Dhaka , Tuesday, 14 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান বাঁশখালীর বন্যাকবলিত অঞ্চলে এব্য চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের ত্রাণ বিতরণ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ১৫০০ পরিবারের পাশে রিজভী আহম্মেদ ও প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল; দ্রুত সুষম ত্রাণ ও পুনর্বাসনের নির্দেশ চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করল চবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম রামগঞ্জের পশ্চিম শোশালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভাবনীয় সাফল্য PUNAB National Award 2026: ‘Bangla Innovator’ পেল স্পেশাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড রেলওয়ের প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই বিলের টাকা ঠিকাদারের হাতে মধুপুরে নবযোগদানকৃত ইউএনওর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভনে রূপগঞ্জে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার কাউখালীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ১ হাজার মানুষের মাঝে মাঝে চাল বিতরণ ক্যাজুয়াল লুক থেকে শাড়ি, মালদ্বীপে অন্য রূপে কেয়া পায়েল সেমিফাইনালের আগে সুখবর পেল ফ্রান্স নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলসের গাড়িতে আইইডি বোমা হামলা, নিহত ১ সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতায় আইএমএফ সন্তুষ্ট: অর্থমন্ত্রী মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: দলীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সাইন্সল্যাব–ঢাবি–উত্তরায় তীব্র যানজট রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ২০ কোটি ৬৬ লাখ ১২ হাজার টাকা বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সিএমপি, ৭০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা, উদ্বৃত ৩কোটি টাকা টানা বর্ষণে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইলে জলাবদ্ধতা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ পানি উন্নয়ন বোর্ডের করা স্লুইসগেটগেলো চসিককে হস্তান্তর করা হবে: – প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব ।। অধ্যাপক মামুন মাহমুদ…।। ‘জুরাসিক পার্ক’ তারকা স্যাম নিল আর নেই বেলিংহামের চোট, আর্জেন্টিনা ম্যাচে খেলবেন তো? খামেনিসহ সব হত্যার বিচার নিশ্চিত করবে ইরান দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করেই আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম আর নেই কুড়িগ্রামে একসঙ্গে যমজ তিন বোনের ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, ২৫ কোটি বৃক্ষায়ন, সবুজ হোক দেশ, সুন্দর হোক পরিবেশ

এমভি নাসরিন দুর্ঘটনার ২৫ বছর ৮ জুলাই “নিরাপদ নৌ দিবস” হিসেবে জাতীয় ঘোষণার দাবী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:43:26 pm, Wednesday, 8 July 2026
  • 13 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

নদী পথে যেকোনো নৌ দূর্ঘটনা ঘটলেই মনে পড়ে যায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনা। ২০০৩ সালের ৮ জুলাই চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চটি ডুবে যায়। প্রায় ৮ শতর বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহন গন্তব্যস্হলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪০০ জনের থাকলেও কিন্তু সেসময় ৮ শতাধিক উপর যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে শুরু করে। এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনায় সরকারি হিসাবে ১১০ জনের মৃত্যু ও প্রায় ২০০ জন নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হলেও, বেসরকারি ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুযায়ী ওই দুর্ঘটনায় প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের সলিল সমাধি ঘটে।
এটি বাংলাদেশের নৌযান দুর্ঘটনার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তবে ১৯৮৬ সালেও একবার ৭ শতাধিক উপর জন যাত্রী নিয়ে একই জায়গা ত্রিমোহনীতে লঞ্চডুবের দূর্ঘটনা ঘটে, সেসময় ৬০০ এর অধিক যাত্রীর প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির ঘটনার আজ ২৫ বছর পুণ্য হতে চলছে। বাংলাদেশে বিগত ৫৫ বছরেও নৌপথটি নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেনি বলে জানান, “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ জুলাই তারিখ “নিরাপদ নৌপথ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করার দাবীতে সরকারের প্রতি কয়েকবার স্মারকলিপি ও মন্ত্রীর সাথেও বৈঠক হয় “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন কমিটির”। আলোচনা হয় নৌপথে গতিশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নৌপথের অতিত, বর্তমান ও ভবিষৎ নিয়ে। এ দেশের বহু এলাকায় রেলপথ ও সড়কপথে যোগাযোগ সুবিধা নেই এখনও| আবার অনেক এলাকায় থাকলেও তা অনেক ঘুরপথ এবং বেশ ঝামেলাপূর্ণ। কোথাও লঞ্চ-স্টীমার এর মতো বড় নৌ-যান চলাচলে উপযোগী নৌপথও নেই। এসব এলাকায় নৌকাই সাচ্ছন্দ্য এবং সর্বাপেক্ষা পছন্দের বাহন। এখানকার
ভৌ-গোলিক প্রকৃতিতে বড় অংশ নিম্নাঞ্চল। সমগ্র দেশজুড়ে প্রবাহিত নদনদী, বিল, হাওর, খাল শিরা-
উপশিরার মত ছড়িয়ে আছে এদেশে।
বাংলাদেশ যেহেতু নদীমাতৃক দেশ, সেক্ষেত্রে নৌপথকে নৌপরিবহন জাতীয় হিসেবে ঘোষণা করারও দাবী জানিয়ে আসছে “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”। বাংলাদেশের উপকুলী বিষয় নিয়ে নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন এর সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে নৌপথ প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্থল হিসেবে এর প্রসার ঘটলেও নদীতীরবর্তী এলাকা এবং হাওর অঞ্চলে তেমন প্রসার ঘটেনি। হাওর অঞ্চলে অবস্থা আরো সমস্যা সংকুল। চরম
অব্যবস্থাপনা এমনকি সরকারের কাছেও এ সকল নৌপথ গুরুত্বহীন। যার প্রমাণ নদী ও হাওর অঞ্চলে ট্রলারডুবি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু। যেগুলোকে নদীবন্দর হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও নিয়মিত যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে
এবং দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ সুদৃঢ়
হয়েছে। এছাড়া দ্বীপাঞ্চলে নৌ․-পর্যটনের বিকাশ ঘটবে। ইহা সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে আর গতিশীলতা বাড়াতে হবে।
নৌ-শুমারী বিষয়ে চট্টগ্রাম থেকে “কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের” সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট কামাল পারভেজ বলেন, নৌ-শুমারী সঠিকভাবে করা হয়না, এখানে একটা গাফিলতি আছে। সরকারের দায়িত্ব থাকা দপ্তর গুলো একটা গা-সারা কর্তব্য পালন করেন। সঠিকভাবে তুলে আনতে নৌ-শুমারী এবং সেটা সরকারি গেজেট আকারে প্রতি বছর প্রকাশ করতে জনসাধারণের সামনে। ঠিক তদরুপ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টিও একটা ধোঁয়াসার মধ্যেই থেকে যায়। আমাদের দাবী সরকার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে তা জনসম্মুখে আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান

এমভি নাসরিন দুর্ঘটনার ২৫ বছর ৮ জুলাই “নিরাপদ নৌ দিবস” হিসেবে জাতীয় ঘোষণার দাবী

আপডেট সময় : 01:43:26 pm, Wednesday, 8 July 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

নদী পথে যেকোনো নৌ দূর্ঘটনা ঘটলেই মনে পড়ে যায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনা। ২০০৩ সালের ৮ জুলাই চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় এমভি নাসরিন-১ লঞ্চটি ডুবে যায়। প্রায় ৮ শতর বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহন গন্তব্যস্হলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৪০০ জনের থাকলেও কিন্তু সেসময় ৮ শতাধিক উপর যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে শুরু করে। এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবির ঘটনায় সরকারি হিসাবে ১১০ জনের মৃত্যু ও প্রায় ২০০ জন নিখোঁজ হওয়ার কথা বলা হলেও, বেসরকারি ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুযায়ী ওই দুর্ঘটনায় প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের সলিল সমাধি ঘটে।
এটি বাংলাদেশের নৌযান দুর্ঘটনার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। তবে ১৯৮৬ সালেও একবার ৭ শতাধিক উপর জন যাত্রী নিয়ে একই জায়গা ত্রিমোহনীতে লঞ্চডুবের দূর্ঘটনা ঘটে, সেসময় ৬০০ এর অধিক যাত্রীর প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির ঘটনার আজ ২৫ বছর পুণ্য হতে চলছে। বাংলাদেশে বিগত ৫৫ বছরেও নৌপথটি নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেনি বলে জানান, “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”।
এমভি নাসরিন লঞ্চডুবির দূর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ জুলাই তারিখ “নিরাপদ নৌপথ দিবস” হিসেবে ঘোষণা করার দাবীতে সরকারের প্রতি কয়েকবার স্মারকলিপি ও মন্ত্রীর সাথেও বৈঠক হয় “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন কমিটির”। আলোচনা হয় নৌপথে গতিশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নৌপথের অতিত, বর্তমান ও ভবিষৎ নিয়ে। এ দেশের বহু এলাকায় রেলপথ ও সড়কপথে যোগাযোগ সুবিধা নেই এখনও| আবার অনেক এলাকায় থাকলেও তা অনেক ঘুরপথ এবং বেশ ঝামেলাপূর্ণ। কোথাও লঞ্চ-স্টীমার এর মতো বড় নৌ-যান চলাচলে উপযোগী নৌপথও নেই। এসব এলাকায় নৌকাই সাচ্ছন্দ্য এবং সর্বাপেক্ষা পছন্দের বাহন। এখানকার
ভৌ-গোলিক প্রকৃতিতে বড় অংশ নিম্নাঞ্চল। সমগ্র দেশজুড়ে প্রবাহিত নদনদী, বিল, হাওর, খাল শিরা-
উপশিরার মত ছড়িয়ে আছে এদেশে।
বাংলাদেশ যেহেতু নদীমাতৃক দেশ, সেক্ষেত্রে নৌপথকে নৌপরিবহন জাতীয় হিসেবে ঘোষণা করারও দাবী জানিয়ে আসছে “নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন সংগঠন”। বাংলাদেশের উপকুলী বিষয় নিয়ে নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন এর সদস্য সচিব আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে নৌপথ প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্থল হিসেবে এর প্রসার ঘটলেও নদীতীরবর্তী এলাকা এবং হাওর অঞ্চলে তেমন প্রসার ঘটেনি। হাওর অঞ্চলে অবস্থা আরো সমস্যা সংকুল। চরম
অব্যবস্থাপনা এমনকি সরকারের কাছেও এ সকল নৌপথ গুরুত্বহীন। যার প্রমাণ নদী ও হাওর অঞ্চলে ট্রলারডুবি এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লঞ্চ দুর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু। যেগুলোকে নদীবন্দর হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ ও নিয়মিত যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে
এবং দীর্ঘমেয়াদে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সংযোগ সুদৃঢ়
হয়েছে। এছাড়া দ্বীপাঞ্চলে নৌ․-পর্যটনের বিকাশ ঘটবে। ইহা সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে আর গতিশীলতা বাড়াতে হবে।
নৌ-শুমারী বিষয়ে চট্টগ্রাম থেকে “কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের” সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট কামাল পারভেজ বলেন, নৌ-শুমারী সঠিকভাবে করা হয়না, এখানে একটা গাফিলতি আছে। সরকারের দায়িত্ব থাকা দপ্তর গুলো একটা গা-সারা কর্তব্য পালন করেন। সঠিকভাবে তুলে আনতে নৌ-শুমারী এবং সেটা সরকারি গেজেট আকারে প্রতি বছর প্রকাশ করতে জনসাধারণের সামনে। ঠিক তদরুপ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টিও একটা ধোঁয়াসার মধ্যেই থেকে যায়। আমাদের দাবী সরকার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে তা জনসম্মুখে আনতে হবে।