
নিজস্ব প্রতিবেদক,
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে পশুর হাটের প্রস্তুতি শুরু হলেও এবার ইজারামূল্যে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের পতন। এতে রাজস্ব আদায়ে চাপ ও উদ্বেগে পড়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন—চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এবার স্থায়ী পশুর হাটগুলো থেকে তুলনামূলকভাবে রাজস্ব পাওয়া গেলেও অস্থায়ী হাটে পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন।
নগরের তিনটি স্থায়ী পশুর হাট থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা রাজস্ব আসার আশা করা হচ্ছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সাগরিকা পশুর হাট ইজারা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকার বেশি দামে।
তবে বিবিরহাটসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ হাটে গত বছরের তুলনায় ইজারামূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। কোথাও কোথাও অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে দর।
অন্যদিকে অস্থায়ী হাটগুলোতে দেখা দিয়েছে আরও হতাশাজনক চিত্র।
কিছু হাটে খুব কম দর উঠেছে, আবার কয়েকটি হাটে কোনো দরপত্রই জমা পড়েনি।
কর্মকর্তাদের মতে, ২০২০ সালের পর এবারই অস্থায়ী হাটে সবচেয়ে দুর্বল সাড়া মিলেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনলাইনে পশু বিক্রি বৃদ্ধি, সরাসরি খামার থেকে কেনার প্রবণতা এবং অনুমোদনহীন ছোট বাজারের কারণে বৈধ হাটে ক্রেতা কমে যাচ্ছে।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নিরাপত্তা, কর্মচারী ও অবকাঠামো খরচ বৃদ্ধি—যা ইজারাদারদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।
এক ইজারাদার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, পর্যাপ্ত গরু না এলে বড় ধরনের লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে।
এদিকে চসিক জানিয়েছে, অনুমোদন ছাড়া কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না।
অবৈধ হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও উচ্ছেদ অভিযান চলবে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, বৈধ হাটগুলোতে সিসিটিভি, পশু চিকিৎসা, জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
রাজস্ব সংকট ও অবৈধ হাটের প্রভাব মোকাবিলায় এবার কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
























