Dhaka , Thursday, 23 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শিবচরে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আড়াইহাজারে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক সভা রাঙামাটিতে বন্যাদুর্গত বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের খাদ্যশস্য বিতরণ নান্দাইলে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত গাজীপুর মহানগর মহিলা বিভাগের রক্তাক্ত জুলাইয়ের চেতনা ধারণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শহীদ হৃদয় তরুয়াকে স্মরণে চাকসু এজিএস তৌফিকের উদ্যোগে চবিতে ফুটসাল টুর্নামেন্ট বেতাগীতে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন, প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও সাদ্দাম হোসেন মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার ২ দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন পরিবার পুনর্মিলনে ফেনীতে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ ঝালকাঠি পৌরসভায় নির্মাণ হচ্ছে আধুনিক বাস টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস মার্কেট ও সিটি পার্ক, বরাদ্দ প্রায় ৩৮ কোটি টাকা রায়পুরে অস্বাস্থ্যকর ও ভেজাল শিশু খাদ্যে সয়লাব, ঝুঁকিতে কোমলমতি শিশুরা। নরসিংদীতে অনিয়মের দায়ে দুইটি হাসপাতালকে জরিমানা নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে স্মারকলিপি নতুনধারা বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার দাবি রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যার্তদের মাঝে চিকিৎসাপত্র, ওষুধ ও খাবার বিতরণ ‎​হরিপুরে ৭২৪তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায়- মুচলেকায় মুক্তি অভিযুক্ত রামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন আবু সুফিয়ান এমপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে হবে:- সালাউদ্দীন আলী পাইকগাছায় স্বাস্থ্য সহকারীদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত: ওয়ার্ল্ড ভিশনের ছাতা বিতরণ পাইকগাছার অবৈধ বাঁধ-নেট-পাটা উচ্ছেদ: স্বাভাবিক হলো পানি প্রবাহ রায়পুরে ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ। চালু হলো ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ, এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সেবা শিখা অনির্বাণে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের শ্রদ্ধা নিবেদন চরভদ্রাসনে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত : অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা। অসহায় মানুষের পাশে মানবিক উদ্যোগ: চরভদ্রাসনে ১০৭ পরিবারে আর্থিক সহায়তা রূপগঞ্জে পানিবন্দী শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাদী অভিযোগ আসামীর চার জন, এজহারে ডবলমুরিং থানা পুলিশ নাম দিল সাত জন

মোংলা পোর্ট পৌরসভায় নেই মেয়র-কাউন্সিলর ভোগান্তিতে জনগন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:21:19 am, Sunday, 11 August 2024
  • 289 বার পড়া হয়েছে

মোংলা পোর্ট পৌরসভায় নেই মেয়র-কাউন্সিলর ভোগান্তিতে জনগন।।

মোঃ রুবেল খান
মোংলা বাগেরহাট।।
   
   
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতন হওয়ার পর পরই দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দরে অবস্থিত মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরা গাঁ ঢাকা দিয়ে আছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা ও সমর্থক। তারা কোথায় তা জানেন না পৌরসভার কর্মকর্তারা। এ এলাকায় ছাত্র আন্দোলন হয়নি- তারপরও একটি রাজনৈতিক সরকারের বিদায়ের সাথে সাথেই দায়িত্ব ছেড়ে কেন পলায়ন করলেন- তা নিয়ে স্থানীয়রা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। একই সাথে তাদের ভোগান্তির কথাও জানান। 
এদিকে গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করার পর মোংলা পোর্ট পৌরসভায় মূল ফটকে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এসময় পৌরসভায় স্থাপন হওয়া শেখ মুজিবের দুটি প্রতিকৃতি ভেঙে ফেলেন তারা। হামলা হয়েছে পৌর মেয়র- কাউন্সিলরদের বাস ভবনেও।
সরেজমিনে রবিবার -১১ আগষ্ট- পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায়- জনশূন্য পৌরসভায় কিছু কর্মকর্তা- কর্মচারীদের উপস্থিতি। নাগরিকদের আগের মতো আনাগোনা নাই। এদিন কর সংগ্রহ- নাগরিক সনদপত্র প্রদান- ট্রেড লাইসেন্স ও জন্ম-মৃত্যুসহ দৈনিন্দন কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সেবা গ্রহীতারা অনেকেই ফিরে গেছেন। এ অবস্থায় পৌরসভার হিসাব বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন- মেয়র- কাউন্সিলরা না থাকায় অসুবিধাতো হচ্ছেই। তবে এই মুহুর্তে আর কিছু বলা যাবেনা।
জানতে চাইলে- এ বিষয়ে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা অমল কৃষ্ণ সাহা বলেন- মেয়র- কাউন্সিলরা কোথায় আছেন জানিনা। আপনারা সবই জানেন দেখছেন। এই মুহুর্তে কিছু বলা যাবেনা। 
এদিকে পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলোতে যানজট দূর করতে নৌ বাহিনীর স্বেচ্ছাসেবক কর্মিরা নিরলসভাবে কাজ করলেও বিভিন্ন সড়কে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার না করায় শহরের অলিগলিতে জমেছে ময়লার স্তুপ। পৌরসভার কর্মচারীদের উদাসীন এবং অবহেলার কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে জানান পৌরসভার ভুক্তভোগী বাসিন্দারা। 
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ লিয়াকত হোসেন বলেন- মেয়র- কাউন্সিলরা পৌরসভায় থাকলে কর্মচারীরা ঠিকই ময়লা পরিস্কার করতো। এছাড়া কাউন্সিলরা এলাকাতে না থাকা এবং ফোন বন্ধ থাকায় নাগরিক সনদপত্র নিতে পারছেন না তারা। 
নাগরিক সনদপত্র নিতে পারছেন না উল্লেখ করে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আজমল হোসেন বলেন- তারা কি এমন করেছেন যে তাদের পালিয়ে থাকতে হবে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর শহরের একাধিক ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন- মোংলায় গত পৌরসভার নির্বাচন যেভাবে হয়েছে তা ন্যাক্কারজনক। পৌরসভা সৃষ্টির পর এমন নির্বাচন দেখেননি তারা। কাউকে ভোট দিতে দেয়নি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। জোর জুলুম ও ভোট কেটে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। এখন সরকার পতনের পর পরই তারা পালিয়েছেন। এছাড়া তারা নানাভাবে দুর্নীতি ও লুটপাট করেছেন- সেজন্য তারা আসলেই সংক্ষুব্ধদের হাতে অপদস্ত হতে পারেন এমন শঙ্কায় পৌরসভায় কেউ আসছেন না বলেও জানান তারা। 
এদিকে গত ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর পরই সারা দেশের মতো মোংলাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ে। যে কোনো সময় হেনস্তা হতে পারেন- এই ভয়ে আড়ালে আছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার একজন কাউন্সিলর জানান। 
তবে কিছুদিন ধরে পৌর কাউন্সিলরদের ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব না হলেও রবিবার -১১ আগষ্ট- দুপুরে কথা হয় মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি জানান- গত ৫ আগষ্ট দেশে অন্যরকম একটি পরিস্থিতি তৈরি হলে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কবরস্থান রোডের তার বাসভবনে হামলা চালায় একদল দূর্বৃত্তরা। 
এছাড়া কয়েকজন কাউন্সিলরদের বাড়ীতেও হামলার ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় নিরাপত্তা জনিত কারণে তিনি পৌরসভায় যাচ্ছেন না। তবে পৌরসভায় না গেলেও বাসায় বসে দাপ্তরিক কাজ সারছেন তিনি। এক্ষেত্রে কোন নাগরিক সেবা গ্রহণে বঞ্চিত হলে তাদের বাসায় আসার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবচরে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু

মোংলা পোর্ট পৌরসভায় নেই মেয়র-কাউন্সিলর ভোগান্তিতে জনগন।।

আপডেট সময় : 11:21:19 am, Sunday, 11 August 2024
মোঃ রুবেল খান
মোংলা বাগেরহাট।।
   
   
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতন হওয়ার পর পরই দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দরে অবস্থিত মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরা গাঁ ঢাকা দিয়ে আছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা ও সমর্থক। তারা কোথায় তা জানেন না পৌরসভার কর্মকর্তারা। এ এলাকায় ছাত্র আন্দোলন হয়নি- তারপরও একটি রাজনৈতিক সরকারের বিদায়ের সাথে সাথেই দায়িত্ব ছেড়ে কেন পলায়ন করলেন- তা নিয়ে স্থানীয়রা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। একই সাথে তাদের ভোগান্তির কথাও জানান। 
এদিকে গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করার পর মোংলা পোর্ট পৌরসভায় মূল ফটকে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এসময় পৌরসভায় স্থাপন হওয়া শেখ মুজিবের দুটি প্রতিকৃতি ভেঙে ফেলেন তারা। হামলা হয়েছে পৌর মেয়র- কাউন্সিলরদের বাস ভবনেও।
সরেজমিনে রবিবার -১১ আগষ্ট- পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায়- জনশূন্য পৌরসভায় কিছু কর্মকর্তা- কর্মচারীদের উপস্থিতি। নাগরিকদের আগের মতো আনাগোনা নাই। এদিন কর সংগ্রহ- নাগরিক সনদপত্র প্রদান- ট্রেড লাইসেন্স ও জন্ম-মৃত্যুসহ দৈনিন্দন কার্যক্রমে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সেবা গ্রহীতারা অনেকেই ফিরে গেছেন। এ অবস্থায় পৌরসভার হিসাব বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন- মেয়র- কাউন্সিলরা না থাকায় অসুবিধাতো হচ্ছেই। তবে এই মুহুর্তে আর কিছু বলা যাবেনা।
জানতে চাইলে- এ বিষয়ে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা অমল কৃষ্ণ সাহা বলেন- মেয়র- কাউন্সিলরা কোথায় আছেন জানিনা। আপনারা সবই জানেন দেখছেন। এই মুহুর্তে কিছু বলা যাবেনা। 
এদিকে পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলোতে যানজট দূর করতে নৌ বাহিনীর স্বেচ্ছাসেবক কর্মিরা নিরলসভাবে কাজ করলেও বিভিন্ন সড়কে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার না করায় শহরের অলিগলিতে জমেছে ময়লার স্তুপ। পৌরসভার কর্মচারীদের উদাসীন এবং অবহেলার কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে জানান পৌরসভার ভুক্তভোগী বাসিন্দারা। 
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ লিয়াকত হোসেন বলেন- মেয়র- কাউন্সিলরা পৌরসভায় থাকলে কর্মচারীরা ঠিকই ময়লা পরিস্কার করতো। এছাড়া কাউন্সিলরা এলাকাতে না থাকা এবং ফোন বন্ধ থাকায় নাগরিক সনদপত্র নিতে পারছেন না তারা। 
নাগরিক সনদপত্র নিতে পারছেন না উল্লেখ করে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আজমল হোসেন বলেন- তারা কি এমন করেছেন যে তাদের পালিয়ে থাকতে হবে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর শহরের একাধিক ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন- মোংলায় গত পৌরসভার নির্বাচন যেভাবে হয়েছে তা ন্যাক্কারজনক। পৌরসভা সৃষ্টির পর এমন নির্বাচন দেখেননি তারা। কাউকে ভোট দিতে দেয়নি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। জোর জুলুম ও ভোট কেটে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। এখন সরকার পতনের পর পরই তারা পালিয়েছেন। এছাড়া তারা নানাভাবে দুর্নীতি ও লুটপাট করেছেন- সেজন্য তারা আসলেই সংক্ষুব্ধদের হাতে অপদস্ত হতে পারেন এমন শঙ্কায় পৌরসভায় কেউ আসছেন না বলেও জানান তারা। 
এদিকে গত ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর পরই সারা দেশের মতো মোংলাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ে। যে কোনো সময় হেনস্তা হতে পারেন- এই ভয়ে আড়ালে আছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার একজন কাউন্সিলর জানান। 
তবে কিছুদিন ধরে পৌর কাউন্সিলরদের ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব না হলেও রবিবার -১১ আগষ্ট- দুপুরে কথা হয় মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি জানান- গত ৫ আগষ্ট দেশে অন্যরকম একটি পরিস্থিতি তৈরি হলে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কবরস্থান রোডের তার বাসভবনে হামলা চালায় একদল দূর্বৃত্তরা। 
এছাড়া কয়েকজন কাউন্সিলরদের বাড়ীতেও হামলার ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় নিরাপত্তা জনিত কারণে তিনি পৌরসভায় যাচ্ছেন না। তবে পৌরসভায় না গেলেও বাসায় বসে দাপ্তরিক কাজ সারছেন তিনি। এক্ষেত্রে কোন নাগরিক সেবা গ্রহণে বঞ্চিত হলে তাদের বাসায় আসার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।