Dhaka , Friday, 16 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেটের পর্যটনকে ব্যাপক প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে চালু হচ্ছে পর্যটন সম্পর্কিত মোবাইল অ্যাপ ফরিদপুরে দেড় কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, ২০ মামলার তথ্য পুলিশের দীঘিনালায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ৯ মণ্ডপ পরিদর্শন আলোচনায় অপু বিশ্বাসের ‘প্রিয় বন্ধু’, কে তিনি? সানচোকে দলে নিতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গেতাফের নোয়াখালীতে অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন বিতরণ নামাজ পড়ে ফেরা হলো না চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মেহরাজের রূপগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর সৌজন্য সাক্ষাৎ খুলশীতে ৬ কেজি গাঁজা ও বিদেশি মদসহ মাদক সম্রাট সোহাগ এসআরবি-৭’র হাতে আটক শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে:- হাটহাজারীতে ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পাইকগাছায় ১৫১ পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা; সম্প্রীতি রক্ষার আহ্বান এমপি ফাহমিদা হকের মদিনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার দাবি সৌদির বিশ্ব ডাক দিবসে সম্মাননা পেলেন ‘নগদ’-এর ৬ প্রতিনিধি সড়কে বেহাল গৌরনদী–বাবুগঞ্জে নদীভাঙনের হাহাকার: দ্রুত সমাধানের আশ্বাস স্বপনের, এলাকায় উদাসীন জয়নাল আবেদীন পাইকগাছার গজালিয়া কালুয়া আলিম মাদ্রাসার এডহক কমিটির- সভাপতি শরিফুল পাইকগাছায় মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান; জব্দ ৩টি ছান্দি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস ২৪ ঘণ্টায় পাইকগাছায় মাদক, জুয়া, নাশকতাসহ বিভিন্ন অপরাধে আটক ১৭ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে: ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ নারায়ণগঞ্জে ইজিবাইক চলাচলের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ একটি চক্র সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী ‘মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিত করতে চায় সরকার’ জাজিরায় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এমপির নির্দেশ রূপগঞ্জে শিক্ষিকার লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে ও হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন শীতলক্ষ্যায় কন্টেইনার পোর্ট নির্মাণ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষে সাজেকে ফের সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল মাদারীপুরে মানকচুর ওজন ৪০ কেজি, দেখতে মানুষের ভিড় নেত্রকোনার মদনে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ বিমান সেবা নিয়ে ক্ষুব্ধ অভিনেতা বললেন, ‘বেইমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’ সর্বকালের সেরা কে, জানালেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা

পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:03:39 pm, Thursday, 13 August 2026
  • 62 বার পড়া হয়েছে

দৈনিক আজকের বাংলা প্রতিবেদন,

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তিনি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে প্রায় পাঁচ বছর তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি পরাজিত হন।

ছাত্রজীবন ও রাজনীতির শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকাকালে ষাটের দশকে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের শুরু। সে সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ও তিনি সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সে সময় তাকে গ্রেফতার ও কারাবরণ করতে হয়।

সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে

১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে মির্জা ফখরুল সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও তার অবস্থান শক্তিশালী হয়।

কর্মজীবনের শুরু

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। সরকারি চাকরিজীবনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরে উপপরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিক জীবন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তাদের দুই মেয়ে—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় যুক্ত। ছোট মেয়ে সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পরিবার

মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যও ছিলেন।

তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভূমিমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস আর মির্জা মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও যুব শিবিরসংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকিতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার এবং জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের পর্যটনকে ব্যাপক প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে চালু হচ্ছে পর্যটন সম্পর্কিত মোবাইল অ্যাপ

পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : 07:03:39 pm, Thursday, 13 August 2026

দৈনিক আজকের বাংলা প্রতিবেদন,

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তিনি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে প্রায় পাঁচ বছর তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি পরাজিত হন।

ছাত্রজীবন ও রাজনীতির শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকাকালে ষাটের দশকে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের শুরু। সে সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ও তিনি সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সে সময় তাকে গ্রেফতার ও কারাবরণ করতে হয়।

সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে

১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে মির্জা ফখরুল সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও তার অবস্থান শক্তিশালী হয়।

কর্মজীবনের শুরু

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। সরকারি চাকরিজীবনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরে উপপরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিক জীবন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তাদের দুই মেয়ে—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় যুক্ত। ছোট মেয়ে সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পরিবার

মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যও ছিলেন।

তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভূমিমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস আর মির্জা মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও যুব শিবিরসংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকিতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার এবং জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন।