Dhaka , Wednesday, 26 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সুকেশকাণ্ড নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন নোরা ফাতেহি রামগঞ্জের ফরিদ ভূঁইয়া একাডেমিতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্‌যাপন রামগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পোর্ট সিটি সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষর্থীদের ফিল্ড ওয়ার্ক পলাশে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন মঈন খান মা-ছেলের নাচে মুগ্ধতা ছড়াল ইয়ামালের জন্মদিনের পার্টি মেয়েরা মাথায় হিজাব পরে, মনে নয়: হিজাব বিতর্কে ওয়েইসি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল ঝিনাইগাতীতে ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার অনুষ্ঠিত। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সিএমপি’র সার্বিক নিরাপত্তায় যথাযথ ধর্মীয় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হলো জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) বড়কাপনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও শান্তি মোবারক র‍্যালি কলমাকান্দায় কৃষি প্রযুক্তি মেলার সমাপনী দিনে বিজয়ী কৃষকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মহানবী (সা.)-এর আদর্শেই মানবিক সমাজ বিনির্মাণের আহ্বান: ভোলায় ঈদে মিলাদুন্নবীর আলোচনা চট্টগ্রামের ফ্লাইটে যাত্রী অসুস্থ, অবতরণের পর মৃত ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ মা বাবার ঠাঁই হয়নি ছেলেদের ঘরে জাজিরায় সীরাতুন্নবী উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সীরাত র‍্যালি সমাজ আছে, মানুষ আছে—শুধু কোথায় যেন হারিয়ে গেছে মানবিকতা? দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান,ডেপুটি স্পিকারের  উদ্যোগে নতুন ঘর পেলেন দরিদ্র হাজং পরিবার কলমাকান্দায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত কলমাকান্দায় হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ৩ দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদের গৌরবজনক অর্জন, রেঞ্জে দ্বিতীয়বার শ্রেষ্ঠ কলমাকান্দায় ক্ষোভ: সদ্য রোপণ করা ২০টি চারা গাছ উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা নোয়াখালীতে ওলামা মাশায়েখদের সাথে মতবিনিময় সভা করলো জামায়াতে ইসলামী   মোবাইল কেনার টাকা না পেয়ে কিশোরের আত্মহত্যা চিলমারীতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই – এটিএম কামরুল ইসলাম পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আগ্রহী: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মাদারীপুর রাজৈরে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার গ্রেফতার ১ অহনাকে নায়িকা বানাতে বাসায় গিয়েছিলেন মান্না, অতঃপর…

হালান্ড নাকি কেইন, কে এগিয়ে?

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:16:39 pm, Saturday, 11 July 2026
  • 58 বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক,

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ব্রাজিলকে বিদায় করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। এবার দুই দলের লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন দুই তারকা স্ট্রাইকার—হ্যারি কেইন ও আরলিং হালান্ড।

ইংল্যান্ড যদি সেমিফাইনালে উঠতে চায়, তাহলে অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে যেমন নিজের সেরাটা খেলতে হবে, তেমনি নরওয়ের গোলমেশিন হালান্ডকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিশ্বকাপে এগিয়ে হালান্ড

চলতি বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে এগিয়ে রয়েছেন আরলিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের ঠিক পেছনে অবস্থান করছেন।

বিশেষ বিষয় হলো, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বিশ্রাম পাওয়ায় অন্যদের তুলনায় একটি ম্যাচ কম খেলেই এই গোলসংখ্যা ছুঁয়েছেন হালান্ড। প্রতি ৯০ মিনিটে তার গোলের গড় ১.৮, যেখানে কেইনের গড় ১.২।

হালান্ডের সাতটি গোলই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। অন্যদিকে কেইনের ছয় গোলের মধ্যে দুটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। নরওয়েজিয়ান তারকা দুই পা ও মাথা—তিনভাবেই গোল করার সামর্থ্য দেখিয়েছেন।

মৌসুমে উজ্জ্বল ছিলেন কেইন

যদিও বিশ্বকাপে হালান্ড এগিয়ে, পুরো মৌসুমের হিসেবে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৭৩ গোল করেছেন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম। এই গোলগুলো বায়ার্নকে লিগ ও কাপ—দুই শিরোপা জিততেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এক মৌসুমে ৭৩ গোল করে লিওনেল মেসির ২০১১-১২ মৌসুমের ৮২ গোলের পর ইউরোপীয় ফুটবলে অন্যতম সেরা গোলস্কোরিং মৌসুম উপহার দিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

অন্যদিকে হালান্ডও পিছিয়ে নেই। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৩ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল। এর মধ্যে নরওয়ের জার্সিতেই মাত্র ১১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ২০।

জাতীয় দলের দুই রেকর্ডম্যান

২০২৪ সালের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচেই গোলশূন্য মাঠ ছাড়েননি হালান্ড। টানা ১৪ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করে তিনি গড়েছেন নতুন রেকর্ড। ৫৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার গোল এখন ৬২, যা নরওয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ১১৯ ম্যাচে ৮৫ গোল করে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে।

দলের খেলায় এগিয়ে কেইন

গোল করার ক্ষেত্রে হালান্ড এগিয়ে থাকলেও, দলের আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে কেইন। চলতি বিশ্বকাপে তার একটি অ্যাসিস্ট রয়েছে, যা গোল্ডেন বুটের সমতায় টাইব্রেকারে কাজে আসতে পারে।

গত মৌসুমেও সুযোগ তৈরি, পাস ও বলের স্পর্শ—সব পরিসংখ্যানেই হালান্ডকে ছাড়িয়ে গেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। আক্রমণের শেষভাগে গোল করার পাশাপাশি মাঝমাঠে নেমে খেলায় অবদান রাখার ক্ষেত্রেও তিনি বেশি কার্যকর।

তবে হালান্ডকে শুধু গোলদাতা ভাবার সুযোগ নেই। ক্লাব মৌসুমে কেইনের চেয়েও বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি, যা তার বহুমাত্রিক খেলোয়াড় হওয়ার প্রমাণ।

পেনাল্টিতেও দুজনই নির্ভরযোগ্য

ম্যাচ যদি টাইব্রেকারে গড়ায়, তাহলে দুই দলই ভরসা রাখতে পারে নিজেদের অধিনায়কদের ওপর। ক্যারিয়ারে ১২৩টি পেনাল্টির মধ্যে ১০৯টি গোল করেছেন কেইন, তার সফলতার হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে হালান্ড ৬৭টি স্পট কিকের মধ্যে ৫৭টিতে সফল হয়েছেন, যার সফলতার হার প্রায় ৮৫ শতাংশ।

সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড-নরওয়ে লড়াই শুধু দুই দলের নয়, দুই সময়ের সেরা দুই স্ট্রাইকারেরও মুখোমুখি হওয়া। একদিকে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হ্যারি কেইন, অন্যদিকে দুর্দান্ত গোলক্ষুধায় উজ্জ্বল আরলিং হালান্ড। শেষ পর্যন্ত কার হাসি ফুটবে, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সুকেশকাণ্ড নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন নোরা ফাতেহি

হালান্ড নাকি কেইন, কে এগিয়ে?

আপডেট সময় : 04:16:39 pm, Saturday, 11 July 2026

স্পোর্টস ডেস্ক,

শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে ব্রাজিলকে বিদায় করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। এবার দুই দলের লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন দুই তারকা স্ট্রাইকার—হ্যারি কেইন ও আরলিং হালান্ড।

ইংল্যান্ড যদি সেমিফাইনালে উঠতে চায়, তাহলে অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে যেমন নিজের সেরাটা খেলতে হবে, তেমনি নরওয়ের গোলমেশিন হালান্ডকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিশ্বকাপে এগিয়ে হালান্ড

চলতি বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে এগিয়ে রয়েছেন আরলিং হালান্ড। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের ঠিক পেছনে অবস্থান করছেন।

বিশেষ বিষয় হলো, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বিশ্রাম পাওয়ায় অন্যদের তুলনায় একটি ম্যাচ কম খেলেই এই গোলসংখ্যা ছুঁয়েছেন হালান্ড। প্রতি ৯০ মিনিটে তার গোলের গড় ১.৮, যেখানে কেইনের গড় ১.২।

হালান্ডের সাতটি গোলই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। অন্যদিকে কেইনের ছয় গোলের মধ্যে দুটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। নরওয়েজিয়ান তারকা দুই পা ও মাথা—তিনভাবেই গোল করার সামর্থ্য দেখিয়েছেন।

মৌসুমে উজ্জ্বল ছিলেন কেইন

যদিও বিশ্বকাপে হালান্ড এগিয়ে, পুরো মৌসুমের হিসেবে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৭৩ গোল করেছেন তিনি, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম। এই গোলগুলো বায়ার্নকে লিগ ও কাপ—দুই শিরোপা জিততেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এক মৌসুমে ৭৩ গোল করে লিওনেল মেসির ২০১১-১২ মৌসুমের ৮২ গোলের পর ইউরোপীয় ফুটবলে অন্যতম সেরা গোলস্কোরিং মৌসুম উপহার দিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

অন্যদিকে হালান্ডও পিছিয়ে নেই। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৩ ম্যাচে করেছেন ৫৮ গোল। এর মধ্যে নরওয়ের জার্সিতেই মাত্র ১১ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ২০।

জাতীয় দলের দুই রেকর্ডম্যান

২০২৪ সালের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচেই গোলশূন্য মাঠ ছাড়েননি হালান্ড। টানা ১৪ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করে তিনি গড়েছেন নতুন রেকর্ড। ৫৪ আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার গোল এখন ৬২, যা নরওয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ১১৯ ম্যাচে ৮৫ গোল করে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে।

দলের খেলায় এগিয়ে কেইন

গোল করার ক্ষেত্রে হালান্ড এগিয়ে থাকলেও, দলের আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে কেইন। চলতি বিশ্বকাপে তার একটি অ্যাসিস্ট রয়েছে, যা গোল্ডেন বুটের সমতায় টাইব্রেকারে কাজে আসতে পারে।

গত মৌসুমেও সুযোগ তৈরি, পাস ও বলের স্পর্শ—সব পরিসংখ্যানেই হালান্ডকে ছাড়িয়ে গেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। আক্রমণের শেষভাগে গোল করার পাশাপাশি মাঝমাঠে নেমে খেলায় অবদান রাখার ক্ষেত্রেও তিনি বেশি কার্যকর।

তবে হালান্ডকে শুধু গোলদাতা ভাবার সুযোগ নেই। ক্লাব মৌসুমে কেইনের চেয়েও বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি, যা তার বহুমাত্রিক খেলোয়াড় হওয়ার প্রমাণ।

পেনাল্টিতেও দুজনই নির্ভরযোগ্য

ম্যাচ যদি টাইব্রেকারে গড়ায়, তাহলে দুই দলই ভরসা রাখতে পারে নিজেদের অধিনায়কদের ওপর। ক্যারিয়ারে ১২৩টি পেনাল্টির মধ্যে ১০৯টি গোল করেছেন কেইন, তার সফলতার হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে হালান্ড ৬৭টি স্পট কিকের মধ্যে ৫৭টিতে সফল হয়েছেন, যার সফলতার হার প্রায় ৮৫ শতাংশ।

সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড-নরওয়ে লড়াই শুধু দুই দলের নয়, দুই সময়ের সেরা দুই স্ট্রাইকারেরও মুখোমুখি হওয়া। একদিকে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হ্যারি কেইন, অন্যদিকে দুর্দান্ত গোলক্ষুধায় উজ্জ্বল আরলিং হালান্ড। শেষ পর্যন্ত কার হাসি ফুটবে, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা।