Dhaka , Monday, 6 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন; পৌরসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনা মধুপুরে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড মধুপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত চাচাতো বোনকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড সিএনজি-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে আলিম পরীক্ষার্থীর মৃত্যু র‌্যালি-আলোচনা-বৃক্ষরোপণে পাইকগাছায় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত: বৃষ্টিতে ভিজে কর্মচারীর মাথায় ছাতা ধরলেন ইউএনও দুই দিনের টানা বর্ষণে নগরীতে সৃষ্টি হয়নি জলাবদ্ধতা, নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ, তেজগাঁও বস্তিতে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবির ৩টি সফল অভিযান: ২ লাখ টাকার ফেন্সিডিল ও ফেয়ারডিলসহ মাদক জব্দ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে উঠানে মাটিচাপা, জিডি করতে এসে স্বামীর গ্রেপ্তার ইউএনও’র হস্তক্ষেপে রডবিহীন সড়ক ভেঙে পুনর্নির্মাণ শুরু মেসি-এমবাপের পর হালান্ড, ইতিহাসে প্রথমবার এমন রেকর্ডের জন্ম ‘ব্রাজিলকে হারানো অসম্ভব’ বলা হালান্ড এখন যা বলছেন আনচেলত্তির ভুল পরিকল্পনায় ব্রাজিলের ভরাডুবি পেনাল্টির আগে কথার লড়াই, নরওয়ে গোলকিপারকে যা বলেছিলেন নেইমার ব্রাজিলের সাংবাদিক, ‘আর্জেন্টাইন বিমানকর্মী’ নিয়ে রসিকতা রোনালদোর দোহাজারী সাঙ্গু সেতুতে সড়ক বাতির দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি রূপগঞ্জে সামাজিক উদ্যোগে রোপণ করা সুপারি গাছ কাটার অভিযোগ প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মধুপুরে মাদক ব্যবসায়ীকে ১ বছরের কারাদণ্ড দেওভোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে অব্যাহতি ঘিরে উত্তেজনা, অবরুদ্ধ কয়েকজন পার্কভিউ হসপিটাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর নগরীর জেল রোডে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ, জরিমানা আদায় মির্জাপুরে কুকুর হামলায় মরছে হাঁস-মুরগি, ছাগল; আতঙ্কে মানুষ মির্জাপুরের বংশাই নদীর ভাঙ্গন রোধে ৪৫ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘সিটি সার্ভিস ইনকিউবেটর অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ উদ্বোধন চাঁদার টাকা না পেয়ে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২  বেড়াতে নিয়ে মামাতো বোনকে ধর্ষণ, ফুফাতো ভাই গ্রেপ্তার

দুই দিনের টানা বর্ষণে নগরীতে সৃষ্টি হয়নি জলাবদ্ধতা, নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:44:54 pm, Monday, 6 July 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

দুই দিনের টানা বর্ষণেও চট্টগ্রাম নগরীতে কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বর্ষাকালে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখতে চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, খাল-নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক তদারকির ইতিবাচক ফল হিসেবে তিনি এ পরিস্থিতিকে উল্লেখ করেন।

সোমবার সকালে চসিক মেয়র নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের বাস্তব চিত্র, খাল-নালা ও ড্রেনের পানি প্রবাহ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি চলমান কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাতের পরও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হওয়ায় কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। ফলে যান চলাচল ও জনজীবন স্বাভাবিক ছিল এবং নগরবাসীকে দীর্ঘসময় পানিবন্দি অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়নি।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অপসারণ এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের কারণেই টানা দুই দিনের বৃষ্টির পরও নগরীতে কোনো উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি।”

তিনি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সব বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। কোথাও পানি জমার খবর পাওয়া মাত্র সংশ্লিষ্ট টিম দ্রুত সেখানে গিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে। নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছি।”

মেয়র আরও বলেন, “জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নালা-নর্দমা, খাল কিংবা ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ও প্লাস্টিকজাত বর্জ্য ফেলা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, বর্ষা মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রাখতে হবে। যেসব এলাকায় অতীতে জলাবদ্ধতার প্রবণতা ছিল, সেসব স্থানে বিশেষ নজরদারি চালানোর পাশাপাশি খাল, নালা ও ড্রেনের পানি প্রবাহ সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় মেয়র বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের কাছ থেকে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নগরবাসীর যেকোনো অভিযোগ বা তথ্য দ্রুত যাচাই করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্ষা মৌসুমজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, খাল-নালা ও ড্রেন পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বিশেষ মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলীসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন; পৌরসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনা

দুই দিনের টানা বর্ষণে নগরীতে সৃষ্টি হয়নি জলাবদ্ধতা, নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 07:44:54 pm, Monday, 6 July 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

দুই দিনের টানা বর্ষণেও চট্টগ্রাম নগরীতে কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বর্ষাকালে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্ত রাখতে চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, খাল-নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক তদারকির ইতিবাচক ফল হিসেবে তিনি এ পরিস্থিতিকে উল্লেখ করেন।

সোমবার সকালে চসিক মেয়র নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের বাস্তব চিত্র, খাল-নালা ও ড্রেনের পানি প্রবাহ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানসমূহের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি চলমান কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, টানা দুই দিনের বৃষ্টিপাতের পরও নগরীর অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হওয়ায় কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। ফলে যান চলাচল ও জনজীবন স্বাভাবিক ছিল এবং নগরবাসীকে দীর্ঘসময় পানিবন্দি অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়নি।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অপসারণ এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের কারণেই টানা দুই দিনের বৃষ্টির পরও নগরীতে কোনো উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি।”

তিনি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সব বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। কোথাও পানি জমার খবর পাওয়া মাত্র সংশ্লিষ্ট টিম দ্রুত সেখানে গিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে। নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছি।”

মেয়র আরও বলেন, “জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নালা-নর্দমা, খাল কিংবা ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা ও প্লাস্টিকজাত বর্জ্য ফেলা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, বর্ষা মৌসুম শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রাখতে হবে। যেসব এলাকায় অতীতে জলাবদ্ধতার প্রবণতা ছিল, সেসব স্থানে বিশেষ নজরদারি চালানোর পাশাপাশি খাল, নালা ও ড্রেনের পানি প্রবাহ সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় মেয়র বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের কাছ থেকে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি সম্পর্কে মতামত নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নগরবাসীর যেকোনো অভিযোগ বা তথ্য দ্রুত যাচাই করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্ষা মৌসুমজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, খাল-নালা ও ড্রেন পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বিশেষ মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলীসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।