Dhaka , Monday, 19 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত-রেন্টভুক্ত ৫ আসামি গ্রেপ্তার মধুপুরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ করলেন আইসিটি মন্ত্রী চরভদ্রাসনে পূজামণ্ডপে শাড়ি ও ১০ হাজার টাকা দিলেন এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৫১ নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ রূপগঞ্জে শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় মামলা\ছাত্র গ্রেফতার ‎৩০ কোটি টাকার সেতু দুটিতে নেই সংযোগ সড়ক, দুই বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে গাইবান্ধাবাসী সংখ্যালঘু বলতে কোন শব্দ নেই, প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর দীঘিনালায় ইক্বরা হিফজুল কোরআন মহিলা মাদ্রাসায় সবক প্রদান ও অভিভাবক সমাবেশ নেত্রকোনার পূর্বধলায় ১৩ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা গ্রেপ্তার সীতাকুণ্ডে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, মূল আসামিসহ ৬ জন গ্রেপ্তার, এলজি, রিভলভার ও পিস্তল উদ্ধার ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে রূপগঞ্জে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ঈদগাঁওতে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলা: ৫ দিন পর প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বাউফলে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেল গরুর ঘর; ক্ষতিগ্রস্ত ২ গরু ও ৩ ছাগল সাতকানিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিত হামলা, রডের আঘাতে গুরুতর আহত: থানায় লিখিত এজাহার আলোচনার মাঝেই পরীমনির নতুন ভিডিও ভাইরাল ফিফা সভাপতিকে ঢাকায় পেয়ে যা জানাল বাফুফে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবিতে তিউনিসিয়ায় হাজারো মানুষের বিক্ষোভ তেলের দাম কবে কমবে, জানালেন রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেবে না এনসিপি: আখতার হোসেন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৫ নম্বর দারিয়াপুর ইউনিয়নে এস এম সোহাগ মাহমুদের শুভেচ্ছা বার্তা থানা ভিত্তিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অমর একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে পল্লী চিকিৎসকদের সহযোগিতা প্রয়োজন: তানসিভ জুবায়ের জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতে ৭১ পুরানা পল্টন, ঢাকায় উদ্বোধন হলো ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’: দালালমুক্ত স্বচ্ছ ভূমিসেবায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত রূপগঞ্জে দিনে-দুপুরে ফ্রান্সপ্রবাসীর ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনতাই রূপগঞ্জে জালিয়াতির ও ভূয়া দলিলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান গ্যাস-বিদ্যুতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগণকে দুর্ভোগে রাখা হয়েছে: মাহবুবুর রহমান গুজবে নয় সচেতন থাকুন সন্দেহজনক কিছু দেখলে জানান বিজিবি মধুপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় এসআরবি-১৪-এর প্রেস ব্রিফিং

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:04:44 pm, Monday, 19 October 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো,

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জে এম সেন হল পরিদর্শন মেয়রের, ঐতিহাসিক স্থাপনার সৌন্দর্যবর্ধন ও নগরীর সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার
চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও নান্দনিক নগরী হিসেবে সাজিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক উন্নয়ন, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম কেবল প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়; বরং নগরবাসীর দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ ও একটি নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সিটি কর্পোরেশন কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন, চার দিন আগেও এই জায়গার যে চিত্র ছিল, বর্তমানে তার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জায়গাটিকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। আমরা চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী এখানে এলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের একটি সুন্দর প্রতিফলন দেখতে পাবেন।”
তিনি বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত, সূর্য সেন ও মহিমচন্দ্র দাস সেনগুপ্তসহ যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের স্মৃতি ও ঐতিহাসিক পটভূমি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। একসময় এসব ঐতিহাসিক নিদর্শন অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে ছিল। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সেগুলো সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম আমাদের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে।
জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এখানকার সার্বিক পরিবেশ ও সাজসজ্জায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে ব্যানার, ফেস্টুন ও অন্যান্য দৃশ্যমান উপস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর আগে তিনি বিমানবন্দর সড়ক, ভিআইপি সড়ক পরিদর্শন করে তিনি আরও বলেন, আমি বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলতে দেখেছি। গত কয়েক মাস ধরে এসব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আমরা চাই, চট্টগ্রামে প্রবেশের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী এবং আগত অতিথিরা একটি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও সুন্দর নগরীর চিত্র দেখতে পান। সামগ্রিকভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত।”
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে নগরবাসীর আগ্রহের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বী মা-বোনেরাও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাঁকে বরণ করার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।
মেয়র বলেন, অনেকেই মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী আসছেন বলেই এখন উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সিটি কর্পোরেশন আগে থেকেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর আগে সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করা হয়েছে, বিভিন্ন সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে এবং বোট ক্লাব সড়কেও উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। নগরীর অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে উন্নয়নকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পর কাজ শুরু করার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মেয়র বলেন, জামালখান চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম সুন্দর ও আকর্ষণীয় এলাকা। নগরবাসী এখানে অবসর কাটাতে, ঘুরতে এবং বন্ধু-পরিজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন। এ কারণে এলাকাটিকে আরও নান্দনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার পরিবেশ, চলাচল ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে এলাকাটি ব্যবহার করতে পারেন।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নান্দনিক ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও জনবান্ধব অবকাঠামো তৈরির কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নেওয়া প্রস্তুতির পাশাপাশি নগরীর সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, ইমরান হোছাইন খোকা, ইন্জিঃ মোহাম্মদ আলী এবং ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ছবির ক্যাপশন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে নগরীর জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত-রেন্টভুক্ত ৫ আসামি গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম: চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 05:04:44 pm, Monday, 19 October 2026

চট্টগ্রাম ব্যুরো,

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জে এম সেন হল পরিদর্শন মেয়রের, ঐতিহাসিক স্থাপনার সৌন্দর্যবর্ধন ও নগরীর সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার
চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও নান্দনিক নগরী হিসেবে সাজিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক উন্নয়ন, ঐতিহাসিক স্থাপনার সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম কেবল প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়; বরং নগরবাসীর দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ ও একটি নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সিটি কর্পোরেশন কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরীর জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “আপনারা নিজেরাই দেখতে পাচ্ছেন, চার দিন আগেও এই জায়গার যে চিত্র ছিল, বর্তমানে তার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জায়গাটিকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। আমরা চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী এখানে এলে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের একটি সুন্দর প্রতিফলন দেখতে পাবেন।”
তিনি বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত, সূর্য সেন ও মহিমচন্দ্র দাস সেনগুপ্তসহ যাঁরা দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের স্মৃতি ও ঐতিহাসিক পটভূমি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। একসময় এসব ঐতিহাসিক নিদর্শন অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে ছিল। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সেগুলো সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম আমাদের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে।
জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এখানকার সার্বিক পরিবেশ ও সাজসজ্জায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে ব্যানার, ফেস্টুন ও অন্যান্য দৃশ্যমান উপস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর আগে তিনি বিমানবন্দর সড়ক, ভিআইপি সড়ক পরিদর্শন করে তিনি আরও বলেন, আমি বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলতে দেখেছি। গত কয়েক মাস ধরে এসব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আমরা চাই, চট্টগ্রামে প্রবেশের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী এবং আগত অতিথিরা একটি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও সুন্দর নগরীর চিত্র দেখতে পান। সামগ্রিকভাবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত।”
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে নগরবাসীর আগ্রহের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসাহের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বী মা-বোনেরাও উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাঁকে বরণ করার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।
মেয়র বলেন, অনেকেই মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী আসছেন বলেই এখন উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সিটি কর্পোরেশন আগে থেকেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর আগে সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করা হয়েছে, বিভিন্ন সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে এবং বোট ক্লাব সড়কেও উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। নগরীর অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে উন্নয়নকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পর কাজ শুরু করার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
মেয়র বলেন, জামালখান চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম সুন্দর ও আকর্ষণীয় এলাকা। নগরবাসী এখানে অবসর কাটাতে, ঘুরতে এবং বন্ধু-পরিজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন। এ কারণে এলাকাটিকে আরও নান্দনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে এলাকার পরিবেশ, চলাচল ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে এলাকাটি ব্যবহার করতে পারেন।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, নান্দনিক ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সৌন্দর্যবর্ধন, সড়ক উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও জনবান্ধব অবকাঠামো তৈরির কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নেওয়া প্রস্তুতির পাশাপাশি নগরীর সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, ইমরান হোছাইন খোকা, ইন্জিঃ মোহাম্মদ আলী এবং ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম মাহিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ছবির ক্যাপশন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে নগরীর জে এম সেন হল প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।