Dhaka , Wednesday, 26 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মাদারীপুর রাজৈরে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার গ্রেফতার ১ অহনাকে নায়িকা বানাতে বাসায় গিয়েছিলেন মান্না, অতঃপর… হ্যাটট্রিক জয়ের পর ৮ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের হার মস্কোতে নামল মার্কিন সামরিক বিমান, ক্রেমলিন বলছে কিছু জানা নেই সমুদ্রে জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে ডিওএস-এর সেমিনার অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে এনসিপি : সারজিস আলম ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু করছে ইউএস-বাংলা নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত বৈধ বিলেও দিতে হয় অবৈধ ‘কমিশন’! মাদারীপুর পরিবার পরিকল্পনায় ১৬ বছর ধরে অনিয়মের অভিযোগ পাইকগাছায় জলাবদ্ধতা নিরসনে এমপির তাগিদ সামাজিক প্রতিরোধ ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: চট্টগ্রামের ডিসি রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)-২০২৬ উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্তে সিএমপি’তে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় সপ্তাহের ৬ দিনই বন্ধ ওটি, ঝুঁকিতে প্রসূতিরা চাড়ালজানী ব্রিজের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও এলাকাবাসী মধুপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা নূন্যতম কিউ-৩ জার্নালে গবেষণা পত্র প্রকাশ না পেলে পাবে না ফান্ড, আসতে পারে ইউজিসির নতুন নীতিমালা ভবনের পরিবর্তে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করুন: দুর্গাপুরের শিক্ষকদের প্রতি ডেপুটি স্পিকার রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩জন গ্রেফতার মধুপুরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সরাইলে পুলিশের অভিযানে দস্যুতা মামলার প্রধান আসামি গাফ্ফার গ্রেপ্তার বিমানবন্দরে সংবর্ধনায় কাঁদলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা হেলাল চৌধুরী রামগঞ্জে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে বেদম প্রহার করে টাকা লুট রূপগঞ্জে লোকালয়ের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন \ অবরোধ ও বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আংশিক কমিটি অনুমোদন, মধুপুরে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন সবুজে সাজবে কলমাকান্দা, টেকসই পরিবেশ গড়তে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কৃষকদের তথ্য প্রদান ও সেবা নিশ্চিতে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না- ডেপুটি স্পিকার

বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:16:00 pm, Wednesday, 22 July 2026
  • 41 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এ ঘটনায় পুরো নগরীর আগ্রবাদ মনছুরাবাদ একালায় চলছে পুলিশের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার গুণজন।

ফৌজদারি মামলায় মূল আসামিদের পাশাপাশি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা ভুলবশত কোনো সাধারণ বা নির্দোষ মানুষকে এজাহারভুক্ত (FIR-named accused) করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি পরিস্থিতি।

হত্যা মামলার ১নং ও ২নং আসামীর ছবি সহ ব্যানার টাঙিয়ে গত শনিবার ১৮ই জুলাই মানববন্ধন করে বাদী পক্ষের পরিবার আত্নীয় স্বজন এবং এলাকাবাসী। ঐ মানববন্ধনে ৫ নং, ৬নং এবং ৭নং আসামীর পরিবারের মানুষ জনও উপস্থিত থেকে ১ নং আসামী রুবেলের ফাঁসির দাবি করে।

এই মামলার বাদী আসলাম মানব বন্ধনে বলে “রুবেল আমার বাপের মূল হত্যাকারি সে আমার পিতাকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেছে, আমি থানায় গিয়ে রুবেল, সাইফুল, মামুন এবং মিজান এর ব্যাপারে অভিযোগ করেছি, কিন্তু পুলিশ ইচ্ছে করেই বশর, পেয়ার আহমদ এবং রাব্বানীকে এজহার ভুক্ত করে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই। আমিতো ঘটনা কি হয়েছে জানিনা, বশর এবং পেয়ার আহমদ ই বলেছে ঐ দিন রাতে অর্থাৎ ১৫ই জুলাই আমার বাবাকে কে কিভাবে মেরে ছিল। পেয়ার আহমদ, বশর এ মামলার চাক্ষুষ সাক্ষী।
মামলার কার্যকারিতা নষ্ট করতে এটা কোন চক্রান্ত কিনা আমার জানা নেই, তবে আমার পিতার মূল হত্যাকারিকে বাঁচাতে যে বা যারা সাহায্য করবে তারা হাশরের ময়দানে আমার পিতার হত্যাকারি হিসেবে দায়ি থাকবে।

বাদী আসলাম আরো জানায় “এজহারে পেয়ার আহমদ, বশর ও রাব্বানী ভাইয়ের নাম দেখে কারন জিজ্ঞেস করলে তারা কোন কারণ জানেনা মর্মে শিকার করে। তারা বলে এটা ওসি স্যার জানে। ওসি শাহীনুর আলম-কে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলে—তুই কি জানস কে হত্যা করছে..?”

পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী এজহারের একটা অনুলীপি সাথে বাদীকে সংগ্রহ করার কথা থাকলেও তা না দিয়ে ১৬ তারিখ রাত তিনটায় বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এই এজহারের কপি হাতে দেয় ১৮ই জুলাই রাত ১০টায়, কপি সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখি মূল আসামী সহ তার সহযোগীদের রিমান্ডে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় রুবেলের সাথে মনছুরাদ পশ্চিম পাড়া এলাকার জুয়েল এবং হযরত নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল বার বার যোগাযোগ রাখছে, সেলের দ্বায়িত্বে থাকা
কনস্টেবল কোন বাধা দিচ্ছে না। রিমান্ডে আনা আসামীর সাথে এমন আতিথিয়েতা মূলক আচরণ আনাকে সত্যিই খুব মর্মাহত করেছে বলে জানায়। থানার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে এর সত্যতা পাওয়া তেমন দূরহ হবে না বলে মন্তব্য করে নিহত আবু সিদ্দিক এর পুত্র আসলাম।

এ তিনজনের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কেন এজহার ভুক্ত করা হল তার কোন সদুত্তর দিতে পারে নি এখন পর্যন্ত কেউ।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৬ই জুলাই সকাল ৯টায় হত্যাকান্ডের ঘটনা জানাজানি হলে রুবেল সহ রুবেলের পরিবারের লোকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও বশর পেয়ার আহমদ একই এলাকার অর্থাৎ ১ম আসামী রুবেল এর একই এলাকার হয়েও তারা পালিয়ে যায় নি বরং এলাকাতেই অবস্থান করছিল। ঐ দিন নিহত আবু সিদ্দিক এর জানাজা শেষে উত্তেজিত জনতা, হত্যার প্রতিবাদে রুবেল এর দোকান এবং তার বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। তবে এ ঘটনা ঘটার আগে বাদী আসলাম এবং তাদের আত্নীয় স্বজনরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে উত্তেজিত জনতার উদ্দেশ্যে বলে ” আপনার দয়া করে কোথাও কোন হামলা চালাবেন না, আমার বাবা হত্যা কান্ডের শিকার হয়েছে, আমাদের দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হত্যাকারিদের বিচার হবে”।

এদিকে নির্দোষ কিছু মানুষকে অহেতুক হত্যা মামলার আসামী বানিয়ে দেয়া অপর দিকে সকল আসামী দ্রুত সময়ে আটক করা। পুলিশের এ কর্মকান্ডে এলাকাবাসী একদিকে অভিনন্দন আরেক দিকে তিরস্কার জানাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতির দরুন শুধু মনছুরাবাদ নয় বরং পুরো বাংলাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি তিব্র ন্যাগেটিভ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যৎতে পুলিশ প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ধারে দীর্ঘসূত্রতা পোহাতে হবে।
কেন পোহাবে..?
এলাকাবাসী বলছে কেউ যদি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আসামী হয়ে যায় তাহলে তো আর কেউ চোখে দেখা ঘটনা বর্ণনা করবে না। তারা যা দেখছে তা বলাতেই তো বাদী সহ এলাকাবাসী সবাই এ বিষয়ে জানতে পারে। সত্য বলতে গিয়ে এখন তাদের সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক সংকট, আসামীর খাতায় নাম উঠেছে বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের লোকজন।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে সিএমপি পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীকে অবহিত করা হলে তিনি জানান– “এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে”। পুলিশের অতিরিক্ত কমিশন (ক্রাইম & অপারেশন) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন এজাহারে বাদী নাম দিয়েছে তাই তারা এজহারভুক্ত আসামী হয়েছে, অপরদিকে বাদীর দাবি ওই তিনজনের নাম বাদী আসামী হিসেবে পুলিশকে দেয় নি, সাক্ষী হিসেবে দিয়েছে।একই কথা বলেছেন ঘটনার দিন পরিদর্শন করা পুলিশ সদস্যরাও।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুর রাজৈরে ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার গ্রেফতার ১

বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন

আপডেট সময় : 02:16:00 pm, Wednesday, 22 July 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এ ঘটনায় পুরো নগরীর আগ্রবাদ মনছুরাবাদ একালায় চলছে পুলিশের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার গুণজন।

ফৌজদারি মামলায় মূল আসামিদের পাশাপাশি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা ভুলবশত কোনো সাধারণ বা নির্দোষ মানুষকে এজাহারভুক্ত (FIR-named accused) করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি পরিস্থিতি।

হত্যা মামলার ১নং ও ২নং আসামীর ছবি সহ ব্যানার টাঙিয়ে গত শনিবার ১৮ই জুলাই মানববন্ধন করে বাদী পক্ষের পরিবার আত্নীয় স্বজন এবং এলাকাবাসী। ঐ মানববন্ধনে ৫ নং, ৬নং এবং ৭নং আসামীর পরিবারের মানুষ জনও উপস্থিত থেকে ১ নং আসামী রুবেলের ফাঁসির দাবি করে।

এই মামলার বাদী আসলাম মানব বন্ধনে বলে “রুবেল আমার বাপের মূল হত্যাকারি সে আমার পিতাকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেছে, আমি থানায় গিয়ে রুবেল, সাইফুল, মামুন এবং মিজান এর ব্যাপারে অভিযোগ করেছি, কিন্তু পুলিশ ইচ্ছে করেই বশর, পেয়ার আহমদ এবং রাব্বানীকে এজহার ভুক্ত করে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই। আমিতো ঘটনা কি হয়েছে জানিনা, বশর এবং পেয়ার আহমদ ই বলেছে ঐ দিন রাতে অর্থাৎ ১৫ই জুলাই আমার বাবাকে কে কিভাবে মেরে ছিল। পেয়ার আহমদ, বশর এ মামলার চাক্ষুষ সাক্ষী।
মামলার কার্যকারিতা নষ্ট করতে এটা কোন চক্রান্ত কিনা আমার জানা নেই, তবে আমার পিতার মূল হত্যাকারিকে বাঁচাতে যে বা যারা সাহায্য করবে তারা হাশরের ময়দানে আমার পিতার হত্যাকারি হিসেবে দায়ি থাকবে।

বাদী আসলাম আরো জানায় “এজহারে পেয়ার আহমদ, বশর ও রাব্বানী ভাইয়ের নাম দেখে কারন জিজ্ঞেস করলে তারা কোন কারণ জানেনা মর্মে শিকার করে। তারা বলে এটা ওসি স্যার জানে। ওসি শাহীনুর আলম-কে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলে—তুই কি জানস কে হত্যা করছে..?”

পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী এজহারের একটা অনুলীপি সাথে বাদীকে সংগ্রহ করার কথা থাকলেও তা না দিয়ে ১৬ তারিখ রাত তিনটায় বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এই এজহারের কপি হাতে দেয় ১৮ই জুলাই রাত ১০টায়, কপি সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখি মূল আসামী সহ তার সহযোগীদের রিমান্ডে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় রুবেলের সাথে মনছুরাদ পশ্চিম পাড়া এলাকার জুয়েল এবং হযরত নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল বার বার যোগাযোগ রাখছে, সেলের দ্বায়িত্বে থাকা
কনস্টেবল কোন বাধা দিচ্ছে না। রিমান্ডে আনা আসামীর সাথে এমন আতিথিয়েতা মূলক আচরণ আনাকে সত্যিই খুব মর্মাহত করেছে বলে জানায়। থানার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে এর সত্যতা পাওয়া তেমন দূরহ হবে না বলে মন্তব্য করে নিহত আবু সিদ্দিক এর পুত্র আসলাম।

এ তিনজনের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কেন এজহার ভুক্ত করা হল তার কোন সদুত্তর দিতে পারে নি এখন পর্যন্ত কেউ।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৬ই জুলাই সকাল ৯টায় হত্যাকান্ডের ঘটনা জানাজানি হলে রুবেল সহ রুবেলের পরিবারের লোকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও বশর পেয়ার আহমদ একই এলাকার অর্থাৎ ১ম আসামী রুবেল এর একই এলাকার হয়েও তারা পালিয়ে যায় নি বরং এলাকাতেই অবস্থান করছিল। ঐ দিন নিহত আবু সিদ্দিক এর জানাজা শেষে উত্তেজিত জনতা, হত্যার প্রতিবাদে রুবেল এর দোকান এবং তার বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। তবে এ ঘটনা ঘটার আগে বাদী আসলাম এবং তাদের আত্নীয় স্বজনরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে উত্তেজিত জনতার উদ্দেশ্যে বলে ” আপনার দয়া করে কোথাও কোন হামলা চালাবেন না, আমার বাবা হত্যা কান্ডের শিকার হয়েছে, আমাদের দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হত্যাকারিদের বিচার হবে”।

এদিকে নির্দোষ কিছু মানুষকে অহেতুক হত্যা মামলার আসামী বানিয়ে দেয়া অপর দিকে সকল আসামী দ্রুত সময়ে আটক করা। পুলিশের এ কর্মকান্ডে এলাকাবাসী একদিকে অভিনন্দন আরেক দিকে তিরস্কার জানাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতির দরুন শুধু মনছুরাবাদ নয় বরং পুরো বাংলাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি তিব্র ন্যাগেটিভ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যৎতে পুলিশ প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ধারে দীর্ঘসূত্রতা পোহাতে হবে।
কেন পোহাবে..?
এলাকাবাসী বলছে কেউ যদি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আসামী হয়ে যায় তাহলে তো আর কেউ চোখে দেখা ঘটনা বর্ণনা করবে না। তারা যা দেখছে তা বলাতেই তো বাদী সহ এলাকাবাসী সবাই এ বিষয়ে জানতে পারে। সত্য বলতে গিয়ে এখন তাদের সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক সংকট, আসামীর খাতায় নাম উঠেছে বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের লোকজন।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে সিএমপি পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীকে অবহিত করা হলে তিনি জানান– “এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে”। পুলিশের অতিরিক্ত কমিশন (ক্রাইম & অপারেশন) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন এজাহারে বাদী নাম দিয়েছে তাই তারা এজহারভুক্ত আসামী হয়েছে, অপরদিকে বাদীর দাবি ওই তিনজনের নাম বাদী আসামী হিসেবে পুলিশকে দেয় নি, সাক্ষী হিসেবে দিয়েছে।একই কথা বলেছেন ঘটনার দিন পরিদর্শন করা পুলিশ সদস্যরাও।