Dhaka , Monday, 4 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন আজিজুল হক আজিজ নীরবতা নয়, প্রতিবাদ-পাইকগাছায় ইভটিজিং বিরোধী সচেতনতা সভা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত… স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত খুললো চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা :- আবু সুফিয়ান এমপি শ্রীপুরের আমতৈল গ্রামের সহিংসতা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে মাগুরা এক আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খানঃ শান্তি বজায় রাখার আহ্বান নোয়াখালীতে মায়ের সামনে ড্রামট্রাকের নিচে প্রাণ গেল শিশুর রাজাপুরে ইয়াবাসহ বিএনপি সভাপতির ছেলে আটক টিসিবির পণ্য গুদামে, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যের আহ্বান সাবেক এমপিকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট: সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাসেল, সম্পাদক রাহান কাউখালীতে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, তিন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রূপগঞ্জে মাদক সেবনকালে আটক ২ ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড মধুপুর ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন মাসুদ রানা লক্ষ্মীপুরে ১৪ মাস পর কৃষক দল নেতার লাশ উত্তোলন হাতীবান্ধা ও ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় পণ্য জব্দ “জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই” :- চসিক মেয়র উপকূলের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে- পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ঢাকা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হলেন অ্যাডভোকেট সোহেল খান ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন কিশোরগঞ্জের খাইরুল ইসলাম। মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত রূপগঞ্জে ছাত্তার জুট মিলস্ মডেল হাই স্কুল পূনঃনামকরণের প্রস্তাব জলাবদ্ধতা নিরসনে বাঁধ অপসারণ করা হচ্ছে, দ্রুতই হবে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি:- মেয়র ডা. শাহাদাত রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়িতে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্যক্রম শুরু পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুূদ্ধ করতে হবে :- আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ মাগুরার ব্র্যাক নার্সারির উদ্যোগে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬” এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে”:- চসিক মেয়র ডা.শাহদাত হোসেন ​হরিপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে আটক পাইকগাছায় অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে গদাইপুর ব্লাড ব্যাংকের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত

সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড মাস্টার প্ল্যানে টুরিজমের আগে সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:10:51 pm, Tuesday, 6 January 2026
  • 46 বার পড়া হয়েছে

নাদিম সরকার,

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সেন্ট মার্টিনকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে। তাই টুরিজমের আগে দেশের এই অনন্য প্রতিবেশকে বাঁচাতে সংরক্ষণের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে একটা দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাসহ মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করতে হবে। কীভাবে এখানে আবার একটা সমৃদ্ধ প্রতিবেশ ফিরিয়ে আনা যায় সেটাই হলো এই মাস্টার প্ল্যানের উদ্দেশ্য।
আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর-এর সহযোগিতায় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর সহায়তায় “Strategic Consultation Workshop Held on Saint Martin’s Island Master Plan” শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, মাস্টারপ্ল্যানের একটা অংশে দ্বীপের সংরক্ষণে ও জীবিবৈচিত্র ফিরিয়ে আনতে করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ থাকলে এটা সহজে অনুসরণীয় হবে। সংরক্ষণের স্বার্থে এখানে টুরিজমকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত করতে হবে। আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর উপর ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আগত বহিরাগতদের ক্ষতিকর আধিপত্য রোধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্ল্যান বাস্তবায়নে আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর ভূমিকা গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় রাখতে হবে। এখানে বসবাসকারীদের জন্য বিকল্প কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। মাছ ধরা, শুটকির ব্যবসা, হস্তশিল্প এমনকি টুরিজমও বিকল্প পেশা হতে পারে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়কালে মন্ত্রণালয় সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসময়ে মাস্টারপ্ল্যানের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্ল্যান প্রস্তুতে যারা সহযোগিতা করেছেন সচিব তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানান।
কর্মশালায় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, গবেষক, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং সেন্ট মার্টিন দ্বীপের স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ একশজনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।
অসাধারণ পরিবেশগত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন, প্রবাল ও ঝিনুক আহরণ, টেকসই নয় এমন মৎস্য আহরণ পদ্ধতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও চরম আবহাওয়ার ঝুঁকির কারণে গুরুতর পরিবেশগত অবক্ষয়ের মুখে রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ও এর আশপাশের সামুদ্রিক এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area—ECA) হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রস্তাবিত মাস্টার প্ল্যানে একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু অভিযোজন, টেকসই পর্যটন ব্যবস্থাপনা এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক যৌথ ব্যবস্থাপনাকে একত্র করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপের দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা। স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংরক্ষণ উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই মাস্টার প্ল্যান বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ রক্ষা এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই সুফল নিশ্চিত করতে চায়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, ইউএনডিপির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (অন্তর্বর্তীকালীন) সোনালি দয়ারত্নে।
কর্মশালায় Overview of the Draft Saint Martin’s Island Master Plan, Collected Feedback on the Draft Saint Martin Island Master Plan, Biodiversity of Saint Martin Island ইত্যাদি বিষয়ে তিনটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয় এবং সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উপর দুটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ইকোলজি ফরেস্ট্রি এন্ড বায়োডাইভার্সিটির বিশেষজ্ঞ এইচ এম নুরুল ইসলাম, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ রেজাউল করিম এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ডক্টর মোঃ ছগীর আহমেদ
সেন্ট মার্টিনস আইল্যান্ড মাস্টার প্ল্যানটি ২০২৬ সালের প্রথম দিকে চূড়ান্ত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন আজিজুল হক আজিজ

সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড মাস্টার প্ল্যানে টুরিজমের আগে সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে

আপডেট সময় : 04:10:51 pm, Tuesday, 6 January 2026

নাদিম সরকার,

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সেন্ট মার্টিনকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে। তাই টুরিজমের আগে দেশের এই অনন্য প্রতিবেশকে বাঁচাতে সংরক্ষণের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে একটা দীর্ঘমেয়াদি টেকসই ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাসহ মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করতে হবে। কীভাবে এখানে আবার একটা সমৃদ্ধ প্রতিবেশ ফিরিয়ে আনা যায় সেটাই হলো এই মাস্টার প্ল্যানের উদ্দেশ্য।
আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর-এর সহযোগিতায় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর সহায়তায় “Strategic Consultation Workshop Held on Saint Martin’s Island Master Plan” শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, মাস্টারপ্ল্যানের একটা অংশে দ্বীপের সংরক্ষণে ও জীবিবৈচিত্র ফিরিয়ে আনতে করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ থাকলে এটা সহজে অনুসরণীয় হবে। সংরক্ষণের স্বার্থে এখানে টুরিজমকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত করতে হবে। আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর উপর ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আগত বহিরাগতদের ক্ষতিকর আধিপত্য রোধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্ল্যান বাস্তবায়নে আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর ভূমিকা গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় রাখতে হবে। এখানে বসবাসকারীদের জন্য বিকল্প কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। মাছ ধরা, শুটকির ব্যবসা, হস্তশিল্প এমনকি টুরিজমও বিকল্প পেশা হতে পারে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়কালে মন্ত্রণালয় সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসময়ে মাস্টারপ্ল্যানের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্ল্যান প্রস্তুতে যারা সহযোগিতা করেছেন সচিব তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানান।
কর্মশালায় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, গবেষক, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং সেন্ট মার্টিন দ্বীপের স্থানীয় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ একশজনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।
অসাধারণ পরিবেশগত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন, প্রবাল ও ঝিনুক আহরণ, টেকসই নয় এমন মৎস্য আহরণ পদ্ধতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও চরম আবহাওয়ার ঝুঁকির কারণে গুরুতর পরিবেশগত অবক্ষয়ের মুখে রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ও এর আশপাশের সামুদ্রিক এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area—ECA) হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রস্তাবিত মাস্টার প্ল্যানে একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু অভিযোজন, টেকসই পর্যটন ব্যবস্থাপনা এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক যৌথ ব্যবস্থাপনাকে একত্র করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপের দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত করা। স্থানীয় জনগণের প্রয়োজন ও জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংরক্ষণ উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই মাস্টার প্ল্যান বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ রক্ষা এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই সুফল নিশ্চিত করতে চায়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় আরো বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, ইউএনডিপির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (অন্তর্বর্তীকালীন) সোনালি দয়ারত্নে।
কর্মশালায় Overview of the Draft Saint Martin’s Island Master Plan, Collected Feedback on the Draft Saint Martin Island Master Plan, Biodiversity of Saint Martin Island ইত্যাদি বিষয়ে তিনটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয় এবং সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উপর দুটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ইকোলজি ফরেস্ট্রি এন্ড বায়োডাইভার্সিটির বিশেষজ্ঞ এইচ এম নুরুল ইসলাম, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ রেজাউল করিম এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ডক্টর মোঃ ছগীর আহমেদ
সেন্ট মার্টিনস আইল্যান্ড মাস্টার প্ল্যানটি ২০২৬ সালের প্রথম দিকে চূড়ান্ত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।