Dhaka , Monday, 1 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শহীদ জিয়ার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন:- ডা. শাহাদাত হোসেন সিএমপি, কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে এক কোটি আটানব্বই লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার আশি টাকা আত্মসাৎ মামলায় ঘটনায় জড়িত আসামী গ্রেফতার পাইকগাছায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি মাওঃ আবুল কালাম আজাদ জুয়ার আসর নিয়ে বিরোধ: ঝগড়া থামাতে গিয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু বেগমগঞ্জে তরুণকে পিটিয়ে হত্যা; সন্দেহভাজনদের বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ কবিরহাটে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে ৫টি গরু ও ২৫টি ছাগল কুরবানি দিল আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন দীর্ঘ ঈদ-ছুটিতে অব্যাহত জরুরি সেবা : পেশাদারিত্বে অনন্য রূপগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ রেড মিট ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পরামর্শ রূপগঞ্জে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন টিকিটের টাকা নিয়ে উধাও বাস মালিকরা, নারায়ণগঞ্জে যাত্রীদের বিক্ষোভ জনদুর্ভোগে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির, নিজ টাকায় সড়ক মেরামত রামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি জঙ্গল সলিমপুরে ‘ইয়াসিন-ফারুক সাম্রাজ্য’! পাহাড়ের গুহায় অস্ত্র কারখানা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির অভিযোগ আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে ১৫ বিজিবি: ফুলবাড়ীতে মাদক স্পটে অভিযানে ৬০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ ‘হাটগুলোতে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে’: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জমিয়তুল ফালাহ ময়দান: চসিক মেয়র ঈদের ছুটিতে একসঙ্গে ফিরছিলেন বাড়ি, এবার পাশাপাশি কবরে শায়িত তারা কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: একদিন আগেও ছিল ঘর, আজ ফ্লাইওভারের নিচেই তাদের ঠিকানা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে ঈদুল আজহার জামাত রায়পুরায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নোয়াখালীতে নসিমন উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ শোয়ার আগে যে কাজটি করতে ভোলেন না ক্যাটরিনা

সুন্দরগঞ্জে পানি বেড়ে তিস্তায় ভাঙন বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:30:30 am, Monday, 30 September 2024
  • 446 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে পানি বেড়ে তিস্তায় ভাঙন বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
   
   
ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে আসা ঢলে পানি বেড়ে সুন্দরগঞ্জের তিস্তা নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে উঠতি আমন ক্ষেতসহ বিভিন্ন ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলিন হচ্ছে। গত দুই মাসে উপজেলা কাপাসিয়া- হরিপর- শ্রীপুর ও চন্ডিপুর  ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও অন্তত শতাধিক বসতবাড়ি তিস্তায় বিলিন হয়েছে। 
           
উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ালে বা বন্যা দেখা দিলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। যে ভাঙন চলতে থাকে মাসের পর মাস।  নদী পাড়ের মানুষের অভিযোগ- সরকার স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ, ড্রেজিং, নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি নদীতে বিলিন হচ্ছে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটিকাপাসিয়া গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানান- হঠাৎ করে গত এক সপ্তাহ ধরে তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে শতাধিক বিঘা জমির আমনক্ষেতসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি বলেন- নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রাণ বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
           
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের মোনারুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ২-৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হয়  আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মন্জু মিয়ার দাবি নদী খনন- ড্রেজিং- স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ীভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশেদুল কবির জানান- কাপাসিয়া শ্রীপুর- চন্ডিপুর  ও হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে তিস্তার ভাঙনে আমনক্ষেতসহ  অন্যান্য ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলি হচ্ছে। এতে করে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- কাপাশিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান- বিষয়টি তার জানা নাই। তবে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উপর মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

শহীদ জিয়ার দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গবেষণা সেল গঠন করা প্রয়োজন:- ডা. শাহাদাত হোসেন

সুন্দরগঞ্জে পানি বেড়ে তিস্তায় ভাঙন বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।।

আপডেট সময় : 10:30:30 am, Monday, 30 September 2024
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
   
   
ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে আসা ঢলে পানি বেড়ে সুন্দরগঞ্জের তিস্তা নদীতে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে উঠতি আমন ক্ষেতসহ বিভিন্ন ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলিন হচ্ছে। গত দুই মাসে উপজেলা কাপাসিয়া- হরিপর- শ্রীপুর ও চন্ডিপুর  ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও অন্তত শতাধিক বসতবাড়ি তিস্তায় বিলিন হয়েছে। 
           
উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ালে বা বন্যা দেখা দিলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। যে ভাঙন চলতে থাকে মাসের পর মাস।  নদী পাড়ের মানুষের অভিযোগ- সরকার স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ, ড্রেজিং, নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি নদীতে বিলিন হচ্ছে।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটিকাপাসিয়া গ্রামের কৃষক আকবর আলী জানান- হঠাৎ করে গত এক সপ্তাহ ধরে তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে শতাধিক বিঘা জমির আমনক্ষেতসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি বলেন- নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামন্য ত্রাণ বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
           
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের মোনারুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ২-৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হয়  আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
কাপাসিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মন্জু মিয়ার দাবি নদী খনন- ড্রেজিং- স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ীভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশেদুল কবির জানান- কাপাসিয়া শ্রীপুর- চন্ডিপুর  ও হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে তিস্তার ভাঙনে আমনক্ষেতসহ  অন্যান্য ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলি হচ্ছে। এতে করে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- কাপাশিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান- বিষয়টি তার জানা নাই। তবে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উপর মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।