Dhaka , Wednesday, 22 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় স্বাস্থ্য সহকারীদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত: ওয়ার্ল্ড ভিশনের ছাতা বিতরণ পাইকগাছার অবৈধ বাঁধ-নেট-পাটা উচ্ছেদ: স্বাভাবিক হলো পানি প্রবাহ রায়পুরে ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ। চালু হলো ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ, এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সেবা শিখা অনির্বাণে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের শ্রদ্ধা নিবেদন চরভদ্রাসনে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত : অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা। অসহায় মানুষের পাশে মানবিক উদ্যোগ: চরভদ্রাসনে ১০৭ পরিবারে আর্থিক সহায়তা রূপগঞ্জে পানিবন্দী শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন রাঙ্গুনিয়া থেকে অপহৃত ৭ বছর বয়সী শিশু উদ্ধার,অপহরণ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার বন্যায় কবলিত এলাকার শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ত্রাণ সহয়তা প্রদান করেন প্রবাসী অনলাইন গ্রুপ-সৌদি আরব (দাম্মাম) বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন মাদারীপুরে র‌্যাবের হাতে জাল টাকা ও টাকা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া রোধ ও পরিবেশ-পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে নারায়ণগঞ্জে সমন্বয়ক সভা ফুটবল সমর্থকদের উস্কানিকে কেন্দ্র করে ফতুল্লায় সংঘর্ষ, বাড়িঘরে ভাঙচুর নারায়ণগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা ও মহানগর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত, নতুন কমিটি ঘোষণা মধুপুরের কোনাবাড়ি গ্রামের ১ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার বেহাল দশা মধুপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পে মাদকসেবীদের আড্ডা, আতঙ্কে বাসিন্দারা লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহে স্বামীকে ফাঁসালেন স্ত্রী রামগঞ্জে বাপ ডেকেও নিস্তার না পাওয়া স্ত্রীর বীরপুরুষ এখন পুলিশের খাঁচায় বন্দি পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি পরিবার ও বিদ্যালয় থেকেই শুরু করতে হবে- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের সভাপতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রশ্ন, গ্রেপ্তারের দাবি শহীদ ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদ স্মরণে আলোচনা সভায় ডা. শাহাদাত হোসেন মেঘনা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুল ছাএের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতিতে ‘এক্সক্লুসিভ লিংকডইন সেশন’ অনুষ্ঠিত জিয়াউল আহসানের রূপগঞ্জের জলসিঁড়ির ৮তলা বাড়িতে দুদকের অভিযান পাইকগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ শিশু আয়নী হত্যা মামলার রায়ে একমাত্র আসামী রুবেলের মৃত্যুদন্ড চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরের যানজট কমাতে হাসপাতালগুলোর নকশা ও পার্কিংয়ে কড়া নজর সিডিএ’র

বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:16:00 pm, Wednesday, 22 July 2026
  • 4 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এ ঘটনায় পুরো নগরীর আগ্রবাদ মনছুরাবাদ একালায় চলছে পুলিশের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার গুণজন।

ফৌজদারি মামলায় মূল আসামিদের পাশাপাশি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা ভুলবশত কোনো সাধারণ বা নির্দোষ মানুষকে এজাহারভুক্ত (FIR-named accused) করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি পরিস্থিতি।

হত্যা মামলার ১নং ও ২নং আসামীর ছবি সহ ব্যানার টাঙিয়ে গত শনিবার ১৮ই জুলাই মানববন্ধন করে বাদী পক্ষের পরিবার আত্নীয় স্বজন এবং এলাকাবাসী। ঐ মানববন্ধনে ৫ নং, ৬নং এবং ৭নং আসামীর পরিবারের মানুষ জনও উপস্থিত থেকে ১ নং আসামী রুবেলের ফাঁসির দাবি করে।

এই মামলার বাদী আসলাম মানব বন্ধনে বলে “রুবেল আমার বাপের মূল হত্যাকারি সে আমার পিতাকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেছে, আমি থানায় গিয়ে রুবেল, সাইফুল, মামুন এবং মিজান এর ব্যাপারে অভিযোগ করেছি, কিন্তু পুলিশ ইচ্ছে করেই বশর, পেয়ার আহমদ এবং রাব্বানীকে এজহার ভুক্ত করে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই। আমিতো ঘটনা কি হয়েছে জানিনা, বশর এবং পেয়ার আহমদ ই বলেছে ঐ দিন রাতে অর্থাৎ ১৫ই জুলাই আমার বাবাকে কে কিভাবে মেরে ছিল। পেয়ার আহমদ, বশর এ মামলার চাক্ষুষ সাক্ষী।
মামলার কার্যকারিতা নষ্ট করতে এটা কোন চক্রান্ত কিনা আমার জানা নেই, তবে আমার পিতার মূল হত্যাকারিকে বাঁচাতে যে বা যারা সাহায্য করবে তারা হাশরের ময়দানে আমার পিতার হত্যাকারি হিসেবে দায়ি থাকবে।

বাদী আসলাম আরো জানায় “এজহারে পেয়ার আহমদ, বশর ও রাব্বানী ভাইয়ের নাম দেখে কারন জিজ্ঞেস করলে তারা কোন কারণ জানেনা মর্মে শিকার করে। তারা বলে এটা ওসি স্যার জানে। ওসি শাহীনুর আলম-কে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলে—তুই কি জানস কে হত্যা করছে..?”

পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী এজহারের একটা অনুলীপি সাথে বাদীকে সংগ্রহ করার কথা থাকলেও তা না দিয়ে ১৬ তারিখ রাত তিনটায় বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এই এজহারের কপি হাতে দেয় ১৮ই জুলাই রাত ১০টায়, কপি সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখি মূল আসামী সহ তার সহযোগীদের রিমান্ডে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় রুবেলের সাথে মনছুরাদ পশ্চিম পাড়া এলাকার জুয়েল এবং হযরত নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল বার বার যোগাযোগ রাখছে, সেলের দ্বায়িত্বে থাকা
কনস্টেবল কোন বাধা দিচ্ছে না। রিমান্ডে আনা আসামীর সাথে এমন আতিথিয়েতা মূলক আচরণ আনাকে সত্যিই খুব মর্মাহত করেছে বলে জানায়। থানার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে এর সত্যতা পাওয়া তেমন দূরহ হবে না বলে মন্তব্য করে নিহত আবু সিদ্দিক এর পুত্র আসলাম।

এ তিনজনের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কেন এজহার ভুক্ত করা হল তার কোন সদুত্তর দিতে পারে নি এখন পর্যন্ত কেউ।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৬ই জুলাই সকাল ৯টায় হত্যাকান্ডের ঘটনা জানাজানি হলে রুবেল সহ রুবেলের পরিবারের লোকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও বশর পেয়ার আহমদ একই এলাকার অর্থাৎ ১ম আসামী রুবেল এর একই এলাকার হয়েও তারা পালিয়ে যায় নি বরং এলাকাতেই অবস্থান করছিল। ঐ দিন নিহত আবু সিদ্দিক এর জানাজা শেষে উত্তেজিত জনতা, হত্যার প্রতিবাদে রুবেল এর দোকান এবং তার বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। তবে এ ঘটনা ঘটার আগে বাদী আসলাম এবং তাদের আত্নীয় স্বজনরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে উত্তেজিত জনতার উদ্দেশ্যে বলে ” আপনার দয়া করে কোথাও কোন হামলা চালাবেন না, আমার বাবা হত্যা কান্ডের শিকার হয়েছে, আমাদের দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হত্যাকারিদের বিচার হবে”।

এদিকে নির্দোষ কিছু মানুষকে অহেতুক হত্যা মামলার আসামী বানিয়ে দেয়া অপর দিকে সকল আসামী দ্রুত সময়ে আটক করা। পুলিশের এ কর্মকান্ডে এলাকাবাসী একদিকে অভিনন্দন আরেক দিকে তিরস্কার জানাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতির দরুন শুধু মনছুরাবাদ নয় বরং পুরো বাংলাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি তিব্র ন্যাগেটিভ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যৎতে পুলিশ প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ধারে দীর্ঘসূত্রতা পোহাতে হবে।
কেন পোহাবে..?
এলাকাবাসী বলছে কেউ যদি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আসামী হয়ে যায় তাহলে তো আর কেউ চোখে দেখা ঘটনা বর্ণনা করবে না। তারা যা দেখছে তা বলাতেই তো বাদী সহ এলাকাবাসী সবাই এ বিষয়ে জানতে পারে। সত্য বলতে গিয়ে এখন তাদের সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক সংকট, আসামীর খাতায় নাম উঠেছে বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের লোকজন।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে সিএমপি পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীকে অবহিত করা হলে তিনি জানান– “এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে”। পুলিশের অতিরিক্ত কমিশন (ক্রাইম & অপারেশন) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন এজাহারে বাদী নাম দিয়েছে তাই তারা এজহারভুক্ত আসামী হয়েছে, অপরদিকে বাদীর দাবি ওই তিনজনের নাম বাদী আসামী হিসেবে পুলিশকে দেয় নি, সাক্ষী হিসেবে দিয়েছে।একই কথা বলেছেন ঘটনার দিন পরিদর্শন করা পুলিশ সদস্যরাও।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় স্বাস্থ্য সহকারীদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত: ওয়ার্ল্ড ভিশনের ছাতা বিতরণ

বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন

আপডেট সময় : 02:16:00 pm, Wednesday, 22 July 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এ ঘটনায় পুরো নগরীর আগ্রবাদ মনছুরাবাদ একালায় চলছে পুলিশের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার গুণজন।

ফৌজদারি মামলায় মূল আসামিদের পাশাপাশি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা ভুলবশত কোনো সাধারণ বা নির্দোষ মানুষকে এজাহারভুক্ত (FIR-named accused) করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি পরিস্থিতি।

হত্যা মামলার ১নং ও ২নং আসামীর ছবি সহ ব্যানার টাঙিয়ে গত শনিবার ১৮ই জুলাই মানববন্ধন করে বাদী পক্ষের পরিবার আত্নীয় স্বজন এবং এলাকাবাসী। ঐ মানববন্ধনে ৫ নং, ৬নং এবং ৭নং আসামীর পরিবারের মানুষ জনও উপস্থিত থেকে ১ নং আসামী রুবেলের ফাঁসির দাবি করে।

এই মামলার বাদী আসলাম মানব বন্ধনে বলে “রুবেল আমার বাপের মূল হত্যাকারি সে আমার পিতাকে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করেছে, আমি থানায় গিয়ে রুবেল, সাইফুল, মামুন এবং মিজান এর ব্যাপারে অভিযোগ করেছি, কিন্তু পুলিশ ইচ্ছে করেই বশর, পেয়ার আহমদ এবং রাব্বানীকে এজহার ভুক্ত করে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই। আমিতো ঘটনা কি হয়েছে জানিনা, বশর এবং পেয়ার আহমদ ই বলেছে ঐ দিন রাতে অর্থাৎ ১৫ই জুলাই আমার বাবাকে কে কিভাবে মেরে ছিল। পেয়ার আহমদ, বশর এ মামলার চাক্ষুষ সাক্ষী।
মামলার কার্যকারিতা নষ্ট করতে এটা কোন চক্রান্ত কিনা আমার জানা নেই, তবে আমার পিতার মূল হত্যাকারিকে বাঁচাতে যে বা যারা সাহায্য করবে তারা হাশরের ময়দানে আমার পিতার হত্যাকারি হিসেবে দায়ি থাকবে।

বাদী আসলাম আরো জানায় “এজহারে পেয়ার আহমদ, বশর ও রাব্বানী ভাইয়ের নাম দেখে কারন জিজ্ঞেস করলে তারা কোন কারণ জানেনা মর্মে শিকার করে। তারা বলে এটা ওসি স্যার জানে। ওসি শাহীনুর আলম-কে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলে—তুই কি জানস কে হত্যা করছে..?”

পুলিশ নিয়ম অনুযায়ী এজহারের একটা অনুলীপি সাথে বাদীকে সংগ্রহ করার কথা থাকলেও তা না দিয়ে ১৬ তারিখ রাত তিনটায় বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এই এজহারের কপি হাতে দেয় ১৮ই জুলাই রাত ১০টায়, কপি সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখি মূল আসামী সহ তার সহযোগীদের রিমান্ডে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা যায় রুবেলের সাথে মনছুরাদ পশ্চিম পাড়া এলাকার জুয়েল এবং হযরত নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল বার বার যোগাযোগ রাখছে, সেলের দ্বায়িত্বে থাকা
কনস্টেবল কোন বাধা দিচ্ছে না। রিমান্ডে আনা আসামীর সাথে এমন আতিথিয়েতা মূলক আচরণ আনাকে সত্যিই খুব মর্মাহত করেছে বলে জানায়। থানার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলে এর সত্যতা পাওয়া তেমন দূরহ হবে না বলে মন্তব্য করে নিহত আবু সিদ্দিক এর পুত্র আসলাম।

এ তিনজনের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও কেন এজহার ভুক্ত করা হল তার কোন সদুত্তর দিতে পারে নি এখন পর্যন্ত কেউ।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৬ই জুলাই সকাল ৯টায় হত্যাকান্ডের ঘটনা জানাজানি হলে রুবেল সহ রুবেলের পরিবারের লোকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও বশর পেয়ার আহমদ একই এলাকার অর্থাৎ ১ম আসামী রুবেল এর একই এলাকার হয়েও তারা পালিয়ে যায় নি বরং এলাকাতেই অবস্থান করছিল। ঐ দিন নিহত আবু সিদ্দিক এর জানাজা শেষে উত্তেজিত জনতা, হত্যার প্রতিবাদে রুবেল এর দোকান এবং তার বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। তবে এ ঘটনা ঘটার আগে বাদী আসলাম এবং তাদের আত্নীয় স্বজনরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে উত্তেজিত জনতার উদ্দেশ্যে বলে ” আপনার দয়া করে কোথাও কোন হামলা চালাবেন না, আমার বাবা হত্যা কান্ডের শিকার হয়েছে, আমাদের দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হত্যাকারিদের বিচার হবে”।

এদিকে নির্দোষ কিছু মানুষকে অহেতুক হত্যা মামলার আসামী বানিয়ে দেয়া অপর দিকে সকল আসামী দ্রুত সময়ে আটক করা। পুলিশের এ কর্মকান্ডে এলাকাবাসী একদিকে অভিনন্দন আরেক দিকে তিরস্কার জানাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতির দরুন শুধু মনছুরাবাদ নয় বরং পুরো বাংলাদেশে পুলিশের বিরুদ্ধে একটি তিব্র ন্যাগেটিভ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যৎতে পুলিশ প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ধারে দীর্ঘসূত্রতা পোহাতে হবে।
কেন পোহাবে..?
এলাকাবাসী বলছে কেউ যদি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আসামী হয়ে যায় তাহলে তো আর কেউ চোখে দেখা ঘটনা বর্ণনা করবে না। তারা যা দেখছে তা বলাতেই তো বাদী সহ এলাকাবাসী সবাই এ বিষয়ে জানতে পারে। সত্য বলতে গিয়ে এখন তাদের সামাজিক মর্যাদা, আর্থিক সংকট, আসামীর খাতায় নাম উঠেছে বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের লোকজন।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে সিএমপি পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীকে অবহিত করা হলে তিনি জানান– “এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে”। পুলিশের অতিরিক্ত কমিশন (ক্রাইম & অপারেশন) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন এজাহারে বাদী নাম দিয়েছে তাই তারা এজহারভুক্ত আসামী হয়েছে, অপরদিকে বাদীর দাবি ওই তিনজনের নাম বাদী আসামী হিসেবে পুলিশকে দেয় নি, সাক্ষী হিসেবে দিয়েছে।একই কথা বলেছেন ঘটনার দিন পরিদর্শন করা পুলিশ সদস্যরাও।