
অরবিন্দ রায়,
দেশের চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারনে দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহওম পরিবেশবান্ধন ২ হাজার ৮শ ৪০ মেঃটন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
সারকারখানার মহা-ব্যবস্হাপক ( প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম গনমাধ্যমকে জানান,
বুধবার বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয়।
কারখানা সূএে জানা যায়,পুরো শতভাগ উৎপাদনে চালু ছিল এ সারকারখানাটি । উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ২৮০০ মেঃটন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সারকারখানার
সার উৎপাদন সম্পূর্নভাবে গ্যাস নির্ভর একটি প্রক্রিয়া।
সূএে আরও জানা যায়, সারকারখানাটি গ্যাস সংকটে বন্ধ হওয়ার পর কারখানার গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেঃটন সার মজুত রয়েছে। সারকারখানাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়।গ্যাস পেলে কারখানায় আবার পুরোপুরি উৎপাদনে যাওয়া যাবে বলে এবং কবে নাগাদ গ্যাস পাওয়া যাবে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা।এদিকে পলাশের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
সারকারখানা বন্ধ থাকায় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। চাষাবাদের মৌসুমে সময় মত কৃষকরা জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারলে ধান উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েছে। সময় মতো সার না পেলে ফসলের ফলন কমে যেতে পারে। এতে কৃষক যেমন ক্ষতির মুখে পড়বেন, তেমনি খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সার উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্হাকে সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
























