Dhaka , Wednesday, 2 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ মেসির পর আর্জেন্টিনার ‘নাম্বার টেন’ হওয়ার দৌড়ে তিনজন শেরপুরে বিজিবির সফল অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক জব্দ রূপগঞ্জের মেয়ে সাওয়ানার হাত ধরে চীনে বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য ভিসা বন্ড থেকে রোহিঙ্গা সংকট—মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বৈঠকে নানা প্রসঙ্গ হাঁটুর নীচে টিকা দেওয়ায় শিশুর পায়ে জটিলতা তদন্তের নির্দেশ দিলেন ইউএনও চার অঙ্গ অচল কুরবান হুইলচেয়ার চাইলেন, গণশুনানিতেই কিনে দিলেন মানবিক ডিসি জাহিদ চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান শিশুর বিকাশ উন্নত জাতি গঠনে হাজার দিন যত্ন নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকরী ভূমিকার বিকল্প নেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেলফী পরিবহনের রুট পারমিট বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপ ইরানের নির্দেশনা না মেনে হরমুজে চলাচল, মাইন বিস্ফোরণে ধ্বংস ২ জাহাজ শত বছরের খাল প্রশাসনের অভিযানে দখলমুক্তর পরে ফিরে পেলো প্রাণ- ভরাটের মালামাল নিলাম লাফিয়ে বাড়ছে তেলের দাম, শত ডলার ছুঁইছুঁই সরকারবিরোধী অপপ্রচারের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে প্রধানমন্ত্রী তার সুবিধামতো সময়ে ভারতে যাবেন: চিফ হুইপ আজ আমরা প্রথম গণতন্ত্রের মাকে ছাড়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালন করছি: আনোয়ার হোসেন মাস্টার জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপির কাজ করে : এলজিআরডি মন্ত্রী ড. মঈন খান মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মানোয়ার হোসেন এমপি, সহ-সভাপতি নেওয়াজ হালিমা আরলী রামুতে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা সানাউল্লাহ মিয়া ইন্তেকাল করেছেন রামু কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা রামুতে জমি বিরোধের ঘটনায় আহত মোহাম্মদ হোসেন অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি চট্টগ্রামে বনাঢ্য আয়োজনে ভিওডি বাংলার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন পাইকগাছা চৌকি কোর্টের ছাদ ধসে আতঙ্ক; ঝুঁকিতে বিচার কার্যক্রম কাউখালীতে প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর ত্রাণ বিতরণ, বৃক্ষরোপণ ও পোনা মাছ অবমুক্ত করেন ধর্মপাশায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রাজনগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল র‍্যালি

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
  • 140 বার পড়া হয়েছে
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যোগ্য প্রজন্ম গড়তে সুস্থ পরিবেশ জরুরি: ডিসি জাহিদ

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।