Dhaka , Monday, 25 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় লস্কর ও চাঁদখালী ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করলো (PIHR) পরিবার দুই বছর পর পুকুর খুঁড়ে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ অস্ত্র মামলার আসামি ফের অস্ত্র নিয়ে আটক মধুপুরে ইউএনও জুবায়ের হোসেনকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সম্মাননা প্রদান ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পুলিশের অভিযানে হেরোইন ও গাঁজাসহ- চারজন গ্রেফতার। খুলনা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত: পাইকগাছার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু রাতের আঁধারে পদ্মার পাড় খনন মাটি পাচার, ঝুঁকিতে চরভদ্রাসনের রাস্তাঘাট ও ব্লক বাঁধ চসিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে মোবাইলের দোকানে চুরি, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ তিন লাখ টাকার মালামাল লুট লাল্দিমনিরহাটের আদিতমারীতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ মোংলায় রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে গাজীপুরে মহিলা জামায়াতের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু হাতিয়ায় ডাকাতের আস্তানায় অভিযান, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার রূপগঞ্জে ইয়াবা-বিদেশি মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার উপকূলীয় অঞ্চলের আত্মসমর্পণকারীদের নিয়ে র‌্যাব-৭’র বিশেষ আয়োজন, উপর সামগ্রী বিতরণ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন, ট্রাম্পকে যা বললেন নেতানিয়াহু পাসপোর্টে ‘একসেপ্ট ইসরাইল’ ফেরাসহ যেসব পরিবর্তন আসছে স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে এনে কুপিয়ে হত্যা বিশ্বকাপের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজ কাজে দেবে : জ্যোতি ঈদযাত্রায় স্বস্তিতে ঘরে ফিরছেন যাত্রীরা, বাড়ছে বিশেষ ট্রেন ইসলামী ব্যাংকে সুশাসন ফিরিয়ে আনার দাবিতে মানববন্ধন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে রামুর কাউয়ারখোপে ভিজিএফ চাউল বিতরণ চন্দনাইশের গর্ব আফনান হায়াত নুহা সুস্থ জীবন, সুন্দর দেশ—মাদকমুক্ত হোক বাংলাদেশ” স্লোগানে, রূপগঞ্জে “নিরাপদ আগামী”র উদ্যোগে মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল গরু বাজারে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু দুটি আমের জন্য শিশুকে অমানবিক নির্যাতন রাষ্ট্র সংস্কারের বদলে ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতিতে ব্যস্ত বিএনপি: ঝালকাঠিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:39:19 pm, Tuesday, 8 April 2025
  • 597 বার পড়া হয়েছে

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ।

শেখ সুমন আহম্মেদ :

মিয়ানমারের রাখাইনের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে এখনই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মধ্যে এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের জন্য যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে রাখাইনের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এখনই করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেয়েছিলাম তাদের মুখ থেকে কথা আসুক। জান্তা সরকার আড়াই লাখের মধ্যে তারা এক লাখ ৮০ হাজার তারা ক্লিয়ার করেছে এবং বাকি ৭০ হাজারকে তারা রিভিউ করছে।

আমরা সেই সঙ্গে তাদের কাছে আরও দাবি জানিয়েছি, আরও ৭-৮ লাখ যেটা আছে সেটা যেন তারা ত্বরান্বিত করে। এই তালিকা অ্যাপ্রুভ করা হয়েছে মানে এই নয় যে, কালকেই তারা চলে যেতে পারবে।

প্রত্যাবাসন নির্ভর করবে গ্রাউন্ড রিয়ালিটির ওপর। রাখাইনে বাস্তব যে অবস্থা প্রেক্ষাপট আমরা জানি। এমন অবস্থায় তাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়সহ সবাই মিলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে যেন তারা সেই দেশে পারি দিতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিবে বলে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি সই করেছিল । চুক্তি সইয়ের দুই মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া শুরু করার কথা ছিল। এরপর প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি । পরে প্রত্যাবাসনও শুরু করা আর সম্ভব হয়ে উঠেনি । সে সময় রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, নিজ জমিতে ফেরার নিশ্চয়তাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছিল।

ওই সময় কাতারভিত্তিক টিভি চ্যানেল আল-জাজিরাকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের মিয়ানমারবিষয়ক দূত ইয়াংহি লি জানিয়েছিলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি স্বেচ্ছায় হতে হবে।

তারপর ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে চীনের মধ্যস্থতায় ১ হাজার ১০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাতে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। সেসময় তার অংশ হিসেবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক পাঁচটি ট্রানজিট কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল।

কেন্দ্রগুলোর নির্মাণকাজ ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের মধ্যে শেষ করে ডিসেম্বরে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি আলোর মুখ দেখেনি।

বর্তমানে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ আছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে। তার মধ্যে ৮ লাখ এসেছে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরের কয়েক মাসে। তথ্য বলছে গত প্রায় আট বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় লস্কর ও চাঁদখালী ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ।

আপডেট সময় : 09:39:19 pm, Tuesday, 8 April 2025

শেখ সুমন আহম্মেদ :

মিয়ানমারের রাখাইনের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে এখনই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মধ্যে এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের জন্য যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে রাখাইনের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এখনই করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেয়েছিলাম তাদের মুখ থেকে কথা আসুক। জান্তা সরকার আড়াই লাখের মধ্যে তারা এক লাখ ৮০ হাজার তারা ক্লিয়ার করেছে এবং বাকি ৭০ হাজারকে তারা রিভিউ করছে।

আমরা সেই সঙ্গে তাদের কাছে আরও দাবি জানিয়েছি, আরও ৭-৮ লাখ যেটা আছে সেটা যেন তারা ত্বরান্বিত করে। এই তালিকা অ্যাপ্রুভ করা হয়েছে মানে এই নয় যে, কালকেই তারা চলে যেতে পারবে।

প্রত্যাবাসন নির্ভর করবে গ্রাউন্ড রিয়ালিটির ওপর। রাখাইনে বাস্তব যে অবস্থা প্রেক্ষাপট আমরা জানি। এমন অবস্থায় তাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়সহ সবাই মিলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে যেন তারা সেই দেশে পারি দিতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিবে বলে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি সই করেছিল । চুক্তি সইয়ের দুই মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া শুরু করার কথা ছিল। এরপর প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি । পরে প্রত্যাবাসনও শুরু করা আর সম্ভব হয়ে উঠেনি । সে সময় রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, নিজ জমিতে ফেরার নিশ্চয়তাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছিল।

ওই সময় কাতারভিত্তিক টিভি চ্যানেল আল-জাজিরাকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের মিয়ানমারবিষয়ক দূত ইয়াংহি লি জানিয়েছিলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি স্বেচ্ছায় হতে হবে।

তারপর ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে চীনের মধ্যস্থতায় ১ হাজার ১০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাতে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। সেসময় তার অংশ হিসেবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক পাঁচটি ট্রানজিট কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল।

কেন্দ্রগুলোর নির্মাণকাজ ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের মধ্যে শেষ করে ডিসেম্বরে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি আলোর মুখ দেখেনি।

বর্তমানে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ আছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে। তার মধ্যে ৮ লাখ এসেছে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরের কয়েক মাসে। তথ্য বলছে গত প্রায় আট বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি।