
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার তিতাসের জগতপুর ইউনিয়নের মাছুমপুর গ্রামের কৃতিসন্তান ইসমাইল হোসেন ইসলাম দারোগার স্ত্রী আম্বিয়া খাতুনের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার বাদ আসর উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের মাছুমপুর পূর্ব পাড়া জামে মসজিদ মাঠে ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আমিরুল ইসলাম পলাশের আম্মা আম্বিয়া খাতুন(৯০)এর জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।মরহুমার জনাযার নামাজে অংশ গ্রহণ করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. আক্তারুজ্জামান সরকার,তিতাস উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কড়িকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসীন ভূঁইয়া,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.ফরহাদ আহমেদ ফকির,কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর এজিএম গোলজার হোসেন,উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আলম সরকার,জগতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.মজিবুর রহমান,
আব্দুর রহমান চেয়ারম্যান, ভিটিকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.বাবুল আহমেদ,
উপজেলা আ.লীগের দপ্তর সম্পাদক মীর শওকত লিটন,গাজীপুর ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ গার্লস কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লায়ন মো. সাইদুর রহমান সাঈদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বুলবুল,ডাঃ গোলাম জিলানী,উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যাংকার হাজ্বী মকবুল হোসেন,লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.বশির আহমেদ,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও উলুকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান মো.কামাল হোসেন,কড়িকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো.মনির হোসেন ভূঁইয়া,জগতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মুন্সি আমিরুল ইসলাম মানিক, সাধারণ সম্পাদক মো.নুরুল ইসলামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লীগণ। আম্বিয়া খাতুনের জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা ২০ মিনিটে আম্বিয়া খাতুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৭ ছেলে ও ৫ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর প্রথম ছেলে স্কুল শিক্ষক,২য় ছেলে ম্যাজিস্ট্রেট, ৩য় ছেলে ইউ এনও,৪ র্থ ছেলে ব্যাংকার, ৫ম ছেলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ৬ষ্ঠ ছেলে ব্যাবসায়ী ও ৭ম ছেলে বে-সরকারি চাকুরিতে কর্মরত আছেন ।

























