Dhaka , Saturday, 11 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় সিভিল সার্জনের পরিদর্শন; পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানে গুরুত্বারোপ মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল – পলাশ সারকারখানার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি পাইকগাছায় নতুন কুঁড়ি ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ পাঁচলাইশের হামজা খাঁ লেইন ও সংলগ্ন আবাসিকে কিশোর গ্যাং ও মাদকের স্বর্গরাজ্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী আর্জেন্টিনার সংবাদ সম্মেলনে স্পেনকে নিয়ে প্রশ্ন ‘ফ্রান্সের স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত’ হালান্ড নাকি কেইন, কে এগিয়ে? আর্জেন্টিনার ম্যাচে যে কারণে ইংলিশ রেফারি ‘নিষিদ্ধ’ ইংলিশ পরীক্ষায় পাস করতে হালান্ডদের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ “দূষণ” পাইকগাছায় অসুস্থ ও অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও; চিকিৎসা সহায়তা প্রদান কাউখালীতে সেতু নির্মাণ লক্ষ্যে নদী ও গাবখান চ্যানেল এলাকা পরিদর্শন করলেন সেতু সচিব নরসিংদী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জের হাউলীপাড়া সমাজবাসীর উদ্যোগে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল মাসদাইরে আলফালা সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অতি বর্ষণে জলাবদ্ধ পাইকগাছা; জনজীবন বিপর্যস্ত পাইকগাছার সোলাদানায় ইউএনও’র পরিদর্শন; দুই স্কুলে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ মধুপুরের নরকোনা মসজিদে খন্দকার মোতালিব হোসেন এর জুমার নামাজ আদায় ত্রিপুরার টানা বৃষ্টিতে মনু নদীর পানি বৃদ্ধি, রাজনগরের মনসুরনগরে বন্যা—স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি নিখোঁজের একমাস পরেও সন্ধান মেলেনি রামগঞ্জের রাসেলের রামু উপজেলার ঈদগড়ে লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজ ৪ দিন পর সাজিদের মরদেহ উদ্ধার কক্সবাজার-ঢাকাগামী সেন্টমার্টিন ট্রাভেলসে ৯২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, হেল্পার আটক কাউয়ারখোপের বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখলেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা থানায় জমা দিয়ে পুরস্কৃত কক্সবাজার বিমানবন্দর আনসার ক্যাম্পের দুই সদস্য রূপগঞ্জে সরকারি খাল ভরাট করায় ৭ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ পানি বন্দী, চরম ভোগান্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে খোলা চিঠি: বন্যাবিধ্বস্ত বাঁশখালীর আর্তনাদ ও স্থায়ী সমাধানের আকুল আবেদন রেকর্ড বৃষ্টিপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষ পেলেন মেয়রের ত্রাণ সামগ্রী কোতোয়ালী এলাকায় বাসে ছিনতাইকারী চক্রের প্রধান ছোরা ও ১১টি ছিনতাইকৃত স্মার্টফোনসহ আটক

হালান্ড নাকি কেইন, কে এগিয়ে?

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:16:39 pm, Saturday, 11 July 2026
  • 5 বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক,

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ব্রাজিলকে বিদায় করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। এবার দুই দলের লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন দুই তারকা স্ট্রাইকার—হ্যারি কেইন ও আরলিং হালান্ড।

ইংল্যান্ড যদি সেমিফাইনালে উঠতে চায়, তাহলে অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে যেমন নিজের সেরাটা খেলতে হবে, তেমনি নরওয়ের গোলমেশিন হালান্ডকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিশ্বকাপে এগিয়ে হালান্ড

চলতি বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে এগিয়ে রয়েছেন আরলিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের ঠিক পেছনে অবস্থান করছেন।

বিশেষ বিষয় হলো, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বিশ্রাম পাওয়ায় অন্যদের তুলনায় একটি ম্যাচ কম খেলেই এই গোলসংখ্যা ছুঁয়েছেন হালান্ড। প্রতি ৯০ মিনিটে তার গোলের গড় ১.৮, যেখানে কেইনের গড় ১.২।

হালান্ডের সাতটি গোলই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। অন্যদিকে কেইনের ছয় গোলের মধ্যে দুটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। নরওয়েজিয়ান তারকা দুই পা ও মাথা—তিনভাবেই গোল করার সামর্থ্য দেখিয়েছেন।

মৌসুমে উজ্জ্বল ছিলেন কেইন

যদিও বিশ্বকাপে হালান্ড এগিয়ে, পুরো মৌসুমের হিসেবে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৭৩ গোল করেছেন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম। এই গোলগুলো বায়ার্নকে লিগ ও কাপ—দুই শিরোপা জিততেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এক মৌসুমে ৭৩ গোল করে লিওনেল মেসির ২০১১-১২ মৌসুমের ৮২ গোলের পর ইউরোপীয় ফুটবলে অন্যতম সেরা গোলস্কোরিং মৌসুম উপহার দিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

অন্যদিকে হালান্ডও পিছিয়ে নেই। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৩ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল। এর মধ্যে নরওয়ের জার্সিতেই মাত্র ১১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ২০।

জাতীয় দলের দুই রেকর্ডম্যান

২০২৪ সালের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচেই গোলশূন্য মাঠ ছাড়েননি হালান্ড। টানা ১৪ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করে তিনি গড়েছেন নতুন রেকর্ড। ৫৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার গোল এখন ৬২, যা নরওয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ১১৯ ম্যাচে ৮৫ গোল করে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে।

দলের খেলায় এগিয়ে কেইন

গোল করার ক্ষেত্রে হালান্ড এগিয়ে থাকলেও, দলের আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে কেইন। চলতি বিশ্বকাপে তার একটি অ্যাসিস্ট রয়েছে, যা গোল্ডেন বুটের সমতায় টাইব্রেকারে কাজে আসতে পারে।

গত মৌসুমেও সুযোগ তৈরি, পাস ও বলের স্পর্শ—সব পরিসংখ্যানেই হালান্ডকে ছাড়িয়ে গেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। আক্রমণের শেষভাগে গোল করার পাশাপাশি মাঝমাঠে নেমে খেলায় অবদান রাখার ক্ষেত্রেও তিনি বেশি কার্যকর।

তবে হালান্ডকে শুধু গোলদাতা ভাবার সুযোগ নেই। ক্লাব মৌসুমে কেইনের চেয়েও বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি, যা তার বহুমাত্রিক খেলোয়াড় হওয়ার প্রমাণ।

পেনাল্টিতেও দুজনই নির্ভরযোগ্য

ম্যাচ যদি টাইব্রেকারে গড়ায়, তাহলে দুই দলই ভরসা রাখতে পারে নিজেদের অধিনায়কদের ওপর। ক্যারিয়ারে ১২৩টি পেনাল্টির মধ্যে ১০৯টি গোল করেছেন কেইন, তার সফলতার হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে হালান্ড ৬৭টি স্পট কিকের মধ্যে ৫৭টিতে সফল হয়েছেন, যার সফলতার হার প্রায় ৮৫ শতাংশ।

সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড-নরওয়ে লড়াই শুধু দুই দলের নয়, দুই সময়ের সেরা দুই স্ট্রাইকারেরও মুখোমুখি হওয়া। একদিকে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হ্যারি কেইন, অন্যদিকে দুর্দান্ত গোলক্ষুধায় উজ্জ্বল আরলিং হালান্ড। শেষ পর্যন্ত কার হাসি ফুটবে, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় সিভিল সার্জনের পরিদর্শন; পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানে গুরুত্বারোপ

হালান্ড নাকি কেইন, কে এগিয়ে?

আপডেট সময় : 04:16:39 pm, Saturday, 11 July 2026

স্পোর্টস ডেস্ক,

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ব্রাজিলকে বিদায় করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। এবার দুই দলের লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন দুই তারকা স্ট্রাইকার—হ্যারি কেইন ও আরলিং হালান্ড।

ইংল্যান্ড যদি সেমিফাইনালে উঠতে চায়, তাহলে অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে যেমন নিজের সেরাটা খেলতে হবে, তেমনি নরওয়ের গোলমেশিন হালান্ডকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিশ্বকাপে এগিয়ে হালান্ড

চলতি বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে এগিয়ে রয়েছেন আরলিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের ঠিক পেছনে অবস্থান করছেন।

বিশেষ বিষয় হলো, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বিশ্রাম পাওয়ায় অন্যদের তুলনায় একটি ম্যাচ কম খেলেই এই গোলসংখ্যা ছুঁয়েছেন হালান্ড। প্রতি ৯০ মিনিটে তার গোলের গড় ১.৮, যেখানে কেইনের গড় ১.২।

হালান্ডের সাতটি গোলই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। অন্যদিকে কেইনের ছয় গোলের মধ্যে দুটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। নরওয়েজিয়ান তারকা দুই পা ও মাথা—তিনভাবেই গোল করার সামর্থ্য দেখিয়েছেন।

মৌসুমে উজ্জ্বল ছিলেন কেইন

যদিও বিশ্বকাপে হালান্ড এগিয়ে, পুরো মৌসুমের হিসেবে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৭৩ গোল করেছেন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম। এই গোলগুলো বায়ার্নকে লিগ ও কাপ—দুই শিরোপা জিততেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এক মৌসুমে ৭৩ গোল করে লিওনেল মেসির ২০১১-১২ মৌসুমের ৮২ গোলের পর ইউরোপীয় ফুটবলে অন্যতম সেরা গোলস্কোরিং মৌসুম উপহার দিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

অন্যদিকে হালান্ডও পিছিয়ে নেই। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৩ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল। এর মধ্যে নরওয়ের জার্সিতেই মাত্র ১১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ২০।

জাতীয় দলের দুই রেকর্ডম্যান

২০২৪ সালের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচেই গোলশূন্য মাঠ ছাড়েননি হালান্ড। টানা ১৪ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করে তিনি গড়েছেন নতুন রেকর্ড। ৫৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার গোল এখন ৬২, যা নরওয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ১১৯ ম্যাচে ৮৫ গোল করে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে।

দলের খেলায় এগিয়ে কেইন

গোল করার ক্ষেত্রে হালান্ড এগিয়ে থাকলেও, দলের আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে কেইন। চলতি বিশ্বকাপে তার একটি অ্যাসিস্ট রয়েছে, যা গোল্ডেন বুটের সমতায় টাইব্রেকারে কাজে আসতে পারে।

গত মৌসুমেও সুযোগ তৈরি, পাস ও বলের স্পর্শ—সব পরিসংখ্যানেই হালান্ডকে ছাড়িয়ে গেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। আক্রমণের শেষভাগে গোল করার পাশাপাশি মাঝমাঠে নেমে খেলায় অবদান রাখার ক্ষেত্রেও তিনি বেশি কার্যকর।

তবে হালান্ডকে শুধু গোলদাতা ভাবার সুযোগ নেই। ক্লাব মৌসুমে কেইনের চেয়েও বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি, যা তার বহুমাত্রিক খেলোয়াড় হওয়ার প্রমাণ।

পেনাল্টিতেও দুজনই নির্ভরযোগ্য

ম্যাচ যদি টাইব্রেকারে গড়ায়, তাহলে দুই দলই ভরসা রাখতে পারে নিজেদের অধিনায়কদের ওপর। ক্যারিয়ারে ১২৩টি পেনাল্টির মধ্যে ১০৯টি গোল করেছেন কেইন, তার সফলতার হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে হালান্ড ৬৭টি স্পট কিকের মধ্যে ৫৭টিতে সফল হয়েছেন, যার সফলতার হার প্রায় ৮৫ শতাংশ।

সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড-নরওয়ে লড়াই শুধু দুই দলের নয়, দুই সময়ের সেরা দুই স্ট্রাইকারেরও মুখোমুখি হওয়া। একদিকে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হ্যারি কেইন, অন্যদিকে দুর্দান্ত গোলক্ষুধায় উজ্জ্বল আরলিং হালান্ড। শেষ পর্যন্ত কার হাসি ফুটবে, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।