
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,
গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে পৃথক জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় কয়েকজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
ঘটনার পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় সাদেক (২৯), কামরুল (৩৯) ও হানিফ (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বেও বিভিন্ন মামলা রয়েছে।
তাদের দেওয়া তথ্য ও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১১টি ধারালো ছুরি, ৩টি কিরিচ, ১টি দা ও ১৫টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ১টি দেশীয় তৈরি একনলা কাটা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শন কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। অপরাধী যে দলের, যে গ্রুপের বা যে রাজনৈতিক পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

























