Dhaka , Monday, 7 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শ্রীপুরে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৩২৮ বস্তা সার জব্দ, মামলা দায়ের সমুদ্রের প্রেমে মগ্ন পূজা চেরী রেকর্ডের হাতছানি রাফিনিয়ার সামনে ভোলায় আল-ইহসান একাডেমিতে প্রাণবন্ত মা সমাবেশ ও বৃক্ষ বিতরণ বিভৎস নির্যাতনের পর দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান দেশে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাইকগাছা পৌরসভার সপ্তাহব্যাপী মশক নিধন অভিযান পাইকগাছায় সরকারি জমি উদ্ধারে সাফল্য: প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায় লংমার্চ রাজপথের ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী ১০০ গুণী শিক্ষক পাচ্ছেন লাখ টাকা পুরস্কার প্রথমবারেই চমক: দুর্গাপুরে মহিলা দলের কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত ​ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষায় সফল উদ্যোগ: নেপথ্যে তরুণ সাইবার বিশেষজ্ঞ মোঃ রাকিবুল হাসান লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান রামগঞ্জে অভিনব শপথ মসজিদ ছুয়ে মাদক ছাড়ার অঙ্গিকার বুলবুল হত্যা মামলায় শেখ সিফাতসহ ৭ আসামি কারাগারে পরিত্যক্ত ভবন অপসারণ ও মাঠ মাটি ভরাটের বিষয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসাকে মডেল প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে মতবিনিময় নারায়ণগঞ্জ সদরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান International Day of Charity 2026 উপলক্ষে লিজেন্ড ফাউন্ডেশনের ফুড সার্ভিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত মাদক নয়, মাঠে ফিরুক তরুণরা—অন্তর চৌধুরীর উদ্যোগে ফুটবল বিতরণ। কালিয়কৈরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপি সাংবাদিক কামরুলের ওপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতাকে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে:- ডিসি জাহিদ ক্রেস্টের পাশে সবুজের ছোঁয়া: দুর্গাপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা দুর্গাপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা সড়ক সচল করলেন ডেপুটি স্পিকার: জনমনে স্বস্তি, কাটলো দীর্ঘ ভোগান্তি পাইকগাছায় হিলফুল ফুজুল এর ত্রি-বার্ষিক কমিটি গঠন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করায় আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি-কে মির্জাপুর ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা শ্রীপুর প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যাটারি চালিত ভ্যান প্রদান

Energy Price Stabilized Fund গঠনের দাবিতে মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:48:31 pm, Saturday, 20 December 2025
  • 109 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের চুক্তি বাতিল ও অপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লুটকারীদের থেকে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের অর্থে ‘Energy Price Stabilized Fund’ গঠিন করতে হবে

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের সুযোগ নিয়ে বিগত পনেরো বছরে একের পর এক বিতর্কিত চুক্তি করে জনগণের অর্থের বিপুল অপচয় ও মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। এই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে অযৌক্তিক সুবিধা ও মুনাফা প্রদানের জন্য দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দায়মুক্তি আইন বহাল থাকায় এসব চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। যা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুশাসনের বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের আওতায় সম্পাদিত সব বিনিয়োগ ও ক্রয় চুক্তি বাতিল এবং জ্বালানি অপরাধীদের বিচার এবং এখাতের লুটকারীদের থেকে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের অর্থে ‘Energy Price Stabilized Fund’ গঠিনের দাবি জানিয়েছেন কনজ্যুমার আসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব)।

শনিবার ২০ ডিসেম্বর, সকালে নগরীর জামাল খান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ক্যাব চট্টগ্রাম ও যুব ক্যাব চট্টগ্রামের আয়োজনে এ মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত দাবি জানান।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটি ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত মানববন্ধনে যুব ক্যাব চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী রাইসুল ইসলাম ও ক্যাব বিভাগীয় সংগঠক রাসেল উদ্দীনের সঞ্চালানায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি কলামিস্ট মুসা খান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহাগর সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, ক্যাব চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারন সম্পাদক শাহাদত হোসেন, ক্যাব মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক সেলিম জাহাঙ্গীর, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগম, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ জানে আলম, ক্যাব পশ্চিম ষোল শহর ওয়ার্ড সভাপতি এবিএম হুমায়ুন কবির, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু হানিফ নোমান, যুব ক্যাব সদস্য সিদরাতুল মুনতাহা, করিমুল ইসলাম, কয়েছ হক, মোঃ সাইমন ইসলাম, সাংবাদিক মুজিব উল্লাহ, মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের একিউএম মোসলেহ উদ্দীন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে এস এম নাজের হোসাইন বলেন, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার বিদ্যুত ও জ্বালানী খাতে শৃংখলা বিধান, নানা অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাতিলসহ নানা উদ্যোগ নিলেও বিগত সরকারের আমলে জারিকৃত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’ নামে দায়মুক্তির আইনের মাধ্যমে গত দেড় দশকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুণ্ঠন সংঘটিত হয়েছে তা বাতিল করে নাই। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই একতরফা চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। যার কারণে প্রতিবছর বিদ্যুত ও জ্বালানী খাতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প ও কলকারখানায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। যা মরার ওপর খরার ঘা হিসাবে আর্বিভুত হয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ ভোক্তার ওপর।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চারগুণ বাড়লেও ব্যয় ১১ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন না করেও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ভাড়াভিত্তিক অর্থ প্রদান, এলএনজি আমদানিতে অতিমূল্যায়ন এবং অস্বচ্ছ বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী জ্বালানি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। এসব অপরাধ রাষ্ট্রীয় নীতির আড়ালে সংঘটিত হওয়ায় বিচার থেকে দায়ীদের রক্ষা করা হয়েছে।

মানববন্ধনে অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের আওতায় সম্পাদিত সব চুক্তি বাতিল, জ্বালানি অপরাধীদের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ, দোষীদের বিচার নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে জনস্বার্থভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক জ্বালানি নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিদ্যুত খাতে ভর্তুকি ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং গ্যাস খাতে প্রস্তাবিত ভর্তুকি ৭ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। এই ভর্তুকির সুবিধায় সাধারণ ভোক্তা নয়—বরং অলিগার্ক ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আজ ভয়াবহ দুর্নীতি, অদক্ষতা ও একচেটিয়াত্বে নিমজ্জিত। জনগণ তাদের সাংবিধানিক জ্বালানি অধিকার থেকে বঞ্চিত। পেশাদার জ্ঞানী ও অভিজ্ঞ সৎ ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত স্বার্থসংঘাতমুক্ত জাতীয় পর্যায়ের কমিশন দ্বারা সকল বিদ্যুৎ ও প্রাথমিক জ্বালানি উন্নয়ন প্রকল্পের ক্যাপাসিটি চার্জ, PPA (Power Purchase Agreement) এবং LTSA (Long Term Service Agreement) সংশোধনের দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

Energy Price Stabilized Fund গঠনের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : 02:48:31 pm, Saturday, 20 December 2025

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের চুক্তি বাতিল ও অপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লুটকারীদের থেকে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের অর্থে ‘Energy Price Stabilized Fund’ গঠিন করতে হবে

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের সুযোগ নিয়ে বিগত পনেরো বছরে একের পর এক বিতর্কিত চুক্তি করে জনগণের অর্থের বিপুল অপচয় ও মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। এই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে অযৌক্তিক সুবিধা ও মুনাফা প্রদানের জন্য দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দায়মুক্তি আইন বহাল থাকায় এসব চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। যা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুশাসনের বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের আওতায় সম্পাদিত সব বিনিয়োগ ও ক্রয় চুক্তি বাতিল এবং জ্বালানি অপরাধীদের বিচার এবং এখাতের লুটকারীদের থেকে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের অর্থে ‘Energy Price Stabilized Fund’ গঠিনের দাবি জানিয়েছেন কনজ্যুমার আসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব)।

শনিবার ২০ ডিসেম্বর, সকালে নগরীর জামাল খান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ক্যাব চট্টগ্রাম ও যুব ক্যাব চট্টগ্রামের আয়োজনে এ মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত দাবি জানান।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটি ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত মানববন্ধনে যুব ক্যাব চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী রাইসুল ইসলাম ও ক্যাব বিভাগীয় সংগঠক রাসেল উদ্দীনের সঞ্চালানায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পলিসি ইনফ্লুয়েন্স গ্রুপ চট্টগ্রামের সভাপতি কলামিস্ট মুসা খান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহাগর সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, ক্যাব চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সাধারন সম্পাদক শাহাদত হোসেন, ক্যাব মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক সেলিম জাহাঙ্গীর, সবুজের যাত্রার নির্বাহী পরিচালক সায়েরা বেগম, জেলা সামাজিক উদ্যোক্তা পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ জানে আলম, ক্যাব পশ্চিম ষোল শহর ওয়ার্ড সভাপতি এবিএম হুমায়ুন কবির, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু হানিফ নোমান, যুব ক্যাব সদস্য সিদরাতুল মুনতাহা, করিমুল ইসলাম, কয়েছ হক, মোঃ সাইমন ইসলাম, সাংবাদিক মুজিব উল্লাহ, মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের একিউএম মোসলেহ উদ্দীন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে এস এম নাজের হোসাইন বলেন, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার বিদ্যুত ও জ্বালানী খাতে শৃংখলা বিধান, নানা অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাতিলসহ নানা উদ্যোগ নিলেও বিগত সরকারের আমলে জারিকৃত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’ নামে দায়মুক্তির আইনের মাধ্যমে গত দেড় দশকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুণ্ঠন সংঘটিত হয়েছে তা বাতিল করে নাই। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই একতরফা চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। যার কারণে প্রতিবছর বিদ্যুত ও জ্বালানী খাতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প ও কলকারখানায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। যা মরার ওপর খরার ঘা হিসাবে আর্বিভুত হয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ ভোক্তার ওপর।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চারগুণ বাড়লেও ব্যয় ১১ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন না করেও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ভাড়াভিত্তিক অর্থ প্রদান, এলএনজি আমদানিতে অতিমূল্যায়ন এবং অস্বচ্ছ বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী জ্বালানি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। এসব অপরাধ রাষ্ট্রীয় নীতির আড়ালে সংঘটিত হওয়ায় বিচার থেকে দায়ীদের রক্ষা করা হয়েছে।

মানববন্ধনে অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইনের আওতায় সম্পাদিত সব চুক্তি বাতিল, জ্বালানি অপরাধীদের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ, দোষীদের বিচার নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে জনস্বার্থভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক জ্বালানি নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিদ্যুত খাতে ভর্তুকি ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং গ্যাস খাতে প্রস্তাবিত ভর্তুকি ৭ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। এই ভর্তুকির সুবিধায় সাধারণ ভোক্তা নয়—বরং অলিগার্ক ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আজ ভয়াবহ দুর্নীতি, অদক্ষতা ও একচেটিয়াত্বে নিমজ্জিত। জনগণ তাদের সাংবিধানিক জ্বালানি অধিকার থেকে বঞ্চিত। পেশাদার জ্ঞানী ও অভিজ্ঞ সৎ ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত স্বার্থসংঘাতমুক্ত জাতীয় পর্যায়ের কমিশন দ্বারা সকল বিদ্যুৎ ও প্রাথমিক জ্বালানি উন্নয়ন প্রকল্পের ক্যাপাসিটি চার্জ, PPA (Power Purchase Agreement) এবং LTSA (Long Term Service Agreement) সংশোধনের দাবি জানানো হয়।