Dhaka , Thursday, 12 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; পোনা নদীতে অবমুক্ত ১০ কেজির বদলে ৮ কেজি: রূপগঞ্জে ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ বেগমগঞ্জের গোপালপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  রাজাপুরে চাঁদাবাজির মামলার দুই আসামি গ্রেফতার আতঙ্কের সাম্রাজ্য ফারাজ করিম, মানবিকতার মুখোশে অভিযোগের পাহাড় চট্টগ্রামে পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় থেকে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ০৫ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৭,চট্টগ্রাম শ্রীপুরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রামু গর্জনিয়ায় তাঁতীদলের আয়োজনে দোয়া ও মাহফিল ইফতার সম্পন্ন ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে দুর্গাপুর উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান বলে দেশীয় শাড়ি-থ্রি-পিস বিক্রি হিলি বাজারে ভোক্তা অধিকার অভিযানে জরিমানা ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ লালমনিরহাট: বায়ুদূষণ রোধে মাঠে নামলো ভ্রাম্যমাণ আদালত লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার: ডিবির অভিযানে মোবাইল ও সিম জব্দ পাইকগাছায় ওয়াশ ফর আপ-২ প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় গ্রাম সমিতির নবনির্মিত অফিস ভবন উদ্বোধন রংপুরের পীরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের যৌথ অভিযানে প্রধান আসামি গ্রেফতার কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র অভিযান: ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ি ও মাদক উদ্ধার গুলির ভয় দেখিয়ে গারো পরিবারের বাড়ি ঘর ভাঙার অভিযোগ আর্থিক সহায়তা পেল ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পবিত্র রমজানে বাংলাদেশজুড়ে ১০ হাজার অসহায় পরিবারের পাশে আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্টের ভু-সম্পত্তি ও মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র সংঘাত, সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো নোয়াখালীতে বিয়ের ফাঁদে ফেলে স্বামী পরিত্যাক্তা নারীকে গণধর্ষণ নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থান হলে সালিশ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি করবে না: এমপি ফখরুল ইসলাম “আল আমিন শিশু একাডেমির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত” ইবিতে শিক্ষার্থীদের সম্মানে শহীদ আনাস হল ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল পাইকগাছায় খুচরা তেল বিক্রেতাদের ওপর প্রশাসনের মনিটরিং মধুপুর থানার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া   মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্ব নারী দিবসে বিএইচআরএফ’র ‘স্বনির্ভর নারী’ কর্মসূচির আওতায় সেলাই মেশিন বিতরণ চকবাজারে বৈদ্যুতিক টেকনিশিয়ান সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আনন্দ টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমনিরহাটে মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল ঢাকাস্থ লালমনিরহাট জেলা সমিতির সভায় ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: ‘১৮০ দিনের মধ্যে জেলাকে মাদকমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি’ রূপগঞ্জকে মাদককারবারিদের ধাওয়া, বিদেশী পিস্তল, বিপুল পরিমান মাদকসহ শীর্ষ করবারি আবু হানিফসহ আটক-২ , আহত ৮ যুবদল নেতা

লালমনিরহাটের আমূল পরিবর্তনে অধ্যক্ষ দুলুর ১১ দফা ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’: ব্যাপক আলোড়ন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:13:55 pm, Friday, 23 January 2026
  • 61 বার পড়া হয়েছে

চঞ্চল,

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার। শুক্রবার রাত ১টার দিকে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে তিনি ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’ শিরোনামে এই উন্নয়ন রূপরেখা প্রকাশ করেন। লালমনিরহাটের সুনির্দিষ্ট সমস্যা ও সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে তৈরি করা এই ১১ দফার পরিকল্পনাটি জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এক নজরে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর পরিচয়:

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটের এক প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম মিঞার সন্তান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইতিপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেতু বিভাগ, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন “জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই”-এর প্রধান সমন্বয়ক।

অধ্যক্ষ দুলুর ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’র বিস্তারিত ১১ দফা:

অধ্যক্ষ দুলু তাঁর ইশতেহারে লালমনিরহাট সদরের আধুনিকায়নে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ক্রমানুসারে নিচে তুলে ধরা হলো:

১. কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন: বেকারত্ব দূর করতে সদর কেন্দ্রিক যুব স্কিল ডেভেলপমেন্ট, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হবে। স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসায় যুবকদের অগ্রাধিকারমূলক নিয়োগ এবং প্রবাসীদের জন্য দালালমুক্ত সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করার মাধ্যমে “চাকরির জন্য ঢাকা নয়—লালমনিরহাটেই সুযোগ” সৃষ্টি করা হবে।

২. কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি: ধানের পাশাপাশি ভুট্টা, সবজি ও দুধের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি ক্রয়কেন্দ্র কার্যকর করা এবং কৃষি উপকরণ সরবরাহ থেকে সিন্ডিকেট নির্মূলের অঙ্গীকার করা হয়েছে। কারণ, “কৃষক বাঁচলে, লালমনিরহাট সদর উপজেলা বাঁচবে”।

৩. তিস্তা ও নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা: তিস্তা নদী রক্ষা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হবে। বন্যা, খরা ও নদী ভাঙন রোধে কার্যকর খনন ব্যবস্থা এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে।

৪. স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা: “বিনা চিকিৎসায় কোনো মৃত্যু নয়”—এই লক্ষ্য নিয়ে সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ বাড়ানো হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

৫. শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসন এবং কারিগরি ও বিজ্ঞান শিক্ষায় আধুনিকায়ন করা হবে। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ও উচ্চশিক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা হবে।

৬. যোগাযোগ, বন্দর ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: মোগলহাট স্থলবন্দর পুনস্থাপন ও আধুনিকায়ন করে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। সড়ক, রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন এবং ইকোনমিক জোনে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানো হবে।

৭. ডিজিটাল লালমনিরহাট: ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত হাই-স্পিড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া এবং পাবলিক স্পেসে ডিজিটাল অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাম থেকেই যুবকদের গ্লোবাল জগতের সাথে যুক্ত করা হবে।

৮. পরিকল্পিত নগরায়ন ও অবকাঠামো: সদর শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, টেকসই রাস্তাঘাট ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হবে। কৃষিজমি রক্ষা করে আবাসন পরিকল্পনা এবং শিশুদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ কেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

৯. সুশাসন ও নাগরিক অধিকার: থানায় হয়রানি বন্ধ, ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং নিয়মিত নাগরিক সংলাপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে জনগণের দোরগোড়ায় নেওয়া হবে।

১০. নারী ও সামাজিক নিরাপত্তা: নারী উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ প্রদান, বিধবা-প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং সকল ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

১১. আলোকিত লালমনিরহাট ও সামাজিক প্রতিরোধ: মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার, এসিড নিক্ষেপ, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও জুয়াসহ সকল সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর এই নির্বাচনী রূপরেখাকে লালমনিরহাটের সচেতন নাগরিক সমাজ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট সদর হবে দেশের অন্যতম উন্নত ও স্মার্ট একটি জনপদ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; পোনা নদীতে অবমুক্ত

লালমনিরহাটের আমূল পরিবর্তনে অধ্যক্ষ দুলুর ১১ দফা ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’: ব্যাপক আলোড়ন

আপডেট সময় : 06:13:55 pm, Friday, 23 January 2026

চঞ্চল,

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার। শুক্রবার রাত ১টার দিকে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে তিনি ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’ শিরোনামে এই উন্নয়ন রূপরেখা প্রকাশ করেন। লালমনিরহাটের সুনির্দিষ্ট সমস্যা ও সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে তৈরি করা এই ১১ দফার পরিকল্পনাটি জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এক নজরে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর পরিচয়:

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটের এক প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবুল কাশেম মিঞার সন্তান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইতিপূর্বে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেতু বিভাগ, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন “জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই”-এর প্রধান সমন্বয়ক।

অধ্যক্ষ দুলুর ‘স্থানীয় অঙ্গীকারনামা’র বিস্তারিত ১১ দফা:

অধ্যক্ষ দুলু তাঁর ইশতেহারে লালমনিরহাট সদরের আধুনিকায়নে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছেন তা ক্রমানুসারে নিচে তুলে ধরা হলো:

১. কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন: বেকারত্ব দূর করতে সদর কেন্দ্রিক যুব স্কিল ডেভেলপমেন্ট, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হবে। স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসায় যুবকদের অগ্রাধিকারমূলক নিয়োগ এবং প্রবাসীদের জন্য দালালমুক্ত সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করার মাধ্যমে “চাকরির জন্য ঢাকা নয়—লালমনিরহাটেই সুযোগ” সৃষ্টি করা হবে।

২. কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি: ধানের পাশাপাশি ভুট্টা, সবজি ও দুধের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক সরকারি ক্রয়কেন্দ্র কার্যকর করা এবং কৃষি উপকরণ সরবরাহ থেকে সিন্ডিকেট নির্মূলের অঙ্গীকার করা হয়েছে। কারণ, “কৃষক বাঁচলে, লালমনিরহাট সদর উপজেলা বাঁচবে”।

৩. তিস্তা ও নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা: তিস্তা নদী রক্ষা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হবে। বন্যা, খরা ও নদী ভাঙন রোধে কার্যকর খনন ব্যবস্থা এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে।

৪. স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা: “বিনা চিকিৎসায় কোনো মৃত্যু নয়”—এই লক্ষ্য নিয়ে সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ বাড়ানো হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

৫. শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসন এবং কারিগরি ও বিজ্ঞান শিক্ষায় আধুনিকায়ন করা হবে। মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ও উচ্চশিক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা হবে।

৬. যোগাযোগ, বন্দর ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা: মোগলহাট স্থলবন্দর পুনস্থাপন ও আধুনিকায়ন করে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। সড়ক, রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন এবং ইকোনমিক জোনে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যের কেন্দ্র বানানো হবে।

৭. ডিজিটাল লালমনিরহাট: ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত হাই-স্পিড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া এবং পাবলিক স্পেসে ডিজিটাল অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রাম থেকেই যুবকদের গ্লোবাল জগতের সাথে যুক্ত করা হবে।

৮. পরিকল্পিত নগরায়ন ও অবকাঠামো: সদর শহরের জলাবদ্ধতা দূর করতে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, টেকসই রাস্তাঘাট ও নিরাপদ স্যানিটেশন নিশ্চিত করা হবে। কৃষিজমি রক্ষা করে আবাসন পরিকল্পনা এবং শিশুদের জন্য মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ কেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক সেন্টার গড়ে তোলা হবে।

৯. সুশাসন ও নাগরিক অধিকার: থানায় হয়রানি বন্ধ, ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এবং নিয়মিত নাগরিক সংলাপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে জনগণের দোরগোড়ায় নেওয়া হবে।

১০. নারী ও সামাজিক নিরাপত্তা: নারী উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ প্রদান, বিধবা-প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং সকল ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

১১. আলোকিত লালমনিরহাট ও সামাজিক প্রতিরোধ: মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার, এসিড নিক্ষেপ, চাঁদাবাজি, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও জুয়াসহ সকল সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর এই নির্বাচনী রূপরেখাকে লালমনিরহাটের সচেতন নাগরিক সমাজ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে লালমনিরহাট সদর হবে দেশের অন্যতম উন্নত ও স্মার্ট একটি জনপদ।