Dhaka , Saturday, 15 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আকাশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আলোকিত হবে:- ডিসি জাহিদ হরিপুরে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত। ঠিকানা বদলেও ৯ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার সিআইডি পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, নোয়াখালীতে সাবেক সেনা-নৌ সদস্যসহ ৭ জন গ্রেপ্তার আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি সদস্য ও আ.লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন গ্রেপ্তার সাভারে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বিভাগীয় কার্যালয় উদ্বোধন আন্তর্জাতিক যুব দিবসে ScriptySphere-এর উদ্যোগে Youth Day 2026 অনুষ্ঠিত অস্ত্রোপচার শেষে ভক্তদের সুখবর দিলেন জুনিয়র এনটিআর রদ্রিকে পেতে বার্সার দ্বিতীয় প্রস্তাব লেবাননে সেনা রেখে দেবে ইসরাইল, মানছে না যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি আগস্টের প্রথম ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত IMO ও EGMO পদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল যেসব অঞ্চলে ভারি বৃষ্টি হতে পারে জামিনের পর বাড়ি ফেরার পথে ফের গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের নেতা হেড লাইন: উথলী-জাফরগঞ্জ সড়ক যেন মরণে- ফাঁদ, প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা তীব্র গরমে চা শ্রমিকদের পাশে ইস্পাহানী’র জেরিন চা বাগান ব্যবস্থাপক রূপগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত রূপগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত ও যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার চউকের ফলোআপ বৈঠকে হাসপাতালগুলোর পার্কিং ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্যোগ নগরীর অগ্রনী ব্যাংক পিএলসি, লালদিঘী পূর্ব শাখার চার কোটি আটত্রিশ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনায় জড়িত প্রতারক চক্রের মূল ২ হোতা গ্রেফতার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামু গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত মধুপুরের জলছত্র হরিসভা মন্দিরে রাতের আঁধারে চুরি পলাশে ভূয়া সিভিল কোর্ট কমিশনার আটক জলাবদ্ধতা নিরসনে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধকরণে চসিক কমিটি গঠন নারায়ণগঞ্জে যানজট নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ, চাষাড়া-পঞ্চবটি সড়ক সংস্কারের সিদ্ধান্ত চবিতে আরাফাত রহমান কোকো ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনের জন্মবার্ষিকীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী ও মীর হেলাল উদ্দিনের জন্মদিনে চবি ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল

লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর সীমান্তে বর্জ্যের পাহাড়: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো মানুষ।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:46:46 pm, Friday, 19 June 2026
  • 54 বার পড়া হয়েছে

সালমান মির্জা, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি,

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বর্ডার বাজার এলাকাটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই তোরণ দিয়ে যাতায়াতকারীদের স্বাগত ও বিদায় জানানো হলেও, বাস্তবে সেখানে বিরাজ করছে তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

সীমান্তের তোরণ যেন দুর্গন্ধের আধার
রায়পুর ও ফরিদগঞ্জের সীমানা নির্ধারণী তোরণের নিচেই গড়ে তোলা হয়েছে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ। ফরিদগঞ্জ থেকে রায়পুরে প্রবেশের মুখে ‘স্বাগত রায়পুর উপজেলা’ লেখা থাকলেও সেখানে নাক বন্ধ না করে এক মুহূর্ত দাঁড়ানোও অসম্ভব। একইভাবে রায়পুর থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও যাত্রীদের পড়তে হয় একই বর্জ্যের দুর্গন্ধের মুখে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ছয় থেকে সাত বছর ধরে রায়পুর পৌরসভা ও বাজারের বর্জ্য এখানে ফেলা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিপর্যয়
এই বর্জ্যের মধ্যে মরা মুরগি, হাঁস, পশু-পাখির অবশিষ্টাংশসহ বিভিন্ন পচনশীল দ্রব্য এবং ভাঙা টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকজাতীয় অপচনশীল বর্জ্য মিশে থাকে। ফলে স্থানীয় প্রায় চার হাজার মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের বর্জ্যের চাপে সড়কের পাশের জলাশয় ও খাল ভরাট হয়ে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে দূরদূরান্ত পর্যন্ত। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশার কারণে গত দশ মাসে অন্তত শতাধিক যাত্রী অটোরিকশা থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।

প্রশাসনের দায়বদ্ধতা ও পৌরসভার সাফাই
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বারবার অবগত করা হলেও তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এই বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার কঞ্জারভেন্সী পরিদর্শক জানিয়েছেন, পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন বা নির্দিষ্ট জমি না থাকায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে হচ্ছে। পৌরসভা সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন শহর ও বাজার এলাকা থেকে প্রায় ১০০ থেকে ১১০ টন বর্জ্য এখানে ফেলা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা জহির হোসেন, স্বপন আহমেদ ও জান্নাতুল ফেরদৌস রিপাসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে এভাবে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা অত্যন্ত হতাশাজনক। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকলেও প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা কেন এখনো এমন আদিম পদ্ধতিতে বর্জ্য অপসারণ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত এই ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে জনবাসযোগ্য করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আকাশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আলোকিত হবে:- ডিসি জাহিদ

লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর সীমান্তে বর্জ্যের পাহাড়: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো মানুষ।

আপডেট সময় : 06:46:46 pm, Friday, 19 June 2026

সালমান মির্জা, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি,

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বর্ডার বাজার এলাকাটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই তোরণ দিয়ে যাতায়াতকারীদের স্বাগত ও বিদায় জানানো হলেও, বাস্তবে সেখানে বিরাজ করছে তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

সীমান্তের তোরণ যেন দুর্গন্ধের আধার
রায়পুর ও ফরিদগঞ্জের সীমানা নির্ধারণী তোরণের নিচেই গড়ে তোলা হয়েছে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ। ফরিদগঞ্জ থেকে রায়পুরে প্রবেশের মুখে ‘স্বাগত রায়পুর উপজেলা’ লেখা থাকলেও সেখানে নাক বন্ধ না করে এক মুহূর্ত দাঁড়ানোও অসম্ভব। একইভাবে রায়পুর থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও যাত্রীদের পড়তে হয় একই বর্জ্যের দুর্গন্ধের মুখে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ছয় থেকে সাত বছর ধরে রায়পুর পৌরসভা ও বাজারের বর্জ্য এখানে ফেলা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিপর্যয়
এই বর্জ্যের মধ্যে মরা মুরগি, হাঁস, পশু-পাখির অবশিষ্টাংশসহ বিভিন্ন পচনশীল দ্রব্য এবং ভাঙা টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকজাতীয় অপচনশীল বর্জ্য মিশে থাকে। ফলে স্থানীয় প্রায় চার হাজার মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের বর্জ্যের চাপে সড়কের পাশের জলাশয় ও খাল ভরাট হয়ে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে দূরদূরান্ত পর্যন্ত। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশার কারণে গত দশ মাসে অন্তত শতাধিক যাত্রী অটোরিকশা থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।

প্রশাসনের দায়বদ্ধতা ও পৌরসভার সাফাই
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বারবার অবগত করা হলেও তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এই বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার কঞ্জারভেন্সী পরিদর্শক জানিয়েছেন, পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন বা নির্দিষ্ট জমি না থাকায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে হচ্ছে। পৌরসভা সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন শহর ও বাজার এলাকা থেকে প্রায় ১০০ থেকে ১১০ টন বর্জ্য এখানে ফেলা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা জহির হোসেন, স্বপন আহমেদ ও জান্নাতুল ফেরদৌস রিপাসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে এভাবে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা অত্যন্ত হতাশাজনক। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকলেও প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা কেন এখনো এমন আদিম পদ্ধতিতে বর্জ্য অপসারণ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত এই ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে জনবাসযোগ্য করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।