Dhaka , Sunday, 18 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ মানবতাবাদী সমাজ গঠনে লালন সাঁইয়ের দর্শন অনুসরণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের এপিক হেলথ কেয়ার ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ৫, একই পরিবারের ৩ জন অজয় দেবগনের বাংলো ভেঙে দিল বিএমসি রোববার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যা: খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের  দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ: মীর হেলাল কালিয়াকৈরে প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয় পূর্বধলায় রেলওয়ের জমির লিজ নিয়ে বিরোধ, বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নেত্রকোনা স্বরমুশিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন সাবেক ইউপি সদস্য ইসলাম উদ্দিন। বন্ডে সই করে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে দাম কমার প্রভাবে ইউরোপের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা পাইকগাছায় মাদক সেবন ও জনবিশৃঙ্খলার দায়ে আটক ৯ জন চন্দনাইশে শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় ও বস্ত্র বিতরণ পাইকগাছায় সুপারির ভরা মৌসুম, জমজমাট হাট-বাজার পাইকগাছায় এনজিও বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় কিশোর হুমায়ুন হত্যা ও মানব পাচার মামলা: মরিচ্যা থেকে ২ নম্বর পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎গাইবান্ধা সদরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত রামগড়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান, বন্যার্তদের পাশে এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাউফলে ৩০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে শাড়ি বিতরণ নেত্রকোনার দূর্গাপুরে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবে সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ তিন দাবি এনসিপির ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি প্রকৃত জনযুদ্ধ: স্পিকার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণী দেয়াল তুলে পথ বন্ধ, ফেলা হচ্ছে ময়লা: বাড়তি ভাড়াসহ চরম ভোগান্তিতে কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষার্থীরা বিলুপ্ত ইতিহাস এখন মৃৎশিল্পী ও তাদের শিল্পকর্ম : এই প্রথম মলিন হলো বরিশালের সম্মেলন রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্লাড ফাউন্ডেশনের গাছের চারা বিতরণ রূপগঞ্জের কোনো ভূমি অফিসে দালাল থাকবে না: জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘রংধনু জাতি’ গঠনের প্রতিচ্ছবি দৃশ্যমান তিন পার্বত্য জেলায়:- ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

পাইকগাছা উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে সুপারির বেচাকেনা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:54:54 pm, Friday, 18 October 2024
  • 113 বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে সুপারির বেচাকেনা।।

এম জালাল উদ্দীন- পাইকগাছা।।
   
   
পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে সুপারির বেচাকেনা। সুপারি বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। কাঁচা- শুকনা ও মজানো সুপারি পান পাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়। সুপারি ছাড়া পানের পূর্ণতার কথা ভাবাই যায় না। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও সুপারির ব্যবহার অন্যতম। বর্তমানে সুপারির ফলন কমে যাওয়ায় খুলনার পাইকগাছায় হাট-বাজার গুলোতে সুপারির সরবরাহের পাশাপাশি বেচাকেনা কমে গেছে। উপজেলার উঁচু অঞ্চলখ্যাত এলাকায় এমন কোন পরিবার ছিলনা যার বাড়ীতে একসময় সুপারি বাগান ছিলনা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সুপারির চাষ কমে গেছে। বিগত আমল অপেক্ষা সুপারির মুল্য অনেক বেশি। অজানা কারণে গাছ মরে যাওয়ায় ফলন কমে গেছে। এক সময়ে বাজারে সারি সারি বসতো কাদি কাদি কাঁচা সুপারির বাজার। তখন কাঁচা সুপারির মৌসুম চলে গেলেও বিক্রি হতো শুকনা ও ভিজা বা মজানো সুপারি। ঝাঁকে ঝাঁকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসতো সুপারির ব্যাপারিরা। বর্তমানে সুপারির বাগান কমে যাওয়ায় সেসব এলাকায় গড়ে উঠছে বসত বাড়ী। আর সেখানে লাগাচ্ছে আম- জাম সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়- উপজেলায় ২১৫ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪’শ টি। গাছ প্রতি গড়ে ফলন ৪’শ ৪০টি। প্রায় গাছে ৩ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। সর্বনিম্ন ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোনো গাছে ৬ থেকে ৭শ সুপারি ধরে। লবণাক্ত এ উপজেলায় ভূমির অবস্থান উঁচু ও বিলান এবং নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে হরিঢালী- কপিলমুনি- গদাইপুর ও রাড়ুলীতে সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। উৎপাদিত সুপারি বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনি- আগড়ঘাটা- গদাইপুর ও বাঁকা বাজারে বেশি বেচা- বিক্রি চলে। চাঁদখালী ইউনিয়ন ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বর্তমানে সুপারির হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি বিক্রি হচ্ছে। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন হাট থেকে সুপারি সরবরাহ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করবেন। উপজেলার গদাইপুর বাজারের সুপারি ব্যবসায়ী জলিল মোল্লা জানান- এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়েছে তবে আগের তুলনায় কম এবং বাজার মূল্য ভালো হলেও বেচা কেনা কম এতেও তিনি খুশি। স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী আকরাম শেখ জানান- অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি উঠেনি। তারা আরও জানান, স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি কিনে তারা বড়দল- সোলাদানা- শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ত গুলোতে সুপারি বিক্রয় করে। সুপারির হিসাব অঞ্চল ভিত্তিক হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি -৫৫গোন্ডা- অর্থাৎ ২২০টি সুপারি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাস জানান- সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়াও এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১

পাইকগাছা উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে সুপারির বেচাকেনা।।

আপডেট সময় : 01:54:54 pm, Friday, 18 October 2024
এম জালাল উদ্দীন- পাইকগাছা।।
   
   
পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে সুপারির বেচাকেনা। সুপারি বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। কাঁচা- শুকনা ও মজানো সুপারি পান পাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়। সুপারি ছাড়া পানের পূর্ণতার কথা ভাবাই যায় না। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও সুপারির ব্যবহার অন্যতম। বর্তমানে সুপারির ফলন কমে যাওয়ায় খুলনার পাইকগাছায় হাট-বাজার গুলোতে সুপারির সরবরাহের পাশাপাশি বেচাকেনা কমে গেছে। উপজেলার উঁচু অঞ্চলখ্যাত এলাকায় এমন কোন পরিবার ছিলনা যার বাড়ীতে একসময় সুপারি বাগান ছিলনা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সুপারির চাষ কমে গেছে। বিগত আমল অপেক্ষা সুপারির মুল্য অনেক বেশি। অজানা কারণে গাছ মরে যাওয়ায় ফলন কমে গেছে। এক সময়ে বাজারে সারি সারি বসতো কাদি কাদি কাঁচা সুপারির বাজার। তখন কাঁচা সুপারির মৌসুম চলে গেলেও বিক্রি হতো শুকনা ও ভিজা বা মজানো সুপারি। ঝাঁকে ঝাঁকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসতো সুপারির ব্যাপারিরা। বর্তমানে সুপারির বাগান কমে যাওয়ায় সেসব এলাকায় গড়ে উঠছে বসত বাড়ী। আর সেখানে লাগাচ্ছে আম- জাম সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়- উপজেলায় ২১৫ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪’শ টি। গাছ প্রতি গড়ে ফলন ৪’শ ৪০টি। প্রায় গাছে ৩ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। সর্বনিম্ন ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোনো গাছে ৬ থেকে ৭শ সুপারি ধরে। লবণাক্ত এ উপজেলায় ভূমির অবস্থান উঁচু ও বিলান এবং নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে হরিঢালী- কপিলমুনি- গদাইপুর ও রাড়ুলীতে সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। উৎপাদিত সুপারি বাণিজ্যিক শহর কপিলমুনি- আগড়ঘাটা- গদাইপুর ও বাঁকা বাজারে বেশি বেচা- বিক্রি চলে। চাঁদখালী ইউনিয়ন ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে। বর্তমানে সুপারির হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি বিক্রি হচ্ছে। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন হাট থেকে সুপারি সরবরাহ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে। যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করবেন। উপজেলার গদাইপুর বাজারের সুপারি ব্যবসায়ী জলিল মোল্লা জানান- এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়েছে তবে আগের তুলনায় কম এবং বাজার মূল্য ভালো হলেও বেচা কেনা কম এতেও তিনি খুশি। স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী আকরাম শেখ জানান- অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি উঠেনি। তারা আরও জানান, স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি কিনে তারা বড়দল- সোলাদানা- শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ত গুলোতে সুপারি বিক্রয় করে। সুপারির হিসাব অঞ্চল ভিত্তিক হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি -৫৫গোন্ডা- অর্থাৎ ২২০টি সুপারি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাস জানান- সুপারি এ অঞ্চলের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়াও এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।