Dhaka , Friday, 24 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
অব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে সড়ক নির্মাণ করায় রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় নগরপাড়া বাজারে কেনাবেচা বন্ধ \ দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ পাইকগাছায় স্পটে হাটবাজারের চান্দিনা ভিটি লাইসেন্স নবায়ন; রাজস্ব আদায় ত্বরান্বিত ১৮তম নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম কেন ইনস্টাগ্রামে বার্তা আদান-প্রদানে বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল? স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে ইসলাম কী বলে চায়ের সঙ্গে বিস্কুটের মতো সাধারণ অভ্যাসেই লুকিয়ে আছে বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি! দেশের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আমি গর্বিত: টুইঙ্কেল খান্না গার্দিওলার ইতালির কোচ হওয়া নিয়ে যা জানা গেল যন্তর মন্তর অভিমুখে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আটকে দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক রাষ্ট্রপতির ‘পদত্যাগ’ নিয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে ইনোভারের বিজনেস মিট ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে ছাত্রশিবিরের গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মিছিল নোয়াখালীতে বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগে দুই বিরিয়ানি হাউজে জরিমানা মৎস্য সুরক্ষায় ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে জব্দ ২২ হাজার মিটার অবৈধ জাল দেলপাড়া-চিতাশাল সড়কের সংস্কারকাজ পরিদর্শনে নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও ভক্তের ছদ্মবেশে বাসায় ঢুকে স্বর্ণালংকার লুট গ্রেপ্তার প্রতারক সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বিবৃতি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসনে মাঠে ডিসি জাহিদুল ইসলাম রামগঞ্জ পৌরশহরে সড়ক সংস্কারের ধীরগতি জন দুর্ভোগ চরমে টাঙ্গাইলের মধুপুরে শিশুমেলা অনুষ্ঠিত পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে চরভদ্রাসনে ‘এক দেশ এক QR লেনদেন’ শীর্ষক BANGLA QR সভা অনুষ্ঠিত সাত বছর পরকীয়া, বিয়ের মাস পেরোতেই সেই স্ত্রীকে তালাক দিলেন রেলের ডিজির পিএস। মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে রামগঞ্জের এক রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃত্যু মধুপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব সোনারগাঁয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে পাইপলাইন ও কালভার্ট নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন কুতুবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: তিন ফার্মেসিকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা ১৮ জনের সমস্যা শুনে ডিসি ‘র তাৎক্ষণিক নির্দেশনা; অসহায়দের আর্থিক সহায়তা, ২১ পরিবার পেল ত্রাণ ৫০ লাখ টাকা জলে, এক মাসেই ধসে গেল রাস্তা, অবরুদ্ধ ৫ গ্রামের মানুষ

বদলাইনি পুলিশের চরিত্র ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে আল আমিন গ্রুপ- সংবাদ সম্মেলনে আতঙ্কিত এলাকাবাসী।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:03:01 pm, Tuesday, 10 September 2024
  • 108 বার পড়া হয়েছে

বদলাইনি পুলিশের চরিত্র ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে আল আমিন গ্রুপ- সংবাদ সম্মেলনে আতঙ্কিত এলাকাবাসী।।

বিশেষ প্রতিবেদক।।
  
   
সেনাবাহিনী ও র‍্যাব আসামি ধরে পুলিশের কাছে দিচ্ছে। আর পুলিশ সেই আসামীদের কৌশলে ছেড়ে দিচ্ছে বা জামিন পেতে সাহায্য করছে। যে কারণে সেনাবাহিনীর হাতে আটকৃত সন্ত্রাসী আলামিনের সহযোগী ফয়সাল- রুমা- সুমিসহ কয়েকজন জামিন পেয়ে পুনরায় এলাকায় তান্ডব শুরু করেছে। তাদের ভয়ে এলাকাবাসী এখন আতঙ্কিত বলে জানালেন স্টেডিয়াম এলাকার বাসিন্দারা।
১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্টেডিয়াম এলাকার বাসিন্দারা লেখিত অভিযোগ তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে ঝুলানো ব্যানারে লেখা আল আমিন- বাপ্পি- রাকিব- অজিজুল- পলাশ- রুবেল- দেলোয়ার- বেল্লাল- লিটু- রনি- সাব্বির- রাবি- খাটো রাসেল- রুমা- লিলি- সুমি- ফরিদাসহ এই সন্ত্রাসীদের গডফাদার-  মজিবুর ও সিদ্দিক সহ স্বৈরাচার আওয়ামীগের সন্ত্রাসীদের হাতে স্টেডিয়াম কলোনীতে হামলাকারীদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন।
লেখিত বক্তব্যে স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দারা তাদের অভিযোগ তুলে ধরে বলেন-
বিগত ১৫ বছর ধরে সন্ত্রাসী আল আমিন এর বাহিনীর ভয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছেন তারা। এই সন্ত্রাসী আল আমিন আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় স্টেডিয়াম বা বঙ্গবন্ধু কলোনীসহ আশেপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা- চাঁদাবাজি- নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা- অসহায়- গরিব মানুষের বাড়ি-ঘর দখল এবং বিদ্যুৎ চুরি করে অবৈধ ইজিবাইক ও ব্যাটারির রিকশা চার্জ দেয়াসহ সব ধরনের অনৈতিক কাজই চালিয়ে এসেছে এবং এখনো তা চলমান রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১০ ও ১১ নং ওয়ার্ডের নদী তীরবর্তী এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে কিশোর এবং যুব সমাজকে মাদকের নেশায় আশক্ত করে, তাদের দিয়ে বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে  নিজের সাম্রাজ্য পড়াই ছিল আল আমিনের মূল লক্ষ্য। সে এলাকার এতটাই দুর্ধর্ষ এবং হিংস্র যে তার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়নি। এমনকি আল আমিনের বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা থাকা সত্যেও তাকে পুলিশ কখনো গ্রেফতার করেনি। 
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী সরকার পতনের পরেও এদের সন্ত্রাসী এবং দুর্বৃত্তপনা থেমে থাকেনি। গত ২ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু কলোনীর বাসিন্দা শ্রমিকদল নেতার পিতা রিকশা চালক আব্দুর রহিম হাওলাদারকে কুপিয়ে জখম করে আল আমিন ও তার বাহিনী। এসময় তারা মসজিদে মাইকিং করে ঘোষণা দেয় এলাকায় কোনো বিএনপি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর রাতে একটি স্ব-মিলের শ্রমিক সুমনকে আটকে রেখে মারধর করে এই আল আমিন বাহিনী। খবর পেয়ে পুলিশসহ এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করতে গেলে আল আমিন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পুলিশ এবং এলাকাবাসীর ওপর স্বশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় দুই পুলিশসহ মহানগর মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদাউস, শ্রমিকদল নেতা আসলাম- বাহাদুর- সুমন- সনিয়া- মামুন ও তানজিলকে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার বাহিনী। যা সাংবাদিকদের মাধ্যমেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের যারা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়েছেন তাদেরকেও শান্তিতে থাকতে দেয়া হয়নি। ঘটনার দিন থেকে টানা পাঁচদিন তাদের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। বেলস্ পার্ক মাঠে রাত্রিযাপন করতে হয়েছে তাদের। এরপরও সন্ত্রাসী আল আামিন বাহিনীকে গ্রেফতারে এগিয়ে আসেনি পুলিশ।
বক্তারা বলেন, এরফলে এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিষয়টিতে নজর দেয় বরিশালের সেনাবাহিনী। ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডবাসির সহযোগিতায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও আল আমিন বাহিনীর প্রধান আল আমিন এবং তার অন্যতম সহযোগী ফয়সালকে গ্রেফতার করে। ওইদিন রাতেই আওয়ামী শাসনামলে নির্যাতিত এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্টেডিয়াম বা বঙ্গবন্ধু কলোনী থেকে আল আমিনের অন্যমত সহযোগী আজিজুল- রুমা- সুমি এবং লিলিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো- আটককৃতরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়া সত্যেও পুলিশ থানা থেকেই মাদক ব্যবসায়ী রুমাকে ছেড়ে দেয়। এছাড়া পুলিশের দুর্বল ভূমিকার কারণে ১০ সেপ্টেম্বর সুমি এবং এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর লিলি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং মাদক কারবার শুরু করে দিয়েছে। এমনকি মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি ভূমিকা বা অভিযান না থাকায় তারা এখনো বীরদর্পে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হুমকি-ধামকী দিচ্ছে। যার ফলে এলাকার মানুষ এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। যে কারণে  চাঁদমারী বঙ্গবন্ধু বা স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দারা এখন এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জীবনের নিরাপত্তা চাচ্ছে। এই আল আমিন বাহিনীর অন্য সদস্য এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে  আমাদের জীবন এখন হুমকির মুখে বলে জানান সাইদুল ইসলাম- তোতা- তামরুলসহ কয়েকজন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জাতীয়তাবাদী মহিলা দল বরিশালের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা বেগম বলেন- এই সন্ত্রাসী আল আমিন এখন বিএনপির ছত্রছায়ায় আসার তদবির চালাচ্ছে। ছাত্রদলের সভাপতি রনির ও পুলিশের সাথে তার দহরম মহরম রয়েছে বলে জানান তিনি। যে কারণে সে গ্রেফতার হলেও পুলিশ কৌশলে মামলা হালকা করে এদের জামিন পেতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দাদের। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে সড়ক নির্মাণ করায় রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় নগরপাড়া বাজারে কেনাবেচা বন্ধ \ দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

বদলাইনি পুলিশের চরিত্র ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে আল আমিন গ্রুপ- সংবাদ সম্মেলনে আতঙ্কিত এলাকাবাসী।।

আপডেট সময় : 02:03:01 pm, Tuesday, 10 September 2024
বিশেষ প্রতিবেদক।।
  
   
সেনাবাহিনী ও র‍্যাব আসামি ধরে পুলিশের কাছে দিচ্ছে। আর পুলিশ সেই আসামীদের কৌশলে ছেড়ে দিচ্ছে বা জামিন পেতে সাহায্য করছে। যে কারণে সেনাবাহিনীর হাতে আটকৃত সন্ত্রাসী আলামিনের সহযোগী ফয়সাল- রুমা- সুমিসহ কয়েকজন জামিন পেয়ে পুনরায় এলাকায় তান্ডব শুরু করেছে। তাদের ভয়ে এলাকাবাসী এখন আতঙ্কিত বলে জানালেন স্টেডিয়াম এলাকার বাসিন্দারা।
১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্টেডিয়াম এলাকার বাসিন্দারা লেখিত অভিযোগ তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে ঝুলানো ব্যানারে লেখা আল আমিন- বাপ্পি- রাকিব- অজিজুল- পলাশ- রুবেল- দেলোয়ার- বেল্লাল- লিটু- রনি- সাব্বির- রাবি- খাটো রাসেল- রুমা- লিলি- সুমি- ফরিদাসহ এই সন্ত্রাসীদের গডফাদার-  মজিবুর ও সিদ্দিক সহ স্বৈরাচার আওয়ামীগের সন্ত্রাসীদের হাতে স্টেডিয়াম কলোনীতে হামলাকারীদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন।
লেখিত বক্তব্যে স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দারা তাদের অভিযোগ তুলে ধরে বলেন-
বিগত ১৫ বছর ধরে সন্ত্রাসী আল আমিন এর বাহিনীর ভয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছেন তারা। এই সন্ত্রাসী আল আমিন আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় স্টেডিয়াম বা বঙ্গবন্ধু কলোনীসহ আশেপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা- চাঁদাবাজি- নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা- অসহায়- গরিব মানুষের বাড়ি-ঘর দখল এবং বিদ্যুৎ চুরি করে অবৈধ ইজিবাইক ও ব্যাটারির রিকশা চার্জ দেয়াসহ সব ধরনের অনৈতিক কাজই চালিয়ে এসেছে এবং এখনো তা চলমান রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১০ ও ১১ নং ওয়ার্ডের নদী তীরবর্তী এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে কিশোর এবং যুব সমাজকে মাদকের নেশায় আশক্ত করে, তাদের দিয়ে বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে  নিজের সাম্রাজ্য পড়াই ছিল আল আমিনের মূল লক্ষ্য। সে এলাকার এতটাই দুর্ধর্ষ এবং হিংস্র যে তার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়নি। এমনকি আল আমিনের বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা থাকা সত্যেও তাকে পুলিশ কখনো গ্রেফতার করেনি। 
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী সরকার পতনের পরেও এদের সন্ত্রাসী এবং দুর্বৃত্তপনা থেমে থাকেনি। গত ২ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু কলোনীর বাসিন্দা শ্রমিকদল নেতার পিতা রিকশা চালক আব্দুর রহিম হাওলাদারকে কুপিয়ে জখম করে আল আমিন ও তার বাহিনী। এসময় তারা মসজিদে মাইকিং করে ঘোষণা দেয় এলাকায় কোনো বিএনপি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর রাতে একটি স্ব-মিলের শ্রমিক সুমনকে আটকে রেখে মারধর করে এই আল আমিন বাহিনী। খবর পেয়ে পুলিশসহ এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করতে গেলে আল আমিন তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পুলিশ এবং এলাকাবাসীর ওপর স্বশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় দুই পুলিশসহ মহানগর মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদাউস, শ্রমিকদল নেতা আসলাম- বাহাদুর- সুমন- সনিয়া- মামুন ও তানজিলকে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার বাহিনী। যা সাংবাদিকদের মাধ্যমেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের যারা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়েছেন তাদেরকেও শান্তিতে থাকতে দেয়া হয়নি। ঘটনার দিন থেকে টানা পাঁচদিন তাদের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। বেলস্ পার্ক মাঠে রাত্রিযাপন করতে হয়েছে তাদের। এরপরও সন্ত্রাসী আল আামিন বাহিনীকে গ্রেফতারে এগিয়ে আসেনি পুলিশ।
বক্তারা বলেন, এরফলে এলাকাবাসীর দাবীর মুখে বিষয়টিতে নজর দেয় বরিশালের সেনাবাহিনী। ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডবাসির সহযোগিতায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও আল আমিন বাহিনীর প্রধান আল আমিন এবং তার অন্যতম সহযোগী ফয়সালকে গ্রেফতার করে। ওইদিন রাতেই আওয়ামী শাসনামলে নির্যাতিত এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্টেডিয়াম বা বঙ্গবন্ধু কলোনী থেকে আল আমিনের অন্যমত সহযোগী আজিজুল- রুমা- সুমি এবং লিলিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো- আটককৃতরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়া সত্যেও পুলিশ থানা থেকেই মাদক ব্যবসায়ী রুমাকে ছেড়ে দেয়। এছাড়া পুলিশের দুর্বল ভূমিকার কারণে ১০ সেপ্টেম্বর সুমি এবং এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর লিলি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং মাদক কারবার শুরু করে দিয়েছে। এমনকি মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি ভূমিকা বা অভিযান না থাকায় তারা এখনো বীরদর্পে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হুমকি-ধামকী দিচ্ছে। যার ফলে এলাকার মানুষ এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। যে কারণে  চাঁদমারী বঙ্গবন্ধু বা স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দারা এখন এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জীবনের নিরাপত্তা চাচ্ছে। এই আল আমিন বাহিনীর অন্য সদস্য এবং সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে  আমাদের জীবন এখন হুমকির মুখে বলে জানান সাইদুল ইসলাম- তোতা- তামরুলসহ কয়েকজন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জাতীয়তাবাদী মহিলা দল বরিশালের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা বেগম বলেন- এই সন্ত্রাসী আল আমিন এখন বিএনপির ছত্রছায়ায় আসার তদবির চালাচ্ছে। ছাত্রদলের সভাপতি রনির ও পুলিশের সাথে তার দহরম মহরম রয়েছে বলে জানান তিনি। যে কারণে সে গ্রেফতার হলেও পুলিশ কৌশলে মামলা হালকা করে এদের জামিন পেতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দাদের।