
স্পোর্টস ডেস্ক,
মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। রোমাঞ্চকর এই জয়ের পর লিওনেল স্কালোনির দলের সামনে এসেছে আরও একটি ইতিবাচক খবর। শেষ আটের ম্যাচের আগে প্রস্তুতির দিক থেকে প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ডের তুলনায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
দুই দলের শেষ ষোলোর ম্যাচের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে কলম্বিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য ড্র করে সুইজারল্যান্ড। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে সুইসরা।
অতিরিক্ত সময় খেলার কারণে স্বাভাবিকভাবেই খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি শারীরিক চাপ পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি। ভ্যাঙ্কুভার থেকে কানসাস সিটিতে পৌঁছাতে সুইজারল্যান্ডকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টার বিমানযাত্রা করতে হয়েছে।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনার যাত্রা ছিল তুলনামূলক সহজ। আটলান্টায় মিশরকে হারানোর পর মাত্র দুই ঘণ্টার ফ্লাইটেই কানসাস সিটিতে পৌঁছে যায় স্কালোনির শিষ্যরা। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ৭টার মধ্যেই তারা অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দেয়। বিপরীতে, একই দিন ভোর ৫টা পর্যন্ত মাঠে লড়াই করে এরপরই কানসাসের উদ্দেশে রওনা হয় সুইজারল্যান্ড।
আগামী রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড। কাগজে-কলমে দুই দলই প্রায় সাড়ে তিন দিনের বিশ্রাম পেলেও অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ এবং দীর্ঘ বিমানভ্রমণের কারণে শারীরিকভাবে কিছুটা বেশি চাপে থাকবে সুইসরা।
তবে অতিরিক্ত সময় খেলার অভিজ্ঞতা আর্জেন্টিনার জন্যও নতুন নয়। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মায়ামিতে কেপ ভার্দের বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর আরও ৩০ মিনিট খেলতে হয়েছিল স্কালোনির দলকে। প্রচণ্ড গরমের সেই ম্যাচে জয় পেতে তাদেরও বাড়তি শক্তি খরচ করতে হয়েছিল। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধার—দুই দলের জন্যই বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

























