্ত করে প্রকাশ করা জরুরি।
আরও প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাফিক অভিযান পরিচালনার সময় কথিত সমিতির লোকজনের উপস্থিতি দেখা গেলে তারা কোন সরকারি বা আইনগত ক্ষমতাবলে সেখানে থাকেন। যানবাহনের বৈধতা, রুট পারমিট, ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স ও ভাড়া নির্ধারণ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়; কোনো বেসরকারি ব্যক্তি বা সংগঠনের নিজস্ব ‘আইন’ চালানোর সুযোগ থাকার কথা নয়।
স্থানীয়দের দাবি, কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত চালিয়ে প্রতিটি যানবাহনের কাগজপত্র, অনুমোদন, রুট পারমিট ও ভাড়া যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে কথিত সমিতি ও লাইনম্যানদের কার্যক্রমের বৈধতাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
সবশেষে প্রশ্ন একটাই—সড়কে চলবে সরকারি নির্ধারিত আইন, নাকি চালক-লাইনম্যান ও কথিত সমিতির ‘নিজস্ব আইন’? সরাসরি গণপরিবহন ও নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিত না হলে কাপ্তাই রাস্তার মাথা-বোয়ালখালী রুটসহ অন্যান্য সড়কে এইসব নৈরাজ্য যাত্রী হয়রানি বন্ধ হবে না—এমনটাই মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।