Dhaka , Monday, 17 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
দুর্গাপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত কলমাকান্দায় ৬ দফা দাবিতে উত্তাল সড়ক, দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স চক্রের রহস্য উদঘাটন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযানে ৪ সদস্য গ্রেফতার মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে  সংস্কার উচ্চ শিক্ষায় ভূমিকা রাখবে : রুহুল কবির রিজভী সরাইলে জাতীয় মৎস্য দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অজু করতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু, জুতায় মিলল মরদেহ রামগঞ্জে জাতীয় মৎস্যপক্ষ- ২০২৬ এর উদ্বোধন ও সফল চাষীদের সম্মাননা প্রদান নারায়ণগঞ্জে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত অভিনেত্রী রিধির আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেফতার ভারত পাকিস্তান শ্রীলংকাকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের রেকর্ড আল-আকসা প্রাঙ্গণে দেড় শতাধিক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশ আজকের মুদ্রার রেট: ১৬ আগস্ট ২০২৬ এ্যাব চট্টগ্রামের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন রামুতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য কাজল রূপগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু লক্ষ্মীপুর আনসার ব্যাটালিয়নের সুবর্ণ জয়ন্তী ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জিএম কাদেরের অভিনন্দন পদত্যাগ করলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নূরুল করিম মধুপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা মধুপুরে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নেত্রকোণায় ৫ গুণীজন পেলেন সম্মাননা পদক ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবির বড় ধরনের অভিযান: ঘাসের বস্তায় লুকিয়ে পাচারকালে ২১ লাখ টাকার ৭ হাজার ইয়াবা জব্দ সিদ্ধিরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত রূপগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ রূপগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:49:02 pm, Tuesday, 25 March 2025
  • 152 বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা-চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

    
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়লাভ বাংলাদেশিদের শ্রেষ্ঠ অর্জন বিধায় মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

২৫ মার্চ -মঙ্গলবার- গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ জাকির হোসেন রোড পাহাড়তলীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কখনো বিতর্কিত হতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, যা আমাদের গর্বের ইতিহাস। ২৫শে মার্চ কালরাত্রির নৃশংস হত্যাযজ্ঞ থেকে শুরু করে ১০ই নভেম্বর পাহাড়তলি গণহত্যা—সবই প্রমাণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা। ১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পায়োনিয়ার ফোর্স চট্টগ্রামের পাহাড়তলি অঞ্চলে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাঞ্জাবি লেইন, বিহারী লেইন, ওয়ারলেস কলোনিসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে ছিলো।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বমানবতার ইতিহাসেও একটি কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে গণহত্যা চালায়। বিশেষ করে ঢাকায় তারা নির্বিচারে নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করে। জুলফিকার আলী ভুট্টো ও ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান ছিল এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ। তবে চট্টগ্রাম ছিল ব্যতিক্রম। সারাদেশে পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হামলা চালালেও চট্টগ্রামে তারা সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারেনি। এর মূল কারণ ছিল চট্টগ্রাম থেকে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ। চট্টগ্রামে অবস্থানরত স্বাধীনতার স্বপক্ষের সেনারা পূর্ব থেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী চট্টগ্রামে সহজে আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি । মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

৭১ ও ২৪ নিয়ে মেয়র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো সহজ অর্জন ছিল না। ১৯৭১ সালে একটি নতুন দেশের জন্ম হয়েছিল মুক্তিকামী জনগণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি স্বৈরাচারী সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন। তবে এই দুটি ঘটনার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, যা কখনোই বিতর্কিত হওয়ার সুযোগ নেই। আজকে অনেকে ২৪কে ৭১ এর সাথে তুলনা করা শুরু করেছে। ২৪ আর ৭১ এক নয়। ১৯৭১ আমরা দেশ স্বাধীন করেছি একটা নতুন দেশের অভ্যুদয় হয়েছে। আর ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি সরকার পরিবর্তন হয়েছে। যে সরকার ছিল ফ্যাসিস্ট এবং জন-বিরোধী। কাজেই দুটোর মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে। ৭১ এর মাধ্যমে দেশ পেয়েছি, ২৪ এর মাধ্যমে নতুন সরকার পেয়েছি। যে সরকারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ছাত্রজনতার রক্তস্রোতের মাধ্যমে। আমার বক্তব্য হল, ৭১ কে বিতর্কিত করা যাবেনা, ২৪ কেও অবহেলা করা যাবেনা, দু’টিকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে দেশের উন্নয়নে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 04:49:02 pm, Tuesday, 25 March 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

    
মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়লাভ বাংলাদেশিদের শ্রেষ্ঠ অর্জন বিধায় মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যাবেনা বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

২৫ মার্চ -মঙ্গলবার- গণহত্যা দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ জাকির হোসেন রোড পাহাড়তলীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কখনো বিতর্কিত হতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, যা আমাদের গর্বের ইতিহাস। ২৫শে মার্চ কালরাত্রির নৃশংস হত্যাযজ্ঞ থেকে শুরু করে ১০ই নভেম্বর পাহাড়তলি গণহত্যা—সবই প্রমাণ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা। ১৯৭১ সালের ১০ নভেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পায়োনিয়ার ফোর্স চট্টগ্রামের পাহাড়তলি অঞ্চলে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাঞ্জাবি লেইন, বিহারী লেইন, ওয়ারলেস কলোনিসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে ছিলো।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বমানবতার ইতিহাসেও একটি কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে গণহত্যা চালায়। বিশেষ করে ঢাকায় তারা নির্বিচারে নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করে। জুলফিকার আলী ভুট্টো ও ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান ছিল এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ। তবে চট্টগ্রাম ছিল ব্যতিক্রম। সারাদেশে পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হামলা চালালেও চট্টগ্রামে তারা সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারেনি। এর মূল কারণ ছিল চট্টগ্রাম থেকে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ। চট্টগ্রামে অবস্থানরত স্বাধীনতার স্বপক্ষের সেনারা পূর্ব থেকেই সশস্ত্র প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী চট্টগ্রামে সহজে আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি । মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পিত প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

৭১ ও ২৪ নিয়ে মেয়র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো সহজ অর্জন ছিল না। ১৯৭১ সালে একটি নতুন দেশের জন্ম হয়েছিল মুক্তিকামী জনগণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে। আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল একটি স্বৈরাচারী সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন। তবে এই দুটি ঘটনার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, যা কখনোই বিতর্কিত হওয়ার সুযোগ নেই। আজকে অনেকে ২৪কে ৭১ এর সাথে তুলনা করা শুরু করেছে। ২৪ আর ৭১ এক নয়। ১৯৭১ আমরা দেশ স্বাধীন করেছি একটা নতুন দেশের অভ্যুদয় হয়েছে। আর ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি সরকার পরিবর্তন হয়েছে। যে সরকার ছিল ফ্যাসিস্ট এবং জন-বিরোধী। কাজেই দুটোর মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য আছে। ৭১ এর মাধ্যমে দেশ পেয়েছি, ২৪ এর মাধ্যমে নতুন সরকার পেয়েছি। যে সরকারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ছাত্রজনতার রক্তস্রোতের মাধ্যমে। আমার বক্তব্য হল, ৭১ কে বিতর্কিত করা যাবেনা, ২৪ কেও অবহেলা করা যাবেনা, দু’টিকে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে দেশের উন্নয়নে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।