Dhaka , Sunday, 17 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ড. ইউনূসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার রাজাপুরে জাটকা নিধন প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট, ১১টি বেহুদি জালের স্থাপনা ধ্বংস রাজাপুরে ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামাদিসহ আটক ১ ঝালকাঠিতে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি জীবা আমিনা খান কাঁঠালিয়ায় ব্রিজ ভেঙে খালে পাথরবোঝাই ট্রাক, ১০ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নোয়াখালীতে মাদক প্রতিরোধে ফুটবল উৎসব রামুতে ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী পাচারকারী চক্রের ৩ সদস্য আটক কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক চুয়াডাঙ্গায় পিকআপের ধাক্কায় কৃষক নিহত হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ২ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে জাগরণ সৃষ্টি করেছি: এ্যানি সংকট মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কাঠামোগত সমন্বয় এখন সময়ের দাবি: মালয়েশিয়ায় গোলাম পরওয়ার চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ট্রাম্প-শি শীর্ষ সম্মেলন : কার জয়, কার পরাজয় নাকি ড্র? কোরবানির হাটে এবার দরপতন, রাজস্ব হারানোর শঙ্কায় চসিক হাম ও উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর ৪নং স্পার বাঁধে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: গোসল করতে নেমে দুই মেধাবী ছাত্রের প্রাণহানি আপনিই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন: মিঠুনকে শুভেন্দু ১৮ মিলিয়ন ডলারে মার্কিন মামলা মেটাচ্ছেন আদানি ৭ সতর্কবার্তা- যে কারণে আজ থেকেই নেক আমল করার তাগিদ দিলেন রাসুল (সা.) শরীয়তপুরে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের ওপর হামলা, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় প্রেরণ ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড়”— শহীদ জিয়ার এই দর্শন বুকে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রিয়াল মাদ্রিদে আগুন, ‘গ্রুপিং’ সমস্যা প্রকাশ্যে ট্রাম্পের উঁকি দেওয়া নোটবুকটি আসলে কার, যা জানা গেল স্বামীকে হত্যার পর হাড়-মাংস আলাদা করে রাখতে যান ফ্রিজে সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা চৌমুহনীতে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াতে ইসলামী ; নগদ টাকা ও খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান

মেহেরপুরে কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:21:15 pm, Friday, 25 October 2024
  • 148 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষ।।

মাজিদ আল মামুন মেহেরপু।।
  
  
মেহেরপুরে বিদেশি কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশি মাল্টা চাষ।২০১৩ সালে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রথম চাষ শুরু হয় দেশি মাল্টার। পরবর্তীতে মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও শুরু হয় মাল্টা চাষ এবং তা প্রসারিত হতে থাকে।
গত কয়েকদিন ধরে মেহেরপুর জেলার আমঝুপি- গোপালপুর- টেংগারমাঠ- সহড়াতলা- সাহারবাটী- ভাটপাড়া- মোনাখালী- হাড়িয়াদহ- কুতুবপুর- আজান- লক্ষীনারায়ণপুর ও মাইলমারীসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে চোখে মেলে অসংখ্য ছোট-বড় মাল্টা বাগান। যেসব বাগানের প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় দুলছে শুধু মাল্টা আর মাল্টা। এ যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। দেখলেই যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। আর এ দৃশ্য দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ মাল্টা বাগানে এসে থাকেন।
জেলায় প্রথম দিকে মাল্টা চাষ স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও এখন তা ব্যাপকভাবে চাষের পরিকল্পনা নিয়ে কমলা- মাল্টা ও বাতাবি লেবুর বাগান করে চাষ করছেন অনেকে। ফলন যেমন ভালো হচ্ছে- তেমনি আশানুরুপ লাভও হচ্ছে। যা দেখে এ এলাকার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরাও এ বাগান করার উদ্যাগে নিয়েছেন। ফলের স্বাদ ঠিক অন্যান্য অঞ্চলের ফল গুলোর মতই সুস্বাদু ও রসালো। তবে দেশে উৎপাদিত মাল্টার মধ্যে পিরোজপুরের পর মেহেরপুরের মাল্টা সুস্বাদু বেশি বলে জানালেন বরিশাল থেকে মাল্টা ক্রয় করতে আসা ব্যবসায়ী সবুজ শাহ।
তিনি জানান- মেহেরপুরের মাল্টা স্বাদ ও গুনে ভালো হওয়ায় এখন বরিশালের বাজারে চাহিদা বেড়েছে এখানকার মাল্টার। ক’দিন পূর্বে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থেকে মাল্টা কিনলেও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এখন প্রতিদিন ২’শ-২’শ ৫০ ক্যারেট মাল্টা মেহেরপুর থেকে বরিশাল ফলের বাজারে আমদানি করে থাকেন তিনি।
সরেজমিনে মেহেরপুর সদর উপজেলার টেংগারমাঠ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- সেখানে মেহেরপুর শহরের ডাবলু মিয়া তিনার ৪০ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করেছেন। যে বাগানের উৎপাদিত ফল বিক্রি করা হয়েছে ২০ লক্ষ টাকায়।
এ বাগানের মাল্টা ক্রয় করা গাংনী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মিকারুল জানান- ২০ লক্ষ টাকায় বাগানের ফল কিনে এপর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করা হয়েছে। যেখান থেকে আরো ৬ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।
আজান গ্রামের ফল ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম গোলাপ জানান- তিনি মূলতঃ যশোর এলাকায় মাল্টা বিক্রি করে থাকেন। সেখানেও মেহেরপুরের মাল্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ থাকা সত্বেও মেহেরপুরের বাগান মালিকরা মাল্টা বিক্রি করে আশানুরূপ মূল্য পেয়েছেন। তবে কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হলে আমের মতো দেশে মাল্টা চাহিদা পূরণে মেহেরপুর হতে পারে খ্যাতি সম্পন্ন এলাকা।
গোপালপুর গ্রামে মাল্টা ক্রেতা আরেক ব্যবসায়ী জানান- মেহেরপুরের চাহিদা মিটিয়ে মাল্টা এখন রাজধানী ঢাকাাসহ পাবনা- কুষ্টিয়া- যশোর- বরিশাল-ফেনী- চট্টগ্রাম- ময়মনসিংহ ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে।
মেহেরপুর থেকে ১৬’শ-১৭’শ টাকা মণ কিনে তা ২ হাজার-২১’শ টাকায় প্রতি মণ বিক্রি হয়ে থাকে। যা খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ১’শ-১’শ ২০ টাকা কেজি দরে। যেখানে বিদেশি মাল্টা ও কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩’শ-৪’শ টাকায়।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক -শস্য- শায়খুল ইসলাম জানান- মেহেরপুর জেলায় ৭৬ হেক্টর জমিতে প্রায় ৬ শতাধিক ছোট-বড় মাল্টার বাগান রয়েছে। এরমধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর- মুজিবনগর উপজেলায় ২৬ হেক্টর এবং গাংনী উপজেলায় ৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে।
তিনি জানান- মাল্টা-লেবু জাতীয় ফল অল্প খরচে চাষিরা বেশি লাভবান হচ্ছে। এজন্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষের সংখ্যা। এক সময় মেহেরপুরের মালটা চাষীরা দেশের অর্থনৈতিক বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করেন। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

মেহেরপুরে কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষ।।

আপডেট সময় : 01:21:15 pm, Friday, 25 October 2024
মাজিদ আল মামুন মেহেরপু।।
  
  
মেহেরপুরে বিদেশি কমলার চাহিদা পূরণে বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশি মাল্টা চাষ।২০১৩ সালে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রথম চাষ শুরু হয় দেশি মাল্টার। পরবর্তীতে মেহেরপুর সদর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও শুরু হয় মাল্টা চাষ এবং তা প্রসারিত হতে থাকে।
গত কয়েকদিন ধরে মেহেরপুর জেলার আমঝুপি- গোপালপুর- টেংগারমাঠ- সহড়াতলা- সাহারবাটী- ভাটপাড়া- মোনাখালী- হাড়িয়াদহ- কুতুবপুর- আজান- লক্ষীনারায়ণপুর ও মাইলমারীসহ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে চোখে মেলে অসংখ্য ছোট-বড় মাল্টা বাগান। যেসব বাগানের প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় দুলছে শুধু মাল্টা আর মাল্টা। এ যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। দেখলেই যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। আর এ দৃশ্য দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ মাল্টা বাগানে এসে থাকেন।
জেলায় প্রথম দিকে মাল্টা চাষ স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও এখন তা ব্যাপকভাবে চাষের পরিকল্পনা নিয়ে কমলা- মাল্টা ও বাতাবি লেবুর বাগান করে চাষ করছেন অনেকে। ফলন যেমন ভালো হচ্ছে- তেমনি আশানুরুপ লাভও হচ্ছে। যা দেখে এ এলাকার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরাও এ বাগান করার উদ্যাগে নিয়েছেন। ফলের স্বাদ ঠিক অন্যান্য অঞ্চলের ফল গুলোর মতই সুস্বাদু ও রসালো। তবে দেশে উৎপাদিত মাল্টার মধ্যে পিরোজপুরের পর মেহেরপুরের মাল্টা সুস্বাদু বেশি বলে জানালেন বরিশাল থেকে মাল্টা ক্রয় করতে আসা ব্যবসায়ী সবুজ শাহ।
তিনি জানান- মেহেরপুরের মাল্টা স্বাদ ও গুনে ভালো হওয়ায় এখন বরিশালের বাজারে চাহিদা বেড়েছে এখানকার মাল্টার। ক’দিন পূর্বে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থেকে মাল্টা কিনলেও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এখন প্রতিদিন ২’শ-২’শ ৫০ ক্যারেট মাল্টা মেহেরপুর থেকে বরিশাল ফলের বাজারে আমদানি করে থাকেন তিনি।
সরেজমিনে মেহেরপুর সদর উপজেলার টেংগারমাঠ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে- সেখানে মেহেরপুর শহরের ডাবলু মিয়া তিনার ৪০ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করেছেন। যে বাগানের উৎপাদিত ফল বিক্রি করা হয়েছে ২০ লক্ষ টাকায়।
এ বাগানের মাল্টা ক্রয় করা গাংনী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মিকারুল জানান- ২০ লক্ষ টাকায় বাগানের ফল কিনে এপর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করা হয়েছে। যেখান থেকে আরো ৬ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।
আজান গ্রামের ফল ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম গোলাপ জানান- তিনি মূলতঃ যশোর এলাকায় মাল্টা বিক্রি করে থাকেন। সেখানেও মেহেরপুরের মাল্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ থাকা সত্বেও মেহেরপুরের বাগান মালিকরা মাল্টা বিক্রি করে আশানুরূপ মূল্য পেয়েছেন। তবে কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হলে আমের মতো দেশে মাল্টা চাহিদা পূরণে মেহেরপুর হতে পারে খ্যাতি সম্পন্ন এলাকা।
গোপালপুর গ্রামে মাল্টা ক্রেতা আরেক ব্যবসায়ী জানান- মেহেরপুরের চাহিদা মিটিয়ে মাল্টা এখন রাজধানী ঢাকাাসহ পাবনা- কুষ্টিয়া- যশোর- বরিশাল-ফেনী- চট্টগ্রাম- ময়মনসিংহ ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে।
মেহেরপুর থেকে ১৬’শ-১৭’শ টাকা মণ কিনে তা ২ হাজার-২১’শ টাকায় প্রতি মণ বিক্রি হয়ে থাকে। যা খুচরা বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ১’শ-১’শ ২০ টাকা কেজি দরে। যেখানে বিদেশি মাল্টা ও কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩’শ-৪’শ টাকায়।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক -শস্য- শায়খুল ইসলাম জানান- মেহেরপুর জেলায় ৭৬ হেক্টর জমিতে প্রায় ৬ শতাধিক ছোট-বড় মাল্টার বাগান রয়েছে। এরমধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর- মুজিবনগর উপজেলায় ২৬ হেক্টর এবং গাংনী উপজেলায় ৫ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে।
তিনি জানান- মাল্টা-লেবু জাতীয় ফল অল্প খরচে চাষিরা বেশি লাভবান হচ্ছে। এজন্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মাল্টা চাষের সংখ্যা। এক সময় মেহেরপুরের মালটা চাষীরা দেশের অর্থনৈতিক বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি আশা করেন।