Dhaka , Sunday, 26 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সৌদিতে ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থেকে ২৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১.৫৫ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নরসিংদী শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি সিদ্ধিরগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ১৯ বছরেই বহুমাত্রিক সাফল্যের গল্প: কথাসাহিত্যিক, কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট ও উদ্যোক্তা মেহেদি হাসান রাসেল ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চান তাসনুভা তিশা, কিন্তু কেন? সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদারীপুর ডাল গবেষণা কেন্দ্রে দুর্নীতির অভিযোগ পরিদর্শন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ চন্দনাইশে ১৫০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি নগরীর খুলশীতে অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে ২ এসআই গুরুতর আহত এআই ব্যবহারে ব্যক্তিগত সুরক্ষা, যা জানা জরুরি রামগঞ্জে ৫ বছরের শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ৭০ বছরের বৃদ্ধ আটক জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে চউকের সহায়তা অব্যাহত মেসির সেই বিতর্কিত মুহূর্তের নেপথ্য কাহিনী ফাঁস ১ দিনে ১৩৫ টন বর্জ্য সরিয়ে রেকর্ড গড়লেন ডিসি জাহিদ পিআইজির প্রশিক্ষণে এমপি আবু সুফিয়ান জাতীয় সংসদে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে প্রস্তাব তোলার প্রতিশ্রুতি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: চসিক মেয়র নিপীড়ক নয়, জনগণের পুলিশ হতে চাই :- সিএমপি কমিশনার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেও থামছে না আন্দোলন, আরও তিন দাবি ককরোচ জনতা পার্টির মাদারীপুরে ডায়াবেটিক হাসপাতালের উদ্বোধন রামুর খুনিয়াপালংয়ে গর্তে পড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ রায়পুরে পরকীয়ার নাটক সাজিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, ৩য় পক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে ২ অস্ত্রধারী গ্রেফতার; উদ্ধার ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও মোবাইল ফোন সিএমপি’র নিরাপত্তা বলয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা শিবচরে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত ২০০ পরিবারের মাঝে উন্নত জাতের ছাগল বিতরণ।

ফরিদপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ একাধিক ছাই তৈরি কারখানা অর্থাৎ চারকোন।সমস্যায় ভুগছে সাধারন মানুষ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:20:04 pm, Tuesday, 12 November 2024
  • 290 বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ একাধিক ছাই তৈরি কারখানা অর্থাৎ চারকোন।সমস্যায় ভুগছে সাধারন মানুষ।।

 

মামুন মিঞা

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরিদপুর।।

 

সোনালি আঁশ পাটের সঙ্গে বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে পাটকাঠি বা পাটখড়ি।বর্তমান সময়ে পাটের আঁশ,আঁশ ছাড়ানো পাটকাঠি পোড়ানো ছাই দুই-ই অতি মূল্যবান।

ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলাগুলোতে প্রচুর পাট উৎপাদন হয়।

পাটকাঠি আগুনে পোড়া ছাই থেকে রাসায়নিক উপজাত কার্বন তৈরি হয়- এই ছাই নাকি হীরার মতোই দামী।

বর্তমানে চীনসহ ইউরোপ ও আমেরিকার কয়েকটি দেশে রফতানি হচ্ছে এই ছাই। ছাইরের ভেতরের কার্বন পাউডার থেকে তৈরি হচ্ছে কার্বন পেপার- কম্পিউটার ও ফটো কপিয়ারের কালি -টোনার- আতশবাজি- মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ও পলিমার ব্যাটারি- প্রসাধন সামগ্রী- মাউথওয়াশ- দাঁত পরিষ্কারের ওষুধ- সারসহ বিভিন্ন পণ্য।

কার্বনের ৮০ শতাংশ রফতানি হয় চীনে। বাকি ২০ শতাংশ মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা- অস্ট্রেলিয়া- জাপান- দক্ষিণ কোরিয়া- জার্মানি- তাইওয়ানে রফতানি হয়।
কৃষক এখন  পাটের সঙ্গে পাটখড়ি বিক্রি করছে। পাটখড়ির ছাইকেও আর অবহেলা করা যায় না।
ফরিদপুর সদর-

নগরকান্দা,সালথা,আলফাডাঙ্গা,বোয়ালমারী,মধুখালি উপজেলাগুলোতে বেশ কিছু ছাই তৈরি কারখানা গড়ে উঠেছে।
কারখানাগুলো ঘুরে দেখা যায়,কিছু কারখানার চিমনি নেই,শ্রমিকরা কাজ করছে মুখে নেই মাক্স,হাতে নেই হাত মুজা,সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করছে শ্রমিক।

শুধু তাই নয়- জনবহুল এলাকায় ও গড়ে উঠেছে এই ছাই কারখানা,যার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে জনজীবন। একটি ছাই তৈরির কারখানার ধোয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। কালো ধোয়ার প্রভাবে কৃষি উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে মারাত্বকভাবে। কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদন কমে যাওয়া ও পরিপক্ক হওয়ার আগেই বিভিন্ন ফল ফলাদী ঝরে পড়ে। পাটকাঠির ছাই তৈরি কারখানাই চারকোল নামেও পরিচিত। 

এছাড়া কারখানার ভিতরে যে পরিমাণ ছাই উড়ে যেখানে,সেখানে মানুষ থাকার কোন সুযোগ নেই। তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ করে ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক।

এখানে প্রতি রাতে পাটখড়ি পুড়িয়ে ছাই তৈরি করার প্রক্রিয়ার সময় প্রচুর কালো ধোয়া নির্গত হয়। যার ফলে পুরা এলাকা ধোয়ায় পরিপূর্ণ থাকে।

স্থানীয় জানায়- শীত মৌসুমে ছাই তৈরি কারখানা শুরু হয়,যার কারণে কুয়াশায় কালো ধোয়া শিশিরের সাথে মিশে  ফোটায় ফোটায় কালো পানি পড়ে এলাকাবাসীর গায়ে।  ঘরের প্রতিটি জিনিসপত্র কালো হয়ে যায়। স্থানীয় বয়স্ক লোকদের এবং  হাপানী রোগীদের শ্বাস- প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় ।

ক্রমাগত এভাবে চুলা বাড়িয়ে পাটখড়ি পুড়িয়ে পরিবেশ দুষিত করলে এ এলাকাটি মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে বলে ধারনা করছে স্থানীয় সচেতন মহল।

নগরকান্দা উপজেলার প্রভাকর্দী এলাকাবাসী জানান- প্রশাসনের কাছে কয়েক দফা জানালেও কোনো প্রতিকার পায়নি এলাকাবাসী।

এ বিষয় পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর এর আঞ্চলিক পরিচালক সাঈদ আনোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে,তিনি ফোন না তোলায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হলো না। 

কারখানাটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

ফরিদপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ একাধিক ছাই তৈরি কারখানা অর্থাৎ চারকোন।সমস্যায় ভুগছে সাধারন মানুষ।।

আপডেট সময় : 02:20:04 pm, Tuesday, 12 November 2024

 

মামুন মিঞা

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরিদপুর।।

 

সোনালি আঁশ পাটের সঙ্গে বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে পাটকাঠি বা পাটখড়ি।বর্তমান সময়ে পাটের আঁশ,আঁশ ছাড়ানো পাটকাঠি পোড়ানো ছাই দুই-ই অতি মূল্যবান।

ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলাগুলোতে প্রচুর পাট উৎপাদন হয়।

পাটকাঠি আগুনে পোড়া ছাই থেকে রাসায়নিক উপজাত কার্বন তৈরি হয়- এই ছাই নাকি হীরার মতোই দামী।

বর্তমানে চীনসহ ইউরোপ ও আমেরিকার কয়েকটি দেশে রফতানি হচ্ছে এই ছাই। ছাইরের ভেতরের কার্বন পাউডার থেকে তৈরি হচ্ছে কার্বন পেপার- কম্পিউটার ও ফটো কপিয়ারের কালি -টোনার- আতশবাজি- মোবাইল ফোনের ব্যাটারি ও পলিমার ব্যাটারি- প্রসাধন সামগ্রী- মাউথওয়াশ- দাঁত পরিষ্কারের ওষুধ- সারসহ বিভিন্ন পণ্য।

কার্বনের ৮০ শতাংশ রফতানি হয় চীনে। বাকি ২০ শতাংশ মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা- অস্ট্রেলিয়া- জাপান- দক্ষিণ কোরিয়া- জার্মানি- তাইওয়ানে রফতানি হয়।
কৃষক এখন  পাটের সঙ্গে পাটখড়ি বিক্রি করছে। পাটখড়ির ছাইকেও আর অবহেলা করা যায় না।
ফরিদপুর সদর-

নগরকান্দা,সালথা,আলফাডাঙ্গা,বোয়ালমারী,মধুখালি উপজেলাগুলোতে বেশ কিছু ছাই তৈরি কারখানা গড়ে উঠেছে।
কারখানাগুলো ঘুরে দেখা যায়,কিছু কারখানার চিমনি নেই,শ্রমিকরা কাজ করছে মুখে নেই মাক্স,হাতে নেই হাত মুজা,সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করছে শ্রমিক।

শুধু তাই নয়- জনবহুল এলাকায় ও গড়ে উঠেছে এই ছাই কারখানা,যার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে জনজীবন। একটি ছাই তৈরির কারখানার ধোয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। কালো ধোয়ার প্রভাবে কৃষি উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে মারাত্বকভাবে। কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদন কমে যাওয়া ও পরিপক্ক হওয়ার আগেই বিভিন্ন ফল ফলাদী ঝরে পড়ে। পাটকাঠির ছাই তৈরি কারখানাই চারকোল নামেও পরিচিত। 

এছাড়া কারখানার ভিতরে যে পরিমাণ ছাই উড়ে যেখানে,সেখানে মানুষ থাকার কোন সুযোগ নেই। তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ করে ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক।

এখানে প্রতি রাতে পাটখড়ি পুড়িয়ে ছাই তৈরি করার প্রক্রিয়ার সময় প্রচুর কালো ধোয়া নির্গত হয়। যার ফলে পুরা এলাকা ধোয়ায় পরিপূর্ণ থাকে।

স্থানীয় জানায়- শীত মৌসুমে ছাই তৈরি কারখানা শুরু হয়,যার কারণে কুয়াশায় কালো ধোয়া শিশিরের সাথে মিশে  ফোটায় ফোটায় কালো পানি পড়ে এলাকাবাসীর গায়ে।  ঘরের প্রতিটি জিনিসপত্র কালো হয়ে যায়। স্থানীয় বয়স্ক লোকদের এবং  হাপানী রোগীদের শ্বাস- প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয় ।

ক্রমাগত এভাবে চুলা বাড়িয়ে পাটখড়ি পুড়িয়ে পরিবেশ দুষিত করলে এ এলাকাটি মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে বলে ধারনা করছে স্থানীয় সচেতন মহল।

নগরকান্দা উপজেলার প্রভাকর্দী এলাকাবাসী জানান- প্রশাসনের কাছে কয়েক দফা জানালেও কোনো প্রতিকার পায়নি এলাকাবাসী।

এ বিষয় পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর এর আঞ্চলিক পরিচালক সাঈদ আনোয়ার এর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে,তিনি ফোন না তোলায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হলো না। 

কারখানাটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।