Dhaka , Monday, 2 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হলুদের সাজে তৌসিফ-সাফা, নতুন নাটকের দৃশ্য নাকি পারিবারিক অনুষ্ঠান? চট্টগ্রামে যুবদল কর্মী জীবন হত্যা মামলার প্রধান আসামি জুয়েলসহ গ্রেপ্তার ৩ পাইকগাছায় মরহুম শামসুর রহমানের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় খোয়া যাওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার শাস্তির অপেক্ষায় ম্যান সিটি, হালান্ডের ক্লাব ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন বাবা যোগদানের পরই মধুপুর থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশংসিত ওসি ফজলুল হক মাটির স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জৈব সারে ভর্তুকির আহ্বান ‎মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন নাবিকসহ ইরানি জাহাজ ছিনতাই করল সোমালিয়া জলদস্যুরা চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ পোশাকশিল্পে অস্থিরতার পেছনে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা শফিকুর রহমানের পাইকগাছায় দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প; চিকিৎসাসেবা পেলেন শত শত রোগী পবিত্র ধর্মগ্রন্থেই সম্প্রীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া রয়েছে – জহির উদ্দিন স্বপন এখন যারা আন্দোলনের নামে সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ডিবির অভিযানে দেশীয় তৈরি এলজি ও কার্তুজসহ একজন গ্রেপ্তার টেকনাফে এসআরবি-১৫ ও বিজিবির যৌথ অভিযান, ১ লাখ ২৯ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ আবুধাবি থেকে আনা স্বর্ণের ‘ডিম’ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় ফেরত নেওয়ার চেষ্টা! কাস্টমস গোয়েন্দার জালে ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার ৬টি স্বর্ণের ডিম! ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ১৭৭ কারখানায় ছুটি ঘোষণা ধর্মপাশায় বোরো জমির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫ নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা ছেলেকে নিয়ে হ্যালোইন উৎসবে শাবনূর জাতীয় যুব দিবসে ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রেষ্ঠ যুব সম্মাননা পেলেন অক্সিজেন এর প্রতিষ্ঠাতা ইমন কবে দলে ফিরতে পারেন দিবালা, জানালেন রোমা কোচ গাজীপুরে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজারের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, ভাংচুর-আগ্নসংযোগ কালিয়াকৈরে শ্রমিক আন্দোলনের প্রায় ৭ ঘন্টা পর ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ‎গাইবান্ধার সাঘাটায় ভূমি কর্মকর্তার অপসারণে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ভাঙ্গায় সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ দীঘিনালায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের মহড়া সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ, ৪৮ কারখানায় সাধারণ ছুটি

মাটির স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জৈব সারে ভর্তুকির আহ্বান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:26:52 pm, Monday, 2 November 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে মাটির উর্বরতা কমছে। এ পরিস্থিতিতে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন এবং টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহারে ভর্তুকি প্রদানের পাশাপাশি এ খাতের প্রসারে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সুস্থ মাটি, ফসল ও পরিবেশের জন্য জৈব সার উৎপাদনকে উৎসাহিত করা এবং ভর্তুকি প্রদান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

একশনএইড বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ (বারি) ২০টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে কৃষি খাতের বিশেষজ্ঞ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, কৃষক এবং জৈব সার উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

বৈঠকে বক্তারা বলেন, জৈব সার উৎপাদন, নিবন্ধন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বিশেষ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা, সারের মান যাচাই ও পর্যবেক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকা এবং বাজারে মানসম্মত জৈব সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এ খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও উদ্যোক্তারা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, জৈব সার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। পাশাপাশি সারের মান যাচাই ও পর্যবেক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বাজারে মানসম্মত জৈব সার নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে জৈব সার ব্যবহারে ফসলের তাৎক্ষণিক উৎপাদন রাসায়নিক সারের তুলনায় কম হতে পারে। তবে মাটির স্বাস্থ্য ও ফসলের গুণগত মান বজায় রাখতে জৈব সারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাসায়নিক সারের ব্যবহার পুরোপুরি বাদ না দিয়ে মাটি ও ফসলের ধরন অনুযায়ী জৈব ও রাসায়নিক সারের সমন্বিত প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রথম কারিগরি অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এম. আবদুস সালাম। তিনি জৈব সার উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ প্রক্রিয়া সহজ করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত চান।

বৈঠকে জৈব সার উৎপাদনের কাঠামোগত সক্ষমতা ও বৈচিত্র্য, মাটি পরীক্ষার ভিত্তিতে সারের প্রয়োগমাত্রা নির্ধারণ এবং কৃষকদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমানো এবং জৈব সারের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা।

বক্তারা মনে করেন, জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়, উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক নীতিমালা, সহজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া, আর্থিক প্রণোদনা এবং মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হলুদের সাজে তৌসিফ-সাফা, নতুন নাটকের দৃশ্য নাকি পারিবারিক অনুষ্ঠান?

মাটির স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জৈব সারে ভর্তুকির আহ্বান

আপডেট সময় : 07:26:52 pm, Monday, 2 November 2026

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে মাটির উর্বরতা কমছে। এ পরিস্থিতিতে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন এবং টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহারে ভর্তুকি প্রদানের পাশাপাশি এ খাতের প্রসারে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সুস্থ মাটি, ফসল ও পরিবেশের জন্য জৈব সার উৎপাদনকে উৎসাহিত করা এবং ভর্তুকি প্রদান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

একশনএইড বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ (বারি) ২০টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে কৃষি খাতের বিশেষজ্ঞ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, কৃষক এবং জৈব সার উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

বৈঠকে বক্তারা বলেন, জৈব সার উৎপাদন, নিবন্ধন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বিশেষ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা, সারের মান যাচাই ও পর্যবেক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকা এবং বাজারে মানসম্মত জৈব সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এ খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও উদ্যোক্তারা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, জৈব সার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। পাশাপাশি সারের মান যাচাই ও পর্যবেক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বাজারে মানসম্মত জৈব সার নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আলোচনায় বক্তারা আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে জৈব সার ব্যবহারে ফসলের তাৎক্ষণিক উৎপাদন রাসায়নিক সারের তুলনায় কম হতে পারে। তবে মাটির স্বাস্থ্য ও ফসলের গুণগত মান বজায় রাখতে জৈব সারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাসায়নিক সারের ব্যবহার পুরোপুরি বাদ না দিয়ে মাটি ও ফসলের ধরন অনুযায়ী জৈব ও রাসায়নিক সারের সমন্বিত প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রথম কারিগরি অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এম. আবদুস সালাম। তিনি জৈব সার উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ প্রক্রিয়া সহজ করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত চান।

বৈঠকে জৈব সার উৎপাদনের কাঠামোগত সক্ষমতা ও বৈচিত্র্য, মাটি পরীক্ষার ভিত্তিতে সারের প্রয়োগমাত্রা নির্ধারণ এবং কৃষকদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমানো এবং জৈব সারের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা।

বক্তারা মনে করেন, জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়, উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক নীতিমালা, সহজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া, আর্থিক প্রণোদনা এবং মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।