Dhaka , Friday, 17 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নিখোঁজের ৮ মাস: তৃপ্তিকে ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে আহাজারি মায়ের। বঙ্গোপসাগর উপকূলে নৌকাডুবি, ৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গা নিহত কক্সবাজারে স্কুলছাত্র অপহরণ : রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার বন্যার্তদের সাহায্যার্থে বাঁশখালীতে ড্যাব, চট্টগ্রাম এর খাবার ও ঔষধ বিতরণ জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে চট্টগ্রাম সিএমপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পাচার সাতকানিয়া উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবর পাইকগাছায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত মধুপুরে জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় জুলাই শহিদ দিবস পালিত সম্পদের লোভে ওমান প্রবাসীর ওপর পৈশাচিকতা: ৫ দিন ঘরে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন। জুলাই ঐক্যে ফাটল ধরলে ক্ষতি হবে সবার: পুলিশ সুপার জনগণের প্রতি সরকার শতভাগ দায়বদ্ধ, বাঘাইছড়িতে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের নগরীর মুরাদপুরে ফুটবল ম্যাচ চলাকালে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে চরভদ্রাসনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১২ বছর পর আবারও বিয়ের পিঁড়িতে জেনিফার উইঙ্গেট ২০২৮ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কোচ থাকছেন টুখেল মসজিদে হামলার ছক, যুক্তরাজ্যে কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা এখন কি স্বর্ণে বিনিয়োগের সময়? জীবন দেব, তবু ‘চব্বিশকে’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে: আইজিপি দক্ষিণ মিঠাছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে শিশু সুরক্ষা কমিটির ত্রাণসামগ্রী বিতরণ জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮০০ নালা পরিস্কার করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বন্দর–ডবলমুরিং এলাকায় চাল বিতরণ, জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আশ্বাস চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা: উৎসুক জনতার ভিড়: পরে বন বিভাগে হস্তান্তর। রায়পুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক বাঁশখালীতে বন্যার্তদের মাঝে চবি ছাত্রদল নেতা হাসানের উপহারসামগ্রী বিতরণ জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু বেগমগ‌ঞ্জে ভোক্তা অ‌ধিকা‌রের অ‌ভিযান ; তিন প্রতিষ্ঠান‌কে ২৭ হাজার টাকা জ‌রিমানা

রামগঞ্জে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাড়ির কাছারি ঘর।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:18:20 pm, Sunday, 21 April 2024
  • 297 বার পড়া হয়েছে

রামগঞ্জে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাড়ির কাছারি ঘর।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর। নব্বই দশকের আগেও প্রায় সকল গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই ছিল কাছারি ঘর। আর এই কাছারি ঘর ছিল গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু কালের বিবর্তনে এই কাছারি ঘর সংস্কৃতি যেন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে কাচারি ঘর দেখা যায়  না।
কাচারী ঘর স্থাপিত হয় বাড়ির সামনে ঘাটায়। এতে বাড়ির সৌন্দর্য বাড়ায়। অতিথি, পথচারী,মুসাফির,সাক্ষাত প্রার্থী ও বাড়ির ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখার ঘর হিসেবে ব্যবহার হতো। এখন আধুনিকতার যুগে গ্রাম বাড়ির সৌন্দর্য কাচারী ঘর  সচারচর তেমন চোখে পড়ে না। 
জানাগেছে,এক  সময় গ্রাম-বাংলার অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থের অভিযাত্যের প্রতিক ছিল কাচারি ঘর। চারচালা টিনের অথবা শনের ছাউনি দিয়ে বাড়ির সামনে তৈরী হতো এ ঘর। কাচারী ঘরে থাকতেন আবাসিক গৃহশিক্ষক -লজিং মাস্টার-। সকাল বেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। এছাড়া সালিশ বৈঠক গল্প আড্ডা,পথচারী ও মুসাফিরদের বিশ্রামগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো কাছারি ঘর। রামগঞ্জ উপজেলায় কয়েকটি বাড়িতে এখনো ঐতিহ্যবাহি পুরোনো কাচারি ঘর কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে  আছে। পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শ্রীপুর পাটওয়ারী বাড়ির বাসিন্দা মনোয়ার ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, চারদিকে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগায় পৌরসভাসহ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বাড়ির সামনে এখনো পুরোনো সংস্কৃতি এ কাচারি ঘর স্মৃতি হিসেবে ধরে রেখেছে। রামগঞ্জ  প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি  মাহমুদ ফারুক বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষের নানা স্মৃতি বিজড়িত এ কাচারি ঘর সত্যই প্রাচীন কালের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। কিন্তু  আজ তা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের ৮ মাস: তৃপ্তিকে ফিরে পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে আহাজারি মায়ের।

রামগঞ্জে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাড়ির কাছারি ঘর।।

আপডেট সময় : 12:18:20 pm, Sunday, 21 April 2024
মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কাচারি ঘর। নব্বই দশকের আগেও প্রায় সকল গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই ছিল কাছারি ঘর। আর এই কাছারি ঘর ছিল গ্রাম বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু কালের বিবর্তনে এই কাছারি ঘর সংস্কৃতি যেন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে কাচারি ঘর দেখা যায়  না।
কাচারী ঘর স্থাপিত হয় বাড়ির সামনে ঘাটায়। এতে বাড়ির সৌন্দর্য বাড়ায়। অতিথি, পথচারী,মুসাফির,সাক্ষাত প্রার্থী ও বাড়ির ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখার ঘর হিসেবে ব্যবহার হতো। এখন আধুনিকতার যুগে গ্রাম বাড়ির সৌন্দর্য কাচারী ঘর  সচারচর তেমন চোখে পড়ে না। 
জানাগেছে,এক  সময় গ্রাম-বাংলার অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থের অভিযাত্যের প্রতিক ছিল কাচারি ঘর। চারচালা টিনের অথবা শনের ছাউনি দিয়ে বাড়ির সামনে তৈরী হতো এ ঘর। কাচারী ঘরে থাকতেন আবাসিক গৃহশিক্ষক -লজিং মাস্টার-। সকাল বেলা মক্তব হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। এছাড়া সালিশ বৈঠক গল্প আড্ডা,পথচারী ও মুসাফিরদের বিশ্রামগার হিসেবে ব্যবহৃত হতো কাছারি ঘর। রামগঞ্জ উপজেলায় কয়েকটি বাড়িতে এখনো ঐতিহ্যবাহি পুরোনো কাচারি ঘর কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে  আছে। পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শ্রীপুর পাটওয়ারী বাড়ির বাসিন্দা মনোয়ার ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, চারদিকে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগায় পৌরসভাসহ উপজেলার কয়েকটি গ্রামের বাড়ির সামনে এখনো পুরোনো সংস্কৃতি এ কাচারি ঘর স্মৃতি হিসেবে ধরে রেখেছে। রামগঞ্জ  প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি  মাহমুদ ফারুক বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষের নানা স্মৃতি বিজড়িত এ কাচারি ঘর সত্যই প্রাচীন কালের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। কিন্তু  আজ তা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে।