Dhaka , Thursday, 13 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত IMO ও EGMO পদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল যেসব অঞ্চলে ভারি বৃষ্টি হতে পারে জামিনের পর বাড়ি ফেরার পথে ফের গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নেতা হেড লাইন: উথলী-জাফরগঞ্জ সড়ক যেন মরণে- ফাঁদ, প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা তীব্র গরমে চা শ্রমিকদের পাশে ইস্পাহানী’র জেরিন চা বাগান ব্যবস্থাপক রূপগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত রূপগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ও যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার চউকের ফলোআপ বৈঠকে হাসপাতালগুলোর পার্কিং ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্যোগ নগরীর অগ্রনী ব্যাংক পিএলসি, লালদিঘী পূর্ব শাখার চার কোটি আটত্রিশ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় জড়িত প্রতারক চক্রের মূল ২ হোতা গ্রেফতার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামু গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত মধুপুরের জলছত্র হরিসভা মন্দিরে রাতের আঁধারে চুরি পলাশে ভূয়া সিভিল কোর্ট কমিশনার আটক জলাবদ্ধতা নিরসনে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধকরণে চসিক কমিটি গঠন নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ, চাষাড়া-পঞ্চবটি সড়ক সংস্কারের সিদ্ধান্ত চবিতে আরাফাত রহমান কোকো ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনের জন্মবার্ষিকীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী ও মীর হেলাল উদ্দিনের জন্মদিনে চবি ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল পাইকগাছায় জামায়াত নেতাকে হেনস্তার অভিযোগ; সালিসি বৈঠক হলো কাল জনদুর্ভোগে পাশে খন্দকার মোতালেব হোসেন, দ্রুত সংস্কারে স্বস্তি পেলেন কয়েকটি পরিবার মধুপুরে ১২০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস টাঙ্গাইলের মধুপুরে পারিবারিক বিরোধে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন সরাইলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৭জন কারাগারে চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি, আটক ২৪ রূপগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময়ের সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১,৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ লবণ বোঝাই বলগেট ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু মেয়র নির্বাচিত হলে প্রতিটি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করবো: ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই সিকদার সিলেটের রায়নগর মিতালি এলাকায় স্বামী স্ত্রী ও বাসার কাজের মেয়ে সহ ট্রিপল মার্ডার’র ঘটনা

পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:03:39 pm, Thursday, 13 August 2026
  • 7 বার পড়া হয়েছে

দৈনিক আজকের বাংলা প্রতিবেদন,

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তিনি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে প্রায় পাঁচ বছর তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি পরাজিত হন।

ছাত্রজীবন ও রাজনীতির শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকাকালে ষাটের দশকে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের শুরু। সে সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ও তিনি সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সে সময় তাকে গ্রেফতার ও কারাবরণ করতে হয়।

সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে

১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে মির্জা ফখরুল সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও তার অবস্থান শক্তিশালী হয়।

কর্মজীবনের শুরু

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। সরকারি চাকরিজীবনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরে উপপরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিক জীবন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তাদের দুই মেয়ে—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় যুক্ত। ছোট মেয়ে সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পরিবার

মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যও ছিলেন।

তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভূমিমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস আর মির্জা মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও যুব শিবিরসংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকিতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার এবং জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : 07:03:39 pm, Thursday, 13 August 2026

দৈনিক আজকের বাংলা প্রতিবেদন,

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব। ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তিনি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে প্রায় পাঁচ বছর তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। এরপর ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি পরাজিত হন।

ছাত্রজীবন ও রাজনীতির শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকাকালে ষাটের দশকে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের শুরু। সে সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ও তিনি সক্রিয় ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে সে সময় তাকে গ্রেফতার ও কারাবরণ করতে হয়।

সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে

১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে মির্জা ফখরুল সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও তার অবস্থান শক্তিশালী হয়।

কর্মজীবনের শুরু

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। সরকারি চাকরিজীবনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরে উপপরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিক জীবন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তাদের দুই মেয়ে—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় যুক্ত। ছোট মেয়ে সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং এর আগে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনৈতিক পরিবার

মির্জা ফখরুলের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যও ছিলেন।

তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ভূমিমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস আর মির্জা মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও যুব শিবিরসংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকিতেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার এবং জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায় পেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন।