Dhaka , Tuesday, 9 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নগর গড়তে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে:- মেয়র ডা. শাহাদাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক, জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা আজিজুল হক আজিজের নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন  বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রামগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পাইকগাছায় ফ্রেন্ডশিপের পরিবেশ সচেতনতা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে খাল দখলমুক্ত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান হামলার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মামলার আসামি স্টার নিউজের সাংবাদিক রামুতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি নির্ভর আর্থিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন ফটিকছড়ি হতে ০১ টি দেশীয় এলজি বন্দুক ও ০৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারসহ ০১ জন’কে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত একনেকে ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি বরখাস্ত দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ‘ওশান ডাটা সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ইরানি যুবককে বিয়ে করলেন মার্কিন নারী ক্রীড়াবিদ কৃষক দল নেতার ক্ষমতায় হালিশহরে বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ নোয়াখালীতে চেকেপোস্টে তিনটি বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ কিশোর আটক নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের চার নেতা গ্রেফতার অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিপূরণ ও কৃষিঋণ মওকুফের দাবিতে দুর্গাপুরে কৃষক-ক্ষেতমজুরদের বিক্ষোভ পাইকগাছায় মাটির রাস্তা থেকে এইচবিবি: বদলে গেল জনদুর্ভোগের চিত্র ১৭ জুন রাজনগরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উন্নয়ন দাবিতে ৯ দফা প্রস্তুত মৌলভীবাজার পিটিআইয়ে প্রশিক্ষণে এসি ও খাবারের মান নিয়ে অসন্তোষ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম মডেল সফল, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া হবে নির্ধারিত ও স্বচ্ছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেফতার ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক, জব্দ প্রাইভেটকার চিরকুটে যুবকের নাম লিখে নবম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে যুগের পর যুগ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে ৫ টি স্লুইস গেট,কারা করেছে জানে না কর্তৃপক্ষ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:58:57 pm, Saturday, 4 April 2026
  • 35 বার পড়া হয়েছে

মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিভিন্ন খালে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫টি স্লুইস গেট অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে।কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ জানে না গেট গুলো কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে তৈরী করা হয়েছিল।এই অকেজো স্লুইসগেট গুলোর কারণে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে কৃষি জমিতে সেচ সংকট, জলাবদ্ধতা, মাছের প্রজনন হ্রাস, খালে পলি ও ময়লা-অবর্জনা জমে অল্প সময়ে মধ্যে খাল ভরাট হয়ে যাওয়া, জমাট বাঁধা সহ নানা সমস্যায় এ সব অচল স্লুইস গেট এখন রামগঞ্জবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে , বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০১-২০০২ অর্থ বছরেস্থানীয় সরকার প্রকৌশলঅধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে এ সব স্লুইস গেট নির্মান করা হয়েছিল। অথচ রামগঞ্জ পাউবো,বিএডিসি, কৃষি বিভাগ সহ কেউ বলতে পারছে না স্লুইসগেট গুলো কার অধীন?
রামগঞ্জ-সোনাইমুড়ি বিরেন্দ্র খালের আনসার ভিডিপি ক্যাম্পের পাশের স্লুইসগেট, একই খালের আলীপুর ব্রীজের পাশের স্লুইসগেট কাঁটাখালী ও পানপাড়ার মজুপুর স্লুইস গেট গুলো শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের উপর কংক্রিট কাঠামোয় স্টিলের ফ্রেম বসানো গেট সিস্টেমে তৈরী স্লুইস গেটগুলো এখন আর কোনো কাজে আসছে না। গেট ছাড়াই খালের উপর অসাড় অবস্থায় খাল দখল করে অকেজো স্লুইস গেটগুলো দাঁড়িয়ে আছে। খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নেই। খাল জুড়ে কচুরি পানা ও ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। খাল গুলো পলি ও ময়লা আবর্জনা জমে সরু হয়ে আছে। কিছু স্থানে জমাট বাঁধা পানি কালো ও দূগর্ন্ধ ছড়াচ্ছে।
এ সময় কৃষক আবুল মান্নান পাটোয়ারী বলেন, সরকার কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার জন্য স্লুইস গেট গুলো তৈরী করেছেন। কিন্তু রক্ষনাবেক্ষণ না করার কারনে কিছু দিন পর স্লুইস গেট গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। খালে সময় মতো পানি আসে না, অতি বৃষ্টি ও বন্যায় সময় পানি যেতে পারে না। তাই সময় মতো চাষাবাদ করা যায় না, অনেক সময় পানি যেতে না পেরে ফসল তলিয়ে যায়। এতে সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশী হচ্ছে। সরকার গেট গুলো তুলে পেললে অথবা সংস্কার করে ঠিক মতো পানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে মানুষের উপকার হবে। চাষাবাদে খরচ কম হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। একই কথা জানিয়েছেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আমির হোসেন, ভাদুর ইউনিয়নের হাসান, দরবেশপুর ইউনিয়নের ফজল মিয়াসহ একাধিক কৃষক।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্ছু মিয়া, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, সমাজ কর্মী আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় ৫ থেকে ৬ জন ব্যক্তি জানান, স্লুইস গেট গুলো সেচের সুবিধার জন্য করা হলেও এটি শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। অব্যবস্থাপনার কারনে হিতে বিপরীত হয়েছে। স্লুইস গেটে গুলো করার আগে খালে পানি প্রবাহ ছিল, ময়লা-আবর্জনা, কচুরি পানা গুলো স্রোতের সাথে ভেসে যেত। এখন শুকনা মৌসুমে জমাট থাকা পানি নষ্ট হয়ে যায়,রোগ-জীবাণু ছড়ায় ।বর্ষায় জলাবদ্ধতায় কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। খাল খনন করলেও অল্প সময়ের মধ্যে ভরাট হয়ে যায়। খাল কেটেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। রামগঞ্জ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অফিসের উপ সহকারি প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অত্র স্লুইস গেট গুলো আমাদের বিএডিসি থেকে করা হয়নি। অন্য কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে কিনা, তাও জানা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) রামগঞ্জ উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসও) মো: সাকিল মাহমুদ জানান, স্লইস গেট গুলো আমাদের বিভাগের আওতায় নয়। গত বছর বন্যার সময় আমরা এ নিয়ে বেড়াজালে পড়ছিলাম। দেখেছি স্লুইস গেট গুলো খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
রামগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাব্বির আহমেদ সিফাত জানান,স্লইস গেট গুলো কৃষি বিভাগের আওতায় করা হয়নি, তাই এ ব্যাপারে কোন তথ্য কৃষি অফিসে নেই। স্লইস গেট গুলো সক্রিয় না থাকায় চাষাবাদে সেচের জন্য যে পানি দরকার হয়,তা সময় মত আসে না। অতি বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে চাষাবাদে ও ফসল উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সাজ্জাদ মাহমুদ খাঁন জানান, উপজেলা প্রকৌশল অফিসের আওতায় আমার জানা মতে কাঁটাখালিতে একটি স্লুইস গেট আছে। বাকী গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, তা জানা নেই। আমরা কাটাখালির স্লুইড গেটটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বরাবার চিঠি চালাচালি করে আসছি, বরাদ্ধ পেলে সংস্কার করে ব্যবহারে উপযুক্ত করা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম জানান, স্লুইস গেট গুলোর যদি ক্ষতি হয়ে থাকে অপসারন করতে হবে। যদি সংস্কার করলে মানুষের উপকার আসে তাহলে সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, এ ব্যাপারে খোজখবর নিয়ে পত্র যোগযোগের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিব।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে যুগের পর যুগ অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে ৫ টি স্লুইস গেট,কারা করেছে জানে না কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : 03:58:57 pm, Saturday, 4 April 2026

মাসুদ রানা মনি, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিভিন্ন খালে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫টি স্লুইস গেট অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে।কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ জানে না গেট গুলো কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে তৈরী করা হয়েছিল।এই অকেজো স্লুইসগেট গুলোর কারণে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে কৃষি জমিতে সেচ সংকট, জলাবদ্ধতা, মাছের প্রজনন হ্রাস, খালে পলি ও ময়লা-অবর্জনা জমে অল্প সময়ে মধ্যে খাল ভরাট হয়ে যাওয়া, জমাট বাঁধা সহ নানা সমস্যায় এ সব অচল স্লুইস গেট এখন রামগঞ্জবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে , বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০১-২০০২ অর্থ বছরেস্থানীয় সরকার প্রকৌশলঅধিদপ্তর (এলজিইডি) অর্থায়নে এ সব স্লুইস গেট নির্মান করা হয়েছিল। অথচ রামগঞ্জ পাউবো,বিএডিসি, কৃষি বিভাগ সহ কেউ বলতে পারছে না স্লুইসগেট গুলো কার অধীন?
রামগঞ্জ-সোনাইমুড়ি বিরেন্দ্র খালের আনসার ভিডিপি ক্যাম্পের পাশের স্লুইসগেট, একই খালের আলীপুর ব্রীজের পাশের স্লুইসগেট কাঁটাখালী ও পানপাড়ার মজুপুর স্লুইস গেট গুলো শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালের উপর কংক্রিট কাঠামোয় স্টিলের ফ্রেম বসানো গেট সিস্টেমে তৈরী স্লুইস গেটগুলো এখন আর কোনো কাজে আসছে না। গেট ছাড়াই খালের উপর অসাড় অবস্থায় খাল দখল করে অকেজো স্লুইস গেটগুলো দাঁড়িয়ে আছে। খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নেই। খাল জুড়ে কচুরি পানা ও ময়লা আবর্জনার ভাগাড়। খাল গুলো পলি ও ময়লা আবর্জনা জমে সরু হয়ে আছে। কিছু স্থানে জমাট বাঁধা পানি কালো ও দূগর্ন্ধ ছড়াচ্ছে।
এ সময় কৃষক আবুল মান্নান পাটোয়ারী বলেন, সরকার কৃষকদের চাষাবাদের সুবিধার জন্য স্লুইস গেট গুলো তৈরী করেছেন। কিন্তু রক্ষনাবেক্ষণ না করার কারনে কিছু দিন পর স্লুইস গেট গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। খালে সময় মতো পানি আসে না, অতি বৃষ্টি ও বন্যায় সময় পানি যেতে পারে না। তাই সময় মতো চাষাবাদ করা যায় না, অনেক সময় পানি যেতে না পেরে ফসল তলিয়ে যায়। এতে সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশী হচ্ছে। সরকার গেট গুলো তুলে পেললে অথবা সংস্কার করে ঠিক মতো পানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে মানুষের উপকার হবে। চাষাবাদে খরচ কম হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। একই কথা জানিয়েছেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আমির হোসেন, ভাদুর ইউনিয়নের হাসান, দরবেশপুর ইউনিয়নের ফজল মিয়াসহ একাধিক কৃষক।
অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্ছু মিয়া, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন, সমাজ কর্মী আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় ৫ থেকে ৬ জন ব্যক্তি জানান, স্লুইস গেট গুলো সেচের সুবিধার জন্য করা হলেও এটি শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। অব্যবস্থাপনার কারনে হিতে বিপরীত হয়েছে। স্লুইস গেটে গুলো করার আগে খালে পানি প্রবাহ ছিল, ময়লা-আবর্জনা, কচুরি পানা গুলো স্রোতের সাথে ভেসে যেত। এখন শুকনা মৌসুমে জমাট থাকা পানি নষ্ট হয়ে যায়,রোগ-জীবাণু ছড়ায় ।বর্ষায় জলাবদ্ধতায় কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। খাল খনন করলেও অল্প সময়ের মধ্যে ভরাট হয়ে যায়। খাল কেটেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। রামগঞ্জ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অফিসের উপ সহকারি প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অত্র স্লুইস গেট গুলো আমাদের বিএডিসি থেকে করা হয়নি। অন্য কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে কিনা, তাও জানা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) রামগঞ্জ উপজেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসও) মো: সাকিল মাহমুদ জানান, স্লইস গেট গুলো আমাদের বিভাগের আওতায় নয়। গত বছর বন্যার সময় আমরা এ নিয়ে বেড়াজালে পড়ছিলাম। দেখেছি স্লুইস গেট গুলো খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
রামগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাব্বির আহমেদ সিফাত জানান,স্লইস গেট গুলো কৃষি বিভাগের আওতায় করা হয়নি, তাই এ ব্যাপারে কোন তথ্য কৃষি অফিসে নেই। স্লইস গেট গুলো সক্রিয় না থাকায় চাষাবাদে সেচের জন্য যে পানি দরকার হয়,তা সময় মত আসে না। অতি বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে চাষাবাদে ও ফসল উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সাজ্জাদ মাহমুদ খাঁন জানান, উপজেলা প্রকৌশল অফিসের আওতায় আমার জানা মতে কাঁটাখালিতে একটি স্লুইস গেট আছে। বাকী গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, তা জানা নেই। আমরা কাটাখালির স্লুইড গেটটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বরাবার চিঠি চালাচালি করে আসছি, বরাদ্ধ পেলে সংস্কার করে ব্যবহারে উপযুক্ত করা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম জানান, স্লুইস গেট গুলোর যদি ক্ষতি হয়ে থাকে অপসারন করতে হবে। যদি সংস্কার করলে মানুষের উপকার আসে তাহলে সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ গুলো কোন বিভাগ থেকে করা হয়েছে, এ ব্যাপারে খোজখবর নিয়ে পত্র যোগযোগের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিব।