
মোঃ আবুল কালাম, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি,
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের তানউরা গ্রামে রাতের আঁধারে ডোবায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন মাছচাষি আনোয়ার মিয়া। তাঁর অভিযোগ, কে বা কারা রাতের কোনো একসময় ডোবায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলেছে। এ ঘটনায় তাঁর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এ ঘটনা সামনে আসে।
ভুক্তভোগী আনোয়ার মিয়া তানউরা গ্রামের তাজ আলীর ছেলে। তিনি জানান, অনেক কষ্টে টাকা জোগাড় করে ডোবায় মাছ চাষ করেছি। মাছ বিক্রি করে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আয়ের আশা ছিল । সেই আয় দিয়েই চলত সংসারের খরচ। কিন্তু ডোবায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনায় আনার স্বপ্ন ভেঙে গেছে। এখন কীভাবে আমি সংসার চালাবো, তা নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছি,
এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে পারলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইউপি সদস্য
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাইকুরাটি ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দীন জিয়া।
তিনি বলেন, আমি সরেজমিনে এসে দেখেছি, ডোবার পানিতে মাছ ভেসে রয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন। জড়িতদের শনাক্ত করা গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, আনোয়ার মিয়ার সংসার এই ডোবার মাছ চাষের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। অনেক কষ্ট করে মাছ চাষ করে তিনি সংসার চালানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু এ ঘটনায় তিনি চরম বিপাকে পড়েছেন। তাঁদের মতে, কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধ থাকলেও এভাবে মাছ নিধন করে একজন মানুষের জীবিকা ধ্বংস করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
গ্রামবাসীরা আরও বলেন, ডোবার পানিতে মাছ ভেসে থাকতে তাঁরা দেখেছেন। তবে কে বা কারা বিষ প্রয়োগ করেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি
একটি ডোবার মাছচাষকে কেন্দ্র করে একজন মানুষের পরিবারের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

























