Dhaka , Tuesday, 14 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২ যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ: ফিরিয়ে আনতে বিজিবির তোড়জোড় বর্ণিল আয়োজনে নববর্ষ বরণে প্রস্তুত ছায়ানট; রমনা বটমূলে আজ উৎসবের আমেজ পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণে ধীরগতি,খাল নয় যেন ময়লা আবর্জনার ভাগাড় নারায়ণগঞ্জে নকল টিকা কার্ডে প্রতারণা: এক নারীর কারাদণ্ড লালমনিরহাটে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব: সতর্কবস্থায় স্বাস্থ্য বিভাগ, ঝুঁকিতে শিশুরা সাজা এড়াতে ৫ বছর আত্মগোপন: আদিতমারীতে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নিখোঁজের ১১ দিনেও মিলেনি হিফজ ছাত্র তন্ময়ের খোঁজ, দিশেহারা পরিবার নলছিটিতে নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সড়কের নিরাপত্তা বিঘ্নিত: অবৈধভাবে মাটি কাটায় সাতকানিয়ায় ইটভাটা মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা  মধ্যপ্রাচর যুদ্ধের প্রভাবে রূপগঞ্জে টেক্সটাইল খাতে ধসের আশঙ্কা, লোকসানের মুখে ব্যবসায়ীরা পিএমকের উদ্যেগে রূপগঞ্জে বিনামূল্য স্বাস্থ্য ও চক্ষু সেবা, মেডিসিন, চসমা বিতরণ আড়াইহাজারে মামার বাড়ীতে ভাগনে খুন রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়, শান্তিপূর্ণ বৈশাখের আশ্বাস শিক্ষার্থীদের জাতির সেবক হয়ে গড়ে উঠতে হবে: এমপি আবুল কালাম আজাদ ১২৫ বছরে মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুল: বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী উৎসবের ডাক নলছিটিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে হত্যা ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ ফরিদপুরের সালথায় আগুনে পুড়লো শিক্ষকের স্বপ্ন, সহায়তার আশ্বাস প্রশাসনের। মানুষের সেবায় দিনরাত মাঠে আজিজুল হক আজিজ, হামের টিকা কার্যক্রমে নিজে তদারকি চট্টগ্রামে অভিযানে ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক ২ ফতুল্লায় ভোরে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘দালাল সহিদ’ গ্রেফতারের দাবি ফতুল্লা সাংবাদিকদের ইরান যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ও উত্তরণের উপায় নারায়ণগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিসি কার্যালয়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় স্বাক্ষী দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলীর মৃত্যু।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:07:55 am, Wednesday, 14 February 2024
  • 192 বার পড়া হয়েছে

পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলীর মৃত্যু।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলী শেখ-৪০-নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 
পল্লিচিকিৎসক পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করতেই ওই যুবক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বলে অভিযোগ স্বজনদের। মঙ্গলবার-১৩ ফেব্রুয়ারি-সকালে সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত হাসমত আলী শেখ দোগাছী ইউনিয়নের দোগাছী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আবুল মজিদ প্রামানিকের ছেলে। তিনি জর্দান প্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দুই সন্তানের জনক হাসমত নানা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। 
অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের নাম আতিকুজ্জামান সুমন। তিনি দোগাছী ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে। 
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে সুমনের ওষুধের দোকান ভাঙচুর ও দোকানের সব ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন হাসমতের স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে বুকে জ্বালাপোড়া ও যন্ত্রণায় ভুগছিলেন হাসমত। গতকাল রাতে পল্লিচিকিৎসক সুমন দুটি গ্যাসের ট্যাবলেট দিলে তা খাওয়ার পরও বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা ভালো হয়নি। 
আজ সকালে বুকের ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে পল্লিচিকিৎসক সুমনকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি গিয়ে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন হাসমত।
নিহত হাসমতের চাচা মো. ইসরাইল বলেন, পল্লিচিকিৎসক সুমন ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে হাসমত মারা যায়। আমাদের মনে বুঝ দেওয়ার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলাম। 
কিন্তু দোগাছী বাজার পার হতেই মরদেহ আবার বাড়িতে নিয়ে আছি। কোনো প্রকার অনুমতি না থাকলেও সুমন এলাকায় ওষুদের দোকানের মধ্যে চেম্বার বসিয়ে শত শত রোগী দেখেন। রোগী গেলেই ইনজেকশন পুশ করার অভ্যাস তার আগে থেকেই। 
গ্রামের মানুষকে শুধু ইনজেকশন দেয়। এর আগেও তুলিয়া আক্তার ও মর্জিনা খাতুন নামে দুই নারী সুমনের ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে। আগে বিচার হয়নি তাই এখনো অনিয়ম করেই যাচ্ছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।  
নিহত হাসমতের স্ত্রীর ঈশিতা খাতুন বলেন, আমার স্বামী বিভিন্ন সময়ে ছোটখাটো অসুস্থ হলে সুমনের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। গত তিন দিন ধরে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণায় ভুগছিল। গতকাল রাতে তার-সুমন-থেকে গ্যাসের ট্যাবলেট নিয়ে খায়। 
সকালে অসুস্থ বেশি হলে সুমনকে আমার স্বামী ফোন করে ডাকে। স্বামীকে বারবার বলি যে পাবনায় যেতে হবে। সে এ কথা না শুনে ওই ডাক্তারকেই ডাকে। এরপর সে আমার বাড়িতে এসে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করে। এক মিনিটের মধ্যেই স্বামী আমার হাতের ওপর মারা যায়। এ ঘটনার আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসক আতিকুজ্জামান সুমন বলেন, হাসমত আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমরা সব সময় একসঙ্গে চলাচল করেছি। সকালে তার বুকে ব্যথা বেশি হলে আমি গিয়ে প্রথমে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছি। 
এরপর একটা সার্জেল গ্যাসের ইনজেকশন পুশ করি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। তার মৃত্যুর জন্য আমি কোনোভাবেই দায়ী নয়। অযথা আমার ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ওষুধ পুড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগেও ভুল চিকিৎসায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সম্পর্কে আমি জানি না।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম  বলেন, ঘটনার পর আমরা নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনেছি যে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে নিহতের বন্ধু পল্লিচিকিৎসক সুমনকে মোবাইলে ডেকে আনলে তিনি ইনজেকশন পুশ করেন। 
এরপর তিনি-হাসমত-মারা যান। এরপর বিক্ষুব্ধ লোকজন তার দোকানের সব ওষুধ পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর সপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়। 
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা অসম্ভব। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাবনার সিভিল সার্জন ডা. শহিদুল্লাহ দেওয়ান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। পল্লিচিকিৎসকদের কোনো অনুমোদন থাকে না। সেজন্য ওইভাবে রোগীর রেজিস্ট্রারও থাকে না। 
যদি কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল হতো তাহলে রেজিস্ট্রার থাকতো। তখন আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত করতে পারতাম। যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে খতিয়ে দেখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২ যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ: ফিরিয়ে আনতে বিজিবির তোড়জোড়

পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলীর মৃত্যু।।

আপডেট সময় : 04:07:55 am, Wednesday, 14 February 2024
পাবনা প্রতিনিধি।।
পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলী শেখ-৪০-নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 
পল্লিচিকিৎসক পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করতেই ওই যুবক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বলে অভিযোগ স্বজনদের। মঙ্গলবার-১৩ ফেব্রুয়ারি-সকালে সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত হাসমত আলী শেখ দোগাছী ইউনিয়নের দোগাছী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আবুল মজিদ প্রামানিকের ছেলে। তিনি জর্দান প্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দুই সন্তানের জনক হাসমত নানা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। 
অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের নাম আতিকুজ্জামান সুমন। তিনি দোগাছী ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে। 
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে সুমনের ওষুধের দোকান ভাঙচুর ও দোকানের সব ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন হাসমতের স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে বুকে জ্বালাপোড়া ও যন্ত্রণায় ভুগছিলেন হাসমত। গতকাল রাতে পল্লিচিকিৎসক সুমন দুটি গ্যাসের ট্যাবলেট দিলে তা খাওয়ার পরও বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা ভালো হয়নি। 
আজ সকালে বুকের ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে পল্লিচিকিৎসক সুমনকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি গিয়ে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন হাসমত।
নিহত হাসমতের চাচা মো. ইসরাইল বলেন, পল্লিচিকিৎসক সুমন ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে হাসমত মারা যায়। আমাদের মনে বুঝ দেওয়ার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলাম। 
কিন্তু দোগাছী বাজার পার হতেই মরদেহ আবার বাড়িতে নিয়ে আছি। কোনো প্রকার অনুমতি না থাকলেও সুমন এলাকায় ওষুদের দোকানের মধ্যে চেম্বার বসিয়ে শত শত রোগী দেখেন। রোগী গেলেই ইনজেকশন পুশ করার অভ্যাস তার আগে থেকেই। 
গ্রামের মানুষকে শুধু ইনজেকশন দেয়। এর আগেও তুলিয়া আক্তার ও মর্জিনা খাতুন নামে দুই নারী সুমনের ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে। আগে বিচার হয়নি তাই এখনো অনিয়ম করেই যাচ্ছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।  
নিহত হাসমতের স্ত্রীর ঈশিতা খাতুন বলেন, আমার স্বামী বিভিন্ন সময়ে ছোটখাটো অসুস্থ হলে সুমনের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। গত তিন দিন ধরে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণায় ভুগছিল। গতকাল রাতে তার-সুমন-থেকে গ্যাসের ট্যাবলেট নিয়ে খায়। 
সকালে অসুস্থ বেশি হলে সুমনকে আমার স্বামী ফোন করে ডাকে। স্বামীকে বারবার বলি যে পাবনায় যেতে হবে। সে এ কথা না শুনে ওই ডাক্তারকেই ডাকে। এরপর সে আমার বাড়িতে এসে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করে। এক মিনিটের মধ্যেই স্বামী আমার হাতের ওপর মারা যায়। এ ঘটনার আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসক আতিকুজ্জামান সুমন বলেন, হাসমত আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমরা সব সময় একসঙ্গে চলাচল করেছি। সকালে তার বুকে ব্যথা বেশি হলে আমি গিয়ে প্রথমে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছি। 
এরপর একটা সার্জেল গ্যাসের ইনজেকশন পুশ করি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। তার মৃত্যুর জন্য আমি কোনোভাবেই দায়ী নয়। অযথা আমার ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ওষুধ পুড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগেও ভুল চিকিৎসায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সম্পর্কে আমি জানি না।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম  বলেন, ঘটনার পর আমরা নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনেছি যে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে নিহতের বন্ধু পল্লিচিকিৎসক সুমনকে মোবাইলে ডেকে আনলে তিনি ইনজেকশন পুশ করেন। 
এরপর তিনি-হাসমত-মারা যান। এরপর বিক্ষুব্ধ লোকজন তার দোকানের সব ওষুধ পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর সপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়। 
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা অসম্ভব। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাবনার সিভিল সার্জন ডা. শহিদুল্লাহ দেওয়ান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। পল্লিচিকিৎসকদের কোনো অনুমোদন থাকে না। সেজন্য ওইভাবে রোগীর রেজিস্ট্রারও থাকে না। 
যদি কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল হতো তাহলে রেজিস্ট্রার থাকতো। তখন আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত করতে পারতাম। যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে খতিয়ে দেখা হবে।