Dhaka , Tuesday, 19 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম ক্ষেত্র হল জনবান্ধব ভূমিসেবা: বিভাগীয় কমিশনার সিলেট টেস্টে ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ : শন টেইট ওয়ানডে ফরম্যাট দিয়ে জাতীয় দলে ফিরতে চান সাব্বির অসামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত হাবিপ্রবির ৪ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার চট্টগ্রামে রেস্টুরেন্ট-হোটেলে অভিযান, জরিমানা ৮০ হাজার দেশের স্বার্থে শিক্ষার্থীদের ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন দূতাবা‌সের সহায়তায় কুয়েত থে‌কে নারী কর্মী‌র দে‌শে প্রত‌্যাবর্তন ‌“শিক্ষার্থীদের মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে” :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন রামগঞ্জে ভূমিসেবা মেলার উদ্ভোধন নিরাপদ কর্মস্থল ও চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে ড্যাব চট্টগ্রাম এর মানববন্ধন: শ্রীপুরে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত হয় তথ্য অধিকার আইন সাংবাদিকদের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার:- উপপ্রধান তথ্য অফিসার রামুতে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন মধুপুরে ভূমিসেবা মেলা ২০২৬ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জে আগুনে পুড়ে বসতঘর ছাই পাইকগাছায় তিনদিনব্যাপী ভূমিমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন রূপগঞ্জে সালিশ বৈঠকে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত- এনসিপি নেতা নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী কাউখালীতে ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত ‘রাগ করলা’ নিয়ে মাতামাতি, রুচির দুর্ভিক্ষ বললেন নিলয় ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ‘মাথার দাম’ নির্ধারণ করল ইরান দুই সপ্তাহ ধরে দই ভাত খেলে শরীরে যা ঘটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, কুড়িগ্রাম চিলমারীতে ১২ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক। পাইকগাছায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মাঝে সহায়তা প্রদান পাইকগাছায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ফায়ার ফাইটাররা দেশের মানুষের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক: নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ মাদক ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধ সভায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী! ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। জিলহজের প্রথম ১০ দিন যে ১০ আমলে গুরুত্ব দেবেন কও বিসমিল্লাহ,কও সুবাহানআল্লাহ, রাগ করলা-? “প্রধানমন্ত্রীর স্পিরিট বজায় রেখে সম্মিলিত উন্নয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের”

মামলা হলেও গ্রেফতার হয়নি বাকলিয়ার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা সাদ্দাম।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:05:32 pm, Thursday, 12 September 2024
  • 123 বার পড়া হয়েছে

মামলা হলেও গ্রেফতার হয়নি বাকলিয়ার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা সাদ্দাম।।

ইসমাইল ইমন
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি।।
   
   
   
গভীর সখ্যতা ছিলো চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাছিরের সাথে। সেই সুবাধে ছাত্র আন্দোলনের প্রথম দিকেই আন্দোলনের বিরোধিতা করে তারা। এমনকি আন্দোলন বানচাল করতে ছাত্র আন্দোলনে হামলা চালানোর অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের একটি থানায় মামলাও দায়ের করা হয়। এখানেই শেষ নয় হত্যা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ঝ কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দেয়া সহ নগরীর বেশ কয়েকটি থানায় একাধিক মামলার আসামী। চট্টগ্রাম বাকলিয়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা মো. সাদ্দাম ,পিতা-মৃত আলী আজম।
মাতা- রোকেয়া বেগম।রাজাখালী রোড় চাক্তাই, 
শান্তি সওদাগর গল্লি।
মোশাররফ হোসেন রোড। এই যুবলীগ নেতা নগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অর্থ যোগান দাতা হিসেবে ও পরিচিত।
গত ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরই এর নাম উল্লেখ করে বাকী আরও ছয়জনকে আসামী করে নগরের কোতোয়ালি থানায় নির্বিচারে ছাত্র জনতাকে মারধর করার অভিযোগ এনে একটি মারামারির মামলা দায়ের করা হয়।একি মামলার আর এক আসামি মাদক কারবার মোঃ সুমন -৪২- পিতা- ইসহাক মিয়া- ইসলাম মিয়ার বাড়ী- সোবাহানিয়া মাদ্রাসার পার্শ্বে- আসাদগঞ্জ- এরা দুজন তবুও ধরাছোঁয়ার বাহিরে মোঃ সাদ্দাম ও মোঃ সুমন মামলা হওয়ার পরেও গ্রেফতার হয়নি। মামলার বাদী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ মনে করছেন- প্রশাসনকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছে বিধায় এখনও এলাকায় বীরদর্পে বিচরণ তাদের।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়- গত ৪ই আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর চড়াও হয় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম ও সুমন। এ সময় তারা নগরের কোতোয়ালি মোড় থেকে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত দফায় দফায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। ছাত্রদের মারধর করে প্রশাসনের গাড়িতে তুলে দেয়।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেশ কয়েকজন ছাত্রকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে মেরে জখম করে। 
স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ ও সরেজমিনে বাকলিয়া থানা এলাকায় ঘুরে জানা যায়, একটা সময় কিছুই ছিল না সাদ্দাম হঠাৎ আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের দালালী করে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায় অবৈধ পন্য সরবারহ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যায়। এ দুজনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা,মাদক সরবরাহের সাথে জড়িত হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন যানবাহনের মোটর পাটস দিবে বলে স্থানীয় এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে শেষে মালামালগুলো দেয়নি। সবমিলিয়ে এ খাতেও বিপুল অংকের টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ নেতা সাদ্দামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত আগষ্টে কোতোয়ালী থানায় একজন ভুক্তভোগী একটি মামলাও দায়ের করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকার এক ব্যক্তি বলেন- এমন কোন অপরাধ নেই যা তারা করেনি। এইসব আকাম করেই এখন তারা কোটিপতি। আমাদের এলাকায় তার নামে অনেক সম্পদ আছে। কিন্তু এই সাদ্দাম এক সময়ে দিন মজুরের কাজ করতো। হঠাৎ এত টাকার মালিক কিভাবে হলো তা অবাক করা বিষয়। সাদ্দাম ও সুমন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাদের বিরুদ্ধে কেউই মুখ খুলে না। 
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে যুবলীগ নেতা সাদ্দামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। 
অন্যদিকে সুমনের মোবাইলেও কল করে তাকে পাওয়া যায়নি। 
এ বিষয়ে বক্তব্য চাইলে কোতোয়ালি থানার ওসি মুঠোফোনে বলেন- আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনে মারামারির অভিযোগটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। জড়িত থাকলে শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম ক্ষেত্র হল জনবান্ধব ভূমিসেবা: বিভাগীয় কমিশনার

মামলা হলেও গ্রেফতার হয়নি বাকলিয়ার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা সাদ্দাম।।

আপডেট সময় : 02:05:32 pm, Thursday, 12 September 2024
ইসমাইল ইমন
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি।।
   
   
   
গভীর সখ্যতা ছিলো চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজম নাছিরের সাথে। সেই সুবাধে ছাত্র আন্দোলনের প্রথম দিকেই আন্দোলনের বিরোধিতা করে তারা। এমনকি আন্দোলন বানচাল করতে ছাত্র আন্দোলনে হামলা চালানোর অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের একটি থানায় মামলাও দায়ের করা হয়। এখানেই শেষ নয় হত্যা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ঝ কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দেয়া সহ নগরীর বেশ কয়েকটি থানায় একাধিক মামলার আসামী। চট্টগ্রাম বাকলিয়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা মো. সাদ্দাম ,পিতা-মৃত আলী আজম।
মাতা- রোকেয়া বেগম।রাজাখালী রোড় চাক্তাই, 
শান্তি সওদাগর গল্লি।
মোশাররফ হোসেন রোড। এই যুবলীগ নেতা নগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অর্থ যোগান দাতা হিসেবে ও পরিচিত।
গত ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরই এর নাম উল্লেখ করে বাকী আরও ছয়জনকে আসামী করে নগরের কোতোয়ালি থানায় নির্বিচারে ছাত্র জনতাকে মারধর করার অভিযোগ এনে একটি মারামারির মামলা দায়ের করা হয়।একি মামলার আর এক আসামি মাদক কারবার মোঃ সুমন -৪২- পিতা- ইসহাক মিয়া- ইসলাম মিয়ার বাড়ী- সোবাহানিয়া মাদ্রাসার পার্শ্বে- আসাদগঞ্জ- এরা দুজন তবুও ধরাছোঁয়ার বাহিরে মোঃ সাদ্দাম ও মোঃ সুমন মামলা হওয়ার পরেও গ্রেফতার হয়নি। মামলার বাদী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ মনে করছেন- প্রশাসনকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছে বিধায় এখনও এলাকায় বীরদর্পে বিচরণ তাদের।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়- গত ৪ই আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর চড়াও হয় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম ও সুমন। এ সময় তারা নগরের কোতোয়ালি মোড় থেকে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত দফায় দফায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। ছাত্রদের মারধর করে প্রশাসনের গাড়িতে তুলে দেয়।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেশ কয়েকজন ছাত্রকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে মেরে জখম করে। 
স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ ও সরেজমিনে বাকলিয়া থানা এলাকায় ঘুরে জানা যায়, একটা সময় কিছুই ছিল না সাদ্দাম হঠাৎ আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের দালালী করে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায় অবৈধ পন্য সরবারহ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যায়। এ দুজনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা,মাদক সরবরাহের সাথে জড়িত হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন যানবাহনের মোটর পাটস দিবে বলে স্থানীয় এলাকার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে শেষে মালামালগুলো দেয়নি। সবমিলিয়ে এ খাতেও বিপুল অংকের টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ নেতা সাদ্দামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত আগষ্টে কোতোয়ালী থানায় একজন ভুক্তভোগী একটি মামলাও দায়ের করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকার এক ব্যক্তি বলেন- এমন কোন অপরাধ নেই যা তারা করেনি। এইসব আকাম করেই এখন তারা কোটিপতি। আমাদের এলাকায় তার নামে অনেক সম্পদ আছে। কিন্তু এই সাদ্দাম এক সময়ে দিন মজুরের কাজ করতো। হঠাৎ এত টাকার মালিক কিভাবে হলো তা অবাক করা বিষয়। সাদ্দাম ও সুমন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাদের বিরুদ্ধে কেউই মুখ খুলে না। 
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে যুবলীগ নেতা সাদ্দামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। 
অন্যদিকে সুমনের মোবাইলেও কল করে তাকে পাওয়া যায়নি। 
এ বিষয়ে বক্তব্য চাইলে কোতোয়ালি থানার ওসি মুঠোফোনে বলেন- আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনে মারামারির অভিযোগটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। জড়িত থাকলে শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।