Dhaka , Thursday, 22 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নিউইয়র্কে গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিলেন তমা মির্জা তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে নিজ দেশে বিক্ষোভের মধ্যেই হঠাৎ সৌদি সফরে ম্যাক্রোঁ মৌলভীবাজারে ১,০২২ মণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব হিমছড়ি সৈকতে সাগরে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ২ ধর্মের শিক্ষা শুধু উৎসবে নয়, প্রতিফলিত হোক কর্মেও: ডিসি জাহিদ নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপন সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিফলন : আবু সুফিয়ান এমপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে: এরশাদ উল্লাহ এমপি উত্তরাধিকার সূত্রে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা পাইকগাছায় এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, আহত ৪৯ মধুপুর পৌরশহরে ২৭ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মেয়র পদপ্রার্থী খন্দকার মোতালিব রূপগঞ্জের যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামী সারোয়ার খান গ্রেফতার জাজিরায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ সবার সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কক্সবাজার সৈকতে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন, লাখো মানুষের ঢল ‘বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে জামায়াত-এনসিপিকে ছিঁড়ে খাবে আ.লীগ’ ৬ বছরে স্কুলে যাওয়ার পথেই মৃত্যু ২,৫১৩ শিশুর বাংলাদেশের ভারতীয় হাই কমিশনারের সাথে কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়ের কুশল বিনিময় পাইকগাছায় এসএমবি ব্রিকসের নতুন বছরের যাত্রা শুরু সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-২৬ আমরা ভালো না করলে জনগণ বিরোধী দলকেই ভোট দেবে- জিয়া মঞ্চে মনি বসিক নির্বাচন নিয়ে চলছে নীরব তৎপরতা : আলোচনায় রহমতুল্লাহ, আলাল, হেলাল ও প্রশাসক শিরিন ছাড়াও একাধিক নেতা নেত্রকোনার মদন পৌরসভা দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে মির্জা কবির আহমেদ মাত্র ২ জন শিক্ষকে চলছে ৬ শ্রেণির পাঠদান, সংকটে খলিশার পটল প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারের কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে – এমপি খোকন তালুকদার দীঘিনালায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জোন কমান্ডার, নিরাপত্তায় মাঠে সেনাবাহিনী চরভদ্রাসনে পুলিশের অভিযানে ৭ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নেস অয়েলের গোডাউনে আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধিরগঞ্জে পরিত্যক্ত অফিসে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হাতিয়ায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তরুণ গ্রেপ্তার

তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:55:33 pm, Tuesday, 3 September 2024
  • 283 বার পড়া হয়েছে

তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।।

তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
  
  
কুমিল্লার তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে  অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম তপন ভূইয়া।তিনি বলেন- আমার বাবা মরহুম নুরুল হক ভূইয়া মারা যাওয়ার পর আমরা পরিবারের সবাই মিলে মিশে ভালই ছিলাম।তখন কোন সমস্যা ছিল না আমাদের পরিবারের মধ্যে আল্লাহ রহমতে। দীর্ঘ ১৬টি বছর আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম।সেই সময়টাও ভালো ছিলো।সবার সাথে সুসম্পর্কও ছিলো।বিভিন্ন দলের মানুষের সাথেও আমার সম্পর্ক ভালো ছিলো।সমস্যাটা শুরু হয় বিএনপি সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসলো তারপর থেকে। আমার পরিবারের কর্তা অর্থাৎ বাবা-মা চলে গেলে সম্পত্তির ভাগ ওয়ারিশরা পাবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সে সম্পত্তি পাওয়ার জন্য কতগুলি নিয়ম নীতি  বা আইন কানুন আছে সরকারি ভাবে।আমার একমাত্র প্রবলেম ছিল আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম, এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নের কতিপয় কুচক্রী মহল- যারা আওয়ামীলীগ নামধারী এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘জগতপুর দশানীপাড়ার ইয়াছিন -আমারই আত্নীয়- সে আমার পরিবারের একজন সদস্য থেকে গোপনে আমাদের উজিরাকান্দি ভূঁইয়ার বাজার সংলগ্ন কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে দলিল করে নিয়ে নেয়। যার কাছ থেকে সম্পত্তি নেয়- সে হল আমার বড় ভাইয়ের একমাত্র মেয়ে এবং আমার বড় ভাইয়ের কোন ছেলে নাই। প্রশ্ন হল সম্পত্তিটা কীভাবে বিক্রি হলো বা বিক্রিটা যথাযথ হয়েছে কিনা- ওয়ারিশগণ সম্পত্তির বিক্রি করার জন্য কতগুলি সরকারি নিয়ম আছে- তার মধ্যে প্রথমত হইল -আপোষ বন্টন -নামা দলিল করতে হবে, এটা যদি না থাকে তাহলে কোর্ট থেকে বাটোয়ারা মামলা করে অংশ ভাগ করতে হবে। অথবা বাবা-মা যদি কোন সন্তানকে তার সম্পত্তি লিখে দিয়ে যান তাহলে নিজ নামে খারিজ থাকতে হবে। আমার প্রশ্ন একটাই এক্ষেত্রে সম্পত্তি বিক্রির জন্য কোন নিয়মটাকে অনুসরণ করা হয়েছে।বড় ভাইয়ের ছেলে না থাকার কারণে- বড় ভাইয়ের একটা অংশ আবার বড় ভাই এর  ভাই-বোনদের কাছে চলে গেছে। তাহলে সে অংশটা কোথায়? আমার ভাইয়ের মেয়ে মূল অংশীদার না মূল অংশীদার হলো আমার ভাই-বোন। আমার প্রশ্ন তাহলে কীভাবে একজন জ্ঞাতি অংশীদার বাজার সংলগ্ন সবচেয়ে মূল্যবান সম্পত্তি গুলি একসাথে একজনের কাছে দলিল করে দিতে পারে? এইটা কোন নিয়মে পড়ে  আমার জানা নেই। রাতের অন্ধকারে গোপনে এই দলিল গুলি করানোর পরেও আমরা জানতে পারি নাই। কারণ তখন আমি আমেরিকাতে ছিলাম। আমি যখন জানতে পারলাম তখন সাথে সাথে আমি এসিল্যান্ড বরাবর একটি দরখাস্ত করলাম তাদের নামজারি বাতিল করার জন্য। সম্মানিত এসিল্যান্ড মহোদয় যথাযথ কাগজ দেখে তাদের নাম জারি বাতিল করে দেন। কারণ এই নামজারিটা বৈধ ছিল না ।আমাদেরকে কোন কিছু না জানিয়ে গোপনে উপজেলার কিছু অসৎ কর্মচারীর মাধ্যমে গোপনে এটা করাইয়া নেয়। পরবর্তীতে আমাদের দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে নামজারিটা বাতিল হয়। এরমধ্যে দুই তিনটা সম্পত্তির মধ্যে আমি প্রিয়েন্সেন মামলা করি।বিজ্ঞ আদালত থেকে সে মামলার রায় আমার পক্ষে আসে। এটা আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি এটা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি,এখানে আওয়ামীলীগের ক্ষমতা বলে কিছু লোক অসৎভাবে আমার সম্পত্তি গুলি দখল করার চেষ্টা করেছিলো। সেগুলিকে এখন আমি প্রতিহত করছি।যেহেতু আমি বিএনপির সভাপতি ছিলাম তার জন্য ওরা বিভিন্ন কার্যালয়ে আমার ব্যাপারে বলতে তাদের সুবিধা হয়েছিল। ওই কুচক্রী মহল- দুষ্ট লোকগুলি, ভূমি দস্যুগুলি বিভিন্ন পত্রিকায় আমার ব্যাপারে লেখালেখি করতেছে। ওদের বক্তব্য আমি নাকি জায়গা জমি দখল করতেছি। আমার প্রশ্ন আমার বাপ-দাদার জায়গা অসৎভাবে কেউ অন্যায় ভাবে জোর করে দখল করবে আর সেটাকে প্রতিহত করলে আমি  অন্যায়কারী হয়ে যাব- তাই প্রশ্ন আজকের সবার কাছে – আপনারা আসুন- দেখুন এবং আপনাদের কাছে বিচার রইল ওরা আমার সাথে যা করেছে সেটা যদি আপনাদের সাথে হতো তাহলে কি করতেন ? যুক্তির স্বার্থে যদি মেনেও নেই একজন ওয়ারিশ অংশ পাবে কিন্তু সে বাজারের সংলগ্ন সমস্ত মূল্যবান সম্পত্তি সে একাই পাবে ? পারিবারিক নিয়ম অনুসারে সম্পত্তি
ভাগ বাটোয়ারা হওয়ার পরে ওয়ারিশগণ যদি কেউ সম্পত্তি বিক্রি করে তাহলে সেই সম্পত্তির প্রতি আমাদের কোন দাবি নেই। কিন্তু সেটা পারিবারিক নিয়মে হতে হবে এবং হওয়ার পরে সেটা করতে পারবে।
যার নামে কোন নাম জারি নাই -কোন খারিজ নাই- বন্টন নামাও নাই বা বাটোয়ারাও নাই। তাহলে সম্পত্তি কিভাবে একজন বিক্রি করতে পারে এই অবৈধ ভাবে সম্পত্তি বিক্রি কি কেউ মানবে – আমি দেশে ছিলাম না এই সুযোগটাই তারা কাজে লাগিয়েছে। আর এখন তাদের বক্তব্য আমি বিএনপির সভাপতি ক্ষমতা বলে সমস্ত সম্পত্তি এলাকার দখল করে ফেলতেছি।আমি সত্যের পথে ছিলাম- আছি এবং থাকবো।আমার পরিবারের সন্মান ও পৈত্রিক  সম্পত্তি রক্ষার্থে কুচক্রীদের কাছে মাথা নত করবনা –  ইনশাআল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিলেন তমা মির্জা

তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে অভিযোগ।।

আপডেট সময় : 01:55:33 pm, Tuesday, 3 September 2024
তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
  
  
কুমিল্লার তিতাসে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে  অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম তপন ভূইয়া।তিনি বলেন- আমার বাবা মরহুম নুরুল হক ভূইয়া মারা যাওয়ার পর আমরা পরিবারের সবাই মিলে মিশে ভালই ছিলাম।তখন কোন সমস্যা ছিল না আমাদের পরিবারের মধ্যে আল্লাহ রহমতে। দীর্ঘ ১৬টি বছর আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম।সেই সময়টাও ভালো ছিলো।সবার সাথে সুসম্পর্কও ছিলো।বিভিন্ন দলের মানুষের সাথেও আমার সম্পর্ক ভালো ছিলো।সমস্যাটা শুরু হয় বিএনপি সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে আওয়ামীলীগ সরকার যখন ক্ষমতায় আসলো তারপর থেকে। আমার পরিবারের কর্তা অর্থাৎ বাবা-মা চলে গেলে সম্পত্তির ভাগ ওয়ারিশরা পাবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সে সম্পত্তি পাওয়ার জন্য কতগুলি নিয়ম নীতি  বা আইন কানুন আছে সরকারি ভাবে।আমার একমাত্র প্রবলেম ছিল আমি তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলাম, এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নের কতিপয় কুচক্রী মহল- যারা আওয়ামীলীগ নামধারী এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘জগতপুর দশানীপাড়ার ইয়াছিন -আমারই আত্নীয়- সে আমার পরিবারের একজন সদস্য থেকে গোপনে আমাদের উজিরাকান্দি ভূঁইয়ার বাজার সংলগ্ন কিছু মূল্যবান সম্পত্তি অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে দলিল করে নিয়ে নেয়। যার কাছ থেকে সম্পত্তি নেয়- সে হল আমার বড় ভাইয়ের একমাত্র মেয়ে এবং আমার বড় ভাইয়ের কোন ছেলে নাই। প্রশ্ন হল সম্পত্তিটা কীভাবে বিক্রি হলো বা বিক্রিটা যথাযথ হয়েছে কিনা- ওয়ারিশগণ সম্পত্তির বিক্রি করার জন্য কতগুলি সরকারি নিয়ম আছে- তার মধ্যে প্রথমত হইল -আপোষ বন্টন -নামা দলিল করতে হবে, এটা যদি না থাকে তাহলে কোর্ট থেকে বাটোয়ারা মামলা করে অংশ ভাগ করতে হবে। অথবা বাবা-মা যদি কোন সন্তানকে তার সম্পত্তি লিখে দিয়ে যান তাহলে নিজ নামে খারিজ থাকতে হবে। আমার প্রশ্ন একটাই এক্ষেত্রে সম্পত্তি বিক্রির জন্য কোন নিয়মটাকে অনুসরণ করা হয়েছে।বড় ভাইয়ের ছেলে না থাকার কারণে- বড় ভাইয়ের একটা অংশ আবার বড় ভাই এর  ভাই-বোনদের কাছে চলে গেছে। তাহলে সে অংশটা কোথায়? আমার ভাইয়ের মেয়ে মূল অংশীদার না মূল অংশীদার হলো আমার ভাই-বোন। আমার প্রশ্ন তাহলে কীভাবে একজন জ্ঞাতি অংশীদার বাজার সংলগ্ন সবচেয়ে মূল্যবান সম্পত্তি গুলি একসাথে একজনের কাছে দলিল করে দিতে পারে? এইটা কোন নিয়মে পড়ে  আমার জানা নেই। রাতের অন্ধকারে গোপনে এই দলিল গুলি করানোর পরেও আমরা জানতে পারি নাই। কারণ তখন আমি আমেরিকাতে ছিলাম। আমি যখন জানতে পারলাম তখন সাথে সাথে আমি এসিল্যান্ড বরাবর একটি দরখাস্ত করলাম তাদের নামজারি বাতিল করার জন্য। সম্মানিত এসিল্যান্ড মহোদয় যথাযথ কাগজ দেখে তাদের নাম জারি বাতিল করে দেন। কারণ এই নামজারিটা বৈধ ছিল না ।আমাদেরকে কোন কিছু না জানিয়ে গোপনে উপজেলার কিছু অসৎ কর্মচারীর মাধ্যমে গোপনে এটা করাইয়া নেয়। পরবর্তীতে আমাদের দরখাস্তের পরিপ্রেক্ষিতে নামজারিটা বাতিল হয়। এরমধ্যে দুই তিনটা সম্পত্তির মধ্যে আমি প্রিয়েন্সেন মামলা করি।বিজ্ঞ আদালত থেকে সে মামলার রায় আমার পক্ষে আসে। এটা আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি এটা আমার পৈত্রিক সম্পত্তি,এখানে আওয়ামীলীগের ক্ষমতা বলে কিছু লোক অসৎভাবে আমার সম্পত্তি গুলি দখল করার চেষ্টা করেছিলো। সেগুলিকে এখন আমি প্রতিহত করছি।যেহেতু আমি বিএনপির সভাপতি ছিলাম তার জন্য ওরা বিভিন্ন কার্যালয়ে আমার ব্যাপারে বলতে তাদের সুবিধা হয়েছিল। ওই কুচক্রী মহল- দুষ্ট লোকগুলি, ভূমি দস্যুগুলি বিভিন্ন পত্রিকায় আমার ব্যাপারে লেখালেখি করতেছে। ওদের বক্তব্য আমি নাকি জায়গা জমি দখল করতেছি। আমার প্রশ্ন আমার বাপ-দাদার জায়গা অসৎভাবে কেউ অন্যায় ভাবে জোর করে দখল করবে আর সেটাকে প্রতিহত করলে আমি  অন্যায়কারী হয়ে যাব- তাই প্রশ্ন আজকের সবার কাছে – আপনারা আসুন- দেখুন এবং আপনাদের কাছে বিচার রইল ওরা আমার সাথে যা করেছে সেটা যদি আপনাদের সাথে হতো তাহলে কি করতেন ? যুক্তির স্বার্থে যদি মেনেও নেই একজন ওয়ারিশ অংশ পাবে কিন্তু সে বাজারের সংলগ্ন সমস্ত মূল্যবান সম্পত্তি সে একাই পাবে ? পারিবারিক নিয়ম অনুসারে সম্পত্তি
ভাগ বাটোয়ারা হওয়ার পরে ওয়ারিশগণ যদি কেউ সম্পত্তি বিক্রি করে তাহলে সেই সম্পত্তির প্রতি আমাদের কোন দাবি নেই। কিন্তু সেটা পারিবারিক নিয়মে হতে হবে এবং হওয়ার পরে সেটা করতে পারবে।
যার নামে কোন নাম জারি নাই -কোন খারিজ নাই- বন্টন নামাও নাই বা বাটোয়ারাও নাই। তাহলে সম্পত্তি কিভাবে একজন বিক্রি করতে পারে এই অবৈধ ভাবে সম্পত্তি বিক্রি কি কেউ মানবে – আমি দেশে ছিলাম না এই সুযোগটাই তারা কাজে লাগিয়েছে। আর এখন তাদের বক্তব্য আমি বিএনপির সভাপতি ক্ষমতা বলে সমস্ত সম্পত্তি এলাকার দখল করে ফেলতেছি।আমি সত্যের পথে ছিলাম- আছি এবং থাকবো।আমার পরিবারের সন্মান ও পৈত্রিক  সম্পত্তি রক্ষার্থে কুচক্রীদের কাছে মাথা নত করবনা –  ইনশাআল্লাহ।