Dhaka , Tuesday, 25 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)-২০২৬ উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্তে সিএমপি’তে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় সপ্তাহের ৬ দিনই বন্ধ ওটি, ঝুঁকিতে প্রসূতিরা চাড়ালজানী ব্রিজের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও এলাকাবাসী মধুপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা নূন্যতম কিউ-৩ জার্নালে গবেষণা পত্র প্রকাশ না পেলে পাবে না ফান্ড, আসতে পারে ইউজিসির নতুন নীতিমালা ভবনের পরিবর্তে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করুন: দুর্গাপুরের শিক্ষকদের প্রতি ডেপুটি স্পিকার রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩জন গ্রেফতার মধুপুরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সরাইলে পুলিশের অভিযানে দস্যুতা মামলার প্রধান আসামি গাফ্ফার গ্রেপ্তার বিমানবন্দরে সংবর্ধনায় কাঁদলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা হেলাল চৌধুরী রামগঞ্জে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে বেদম প্রহার করে টাকা লুট রূপগঞ্জে লোকালয়ের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন \ অবরোধ ও বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার অ্যাসোসিয়েশনের আংশিক কমিটি অনুমোদন, মধুপুরে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন সবুজে সাজবে কলমাকান্দা, টেকসই পরিবেশ গড়তে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কৃষকদের তথ্য প্রদান ও সেবা নিশ্চিতে কোনো ধরনের অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না- ডেপুটি স্পিকার ঝিনাইগাতীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ,হাজারো আদিবাসী শ্রমিক বেকার। পাগলা–জালকুড়ি সড়কে অটো ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবরোধ, যান চলাচল স্বাভাবিক আদালত পৃথকীকরণের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জ আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চউকের অভিযান অব্যাহত, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে বিজেপির মিষ্টিমুখ রূপগঞ্জে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বিয়া দিপু রূপগঞ্জে মহাসড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ ও ময়লার ভাগার অপসারণের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কাউখালীতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ মীরগঞ্জে অবৈধ সার মজুত, খুচরা ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক উঠান বৈঠক ও বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

নূন্যতম কিউ-৩ জার্নালে গবেষণা পত্র প্রকাশ না পেলে পাবে না ফান্ড, আসতে পারে ইউজিসির নতুন নীতিমালা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:44:44 pm, Tuesday, 25 August 2026
  • 1 বার পড়া হয়েছে

মো মোসাদ্দেক হোসেন, ইবি প্রতিনিধি,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইউজিসির গবেষনা ফান্ডের যথাযথ ব্যবহার সংক্রান্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, পূর্বে গবেষণাগুলো হতো এরকম যে আমরা একটি ফান্ড পেয়েছি, একটি পেপার প্রেজেন্ট করে সাবমিট করেছি এবং অর্থ নিয়েছি।অনেক সময় এই অর্থের ব্যবহার একটি গতানুগতিক বরাদ্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন আমরা যে বিষয়টির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি তা হলো, গবেষনা ফান্ড পেতে; গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নূন্যতম কিউ-৩ জার্নালে প্রকাশিত হয় সে বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ( ২৫ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে ইউজিসি কর্তৃক আয়োজিত ‘হিট’ প্রজেক্ট নিয়ে প্রায় ৭৫ জন উপাচার্যকে কেন্দ্র করে ‘ভাইস-চ্যান্সেলর ডায়লগ’ সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য এমন মন্তব্য করেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েও বড় ভলিউমের একটি অর্থ বরাদ্দ রয়েছে, আমি নির্দিষ্ট অর্থের পরিমাণটি উল্লেখ করলাম না। এই অর্থটিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সুশাসন (Governance) থাকা প্রয়োজন, যেন ফান্ডের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। সেই লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আমাদের কিছু গাইডলাইন দিয়েছেন। আমরাও আমাদের জায়গা থেকে কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছি। আমি মনে করি, এই গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা শিক্ষার্থীদেরও সম্পৃক্ত করতে চাই। গবেষণা মানে যেন শুধু পেপার সাবমিট করা না হয়। সেখানে পর্যাপ্ত গবেষণা ফান্ডের যেমন বরাদ্দ প্রয়োজন, পাশাপাশি আমরা এর যথাযথ ব্যবহারও চাই, যাতে এই গবেষণা থেকে আমরা একটি ভালো আউটপুট পেতে পারি।
পূর্বে গবেষণাগুলো যেমন হতো—আমরা একটি ফান্ড পেয়েছি, একটি পেপার প্রেজেন্ট করে সাবমিট করেছি এবং অর্থ নিয়েছি। অনেক সময় এই অর্থের ব্যবহার একটি গতানুগতিক বরাদ্দের (Traditional allocation) মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন আমরা যে বিষয়টির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি তা হলো, গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে জাতি, দেশের মানুষ, বুদ্ধিজীবী সমাজ এবং শিক্ষার্থীরা যেন উপকৃত হতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে কী সমস্যা চিহ্নিত করলাম বা কী ফলাফল বের করে আনলাম, সেটির ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা এই জায়গাটিতে স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করেছি এবং আমরা মনে করি এখানে আরও বেশি স্বচ্ছতা থাকা উচিত। আপনারা জানেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সকল বিশ্ববিদ্যালয় মিলে যে প্রজেক্টটি করছে, সেখানে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কোনো বরাদ্দ আসেনি। তবে গবেষণা ফান্ডের যথাযথ ব্যবহারের জন্য সেখানে একটি ছোট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। আমরা ইতোমধ্যে দুই দফা মিটিং করেছি এবং আশা করছি খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইনশাআল্লাহ আমরা এই বরাদ্দটি পাব।
যখন আমরা এই বরাদ্দটি পাব, তখন এর যথাযথ ব্যবহার এবং মানসম্মত গবেষণা নিশ্চিত করার জন্য আমরা নিশ্চয়ই একটি নীতিমালা প্রণয়ন করব। যারা এই নীতিমালার আওতায় আসবেন, কেবল তারাই এই গবেষণা ফান্ডটি পাবেন। গবেষণা কর্ম সম্পন্ন করার পর তা যেন অন্তত আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে—যেমন Q1, Q2 বা ন্যূনতম Q3 জার্নালে প্রকাশিত হয়, ইউজিসির সাথে মিলে প্রাথমিকভাবে আমরা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে আরও অনেকগুলো মানদণ্ড রয়েছে, আমি শুধু একটির কথা উল্লেখ করলাম। আশা করি, এর মধ্য দিয়ে আমরা মানসম্মত গবেষণা পাব। শিক্ষকরাও গবেষণার ব্যাপারে আরও অনেক বেশি আগ্রহী হবেন এবং আমার মনে হয় গবেষণার পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ১৮ বছর পর সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত

নূন্যতম কিউ-৩ জার্নালে গবেষণা পত্র প্রকাশ না পেলে পাবে না ফান্ড, আসতে পারে ইউজিসির নতুন নীতিমালা

আপডেট সময় : 05:44:44 pm, Tuesday, 25 August 2026

মো মোসাদ্দেক হোসেন, ইবি প্রতিনিধি,

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইউজিসির গবেষনা ফান্ডের যথাযথ ব্যবহার সংক্রান্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, পূর্বে গবেষণাগুলো হতো এরকম যে আমরা একটি ফান্ড পেয়েছি, একটি পেপার প্রেজেন্ট করে সাবমিট করেছি এবং অর্থ নিয়েছি।অনেক সময় এই অর্থের ব্যবহার একটি গতানুগতিক বরাদ্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন আমরা যে বিষয়টির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি তা হলো, গবেষনা ফান্ড পেতে; গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নূন্যতম কিউ-৩ জার্নালে প্রকাশিত হয় সে বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ( ২৫ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে ইউজিসি কর্তৃক আয়োজিত ‘হিট’ প্রজেক্ট নিয়ে প্রায় ৭৫ জন উপাচার্যকে কেন্দ্র করে ‘ভাইস-চ্যান্সেলর ডায়লগ’ সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য এমন মন্তব্য করেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েও বড় ভলিউমের একটি অর্থ বরাদ্দ রয়েছে, আমি নির্দিষ্ট অর্থের পরিমাণটি উল্লেখ করলাম না। এই অর্থটিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সুশাসন (Governance) থাকা প্রয়োজন, যেন ফান্ডের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। সেই লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আমাদের কিছু গাইডলাইন দিয়েছেন। আমরাও আমাদের জায়গা থেকে কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছি। আমি মনে করি, এই গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা শিক্ষার্থীদেরও সম্পৃক্ত করতে চাই। গবেষণা মানে যেন শুধু পেপার সাবমিট করা না হয়। সেখানে পর্যাপ্ত গবেষণা ফান্ডের যেমন বরাদ্দ প্রয়োজন, পাশাপাশি আমরা এর যথাযথ ব্যবহারও চাই, যাতে এই গবেষণা থেকে আমরা একটি ভালো আউটপুট পেতে পারি।
পূর্বে গবেষণাগুলো যেমন হতো—আমরা একটি ফান্ড পেয়েছি, একটি পেপার প্রেজেন্ট করে সাবমিট করেছি এবং অর্থ নিয়েছি। অনেক সময় এই অর্থের ব্যবহার একটি গতানুগতিক বরাদ্দের (Traditional allocation) মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন আমরা যে বিষয়টির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি তা হলো, গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে জাতি, দেশের মানুষ, বুদ্ধিজীবী সমাজ এবং শিক্ষার্থীরা যেন উপকৃত হতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে কী সমস্যা চিহ্নিত করলাম বা কী ফলাফল বের করে আনলাম, সেটির ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা এই জায়গাটিতে স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করেছি এবং আমরা মনে করি এখানে আরও বেশি স্বচ্ছতা থাকা উচিত। আপনারা জানেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সকল বিশ্ববিদ্যালয় মিলে যে প্রজেক্টটি করছে, সেখানে এখনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কোনো বরাদ্দ আসেনি। তবে গবেষণা ফান্ডের যথাযথ ব্যবহারের জন্য সেখানে একটি ছোট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। আমরা ইতোমধ্যে দুই দফা মিটিং করেছি এবং আশা করছি খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইনশাআল্লাহ আমরা এই বরাদ্দটি পাব।
যখন আমরা এই বরাদ্দটি পাব, তখন এর যথাযথ ব্যবহার এবং মানসম্মত গবেষণা নিশ্চিত করার জন্য আমরা নিশ্চয়ই একটি নীতিমালা প্রণয়ন করব। যারা এই নীতিমালার আওতায় আসবেন, কেবল তারাই এই গবেষণা ফান্ডটি পাবেন। গবেষণা কর্ম সম্পন্ন করার পর তা যেন অন্তত আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে—যেমন Q1, Q2 বা ন্যূনতম Q3 জার্নালে প্রকাশিত হয়, ইউজিসির সাথে মিলে প্রাথমিকভাবে আমরা এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে আরও অনেকগুলো মানদণ্ড রয়েছে, আমি শুধু একটির কথা উল্লেখ করলাম। আশা করি, এর মধ্য দিয়ে আমরা মানসম্মত গবেষণা পাব। শিক্ষকরাও গবেষণার ব্যাপারে আরও অনেক বেশি আগ্রহী হবেন এবং আমার মনে হয় গবেষণার পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে।