Dhaka , Friday, 19 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান সাতকানিয়ার আমিলাইশে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে আগুন নন্দিনী হত্যার বিচার হবে দ্রুততম সময়ে, ফলিমারীতে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলুর ঘোষণা ক্যাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলে বিশেষ অভিযান বিপুল পরিমাণ অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ রূপগঞ্জের অপহৃত ব্যবসায়ী ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি রূপগঞ্জ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রূপগঞ্জে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ রূপগঞ্জে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধারের দাবিতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন খুনিয়াপালংয়ের ছাদিরকাঠার সড়ক বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী, দুর্ভোগে পথচারীরা দক্ষিণ মিঠাছড়িতে এডিপির আওতায় আরসিসি সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন, জনসাধারণের স্বস্তি রামুতে র‍্যাবের অভিযান: পরিত্যক্ত অবস্থায় একনলা বন্দুক ও ধারালো দা উদ্ধার কক্সবাজারে শিশু সুরক্ষা কমিটির অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত বটিয়াঘাটায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে লবণসহিষ্ণু ব্রি ধান-১০৩ বীজ বিতরণ পাইকগাছায় ড্রেনের নোংরা পানিতে পাউবো পুকুর দূষিত; ড্রেন সংস্কারের দাবি পাইকগাছায় ডিসিআর পেতে জমি দখলের চেষ্টা; পুলিশের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ পাইকগাছায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে লবণসহিষ্ণু ব্রি ধান-৮৭ বীজ বিতরণ ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে লিডার্সের লবণসহিষ্ণু ব্রি ধান বীজ বিতরণ পাইকগাছায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাখির আনাগোনায় মুখর পাইকগাছার হাড়িয়া আবাদ লক্ষ্মীপুরে বিলুপ্তির পথে দেশীয় মাছ, বিপন্ন শতাধিক প্রজাতি। লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর সীমান্তে বর্জ্যের পাহাড়: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো মানুষ। লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন। নোয়াখালীতে মাদকসেবী আখ্যা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২

লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর সীমান্তে বর্জ্যের পাহাড়: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো মানুষ।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:46:46 pm, Friday, 19 June 2026
  • 3 বার পড়া হয়েছে

সালমান মির্জা, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি,

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বর্ডার বাজার এলাকাটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই তোরণ দিয়ে যাতায়াতকারীদের স্বাগত ও বিদায় জানানো হলেও, বাস্তবে সেখানে বিরাজ করছে তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

সীমান্তের তোরণ যেন দুর্গন্ধের আধার
রায়পুর ও ফরিদগঞ্জের সীমানা নির্ধারণী তোরণের নিচেই গড়ে তোলা হয়েছে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ। ফরিদগঞ্জ থেকে রায়পুরে প্রবেশের মুখে ‘স্বাগত রায়পুর উপজেলা’ লেখা থাকলেও সেখানে নাক বন্ধ না করে এক মুহূর্ত দাঁড়ানোও অসম্ভব। একইভাবে রায়পুর থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও যাত্রীদের পড়তে হয় একই বর্জ্যের দুর্গন্ধের মুখে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ছয় থেকে সাত বছর ধরে রায়পুর পৌরসভা ও বাজারের বর্জ্য এখানে ফেলা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিপর্যয়
এই বর্জ্যের মধ্যে মরা মুরগি, হাঁস, পশু-পাখির অবশিষ্টাংশসহ বিভিন্ন পচনশীল দ্রব্য এবং ভাঙা টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকজাতীয় অপচনশীল বর্জ্য মিশে থাকে। ফলে স্থানীয় প্রায় চার হাজার মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের বর্জ্যের চাপে সড়কের পাশের জলাশয় ও খাল ভরাট হয়ে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে দূরদূরান্ত পর্যন্ত। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশার কারণে গত দশ মাসে অন্তত শতাধিক যাত্রী অটোরিকশা থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।

প্রশাসনের দায়বদ্ধতা ও পৌরসভার সাফাই
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বারবার অবগত করা হলেও তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এই বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার কঞ্জারভেন্সী পরিদর্শক জানিয়েছেন, পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন বা নির্দিষ্ট জমি না থাকায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে হচ্ছে। পৌরসভা সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন শহর ও বাজার এলাকা থেকে প্রায় ১০০ থেকে ১১০ টন বর্জ্য এখানে ফেলা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা জহির হোসেন, স্বপন আহমেদ ও জান্নাতুল ফেরদৌস রিপাসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে এভাবে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা অত্যন্ত হতাশাজনক। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকলেও প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা কেন এখনো এমন আদিম পদ্ধতিতে বর্জ্য অপসারণ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত এই ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে জনবাসযোগ্য করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান

লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর সীমান্তে বর্জ্যের পাহাড়: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হাজারো মানুষ।

আপডেট সময় : 06:46:46 pm, Friday, 19 June 2026

সালমান মির্জা, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি,

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বর্ডার বাজার এলাকাটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই তোরণ দিয়ে যাতায়াতকারীদের স্বাগত ও বিদায় জানানো হলেও, বাস্তবে সেখানে বিরাজ করছে তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।

সীমান্তের তোরণ যেন দুর্গন্ধের আধার
রায়পুর ও ফরিদগঞ্জের সীমানা নির্ধারণী তোরণের নিচেই গড়ে তোলা হয়েছে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ। ফরিদগঞ্জ থেকে রায়পুরে প্রবেশের মুখে ‘স্বাগত রায়পুর উপজেলা’ লেখা থাকলেও সেখানে নাক বন্ধ না করে এক মুহূর্ত দাঁড়ানোও অসম্ভব। একইভাবে রায়পুর থেকে বিদায় নেওয়ার সময়ও যাত্রীদের পড়তে হয় একই বর্জ্যের দুর্গন্ধের মুখে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ছয় থেকে সাত বছর ধরে রায়পুর পৌরসভা ও বাজারের বর্জ্য এখানে ফেলা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিপর্যয়
এই বর্জ্যের মধ্যে মরা মুরগি, হাঁস, পশু-পাখির অবশিষ্টাংশসহ বিভিন্ন পচনশীল দ্রব্য এবং ভাঙা টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকজাতীয় অপচনশীল বর্জ্য মিশে থাকে। ফলে স্থানীয় প্রায় চার হাজার মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের বর্জ্যের চাপে সড়কের পাশের জলাশয় ও খাল ভরাট হয়ে দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে দূরদূরান্ত পর্যন্ত। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশার কারণে গত দশ মাসে অন্তত শতাধিক যাত্রী অটোরিকশা থেকে পড়ে আহত হয়েছেন।

প্রশাসনের দায়বদ্ধতা ও পৌরসভার সাফাই
স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে বারবার অবগত করা হলেও তারা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এই বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার কঞ্জারভেন্সী পরিদর্শক জানিয়েছেন, পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন বা নির্দিষ্ট জমি না থাকায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে হচ্ছে। পৌরসভা সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন শহর ও বাজার এলাকা থেকে প্রায় ১০০ থেকে ১১০ টন বর্জ্য এখানে ফেলা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা জহির হোসেন, স্বপন আহমেদ ও জান্নাতুল ফেরদৌস রিপাসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে এভাবে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা অত্যন্ত হতাশাজনক। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকলেও প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা কেন এখনো এমন আদিম পদ্ধতিতে বর্জ্য অপসারণ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত এই ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে জনবাসযোগ্য করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।