Dhaka , Monday, 10 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন নোয়াখালী, জেলায় শীর্ষে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রাজাপুরে চার বিদ্যালয়ে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, অসচ্ছল ৭ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ এসএসসিতে MCPSC-এর কৃতিত্ব, ৩৮৮ পরীক্ষার্থীর ২৪১ জনই জিপিএ-৫ সাইকেলের চাকায় জামশেদের জীবন বদলে দিলেন মানবিক ডিসি জাহিদ আওয়ামী লীগের নেতাদের গলায় ডেলিগেট কার্ড, ১৭ বছরের ত্যাগীরা রেডিসনের বাইরে—চট্টগ্রামে ‘কার্ড বাণিজ্য’ নিয়ে তোলপাড় চট্টগ্রাম নেত্রকোণায় মাদক ও বাল্যবিবাহ কে লাল কার্ড প্রদর্শন শিক্ষার্থীদের নরসিংদী নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়েছে রূপগঞ্জে মামলা করায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা-ভাংচুর ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন রূপগঞ্জে পিকনিক ট্রলারে মাদক ও নারী নিয়ে অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার কারণে মুড়াপাড়া ইউপি সদস্যসহ ২০ জন গ্রেফতার রূপগঞ্জে পরিবেশ উন্নয়নে অভিযান, গাছের চারা রোপন, বিতরণ ও আলোচনা সভা ‘চতুর্থ বিয়েটা কবে করছেন?’, আমিরকে নেটিজেনের প্রশ্ন চোখের জলে বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি কসোভোর সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ কেনায় দারুণ সুযোগ রাষ্ট্রপতি হওয়ার গুঞ্জন, যা বললেন মির্জা ফখরুল এসএসসির ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবে মধুপুরে মাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার রূপগঞ্জে মাদকসেবীসহ ৩ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড লক্ষ্মীপুরে গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান ডা:দিবালোক সিংহের চট্টগ্রাম ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নেতৃত্বে কামাল-শরীফ ইমাম মোয়াজ্জেম কে ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে ঘুষ আদায় করে বহিষ্কার হলেন বিএনপির ২ নেতা পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ মধুপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা চন্দনাইশে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’র প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন: সেলাই মেশিন ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ রূপগঞ্জে পূবালী ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংকিং প্রডাক্ট সেলস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে সাহাপুর-মুশরী-তেলিপাড়া খাল সংস্কার কাজের উদ্বোধন মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে আশুগঞ্জে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সমাবেশ শরীয়তপুরে জমির বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মারধর, নারীসহ আহত ৩ ক্রিকেট তারকার সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন

আফ্রিকার যে ভূমিতে প্রথম হিজরত করেছিলেন সাহাবিরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:27:49 pm, Saturday, 11 July 2026
  • 61 বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক,

মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত ইসলামের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। এই হিজরতের মাধ্যমে মুসলমানরা স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন ও একটি আদর্শ সমাজ গঠনের সুযোগ লাভ করেন। তবে মদিনায় হিজরতের আগেই মুসলমানদের প্রথম হিজরত হয়েছিল আফ্রিকার হাবশা (বর্তমান ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়া) অঞ্চলে। ইতিহাসের এই অধ্যায় ঈমানের দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ এবং কূটনৈতিক প্রজ্ঞার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

প্রথম হাবশা হিজরত

নবুয়তের পঞ্চম বছরে মক্কার কুরাইশদের নির্যাতন অসহনীয় হয়ে উঠলে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কিছু সাহাবিকে হাবশায় হিজরতের নির্দেশ দেন। প্রথম দফায় ১২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারীসহ মোট ১৬ জন সাহাবি সেখানে আশ্রয় নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন হজরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) ও মহানবীর কন্যা হজরত রুকাইয়া (রা.)।

হিজরতের নির্দেশ দিতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, “তোমরা যদি হাবশায় চলে যেতে, তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম হতো। সেখানে এমন একজন ন্যায়পরায়ণ রাজা আছেন, যার শাসনে কারও ওপর জুলুম করা হয় না।”

গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন

হাবশায় অবস্থানকালে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে মক্কার মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধ হয়েছে। সেই সংবাদে বিশ্বাস করে অনেক সাহাবি দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু মক্কায় ফিরে তারা দেখেন বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বরং নির্যাতন আরও বেড়ে গেছে।

দ্বিতীয় দফায় হিজরত

পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠায় মহানবী (সা.) দ্বিতীয়বার হাবশায় হিজরতের নির্দেশ দেন। এবার ৮৩ জন পুরুষ ও ১৯ জন নারী সাহাবি হিজরত করেন। এই কাফেলার নেতৃত্ব দেন হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব (রা.)। তাদের সঙ্গে ছিলেন হজরত আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা.), হজরত আবু মূসা আশআরী (রা.)সহ অনেক বিশিষ্ট সাহাবি।

কুরাইশদের ষড়যন্ত্র

মুসলমানদের নিরাপদ আশ্রয় মেনে নিতে পারেনি কুরাইশ নেতারা। তারা দক্ষ কূটনীতিক আমর ইবনুল আস ও আব্দুল্লাহ ইবনে আবি রাবিয়াকে মূল্যবান উপহারসহ হাবশার রাজা নাজ্জাশীর দরবারে পাঠায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের ফেরত নিয়ে যাওয়া।

কুরাইশ প্রতিনিধিরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানায়, তারা নিজেদের ধর্ম ত্যাগ করেছে, আবার খ্রিস্টধর্মও গ্রহণ করেনি; বরং নতুন এক ধর্ম প্রচার করছে।

নাজ্জাশীর দরবারে জাফর (রা.)-এর ঐতিহাসিক ভাষণ

রাজা নাজ্জাশী মুসলমানদের বক্তব্য শোনার সুযোগ দেন। তখন হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব (রা.) ইসলামের পরিচয় এবং মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ইসলাম মানুষকে সত্যবাদিতা, আমানতদারি, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, প্রতিবেশীর প্রতি সদাচরণ এবং অন্যায়-অবিচার থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, একমাত্র এই সত্যের অনুসারী হওয়ার কারণেই মুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং আশ্রয়ের সন্ধানে হাবশায় এসেছেন।

এরপর তিনি সূরা মারিয়ামের কিছু আয়াত তিলাওয়াত করেন। কোরআনের বাণী শুনে রাজা নাজ্জাশী ও উপস্থিত ধর্মযাজকদের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে যায়। তিনি কুরাইশ প্রতিনিধিদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং মুসলমানদের নিরাপদ আশ্রয়ের নিশ্চয়তা দেন।

পরদিন কুরাইশ প্রতিনিধিরা হজরত ঈসা (আ.)-কে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও নাজ্জাশী তাতেও বিভ্রান্ত হননি। শেষ পর্যন্ত তারা ব্যর্থ হয়ে মক্কায় ফিরে যায়।

ইতিহাসের শিক্ষা

হাবশার হিজরত শুধু একটি দেশত্যাগের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল ঈমান রক্ষার জন্য আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং শান্তিপূর্ণ কূটনীতির মাধ্যমে ন্যায়ের বিজয়ের এক অনন্য ইতিহাস।

এই ঘটনা আমাদের শেখায়—সত্য, ধৈর্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকলে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই উত্তম ব্যবস্থা করে দেন। দেড় হাজার বছর পরও হাবশার হিজরতের ইতিহাস মুসলমানদের মনে করিয়ে দেয়, ঈমান রক্ষার জন্য ত্যাগ স্বীকার করলে শেষ পর্যন্ত বিজয় সত্যেরই হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন নোয়াখালী, জেলায় শীর্ষে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

আফ্রিকার যে ভূমিতে প্রথম হিজরত করেছিলেন সাহাবিরা

আপডেট সময় : 09:27:49 pm, Saturday, 11 July 2026

ধর্ম ডেস্ক,

মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত ইসলামের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। এই হিজরতের মাধ্যমে মুসলমানরা স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন ও একটি আদর্শ সমাজ গঠনের সুযোগ লাভ করেন। তবে মদিনায় হিজরতের আগেই মুসলমানদের প্রথম হিজরত হয়েছিল আফ্রিকার হাবশা (বর্তমান ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়া) অঞ্চলে। ইতিহাসের এই অধ্যায় ঈমানের দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ এবং কূটনৈতিক প্রজ্ঞার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

প্রথম হাবশা হিজরত

নবুয়তের পঞ্চম বছরে মক্কার কুরাইশদের নির্যাতন অসহনীয় হয়ে উঠলে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কিছু সাহাবিকে হাবশায় হিজরতের নির্দেশ দেন। প্রথম দফায় ১২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারীসহ মোট ১৬ জন সাহাবি সেখানে আশ্রয় নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন হজরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) ও মহানবীর কন্যা হজরত রুকাইয়া (রা.)।

হিজরতের নির্দেশ দিতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, “তোমরা যদি হাবশায় চলে যেতে, তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম হতো। সেখানে এমন একজন ন্যায়পরায়ণ রাজা আছেন, যার শাসনে কারও ওপর জুলুম করা হয় না।”

গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন

হাবশায় অবস্থানকালে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে মক্কার মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধ হয়েছে। সেই সংবাদে বিশ্বাস করে অনেক সাহাবি দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু মক্কায় ফিরে তারা দেখেন বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বরং নির্যাতন আরও বেড়ে গেছে।

দ্বিতীয় দফায় হিজরত

পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠায় মহানবী (সা.) দ্বিতীয়বার হাবশায় হিজরতের নির্দেশ দেন। এবার ৮৩ জন পুরুষ ও ১৯ জন নারী সাহাবি হিজরত করেন। এই কাফেলার নেতৃত্ব দেন হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব (রা.)। তাদের সঙ্গে ছিলেন হজরত আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা.), হজরত আবু মূসা আশআরী (রা.)সহ অনেক বিশিষ্ট সাহাবি।

কুরাইশদের ষড়যন্ত্র

মুসলমানদের নিরাপদ আশ্রয় মেনে নিতে পারেনি কুরাইশ নেতারা। তারা দক্ষ কূটনীতিক আমর ইবনুল আস ও আব্দুল্লাহ ইবনে আবি রাবিয়াকে মূল্যবান উপহারসহ হাবশার রাজা নাজ্জাশীর দরবারে পাঠায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের ফেরত নিয়ে যাওয়া।

কুরাইশ প্রতিনিধিরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানায়, তারা নিজেদের ধর্ম ত্যাগ করেছে, আবার খ্রিস্টধর্মও গ্রহণ করেনি; বরং নতুন এক ধর্ম প্রচার করছে।

নাজ্জাশীর দরবারে জাফর (রা.)-এর ঐতিহাসিক ভাষণ

রাজা নাজ্জাশী মুসলমানদের বক্তব্য শোনার সুযোগ দেন। তখন হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব (রা.) ইসলামের পরিচয় এবং মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ইসলাম মানুষকে সত্যবাদিতা, আমানতদারি, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, প্রতিবেশীর প্রতি সদাচরণ এবং অন্যায়-অবিচার থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, একমাত্র এই সত্যের অনুসারী হওয়ার কারণেই মুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং আশ্রয়ের সন্ধানে হাবশায় এসেছেন।

এরপর তিনি সূরা মারিয়ামের কিছু আয়াত তিলাওয়াত করেন। কোরআনের বাণী শুনে রাজা নাজ্জাশী ও উপস্থিত ধর্মযাজকদের চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে যায়। তিনি কুরাইশ প্রতিনিধিদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং মুসলমানদের নিরাপদ আশ্রয়ের নিশ্চয়তা দেন।

পরদিন কুরাইশ প্রতিনিধিরা হজরত ঈসা (আ.)-কে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও নাজ্জাশী তাতেও বিভ্রান্ত হননি। শেষ পর্যন্ত তারা ব্যর্থ হয়ে মক্কায় ফিরে যায়।

ইতিহাসের শিক্ষা

হাবশার হিজরত শুধু একটি দেশত্যাগের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল ঈমান রক্ষার জন্য আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং শান্তিপূর্ণ কূটনীতির মাধ্যমে ন্যায়ের বিজয়ের এক অনন্য ইতিহাস।

এই ঘটনা আমাদের শেখায়—সত্য, ধৈর্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকলে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই উত্তম ব্যবস্থা করে দেন। দেড় হাজার বছর পরও হাবশার হিজরতের ইতিহাস মুসলমানদের মনে করিয়ে দেয়, ঈমান রক্ষার জন্য ত্যাগ স্বীকার করলে শেষ পর্যন্ত বিজয় সত্যেরই হয়।