Dhaka , Saturday, 11 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি অ্যাটর্নি জেনারেলের ছবি ও ‘কণ্ঠ নকল’ করে ৬০ হাজার টাকার প্রতারণা গাছ রোপণ থেকে অধিক ফলনের প্রশিক্ষণসহ ২০ বছরের সেবা ফ্রি! ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি আফ্রিকার যে ভূমিতে প্রথম হিজরত করেছিলেন সাহাবিরা ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত সুবিধা বন্ধ করল মেটা ৩২ হাজার প্রতিযোগীকে টপকে হয়েছেন ‘মোয়ানা’, কে এই তরুণী? হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক আমানতকারীরা, দুশ্চিন্তার কিছু নেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা চলছে পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র মধুপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঝিলংজার পূর্ব লারপাড়ার রোকসানা ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে ৪ সংসদীয় আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি গঠন হবে:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে:- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় সিভিল সার্জনের পরিদর্শন; পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানে গুরুত্বারোপ মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল – পলাশ সারকারখানার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি পাইকগাছায় নতুন কুঁড়ি ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ পাঁচলাইশের হামজা খাঁ লেইন ও সংলগ্ন আবাসিকে কিশোর গ্যাং ও মাদকের স্বর্গরাজ্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী আর্জেন্টিনার সংবাদ সম্মেলনে স্পেনকে নিয়ে প্রশ্ন ‘ফ্রান্সের স্পেনকে ভয় পাওয়া উচিত’ হালান্ড নাকি কেইন, কে এগিয়ে? আর্জেন্টিনার ম্যাচে যে কারণে ইংলিশ রেফারি ‘নিষিদ্ধ’ ইংলিশ পরীক্ষায় পাস করতে হালান্ডদের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ “দূষণ” পাইকগাছায় অসুস্থ ও অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও; চিকিৎসা সহায়তা প্রদান

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:30:48 pm, Saturday, 11 July 2026
  • 1 বার পড়া হয়েছে

আইটি ডেস্ক,

পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট এবং ফেডারেশন অব আরব স্কুলের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী অবৈধ (হারাম) ঘোষণা করে একটি বিস্তারিত ফতোয়া জারি করেছেন।

ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইসলামি শরিয়াহর দৃষ্টিতে ‘মাল’ (সম্পদ) হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে না। ফলে এটি বৈধ সম্পদ হিসেবে কেনাবেচা বা লেনদেনের উপযুক্ত নয়।

মুফতি তাকি উসমানি উল্লেখ করেন, বর্তমান পর্যন্ত বিশেষজ্ঞদের মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো বাস্তব বা শরিয়াহ-স্বীকৃত সম্পদ নয়; বরং এটি ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত কিছু সংখ্যার সমষ্টি, যার নিজস্ব বাস্তব অস্তিত্ব বা অন্তর্নিহিত মূল্য নেই।

ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, ইসলামি আইনে মালিকানার জন্য যে মৌলিক শর্তগুলো পূরণ করা আবশ্যক, ক্রিপ্টোকারেন্সি সেগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই এর মাধ্যমে পরিচালিত যেকোনো ক্রয়-বিক্রয় শরিয়াহসম্মত বৈধ লেনদেন হিসেবে গণ্য হবে না।

এই রুলিং অনুযায়ী, বিটকয়েন, ইউএসডিটি (USDT), বিভিন্ন স্টেবলকয়েনসহ যেকোনো ধরনের ক্রিপ্টো টোকেনের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা আর্থিক লেনদেন শরিয়াহসম্মত নয়। ভার্চুয়াল কারেন্সি, ক্রিপ্টো টোকেন কিংবা স্টেবলকয়েন—যে নামেই পরিচিত হোক না কেন, সব ধরনের ডিজিটাল সম্পদের ক্ষেত্রেই একই শরিয়াহ বিধান প্রযোজ্য বলে ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ফতোয়া প্রদানকারী আলেমদের মতে, ইসলামি ফিকহে বৈধ সম্পদ ও মালিকানার যে সংজ্ঞা রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি তা পূরণ করতে ব্যর্থ। ফলে শরিয়াহর দৃষ্টিতে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ, ট্রেডিং বা লেনদেন বৈধ নয়।

বিশ্বজুড়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির শরিয়াহসম্মত বৈধতা নিয়ে ইসলামি অর্থনীতিবিদ ও আলেমদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য রয়েছে। মুফতি তাকি উসমানির এই ফতোয়া সেই চলমান বিতর্কে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য যে, বিভিন্ন দেশের ও বিভিন্ন ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কিছু আলেম নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কিছু ধরনের ডিজিটাল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ বলেও মত দিয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখনও ইসলামি ফিকহের আলোচনায় বিতর্কিত একটি ইস্যু হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি

আপডেট সময় : 09:30:48 pm, Saturday, 11 July 2026

আইটি ডেস্ক,

পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট এবং ফেডারেশন অব আরব স্কুলের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী অবৈধ (হারাম) ঘোষণা করে একটি বিস্তারিত ফতোয়া জারি করেছেন।

ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইসলামি শরিয়াহর দৃষ্টিতে ‘মাল’ (সম্পদ) হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে না। ফলে এটি বৈধ সম্পদ হিসেবে কেনাবেচা বা লেনদেনের উপযুক্ত নয়।

মুফতি তাকি উসমানি উল্লেখ করেন, বর্তমান পর্যন্ত বিশেষজ্ঞদের মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো বাস্তব বা শরিয়াহ-স্বীকৃত সম্পদ নয়; বরং এটি ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত কিছু সংখ্যার সমষ্টি, যার নিজস্ব বাস্তব অস্তিত্ব বা অন্তর্নিহিত মূল্য নেই।

ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, ইসলামি আইনে মালিকানার জন্য যে মৌলিক শর্তগুলো পূরণ করা আবশ্যক, ক্রিপ্টোকারেন্সি সেগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই এর মাধ্যমে পরিচালিত যেকোনো ক্রয়-বিক্রয় শরিয়াহসম্মত বৈধ লেনদেন হিসেবে গণ্য হবে না।

এই রুলিং অনুযায়ী, বিটকয়েন, ইউএসডিটি (USDT), বিভিন্ন স্টেবলকয়েনসহ যেকোনো ধরনের ক্রিপ্টো টোকেনের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা আর্থিক লেনদেন শরিয়াহসম্মত নয়। ভার্চুয়াল কারেন্সি, ক্রিপ্টো টোকেন কিংবা স্টেবলকয়েন—যে নামেই পরিচিত হোক না কেন, সব ধরনের ডিজিটাল সম্পদের ক্ষেত্রেই একই শরিয়াহ বিধান প্রযোজ্য বলে ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ফতোয়া প্রদানকারী আলেমদের মতে, ইসলামি ফিকহে বৈধ সম্পদ ও মালিকানার যে সংজ্ঞা রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি তা পূরণ করতে ব্যর্থ। ফলে শরিয়াহর দৃষ্টিতে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ, ট্রেডিং বা লেনদেন বৈধ নয়।

বিশ্বজুড়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির শরিয়াহসম্মত বৈধতা নিয়ে ইসলামি অর্থনীতিবিদ ও আলেমদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য রয়েছে। মুফতি তাকি উসমানির এই ফতোয়া সেই চলমান বিতর্কে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য যে, বিভিন্ন দেশের ও বিভিন্ন ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কিছু আলেম নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কিছু ধরনের ডিজিটাল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ বলেও মত দিয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখনও ইসলামি ফিকহের আলোচনায় বিতর্কিত একটি ইস্যু হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।