Dhaka , Wednesday, 4 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষে প্রশাসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন খাল খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করা হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম–৯ আসনে ধানের শীষের পক্ষে ডোর টু ডোর প্রচারণা চবিতে প্রাণনাশের ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় সাংবাদিক, সংবাদ প্রকাশের জেরে হুমকি নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে রূপগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: জামায়াত আমির পাবনায় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ১৫ দিনের কারাদণ্ড কুড়িগ্রামে জামায়াত আমিরের অপেক্ষায় কানায় কানায় পূর্ণ জনসভার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠ। কালিয়াকৈরে কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক দিনব্যাপী মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শেরপুর ৩ আসনে জামায়াতের মাননীয় প্রার্থী মৃত্যু। চট্টগ্রাম নগরীর ধর্ষণকারী জুয়েল দাশকে খুঁজছেন পুলিশ শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত সোমেশ্বর অলি নৌকার তলা ফুটা হয়ে গেছে—নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মন্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় নরসিংদী আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১ , আহত ১০ ইবির গুম হওয়া দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর সন্ধানে মানববন্ধন বিএনপি প্রার্থী দিপু ভুঁইয়ার উদ্যোগে রূপগঞ্জে ৪ সহস্রাধিক রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান মৌলভীবাজার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শবে বরাতের রাতে মৌলভীবাজারের বুদ্ধিমন্তপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে মারা গেছে অর্ধশতাধিক গবাদিপশু লালমনিরহাটে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির সন্দেহ: ভাইভা বোর্ড থেকে আটক ৩ জুলাই যোদ্ধাদের  রক্তের সাথে বেইমানী করলে আল্লাহ ক্ষমা করবে না: ইয়াসিন আলী  কর্মজীবী নারীদের নিয়ে মন্তব্যের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ আমাদের অংগীকার দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়া: ডা. শফিকুর রহমান হরিপুরে ৯ম পে-স্কেল ও ৭ দফা দাবিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ভুয়া সার্টিফিকেটে সনদ  ও চাকরিজীবীর দলিল লেখক নিবন্ধন বাতিলের অভিযোগ ঝালকাঠিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ছাত্রশিবিরের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কয়লা দূষণ, শিল্প দূষণ বন্ধ করে সুন্দরবন জলাভূমি রক্ষা করো “চন্দনাইশে বিদ্যালয়ে কার্মচারীকে রাজকীয় বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন” কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব। সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে-নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় কাদের গনি চৌধুরী।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:33:19 pm, Sunday, 1 February 2026
  • 59 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে কেউ কেউ হস্তক্ষেপ করতে চায়। আমি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—এই প্রেসক্লাব চলবে প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতামতে; কোনো দল বা সরকারের মতামতে নয়, কোনো উপদেষ্টার মতামতে নয়।

শনিবার সন্ধ্যায় ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের কোনো প্রতিষ্ঠানে দিকে হাত বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না, হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এটা কোনো দলের কার্যালয় হবে না। কোনো দলের ইঙ্গিতে এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না, কোনো সরকার বা উপদেষ্টার ইচ্ছায় এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না। এই প্রেসক্লাব একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এই প্রেসক্লাব চলবে এখানকার সদস্যরা মিলে যে সিদ্ধান্ত নিবেন, এখানকার যে গঠনতন্ত্র আছে সেই অনুযায়ী; যেভাবে জাতীয় প্রেসক্লাব চলছে। এখানে বক্রচক্ষে দেখার কেউ চেষ্টা করবেন না। আমরা সেটা থামিয়ে দিতে জানি এবং থামিয়ে দেব।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের কিছু কিছু সাংবাদিকের কারণে সাংবাদিকতার যে মর্যাদা, সেটা ম্লান হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের এত বেশি দলদাসত্ব সাংবাদিকতাকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের লোভ ও লালসা আমাদের সাংবাদিকদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণা তৈরি করেছে। সে সময়ে শুধু চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নয়, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ অধিকাংশ প্রেসক্লাবগুলো আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছিল। কিছু ছদ্মবেশী সাংবাদিক সেই কাজটি করেছিলেন। এই কাজটি কিন্তু তাদের ছিল না।

যখন ছাত্র-জনতা নির্বিচারে ও নির্মমভাবে হত্যার শিকার হচ্ছিল, তখন এই তথাকথিত কিছু সাংবাদিক সেই রক্তপাতকে উৎসাহিত করেছেন উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, এদেরকে আমি জাতির বিবেক বলি কীভাবে? এদেরকে আমি সাংবাদিক বলি কীভাবে? এরা তো জাতির শত্রু, সমাজের শত্রু; এদেরকে সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে ‘শত্রু’ হিসেবে আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। এদের সাথে কোনো আপস হতে পারে না। যারা আমার সন্তানদের নির্মম হত্যাকে উৎসাহিত করেছে, যারা আমার পেশাকে কলঙ্কিত করেছে, যারা গণমাধ্যমের আস্থা নষ্ট করে দিয়েছে—ওদেরকে গণমাধ্যমের বন্ধু বলা যাবে না, শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এবং গণমাধ্যমে চিহ্নিত করাটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

সাংবাদিকদের বাঁচার একটিই পথ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সেটা হলো ঐক্যবদ্ধতা, একতাবদ্ধতা। একসাথেই আমরা সবার হাত ধরে এগোবো। সেটা যদি পারি, আমরা বাঁচতে পারবো; না হলে আমাদেরকে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হতে হবে। আর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে প্রকৃত সাংবাদিকদের সাথে, কোনো সন্ত্রাসীর সাথে নয়, কোনো দলদাসের সাথে নয়। আমরা যদি গণমাধ্যমকে বাঁচাতে চাই, নিজেরা বাঁচতে চাই, আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে এক শামিয়ানার নিচে সমবেত হওয়ার বিকল্প নেই।

বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না। ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এই নীতিমালার শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা যাবে না। আপনারা ঘোষণা দিচ্ছেন যে নবম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি, দশম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি—বাস্তবে হাতেগোনা দু-চারজনকে দেন, অন্যদের দেন না; বিশেষ করে ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা পায় না। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড সকল গণমাধ্যমে কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।

সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, আরিচ আহমেদ শাহ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

ক্লাবের সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুলের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসাইন এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় কাদের গনি চৌধুরী।

আপডেট সময় : 04:33:19 pm, Sunday, 1 February 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে কেউ কেউ হস্তক্ষেপ করতে চায়। আমি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—এই প্রেসক্লাব চলবে প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতামতে; কোনো দল বা সরকারের মতামতে নয়, কোনো উপদেষ্টার মতামতে নয়।

শনিবার সন্ধ্যায় ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের কোনো প্রতিষ্ঠানে দিকে হাত বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না, হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এটা কোনো দলের কার্যালয় হবে না। কোনো দলের ইঙ্গিতে এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না, কোনো সরকার বা উপদেষ্টার ইচ্ছায় এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না। এই প্রেসক্লাব একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এই প্রেসক্লাব চলবে এখানকার সদস্যরা মিলে যে সিদ্ধান্ত নিবেন, এখানকার যে গঠনতন্ত্র আছে সেই অনুযায়ী; যেভাবে জাতীয় প্রেসক্লাব চলছে। এখানে বক্রচক্ষে দেখার কেউ চেষ্টা করবেন না। আমরা সেটা থামিয়ে দিতে জানি এবং থামিয়ে দেব।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের কিছু কিছু সাংবাদিকের কারণে সাংবাদিকতার যে মর্যাদা, সেটা ম্লান হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের এত বেশি দলদাসত্ব সাংবাদিকতাকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের লোভ ও লালসা আমাদের সাংবাদিকদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণা তৈরি করেছে। সে সময়ে শুধু চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নয়, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ অধিকাংশ প্রেসক্লাবগুলো আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছিল। কিছু ছদ্মবেশী সাংবাদিক সেই কাজটি করেছিলেন। এই কাজটি কিন্তু তাদের ছিল না।

যখন ছাত্র-জনতা নির্বিচারে ও নির্মমভাবে হত্যার শিকার হচ্ছিল, তখন এই তথাকথিত কিছু সাংবাদিক সেই রক্তপাতকে উৎসাহিত করেছেন উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, এদেরকে আমি জাতির বিবেক বলি কীভাবে? এদেরকে আমি সাংবাদিক বলি কীভাবে? এরা তো জাতির শত্রু, সমাজের শত্রু; এদেরকে সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে ‘শত্রু’ হিসেবে আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। এদের সাথে কোনো আপস হতে পারে না। যারা আমার সন্তানদের নির্মম হত্যাকে উৎসাহিত করেছে, যারা আমার পেশাকে কলঙ্কিত করেছে, যারা গণমাধ্যমের আস্থা নষ্ট করে দিয়েছে—ওদেরকে গণমাধ্যমের বন্ধু বলা যাবে না, শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এবং গণমাধ্যমে চিহ্নিত করাটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

সাংবাদিকদের বাঁচার একটিই পথ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সেটা হলো ঐক্যবদ্ধতা, একতাবদ্ধতা। একসাথেই আমরা সবার হাত ধরে এগোবো। সেটা যদি পারি, আমরা বাঁচতে পারবো; না হলে আমাদেরকে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হতে হবে। আর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে প্রকৃত সাংবাদিকদের সাথে, কোনো সন্ত্রাসীর সাথে নয়, কোনো দলদাসের সাথে নয়। আমরা যদি গণমাধ্যমকে বাঁচাতে চাই, নিজেরা বাঁচতে চাই, আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে এক শামিয়ানার নিচে সমবেত হওয়ার বিকল্প নেই।

বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না। ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এই নীতিমালার শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা যাবে না। আপনারা ঘোষণা দিচ্ছেন যে নবম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি, দশম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি—বাস্তবে হাতেগোনা দু-চারজনকে দেন, অন্যদের দেন না; বিশেষ করে ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা পায় না। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড সকল গণমাধ্যমে কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।

সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, আরিচ আহমেদ শাহ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

ক্লাবের সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুলের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসাইন এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম।