Dhaka , Tuesday, 24 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত ছয় সিটি প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাঁচবিবিতে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান সৌদি আরবে সড়ক দূর্ঘটনা নিহত ৫: বাবা মা বোনদের লাশ মর্গে রেখে একাই দেশে ফিরেছে ফাইজা পাইকগাছায় ৩৬ জন নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ পাইকগাছায় WFP প্রকল্প পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বাবা’ ডাক শেখার আগেই অনাথ পাঁচ মাসের শিশু-মিঠামইনে চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজা হত্যার অভিযোগ। কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক মার্চ মাস থেকে বন্ধ হচ্ছে বাসা থেকে ভেন্ডরদের বর্জ্য সংগ্রহের কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয় ঘুষ-দুর্নীতিমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে-ভূমিমন্ত্রী রংপুর বিভাগে র‌্যাবের মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান: প্রাইভেটকারসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার লালমনিরহাটে ১৫ বিজিবি’র মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান: ভারতীয় পণ্য জব্দ ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বাজার মনিটরিং : ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা, ভ্রাম্যমান আদালত। রূপগঞ্জে ৫৫০ বোতল স্কাফসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে মন্দিরে হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাট ঝালকাঠিতে বয্লুর রহমান হক্কোনূরী বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাজাপুরে অপহৃত ১৬ মাসের শিশু উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত প্লাস্টিকের জুতার ভেতরে ইয়াবা পাচার, ২৯৭০ পিসসহ গ্রেপ্তার ১ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে চোর চক্রের সক্রিয় দুই সদস্য গ্রেপ্তার ৩৬ কোটি মানুষের মুখের ভাষা ‘বাংলা’র স্বর্বস্তরে শুদ্ধ ব্যবহার, জাতি গঠনের অন্যতম হাতিয়ার :- জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সরকারি সেবা পেতে দালাল বাধ্যতামূলক? একটি নিভে যাওয়া প্রদীপ ও একটি অবুঝ শিশুর হাহাকার: পাভেলকে কি আমরা ফিরে পাব না? মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে গারো সম্প্রদায়ের সাথে বন বিভাগের বিরোধ রামগঞ্জের সাংবাদিকদের সম্মানে এনসিপির ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত। রমজানে পাঁচবিবিতে লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম, বাজার মনিটরিং জোরদারের আহ্বান রংপুরে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা: ভিজিএফ বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চরভদ্রাসনে এম’পি শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাথে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। চুরির প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত ভূমি সেবা সিস্টেমে তথ্য সন্নিবেশ ও সংশোধন বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ও অমর একুশে বইমেলা শুরু

মেহেরপুরে কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:21:15 pm, Friday, 25 October 2024
  • 129 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষ।।

মাজিদ আল মামুন মেহেরপু।।
  
  
মেহেরপুরে বিদেশি কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশি মাল্টা চাষ।২০১৩ সালে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রথম চাষ শুরু হয় দেশি মাল্টার। পরবর্তীতে মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও শুরু হয় মাল্টা চাষ এবং তা প্রসারিত হতে থাকে।
গত কয়েকদিন ধরে মেহেরপুর জেলার আমঝুপি- গোপালপুর- টেংগারমাঠ- সহড়াতলা- সাহারবাটী- ভাটপাড়া- মোনাখালী- হাড়িয়াদহ- কুতুবপুর- আজান- লক্ষীনারায়ণপুর ও মাইলমারীসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে চোখে মেলে অসংখ্য ছোট-বড় মাল্টা বাগান। যেসব বাগানের প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় দুলছে শুধু মাল্টা আর মাল্টা। এ যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। দেখলেই যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। আর এ দৃশ্য দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ মাল্টা বাগানে এসে থাকেন।
জেলায় প্রথম দিকে মাল্টা চাষ স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও এখন তা ব্যাপকভাবে চাষের পরিকল্পনা নিয়ে কমলা- মাল্টা ও বাতাবি লেবুর বাগান করে চাষ করছেন অনেকে। ফলন যেমন ভালো হচ্ছে- তেমনি আশানুরুপ লাভও হচ্ছে। যা দেখে এ এলাকার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরাও এ বাগান করার উদ্যাগে নিয়েছেন। ফলের স্বাদ ঠিক অন্যান্য অঞ্চলের ফল গুলোর মতই সুস্বাদু ও রসালো। তবে দেশে উৎপাদিত মাল্টার মধ্যে পিরোজপুরের পর মেহেরপুরের মাল্টা সুস্বাদু বেশি বলে জানালেন বরিশাল থেকে মাল্টা ক্রয় করতে আসা ব্যবসায়ী সবুজ শাহ।
তিনি জানান- মেহেরপুরের মাল্টা স্বাদ ও গুনে ভালো হওয়ায় এখন বরিশালের বাজারে চাহিদা বেড়েছে এখানকার মাল্টার। ক’দিন পূর্বে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থেকে মাল্টা কিনলেও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এখন প্রতিদিন ২’শ-২’শ ৫০ ক্যারেট মাল্টা মেহেরপুর থেকে বরিশাল ফলের বাজারে আমদানি করে থাকেন তিনি।
সরেজমিনে মেহেরপুর সদর উপজেলার টেংগারমাঠ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- সেখানে মেহেরপুর শহরের ডাবলু মিয়া তিনার ৪০ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করেছেন। যে বাগানের উৎপাদিত ফল বিক্রি করা হয়েছে ২০ লক্ষ টাকায়।
এ বাগানের মাল্টা ক্রয় করা গাংনী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মিকারুল জানান- ২০ লক্ষ টাকায় বাগানের ফল কিনে এপর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করা হয়েছে। যেখান থেকে আরো ৬ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।
আজান গ্রামের ফল ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম গোলাপ জানান- তিনি মূলতঃ যশোর এলাকায় মাল্টা বিক্রি করে থাকেন। সেখানেও মেহেরপুরের মাল্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ থাকা সত্বেও মেহেরপুরের বাগান মালিকরা মাল্টা বিক্রি করে আশানুরূপ মূল্য পেয়েছেন। তবে কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হলে আমের মতো দেশে মাল্টা চাহিদা পূরণে মেহেরপুর হতে পারে খ্যাতি সম্পন্ন এলাকা।
গোপালপুর গ্রামে মাল্টা ক্রেতা আরেক ব্যবসায়ী জানান- মেহেরপুরের চাহিদা মিটিয়ে মাল্টা এখন রাজধানী ঢাকাাসহ পাবনা- কুষ্টিয়া- যশোর- বরিশাল-ফেনী- চট্টগ্রাম- ময়মনসিংহ ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে।
মেহেরপুর থেকে ১৬’শ-১৭’শ টাকা মণ কিনে তা ২ হাজার-২১’শ টাকায় প্রতি মণ বিক্রি হয়ে থাকে। যা খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ১’শ-১’শ ২০ টাকা কেজি দরে। যেখানে বিদেশি মাল্টা ও কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩’শ-৪’শ টাকায়।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক -শস্য- শায়খুল ইসলাম জানান- মেহেরপুর জেলায় ৭৬ হেক্টর জমিতে প্রায় ৬ শতাধিক ছোট-বড় মাল্টার বাগান রয়েছে। এরমধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর- মুজিবনগর উপজেলায় ২৬ হেক্টর এবং গাংনী উপজেলায় ৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে।
তিনি জানান- মাল্টা-লেবু জাতীয় ফল অল্প খরচে চাষিরা বেশি লাভবান হচ্ছে। এজন্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষের সংখ্যা। এক সময় মেহেরপুরের মালটা চাষীরা দেশের অর্থনৈতিক বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করেন। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত।

মেহেরপুরে কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষ।।

আপডেট সময় : 01:21:15 pm, Friday, 25 October 2024
মাজিদ আল মামুন মেহেরপু।।
  
  
মেহেরপুরে বিদেশি কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশি মাল্টা চাষ।২০১৩ সালে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রথম চাষ শুরু হয় দেশি মাল্টার। পরবর্তীতে মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও শুরু হয় মাল্টা চাষ এবং তা প্রসারিত হতে থাকে।
গত কয়েকদিন ধরে মেহেরপুর জেলার আমঝুপি- গোপালপুর- টেংগারমাঠ- সহড়াতলা- সাহারবাটী- ভাটপাড়া- মোনাখালী- হাড়িয়াদহ- কুতুবপুর- আজান- লক্ষীনারায়ণপুর ও মাইলমারীসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে চোখে মেলে অসংখ্য ছোট-বড় মাল্টা বাগান। যেসব বাগানের প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় দুলছে শুধু মাল্টা আর মাল্টা। এ যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। দেখলেই যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। আর এ দৃশ্য দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ মাল্টা বাগানে এসে থাকেন।
জেলায় প্রথম দিকে মাল্টা চাষ স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও এখন তা ব্যাপকভাবে চাষের পরিকল্পনা নিয়ে কমলা- মাল্টা ও বাতাবি লেবুর বাগান করে চাষ করছেন অনেকে। ফলন যেমন ভালো হচ্ছে- তেমনি আশানুরুপ লাভও হচ্ছে। যা দেখে এ এলাকার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরাও এ বাগান করার উদ্যাগে নিয়েছেন। ফলের স্বাদ ঠিক অন্যান্য অঞ্চলের ফল গুলোর মতই সুস্বাদু ও রসালো। তবে দেশে উৎপাদিত মাল্টার মধ্যে পিরোজপুরের পর মেহেরপুরের মাল্টা সুস্বাদু বেশি বলে জানালেন বরিশাল থেকে মাল্টা ক্রয় করতে আসা ব্যবসায়ী সবুজ শাহ।
তিনি জানান- মেহেরপুরের মাল্টা স্বাদ ও গুনে ভালো হওয়ায় এখন বরিশালের বাজারে চাহিদা বেড়েছে এখানকার মাল্টার। ক’দিন পূর্বে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থেকে মাল্টা কিনলেও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এখন প্রতিদিন ২’শ-২’শ ৫০ ক্যারেট মাল্টা মেহেরপুর থেকে বরিশাল ফলের বাজারে আমদানি করে থাকেন তিনি।
সরেজমিনে মেহেরপুর সদর উপজেলার টেংগারমাঠ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- সেখানে মেহেরপুর শহরের ডাবলু মিয়া তিনার ৪০ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করেছেন। যে বাগানের উৎপাদিত ফল বিক্রি করা হয়েছে ২০ লক্ষ টাকায়।
এ বাগানের মাল্টা ক্রয় করা গাংনী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মিকারুল জানান- ২০ লক্ষ টাকায় বাগানের ফল কিনে এপর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করা হয়েছে। যেখান থেকে আরো ৬ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।
আজান গ্রামের ফল ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম গোলাপ জানান- তিনি মূলতঃ যশোর এলাকায় মাল্টা বিক্রি করে থাকেন। সেখানেও মেহেরপুরের মাল্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ থাকা সত্বেও মেহেরপুরের বাগান মালিকরা মাল্টা বিক্রি করে আশানুরূপ মূল্য পেয়েছেন। তবে কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হলে আমের মতো দেশে মাল্টা চাহিদা পূরণে মেহেরপুর হতে পারে খ্যাতি সম্পন্ন এলাকা।
গোপালপুর গ্রামে মাল্টা ক্রেতা আরেক ব্যবসায়ী জানান- মেহেরপুরের চাহিদা মিটিয়ে মাল্টা এখন রাজধানী ঢাকাাসহ পাবনা- কুষ্টিয়া- যশোর- বরিশাল-ফেনী- চট্টগ্রাম- ময়মনসিংহ ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে।
মেহেরপুর থেকে ১৬’শ-১৭’শ টাকা মণ কিনে তা ২ হাজার-২১’শ টাকায় প্রতি মণ বিক্রি হয়ে থাকে। যা খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ১’শ-১’শ ২০ টাকা কেজি দরে। যেখানে বিদেশি মাল্টা ও কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩’শ-৪’শ টাকায়।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক -শস্য- শায়খুল ইসলাম জানান- মেহেরপুর জেলায় ৭৬ হেক্টর জমিতে প্রায় ৬ শতাধিক ছোট-বড় মাল্টার বাগান রয়েছে। এরমধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর- মুজিবনগর উপজেলায় ২৬ হেক্টর এবং গাংনী উপজেলায় ৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে।
তিনি জানান- মাল্টা-লেবু জাতীয় ফল অল্প খরচে চাষিরা বেশি লাভবান হচ্ছে। এজন্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষের সংখ্যা। এক সময় মেহেরপুরের মালটা চাষীরা দেশের অর্থনৈতিক বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করেন।