Dhaka , Tuesday, 24 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বাজার মনিটরিং : ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা, ভ্রাম্যমান আদালত। রূপগঞ্জে ৫৫০ বোতল স্কাফসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে মন্দিরে হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাট ঝালকাঠিতে বয্লুর রহমান হক্কোনূরী বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাজাপুরে অপহৃত ১৬ মাসের শিশু উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত প্লাস্টিকের জুতার ভেতরে ইয়াবা পাচার, ২৯৭০ পিসসহ গ্রেপ্তার ১ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে চোর চক্রের সক্রিয় দুই সদস্য গ্রেপ্তার ৩৬ কোটি মানুষের মুখের ভাষা ‘বাংলা’র স্বর্বস্তরে শুদ্ধ ব্যবহার, জাতি গঠনের অন্যতম হাতিয়ার :- জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সরকারি সেবা পেতে দালাল বাধ্যতামূলক? একটি নিভে যাওয়া প্রদীপ ও একটি অবুঝ শিশুর হাহাকার: পাভেলকে কি আমরা ফিরে পাব না? মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে গারো সম্প্রদায়ের সাথে বন বিভাগের বিরোধ রামগঞ্জের সাংবাদিকদের সম্মানে এনসিপির ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত। রমজানে পাঁচবিবিতে লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম, বাজার মনিটরিং জোরদারের আহ্বান রংপুরে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা: ভিজিএফ বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চরভদ্রাসনে এম’পি শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাথে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। চুরির প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত ভূমি সেবা সিস্টেমে তথ্য সন্নিবেশ ও সংশোধন বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ও অমর একুশে বইমেলা শুরু শ্রীপুরে প্রণোদনার বীজ ও সাবরক বিতরণের উদ্বোধন রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু ২০ লাখ টাকায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা রূপগঞ্জে সড়কের পাশে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার রূপগঞ্জে বেসরকারি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু অভিযোগ নাবালিকাকে ধর্ষণ: গৌরীপুরের মাসুদ নেত্রকোণায় গ্রেফতার নান্দাইলের হত্যা মামলার আসামি দুর্গাপুর থেকে গ্রেফতার সাতকানিয়া বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি মিনহাজুল আব্রার, সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম নির্বাচিত রমজান উপলক্ষে ইবি ছাত্রশিবিরের আল-কুরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতা যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত। নগরীর হালিশহরে ৩ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কটিয়াদিতে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং ৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ। শিক্ষার্থী শাওন হত্যার বিচারের দাবিতে কটিয়াদীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:55:33 pm, Tuesday, 3 September 2024
  • 227 বার পড়া হয়েছে

তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।।

তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
  
  
কুমিল্লার তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে  অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম তপন ভূইয়া।তিনি বলেন- আমার বাবা মরহুম নুরুল হক ভূইয়া মারা যাওয়ার পর আমরা পরিবারের সবাই মিলে মিশে ভালই ছিলাম।তখন কোন সমস্যা ছিল না আমাদের পরিবারের মধ্যে আল্লাহ রহমতে। দীর্ঘ ১৬টি বছর আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম।সেই সময়টাও ভালো ছিলো।সবার সাথে সুসম্পর্কও ছিলো।বিভিন্ন দলের মানুষের সাথেও আমার সম্পর্ক ভালো ছিলো।সমস্যাটা শুরু হয় বিএনপি সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসলো তারপর থেকে। আমার পরিবারের কর্তা অর্থাৎ বাবা-মা চলে গেলে সম্পত্তির ভাগ ওয়ারিশরা পাবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সে সম্পত্তি পাওয়ার জন্য কতগুলি নিয়ম নীতি  বা আইন কানুন আছে সরকারি ভাবে।আমার একমাত্র প্রবলেম ছিল আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম, এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নের কতিপয় কুচক্রী মহল- যারা আওয়ামীলীগ নামধারী এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘জগতপুর দশানীপাড়ার ইয়াছিন -আমারই আত্নীয়- সে আমার পরিবারের একজন সদস্য থেকে গোপনে আমাদের উজিরাকান্দি ভূঁইয়ার বাজার সংলগ্ন কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে দলিল করে নিয়ে নেয়। যার কাছ থেকে সম্পত্তি নেয়- সে হল আমার বড় ভাইয়ের একমাত্র মেয়ে এবং আমার বড় ভাইয়ের কোন ছেলে নাই। প্রশ্ন হল সম্পত্তিটা কীভাবে বিক্রি হলো বা বিক্রিটা যথাযথ হয়েছে কিনা- ওয়ারিশগণ সম্পত্তির বিক্রি করার জন্য কতগুলি সরকারি নিয়ম আছে- তার মধ্যে প্রথমত হইল -আপোষ বন্টন -নামা দলিল করতে হবে, এটা যদি না থাকে তাহলে কোর্ট থেকে বাটোয়ারা মামলা করে অংশ ভাগ করতে হবে। অথবা বাবা-মা যদি কোন সন্তানকে তার সম্পত্তি লিখে দিয়ে যান তাহলে নিজ নামে খারিজ থাকতে হবে। আমার প্রশ্ন একটাই এক্ষেত্রে সম্পত্তি বিক্রির জন্য কোন নিয়মটাকে অনুসরণ করা হয়েছে।বড় ভাইয়ের ছেলে না থাকার কারণে- বড় ভাইয়ের একটা অংশ আবার বড় ভাই এর  ভাই-বোনদের কাছে চলে গেছে। তাহলে সে অংশটা কোথায়? আমার ভাইয়ের মেয়ে মূল অংশীদার না মূল অংশীদার হলো আমার ভাই-বোন। আমার প্রশ্ন তাহলে কীভাবে একজন জ্ঞাতি অংশীদার বাজার সংলগ্ন সবচেয়ে মূল্যবান সম্পত্তি গুলি একসাথে একজনের কাছে দলিল করে দিতে পারে? এইটা কোন নিয়মে পড়ে  আমার জানা নেই। রাতের অন্ধকারে গোপনে এই দলিল গুলি করানোর পরেও আমরা জানতে পারি নাই। কারণ তখন আমি আমেরিকাতে ছিলাম। আমি যখন জানতে পারলাম তখন সাথে সাথে আমি এসিল্যান্ড বরাবর একটি দরখাস্ত করলাম তাদের নামজারি বাতিল করার জন্য। সম্মানিত এসিল্যান্ড মহোদয় যথাযথ কাগজ দেখে তাদের নাম জারি বাতিল করে দেন। কারণ এই নামজারিটা বৈধ ছিল না ।আমাদেরকে কোন কিছু না জানিয়ে গোপনে উপজেলার কিছু অসৎ কর্মচারীর মাধ্যমে গোপনে এটা করাইয়া নেয়। পরবর্তীতে আমাদের দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে নামজারিটা বাতিল হয়। এরমধ্যে দুই তিনটা সম্পত্তির মধ্যে আমি প্রিয়েন্সেন মামলা করি।বিজ্ঞ আদালত থেকে সে মামলার রায় আমার পক্ষে আসে। এটা আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি এটা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি,এখানে আওয়ামীলীগের ক্ষমতা বলে কিছু লোক অসৎভাবে আমার সম্পত্তি গুলি দখল করার চেষ্টা করেছিলো। সেগুলিকে এখন আমি প্রতিহত করছি।যেহেতু আমি বিএনপির সভাপতি ছিলাম তার জন্য ওরা বিভিন্ন কার্যালয়ে আমার ব্যাপারে বলতে তাদের সুবিধা হয়েছিল। ওই কুচক্রী মহল- দুষ্ট লোকগুলি, ভূমি দস্যুগুলি বিভিন্ন পত্রিকায় আমার ব্যাপারে লেখালেখি করতেছে। ওদের বক্তব্য আমি নাকি জায়গা জমি দখল করতেছি। আমার প্রশ্ন আমার বাপ-দাদার জায়গা অসৎভাবে কেউ অন্যায় ভাবে জোর করে দখল করবে আর সেটাকে প্রতিহত করলে আমি  অন্যায়কারী হয়ে যাব- তাই প্রশ্ন আজকের সবার কাছে – আপনারা আসুন- দেখুন এবং আপনাদের কাছে বিচার রইল ওরা আমার সাথে যা করেছে সেটা যদি আপনাদের সাথে হতো তাহলে কি করতেন ? যুক্তির স্বার্থে যদি মেনেও নেই একজন ওয়ারিশ অংশ পাবে কিন্তু সে বাজারের সংলগ্ন সমস্ত মূল্যবান সম্পত্তি সে একাই পাবে ? পারিবারিক নিয়ম অনুসারে সম্পত্তি
ভাগ বাটোয়ারা হওয়ার পরে ওয়ারিশগণ যদি কেউ সম্পত্তি বিক্রি করে তাহলে সেই সম্পত্তির প্রতি আমাদের কোন দাবি নেই। কিন্তু সেটা পারিবারিক নিয়মে হতে হবে এবং হওয়ার পরে সেটা করতে পারবে।
যার নামে কোন নাম জারি নাই -কোন খারিজ নাই- বন্টন নামাও নাই বা বাটোয়ারাও নাই। তাহলে সম্পত্তি কিভাবে একজন বিক্রি করতে পারে এই অবৈধ ভাবে সম্পত্তি বিক্রি কি কেউ মানবে – আমি দেশে ছিলাম না এই সুযোগটাই তারা কাজে লাগিয়েছে। আর এখন তাদের বক্তব্য আমি বিএনপির সভাপতি ক্ষমতা বলে সমস্ত সম্পত্তি এলাকার দখল করে ফেলতেছি।আমি সত্যের পথে ছিলাম- আছি এবং থাকবো।আমার পরিবারের সন্মান ও পৈত্রিক  সম্পত্তি রক্ষার্থে কুচক্রীদের কাছে মাথা নত করবনা –  ইনশাআল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বাজার মনিটরিং : ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা, ভ্রাম্যমান আদালত।

তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।।

আপডেট সময় : 01:55:33 pm, Tuesday, 3 September 2024
তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
  
  
কুমিল্লার তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে  অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম তপন ভূইয়া।তিনি বলেন- আমার বাবা মরহুম নুরুল হক ভূইয়া মারা যাওয়ার পর আমরা পরিবারের সবাই মিলে মিশে ভালই ছিলাম।তখন কোন সমস্যা ছিল না আমাদের পরিবারের মধ্যে আল্লাহ রহমতে। দীর্ঘ ১৬টি বছর আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম।সেই সময়টাও ভালো ছিলো।সবার সাথে সুসম্পর্কও ছিলো।বিভিন্ন দলের মানুষের সাথেও আমার সম্পর্ক ভালো ছিলো।সমস্যাটা শুরু হয় বিএনপি সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসলো তারপর থেকে। আমার পরিবারের কর্তা অর্থাৎ বাবা-মা চলে গেলে সম্পত্তির ভাগ ওয়ারিশরা পাবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সে সম্পত্তি পাওয়ার জন্য কতগুলি নিয়ম নীতি  বা আইন কানুন আছে সরকারি ভাবে।আমার একমাত্র প্রবলেম ছিল আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম, এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নের কতিপয় কুচক্রী মহল- যারা আওয়ামীলীগ নামধারী এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘জগতপুর দশানীপাড়ার ইয়াছিন -আমারই আত্নীয়- সে আমার পরিবারের একজন সদস্য থেকে গোপনে আমাদের উজিরাকান্দি ভূঁইয়ার বাজার সংলগ্ন কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে দলিল করে নিয়ে নেয়। যার কাছ থেকে সম্পত্তি নেয়- সে হল আমার বড় ভাইয়ের একমাত্র মেয়ে এবং আমার বড় ভাইয়ের কোন ছেলে নাই। প্রশ্ন হল সম্পত্তিটা কীভাবে বিক্রি হলো বা বিক্রিটা যথাযথ হয়েছে কিনা- ওয়ারিশগণ সম্পত্তির বিক্রি করার জন্য কতগুলি সরকারি নিয়ম আছে- তার মধ্যে প্রথমত হইল -আপোষ বন্টন -নামা দলিল করতে হবে, এটা যদি না থাকে তাহলে কোর্ট থেকে বাটোয়ারা মামলা করে অংশ ভাগ করতে হবে। অথবা বাবা-মা যদি কোন সন্তানকে তার সম্পত্তি লিখে দিয়ে যান তাহলে নিজ নামে খারিজ থাকতে হবে। আমার প্রশ্ন একটাই এক্ষেত্রে সম্পত্তি বিক্রির জন্য কোন নিয়মটাকে অনুসরণ করা হয়েছে।বড় ভাইয়ের ছেলে না থাকার কারণে- বড় ভাইয়ের একটা অংশ আবার বড় ভাই এর  ভাই-বোনদের কাছে চলে গেছে। তাহলে সে অংশটা কোথায়? আমার ভাইয়ের মেয়ে মূল অংশীদার না মূল অংশীদার হলো আমার ভাই-বোন। আমার প্রশ্ন তাহলে কীভাবে একজন জ্ঞাতি অংশীদার বাজার সংলগ্ন সবচেয়ে মূল্যবান সম্পত্তি গুলি একসাথে একজনের কাছে দলিল করে দিতে পারে? এইটা কোন নিয়মে পড়ে  আমার জানা নেই। রাতের অন্ধকারে গোপনে এই দলিল গুলি করানোর পরেও আমরা জানতে পারি নাই। কারণ তখন আমি আমেরিকাতে ছিলাম। আমি যখন জানতে পারলাম তখন সাথে সাথে আমি এসিল্যান্ড বরাবর একটি দরখাস্ত করলাম তাদের নামজারি বাতিল করার জন্য। সম্মানিত এসিল্যান্ড মহোদয় যথাযথ কাগজ দেখে তাদের নাম জারি বাতিল করে দেন। কারণ এই নামজারিটা বৈধ ছিল না ।আমাদেরকে কোন কিছু না জানিয়ে গোপনে উপজেলার কিছু অসৎ কর্মচারীর মাধ্যমে গোপনে এটা করাইয়া নেয়। পরবর্তীতে আমাদের দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে নামজারিটা বাতিল হয়। এরমধ্যে দুই তিনটা সম্পত্তির মধ্যে আমি প্রিয়েন্সেন মামলা করি।বিজ্ঞ আদালত থেকে সে মামলার রায় আমার পক্ষে আসে। এটা আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি এটা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি,এখানে আওয়ামীলীগের ক্ষমতা বলে কিছু লোক অসৎভাবে আমার সম্পত্তি গুলি দখল করার চেষ্টা করেছিলো। সেগুলিকে এখন আমি প্রতিহত করছি।যেহেতু আমি বিএনপির সভাপতি ছিলাম তার জন্য ওরা বিভিন্ন কার্যালয়ে আমার ব্যাপারে বলতে তাদের সুবিধা হয়েছিল। ওই কুচক্রী মহল- দুষ্ট লোকগুলি, ভূমি দস্যুগুলি বিভিন্ন পত্রিকায় আমার ব্যাপারে লেখালেখি করতেছে। ওদের বক্তব্য আমি নাকি জায়গা জমি দখল করতেছি। আমার প্রশ্ন আমার বাপ-দাদার জায়গা অসৎভাবে কেউ অন্যায় ভাবে জোর করে দখল করবে আর সেটাকে প্রতিহত করলে আমি  অন্যায়কারী হয়ে যাব- তাই প্রশ্ন আজকের সবার কাছে – আপনারা আসুন- দেখুন এবং আপনাদের কাছে বিচার রইল ওরা আমার সাথে যা করেছে সেটা যদি আপনাদের সাথে হতো তাহলে কি করতেন ? যুক্তির স্বার্থে যদি মেনেও নেই একজন ওয়ারিশ অংশ পাবে কিন্তু সে বাজারের সংলগ্ন সমস্ত মূল্যবান সম্পত্তি সে একাই পাবে ? পারিবারিক নিয়ম অনুসারে সম্পত্তি
ভাগ বাটোয়ারা হওয়ার পরে ওয়ারিশগণ যদি কেউ সম্পত্তি বিক্রি করে তাহলে সেই সম্পত্তির প্রতি আমাদের কোন দাবি নেই। কিন্তু সেটা পারিবারিক নিয়মে হতে হবে এবং হওয়ার পরে সেটা করতে পারবে।
যার নামে কোন নাম জারি নাই -কোন খারিজ নাই- বন্টন নামাও নাই বা বাটোয়ারাও নাই। তাহলে সম্পত্তি কিভাবে একজন বিক্রি করতে পারে এই অবৈধ ভাবে সম্পত্তি বিক্রি কি কেউ মানবে – আমি দেশে ছিলাম না এই সুযোগটাই তারা কাজে লাগিয়েছে। আর এখন তাদের বক্তব্য আমি বিএনপির সভাপতি ক্ষমতা বলে সমস্ত সম্পত্তি এলাকার দখল করে ফেলতেছি।আমি সত্যের পথে ছিলাম- আছি এবং থাকবো।আমার পরিবারের সন্মান ও পৈত্রিক  সম্পত্তি রক্ষার্থে কুচক্রীদের কাছে মাথা নত করবনা –  ইনশাআল্লাহ।