Dhaka , Thursday, 3 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কেন ভারত ছেড়ে লন্ডনে স্থায়ী হয়েছেন বিরাট-আনুশকা? যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ মেসির পর আর্জেন্টিনার ‘নাম্বার টেন’ হওয়ার দৌড়ে তিনজন শেরপুরে বিজিবির সফল অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক জব্দ রূপগঞ্জের মেয়ে সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য ভিসা বন্ড থেকে রোহিঙ্গা সংকট—মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বৈঠকে নানা প্রসঙ্গ হাঁটুর নীচে টিকা দেওয়ায় শিশুর পায়ে জটিলতা তদন্তের নির্দেশ দিলেন ইউএনও চার অঙ্গ অচল কুরবান হুইলচেয়ার চাইলেন, গণশুনানিতেই কিনে দিলেন মানবিক ডিসি জাহিদ চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান শিশুর বিকাশ উন্নত জাতি গঠনে হাজার দিন যত্ন নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকরী ভূমিকার বিকল্প নেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেলফী পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপ ইরানের নির্দেশনা না মেনে হরমুজে চলাচল, মাইন বিস্ফোরণে ধ্বংস ২ জাহাজ শত বছরের খাল প্রশাসনের অভিযানে দখলমুক্তর পরে ফিরে পেলো প্রাণ- ভরাটের মালামাল নিলাম লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, শত ডলার ছুঁইছুঁই সরকারবিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো সময়ে ভারতে যাবেন: চিফ হুইপ আজ আমরা প্রথম গণতন্ত্রের মাকে ছাড়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালন করছি: আনোয়ার হোসেন মাস্টার জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপির কাজ করে : এলজিআরডি মন্ত্রী ড. মঈন খান মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মানোয়ার হোসেন এমপি, সহ-সভাপতি নেওয়াজ হালিমা আরলী রামুতে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা সানাউল্লাহ মিয়া ইন্তেকাল করেছেন রামু কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা রামুতে জমি বিরোধের ঘটনায় আহত মোহাম্মদ হোসেন অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি চট্টগ্রামে বনাঢ্য আয়োজনে ভিওডি বাংলার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন পাইকগাছা চৌকি কোর্টের ছাদ ধসে আতঙ্ক; ঝুঁকিতে বিচার কার্যক্রম কাউখালীতে প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর ত্রাণ বিতরণ, বৃক্ষরোপণ ও পোনা মাছ অবমুক্ত করেন ধর্মপাশায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজন সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়: – মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:36:58 pm, Tuesday, 29 July 2025
  • 174 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সবগুলো সেবা সংস্থার সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামের সেবা সংস্থাগুলোকে নিয়ে এক সমন্বয় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। সভায় মেয়র জলাবদ্ধতার ক্ষেত্রে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর সমস্যা নিরসনে সেবা সংস্থাগুলোর মতামত গ্রহণ করেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দেন।
সভায় মেয়র বলেন, আমি সব সেবা সংস্থাগুলোকে নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। তবে, এই তিন মাসে যদি আমরা রেজাল্ট পেতে চাই, জনগণকে যদি আপনারা স্বস্তিকর অবস্থায় রাখতে চান তাহলে এই তিন মাস এটা কন্টিনিয়াস প্রসেসে কাজগুলো করতে হবে। আপনাদেরকে যখন যে নির্দেশনা দি, জনগণের মতামত আপনাদের কাছে তুলে ধরি তা আপনাদের সম্পন্ন করতে হবে। আমি চলে আসলে কাজ কিন্তু বন্ধ করা যাবে না। খাল-নালাগুলোকে কন্টিনিউয়াস প্রসেসে ক্লিন রাখতে হবে।
মেয়র আরো বলেন, মুরাদপুর থেকে অক্সিজেন রোডের কাজগুলো আমাদের করতে হবে। সিডিএর ওইখানে হাজীপাড়া রোড ড্রেইনের কাজটা আমার মনে হয় একটু ধীর গতিতে হচ্ছে। সিডিএ যদি ওখানে নালার পাশাপাশি রাস্তার কাজটাও করে দেয় তাহলে একটা ফুল প্লেজের কাজ হবে। চাকতাইখাল ভেরি ইম্পর্টেন্ট। আগে ক্লিন করা হয়েছে কিন্তু ইতিমধ্যে বেশ কিছু প্রবলেম সেখানে হয়েছে। চকবাজারের কিছু এলাকায় পানি উঠেছে খাল-নালা অপরিস্কার থাকার জন্য। হিজড়া খালের জন্যও জলাবদ্ধতা হয়েছে। স্লুইচগেটগুলোকে ফাংশনাল করতে হবে। বিভিন্ন নালায় পিডিবির পোল থাকায় পানি দ্রুত নামেনা এগুলো সরাতে হবে। আমরা পুলিশকে চিঠি দিব জিইসি থেকে ২ নাম্বার গেটে মাদকসেবীরা গ্রীল, নাট, ডাস্টবিন ইত্যাদি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে এ বিষয়ে যাতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়। সিটি কর্পোরেশনের ইকুইপমেন্টের ঘাটতি আছে। ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে।এগুলো সমাধান করতে হবে। আমি গতকাল সরেজমিনে সবগুলো জলাবদ্ধতা সৃষ্টির এলাকাগুলোয় ভিজিট করেছি। পুরকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীরা স্ব-স্ব এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকৌশলগত সমাধান নিশ্চিত করবেন। একটি হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপ খুলবেন যেটিতে সব সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা যুক্ত থাকবেন সেখানে সমস্যা হওয়ার সাথে সাথে জানাবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিবেন। খালগুলোর মুখ পরিস্কার করার বিষয়ে নৌবাহিনী এবং বন্দর কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করতে হবে। ইতোমধ্যে নৌবাহিনী আগ্রাবাদের বক্স কালভার্ট পরিস্কারে নৌবাহিনী কাজ করছে যা নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিডিএ প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, কর্ণফুলীর ডাউন স্ট্রিমে ড্রেসিং করতে হবে যাতে দ্রুত পানি অপসারিত হয়। সিডিএ’র জলাবদ্ধতা প্রকল্প নিরসন প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রকল্পটি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বন্দরের চীফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মো. ওবায়দুর রহমান, আমাদের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় বলেছেন প্রজেক্ট নেওয়ার যেটা শুধু খালগুলোর মুখকে টার্গেট করে কাজ করবে। এটা আমাদের টেন্ডার হয়ে গেছে । দ্রুততম সময়ের মধ্যে খালগুলোর মুখ ক্লিয়ার করা শুরু হবে। অস্ট্রোনমিক্যাল টাইড বলে একটা বিষয় আছে। এটা হলে আমরা যতই চেষ্টা করি এই পানি ওই ছয় ঘন্টায়ও আমরা নামাইতে পারবনা। এজন্য এই খালগুলো দিয়ে আমরা রেগুলেট করি স্লুইচ গেট ব্যবহার জোয়ারের সময় তাহলে পানি ঢোকার কোন চান্স নাই। আর যখন ভাটা শুরু হবে সাথে সাথে এগুলা আনলক করে দিই তাহলে যে পানিটা জমা হচ্ছে বৃষ্টি বাদে তাহলে এই পানিটা আবার থাকবে না। একটা উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি আমাদের বানৌজা ঈসা খা ইনক্লুডিং আমাদের দুইটা সেলস কলোনি। স্যার আমরা এইটা ২০১৭ সাল থেকে এইভাবে মেনটেন করছি। এখন পর্যন্ত আমাদের এই এত বড় তিনটা বেসে কোন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি শুধু রেগুলেট করার কারণে। আমরা বিভিন্ন সময় যে আমাদের ওয়েস্টেজগুলো ফেলতেছি খালগুলোতে এটা যদি আমরা আরেকটু কন্ট্রোল করতে পারি আমার মনে হয় এটা মেইনটেইন করার সম্ভব।

মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ বলেন, জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানযোগ্য। প্রয়োজন সুষ্ঠু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন। সিডিএ যদি স্লুইচ গেটগুলোকে ফুল ফাংশনাল করতে পারে তবে তা জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। খাল-নালা থেকে মাটি উত্তোলন করে জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখলে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা হবেনা।
আইইবি চট্টগ্রামের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন বলেন, সোমবার প্রবল বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে কিছু এলাকায় রাস্তায় পানি জমতে দেখা গেছে। তবে আশার কথা হল আগে আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াতে পানি চার পাঁচ দিন থাকতো। এখন আমি আমি দেখলাম যে ওই যে বক্স কালভারটা আপনারা পরিষ্কার করার পরে একটা বেনিফিট যেটা হয়েছে আগে দুইদিকের পানি কিন্তু ওই কমার্স কলেজের ওদিকের পানি আর কমার্স কমার্শিয়াল এরিয়ের পানি দুইটা একত্র হয়ে যেত। এখন এই পানিটা কিন্তু একত্র হয়নি। মাঝখানে শুকনা জায়গা ছিল। সিটি কর্পোরেশনকে এ ধরনের টেকিনিক্যাল জায়গাগুলোতে কাজ করতে হবে জলাবদ্ধতা কমাতে হলে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী (অ. দা.) ফরহাদুল আলম, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমদ মঈনুদ্দীন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক শওকত ইবনে সাহীদ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায় প্রকৌশলী এ কে এম মামুনুল বাশরী, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদাউসসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, চসিকের বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কেন ভারত ছেড়ে লন্ডনে স্থায়ী হয়েছেন বিরাট-আনুশকা?

জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজন সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়: – মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 10:36:58 pm, Tuesday, 29 July 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সবগুলো সেবা সংস্থার সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামের সেবা সংস্থাগুলোকে নিয়ে এক সমন্বয় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। সভায় মেয়র জলাবদ্ধতার ক্ষেত্রে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর সমস্যা নিরসনে সেবা সংস্থাগুলোর মতামত গ্রহণ করেন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দেন।
সভায় মেয়র বলেন, আমি সব সেবা সংস্থাগুলোকে নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। তবে, এই তিন মাসে যদি আমরা রেজাল্ট পেতে চাই, জনগণকে যদি আপনারা স্বস্তিকর অবস্থায় রাখতে চান তাহলে এই তিন মাস এটা কন্টিনিয়াস প্রসেসে কাজগুলো করতে হবে। আপনাদেরকে যখন যে নির্দেশনা দি, জনগণের মতামত আপনাদের কাছে তুলে ধরি তা আপনাদের সম্পন্ন করতে হবে। আমি চলে আসলে কাজ কিন্তু বন্ধ করা যাবে না। খাল-নালাগুলোকে কন্টিনিউয়াস প্রসেসে ক্লিন রাখতে হবে।
মেয়র আরো বলেন, মুরাদপুর থেকে অক্সিজেন রোডের কাজগুলো আমাদের করতে হবে। সিডিএর ওইখানে হাজীপাড়া রোড ড্রেইনের কাজটা আমার মনে হয় একটু ধীর গতিতে হচ্ছে। সিডিএ যদি ওখানে নালার পাশাপাশি রাস্তার কাজটাও করে দেয় তাহলে একটা ফুল প্লেজের কাজ হবে। চাকতাইখাল ভেরি ইম্পর্টেন্ট। আগে ক্লিন করা হয়েছে কিন্তু ইতিমধ্যে বেশ কিছু প্রবলেম সেখানে হয়েছে। চকবাজারের কিছু এলাকায় পানি উঠেছে খাল-নালা অপরিস্কার থাকার জন্য। হিজড়া খালের জন্যও জলাবদ্ধতা হয়েছে। স্লুইচগেটগুলোকে ফাংশনাল করতে হবে। বিভিন্ন নালায় পিডিবির পোল থাকায় পানি দ্রুত নামেনা এগুলো সরাতে হবে। আমরা পুলিশকে চিঠি দিব জিইসি থেকে ২ নাম্বার গেটে মাদকসেবীরা গ্রীল, নাট, ডাস্টবিন ইত্যাদি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে এ বিষয়ে যাতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়। সিটি কর্পোরেশনের ইকুইপমেন্টের ঘাটতি আছে। ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে।এগুলো সমাধান করতে হবে। আমি গতকাল সরেজমিনে সবগুলো জলাবদ্ধতা সৃষ্টির এলাকাগুলোয় ভিজিট করেছি। পুরকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীরা স্ব-স্ব এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকৌশলগত সমাধান নিশ্চিত করবেন। একটি হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপ খুলবেন যেটিতে সব সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা যুক্ত থাকবেন সেখানে সমস্যা হওয়ার সাথে সাথে জানাবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিবেন। খালগুলোর মুখ পরিস্কার করার বিষয়ে নৌবাহিনী এবং বন্দর কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করতে হবে। ইতোমধ্যে নৌবাহিনী আগ্রাবাদের বক্স কালভার্ট পরিস্কারে নৌবাহিনী কাজ করছে যা নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিডিএ প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, কর্ণফুলীর ডাউন স্ট্রিমে ড্রেসিং করতে হবে যাতে দ্রুত পানি অপসারিত হয়। সিডিএ’র জলাবদ্ধতা প্রকল্প নিরসন প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রকল্পটি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বন্দরের চীফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মো. ওবায়দুর রহমান, আমাদের মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় বলেছেন প্রজেক্ট নেওয়ার যেটা শুধু খালগুলোর মুখকে টার্গেট করে কাজ করবে। এটা আমাদের টেন্ডার হয়ে গেছে । দ্রুততম সময়ের মধ্যে খালগুলোর মুখ ক্লিয়ার করা শুরু হবে। অস্ট্রোনমিক্যাল টাইড বলে একটা বিষয় আছে। এটা হলে আমরা যতই চেষ্টা করি এই পানি ওই ছয় ঘন্টায়ও আমরা নামাইতে পারবনা। এজন্য এই খালগুলো দিয়ে আমরা রেগুলেট করি স্লুইচ গেট ব্যবহার জোয়ারের সময় তাহলে পানি ঢোকার কোন চান্স নাই। আর যখন ভাটা শুরু হবে সাথে সাথে এগুলা আনলক করে দিই তাহলে যে পানিটা জমা হচ্ছে বৃষ্টি বাদে তাহলে এই পানিটা আবার থাকবে না। একটা উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি আমাদের বানৌজা ঈসা খা ইনক্লুডিং আমাদের দুইটা সেলস কলোনি। স্যার আমরা এইটা ২০১৭ সাল থেকে এইভাবে মেনটেন করছি। এখন পর্যন্ত আমাদের এই এত বড় তিনটা বেসে কোন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি শুধু রেগুলেট করার কারণে। আমরা বিভিন্ন সময় যে আমাদের ওয়েস্টেজগুলো ফেলতেছি খালগুলোতে এটা যদি আমরা আরেকটু কন্ট্রোল করতে পারি আমার মনে হয় এটা মেইনটেইন করার সম্ভব।

মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ বলেন, জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানযোগ্য। প্রয়োজন সুষ্ঠু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন। সিডিএ যদি স্লুইচ গেটগুলোকে ফুল ফাংশনাল করতে পারে তবে তা জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। খাল-নালা থেকে মাটি উত্তোলন করে জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখলে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা হবেনা।
আইইবি চট্টগ্রামের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন বলেন, সোমবার প্রবল বৃষ্টি আর জোয়ারের পানিতে কিছু এলাকায় রাস্তায় পানি জমতে দেখা গেছে। তবে আশার কথা হল আগে আগ্রাবাদ কমার্শিয়াল এরিয়াতে পানি চার পাঁচ দিন থাকতো। এখন আমি আমি দেখলাম যে ওই যে বক্স কালভারটা আপনারা পরিষ্কার করার পরে একটা বেনিফিট যেটা হয়েছে আগে দুইদিকের পানি কিন্তু ওই কমার্স কলেজের ওদিকের পানি আর কমার্স কমার্শিয়াল এরিয়ের পানি দুইটা একত্র হয়ে যেত। এখন এই পানিটা কিন্তু একত্র হয়নি। মাঝখানে শুকনা জায়গা ছিল। সিটি কর্পোরেশনকে এ ধরনের টেকিনিক্যাল জায়গাগুলোতে কাজ করতে হবে জলাবদ্ধতা কমাতে হলে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী (অ. দা.) ফরহাদুল আলম, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমদ মঈনুদ্দীন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক শওকত ইবনে সাহীদ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায় প্রকৌশলী এ কে এম মামুনুল বাশরী, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদাউসসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, চসিকের বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তবৃন্দ।