Dhaka , Sunday, 12 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাতকানিয়ার দক্ষিণ রূপকানিয়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে জামায়াতে ইসলামী ইমারত নির্মাণ আইনের কঠোর প্রয়োগের নির্দেশ, নকশাবহির্ভূত ভবনে ‘জিরো টলারেন্স’ সাতকানিয়ায় বন্যায় নিহত শিশু ইসমাইলের পরিবারকে জামায়াতের সমবেদনা ও আর্থিক সহায়তা পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মেয়র ডা. শাহাদাত ও সংসদ সদস্যরা চমেক হাসপাতাল থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, অপহরণকারী দম্পতি গ্রেফতার পাহাড়ের পাদদেশে আর কোনো বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে পুনর্বাসন করা হবে:- প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মধুপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা রাজনগরের মনসুরনগরে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে এমপি এম. নাসের রহমানের ত্রাণ বিতরণ রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দভ্রমণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি অ্যাটর্নি জেনারেলের ছবি ও ‘কণ্ঠ নকল’ করে ৬০ হাজার টাকার প্রতারণা গাছ রোপণ থেকে অধিক ফলনের প্রশিক্ষণসহ ২০ বছরের সেবা ফ্রি! ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি আফ্রিকার যে ভূমিতে প্রথম হিজরত করেছিলেন সাহাবিরা ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত সুবিধা বন্ধ করল মেটা ৩২ হাজার প্রতিযোগীকে টপকে হয়েছেন ‘মোয়ানা’, কে এই তরুণী? হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে ইরানের প্রতিশ্রুতি চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক আমানতকারীরা, দুশ্চিন্তার কিছু নেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা চলছে পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র মধুপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঝিলংজার পূর্ব লারপাড়ার রোকসানা ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে ৪ সংসদীয় আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি গঠন হবে:- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে:- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় সিভিল সার্জনের পরিদর্শন; পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানে গুরুত্বারোপ মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল – পলাশ সারকারখানার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি

ইমারত নির্মাণ আইনের কঠোর প্রয়োগের নির্দেশ, নকশাবহির্ভূত ভবনে ‘জিরো টলারেন্স’

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:42:07 pm, Sunday, 12 July 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামকে সবুজ, নান্দনিক ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ইমারত নির্মাণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেছেন, নগরের ৭০-৮০ লাখ মানুষ একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য চট্টগ্রামের প্রত্যাশায় সিডিএ’র দিকে তাকিয়ে আছে। তাই অনুমোদিত নকশা অমান্য করে ভবন নির্মাণ কিংবা আইনের কোনো ব্যত্যয় আর সহ্য করা হবে না।

১২ জুলাই রবিবার,সিডিএ’র সম্মেলন কক্ষে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র, নকশা অনুমোদন, ভবন নির্মাণে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগ জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সচিব,সদস্য (প্রকৌশল),অথরাইজড অফিসার, সহকারী অথরাইজড অফিসার এবং ইমারত পরিদর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় চউক চেয়ারম্যান বলেন, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও ভবনের নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, নির্মাণাধীন প্রতিটি ভবনে অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। শুধু নতুন ভবন নয়, প্রয়োজন হলে নকশাবহির্ভূত পুরোনো ভবনের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জলাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, নগরের নালা-খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। যারা খাল, নালা বা জলপ্রবাহের স্বাভাবিক পথ দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে পাহাড় কেটে কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগও থাকবে না।
তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মাঠপর্যায়ে আইন বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। যত বড় প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোন না কেন, সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। আইন প্রয়োগে কোনো বাধা সৃষ্টি হলে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে মোকাবিলা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় ইমারত পরিদর্শকদের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে তাদের জন্য স্বতন্ত্র পোশাক চালুর পাশাপাশি মোটরসাইকেল সরবরাহের বিষয়টিও বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়।
সভায় চট্টগ্রামকে একটি সবুজ, নান্দনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কঠোর আইন প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি এবং সেবার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতকানিয়ার দক্ষিণ রূপকানিয়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে জামায়াতে ইসলামী

ইমারত নির্মাণ আইনের কঠোর প্রয়োগের নির্দেশ, নকশাবহির্ভূত ভবনে ‘জিরো টলারেন্স’

আপডেট সময় : 07:42:07 pm, Sunday, 12 July 2026

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামকে সবুজ, নান্দনিক ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ইমারত নির্মাণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেছেন, নগরের ৭০-৮০ লাখ মানুষ একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য চট্টগ্রামের প্রত্যাশায় সিডিএ’র দিকে তাকিয়ে আছে। তাই অনুমোদিত নকশা অমান্য করে ভবন নির্মাণ কিংবা আইনের কোনো ব্যত্যয় আর সহ্য করা হবে না।

১২ জুলাই রবিবার,সিডিএ’র সম্মেলন কক্ষে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র, নকশা অনুমোদন, ভবন নির্মাণে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগ জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সচিব,সদস্য (প্রকৌশল),অথরাইজড অফিসার, সহকারী অথরাইজড অফিসার এবং ইমারত পরিদর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় চউক চেয়ারম্যান বলেন, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও ভবনের নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, নির্মাণাধীন প্রতিটি ভবনে অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। শুধু নতুন ভবন নয়, প্রয়োজন হলে নকশাবহির্ভূত পুরোনো ভবনের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জলাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, নগরের নালা-খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ। যারা খাল, নালা বা জলপ্রবাহের স্বাভাবিক পথ দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে পাহাড় কেটে কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগও থাকবে না।
তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মাঠপর্যায়ে আইন বাস্তবায়নে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। যত বড় প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোন না কেন, সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। আইন প্রয়োগে কোনো বাধা সৃষ্টি হলে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে মোকাবিলা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় ইমারত পরিদর্শকদের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে তাদের জন্য স্বতন্ত্র পোশাক চালুর পাশাপাশি মোটরসাইকেল সরবরাহের বিষয়টিও বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়।
সভায় চট্টগ্রামকে একটি সবুজ, নান্দনিক, নিরাপদ ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কঠোর আইন প্রয়োগ, নিয়মিত তদারকি এবং সেবার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।