Dhaka , Monday, 10 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান ডা:দিবালোক সিংহের চট্টগ্রাম ছাত্র কল্যাণ পরিষদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নেতৃত্বে কামাল-শরীফ ইমাম মোয়াজ্জেম কে ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে ঘুষ আদায় করে বহিষ্কার হলেন বিএনপির ২ নেতা পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ মধুপুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা চন্দনাইশে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’র প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন: সেলাই মেশিন ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ রূপগঞ্জে পূবালী ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংকিং প্রডাক্ট সেলস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে সাহাপুর-মুশরী-তেলিপাড়া খাল সংস্কার কাজের উদ্বোধন মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে আশুগঞ্জে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সমাবেশ শরীয়তপুরে জমির বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মারধর, নারীসহ আহত ৩ ক্রিকেট তারকার সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন মৃত্যুর আগে শেষ কথায় কী বলেছিলেন ম্যারাডোনা, বেরিয়ে এল নতুন তথ্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধেই কেন অস্ত্র নিয়ে চাপে যুক্তরাষ্ট্র? এটিএমে কার্ড স্পর্শ করেই তোলা যাবে টাকা, নেই আটকে যাওয়ার ভয় আমরা জাতির সঙ্গে কখনো বেইমানি করব না: কর্নেল অলি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর চরভদ্রাসনে শহিদুল ইসলাম বাবুল সংযোগ সেতু উদ্বোধনের পর মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। হরিপুরে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপিত নোয়াখালীতে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু রাজাপুরের যুবলীগ নেতা রেজভী ভান্ডারিয়ায় গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জের জন্য পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিত্ব দাবি চেম্বার নেতার রূপগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পাতিল দৌড় প্রতিযোগিতা, হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাস গোলাবাড়ী উত্তরপাড়ায় দীর্ঘদিনের পানির সংকটের অবসান সোহেল মেম্বারের উদ্যোগে আব্দুল বাসেত ওরফে বাসু মিয়ার বাড়িতে স্থাপন করা হলো টিউবওয়েল চন্দনাইশে উত্তর বরকল তরুণ সমাজের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বড় সাজ্জাদের ফুফাতো ভাই ও সহযোগী সন্ত্রাসী গোলাম সারোয়ার খানকে ঢাকার ডিবি পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার খেলাধুলা ও বই পড়ার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে আব্দুর রহমান খাঁন সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মধুপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ হাসপাতালে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব শ্রীপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আহ্বায়কের ওপর হামলার অভিযোগে যুবদল নেতা তোফানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে বিয়ের আসরে তুলকালাম, সংঘর্ষে আহত ৩ হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতায় মাগুরায় সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবিরের সারপ্রাইজ পরিদর্শন

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:49:02 pm, Tuesday, 25 March 2025
  • 149 বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা-চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

    
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়লাভ বাংলাদেশিদের শ্রেষ্ঠ অর্জন বিধায় মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

২৫ মার্চ -মঙ্গলবার- গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ জাকির হোসেন রোড পাহাড়তলীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কখনো বিতর্কিত হতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, যা আমাদের গর্বের ইতিহাস। ২৫শে মার্চ কালরাত্রির নৃশংস হত্যাযজ্ঞ থেকে শুরু করে ১০ই নভেম্বর পাহাড়তলি গণহত্যা—সবই প্রমাণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা। ১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পায়োনিয়ার ফোর্স চট্টগ্রামের পাহাড়তলি অঞ্চলে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাঞ্জাবি লেইন, বিহারী লেইন, ওয়ারলেস কলোনিসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে ছিলো।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বমানবতার ইতিহাসেও একটি কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে গণহত্যা চালায়। বিশেষ করে ঢাকায় তারা নির্বিচারে নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করে। জুলফিকার আলী ভুট্টো ও ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান ছিল এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ। তবে চট্টগ্রাম ছিল ব্যতিক্রম। সারাদেশে পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হামলা চালালেও চট্টগ্রামে তারা সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারেনি। এর মূল কারণ ছিল চট্টগ্রাম থেকে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ। চট্টগ্রামে অবস্থানরত স্বাধীনতার স্বপক্ষের সেনারা পূর্ব থেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী চট্টগ্রামে সহজে আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি । মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

৭১ ও ২৪ নিয়ে মেয়র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো সহজ অর্জন ছিল না। ১৯৭১ সালে একটি নতুন দেশের জন্ম হয়েছিল মুক্তিকামী জনগণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি স্বৈরাচারী সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন। তবে এই দুটি ঘটনার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, যা কখনোই বিতর্কিত হওয়ার সুযোগ নেই। আজকে অনেকে ২৪কে ৭১ এর সাথে তুলনা করা শুরু করেছে। ২৪ আর ৭১ এক নয়। ১৯৭১ আমরা দেশ স্বাধীন করেছি একটা নতুন দেশের অভ্যুদয় হয়েছে। আর ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি সরকার পরিবর্তন হয়েছে। যে সরকার ছিল ফ্যাসিস্ট এবং জন-বিরোধী। কাজেই দুটোর মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে। ৭১ এর মাধ্যমে দেশ পেয়েছি, ২৪ এর মাধ্যমে নতুন সরকার পেয়েছি। যে সরকারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ছাত্রজনতার রক্তস্রোতের মাধ্যমে। আমার বক্তব্য হল, ৭১ কে বিতর্কিত করা যাবেনা, ২৪ কেও অবহেলা করা যাবেনা, দু’টিকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে দেশের উন্নয়নে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহবান ডা:দিবালোক সিংহের

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 04:49:02 pm, Tuesday, 25 March 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

    
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়লাভ বাংলাদেশিদের শ্রেষ্ঠ অর্জন বিধায় মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

২৫ মার্চ -মঙ্গলবার- গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ জাকির হোসেন রোড পাহাড়তলীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কখনো বিতর্কিত হতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, যা আমাদের গর্বের ইতিহাস। ২৫শে মার্চ কালরাত্রির নৃশংস হত্যাযজ্ঞ থেকে শুরু করে ১০ই নভেম্বর পাহাড়তলি গণহত্যা—সবই প্রমাণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা। ১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পায়োনিয়ার ফোর্স চট্টগ্রামের পাহাড়তলি অঞ্চলে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাঞ্জাবি লেইন, বিহারী লেইন, ওয়ারলেস কলোনিসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে ছিলো।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বমানবতার ইতিহাসেও একটি কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে গণহত্যা চালায়। বিশেষ করে ঢাকায় তারা নির্বিচারে নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করে। জুলফিকার আলী ভুট্টো ও ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান ছিল এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ। তবে চট্টগ্রাম ছিল ব্যতিক্রম। সারাদেশে পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হামলা চালালেও চট্টগ্রামে তারা সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারেনি। এর মূল কারণ ছিল চট্টগ্রাম থেকে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ। চট্টগ্রামে অবস্থানরত স্বাধীনতার স্বপক্ষের সেনারা পূর্ব থেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী চট্টগ্রামে সহজে আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি । মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

৭১ ও ২৪ নিয়ে মেয়র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো সহজ অর্জন ছিল না। ১৯৭১ সালে একটি নতুন দেশের জন্ম হয়েছিল মুক্তিকামী জনগণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি স্বৈরাচারী সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন। তবে এই দুটি ঘটনার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, যা কখনোই বিতর্কিত হওয়ার সুযোগ নেই। আজকে অনেকে ২৪কে ৭১ এর সাথে তুলনা করা শুরু করেছে। ২৪ আর ৭১ এক নয়। ১৯৭১ আমরা দেশ স্বাধীন করেছি একটা নতুন দেশের অভ্যুদয় হয়েছে। আর ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি সরকার পরিবর্তন হয়েছে। যে সরকার ছিল ফ্যাসিস্ট এবং জন-বিরোধী। কাজেই দুটোর মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে। ৭১ এর মাধ্যমে দেশ পেয়েছি, ২৪ এর মাধ্যমে নতুন সরকার পেয়েছি। যে সরকারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ছাত্রজনতার রক্তস্রোতের মাধ্যমে। আমার বক্তব্য হল, ৭১ কে বিতর্কিত করা যাবেনা, ২৪ কেও অবহেলা করা যাবেনা, দু’টিকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে দেশের উন্নয়নে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।