Dhaka , Saturday, 16 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ২ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে জাগরণ সৃষ্টি করেছি: এ্যানি সংকট মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কাঠামোগত সমন্বয় এখন সময়ের দাবি: মালয়েশিয়ায় গোলাম পরওয়ার চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ট্রাম্প-শি শীর্ষ সম্মেলন : কার জয়, কার পরাজয় নাকি ড্র? কোরবানির হাটে এবার দরপতন, রাজস্ব হারানোর শঙ্কায় চসিক হাম ও উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু কৃষককে পাশে বসিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর ৪নং স্পার বাঁধে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: গোসল করতে নেমে দুই মেধাবী ছাত্রের প্রাণহানি আপনিই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন: মিঠুনকে শুভেন্দু ১৮ মিলিয়ন ডলারে মার্কিন মামলা মেটাচ্ছেন আদানি ৭ সতর্কবার্তা- যে কারণে আজ থেকেই নেক আমল করার তাগিদ দিলেন রাসুল (সা.) শরীয়তপুরে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকের ওপর হামলা, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় প্রেরণ ব্যক্তির চেয়ে দেশ বড়”— শহীদ জিয়ার এই দর্শন বুকে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন:- ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রিয়াল মাদ্রিদে আগুন, ‘গ্রুপিং’ সমস্যা প্রকাশ্যে ট্রাম্পের উঁকি দেওয়া নোটবুকটি আসলে কার, যা জানা গেল স্বামীকে হত্যার পর হাড়-মাংস আলাদা করে রাখতে যান ফ্রিজে সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা চৌমুহনীতে আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াতে ইসলামী ; নগদ টাকা ও খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে পলাশে যুবক গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও শীতলক্ষ্যার ঘাটে ঘাটে আবর্জনার স্তুপ \ পঁচা-দুর্গন্ধে বিপর্যস্ত পরিবেশ  রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের চুক্তি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য জামায়াত আমিরের ইরান-আমিরাত সমঝোতায় ভারতের মধ্যস্থতা চায় রাশিয়া উন্নয়নমূলক কাজের মানে কাউকে ছাড় নয়: ডেপুটি স্পিকার রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে নারী-পুরুষের মরদেহ উদ্ধার আম গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:28:25 pm, Saturday, 16 May 2026
  • 3 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ চলতি বছরেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পন্ন হলে নগরে আর স্থায়ী জলাবদ্ধতা থাকবে না।

শনিবার বেলা তিনটার দিকে নগরের শুলকবহর এলাকায় মির্জা খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্ষা শেষ হলে প্রকল্পগুলোর কাজ পূর্ণগতিতে শেষ করা হবে। কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী কোনো জলাবদ্ধতা থাকবে না। পানি নিষ্কাশনে আর সমস্যা হবে না। যদিও অতিবৃষ্টির কারণে সাময়িক জলজট হতে পারে।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. নুরুল করিম এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমানে সিডিএর দুটি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একটি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।

এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। গত আট বছরে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। সিডিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অতীতে যথাযথ অর্থায়ন না হওয়ায় এখন বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ রয়েছে।

পাশাপাশি বিগত সরকারগুলোর রেখে যাওয়া দায়ও মেটাতে হচ্ছে। তারপরও চট্টগ্রামের প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন করে মানুষের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

এসব প্রকল্পে যদি কোনো লুটপাট হয়ে থাকে, তবে তার তদন্ত করা হবে। কারা জড়িত, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমের কারণে কিছু অসমাপ্ত কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে বর্ষা শেষে দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করা হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ছোট-বড় ১৩০টি খালকে প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করলে সুফল পাওয়া যাবে না।

কতটুকু বৃষ্টিতে কী পরিমাণ পানি প্রবাহিত হবে এবং কীভাবে সাগরে নিষ্কাশিত হবে, তার পূর্ণ হিসাব-নিকাশ করেই কাজ হচ্ছে।

জোয়ার-ভাটা, স্লুইসগেট পরিচালনা ও আউটলেট ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অতীতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সমন্বয়ের অভাব ছিল উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগে সমন্বয় ছিল না।

এখন সবাই সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য চট্টগ্রামের মেয়রের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

এ সময় নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, খালকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া প্রকল্পের পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল মৌসুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিতেই চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও বুকসমান, কোথাও হাঁটুপানিতে অচল হয়ে পড়ে জনজীবন।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে প্রবর্তক মোড় ও আশপাশের এলাকা। হাসপাতাল, রোগনির্ণয় কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিপণিবিতানের কারণে এলাকাটি সবসময়ই ব্যস্ত থাকে।

পরিদর্শন শেষে অর্থমন্ত্রী, তিন প্রতিমন্ত্রী ও সিটি মেয়র প্রবর্তক মোড়ের হিজড়া খালসহ নগরের বিভিন্ন খালে চলমান উন্নয়নকাজ ঘুরে দেখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামসুল আলম এবং প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহসিনুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ২

চট্টগ্রামের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার :- অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

আপডেট সময় : 09:28:25 pm, Saturday, 16 May 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ চলতি বছরেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পন্ন হলে নগরে আর স্থায়ী জলাবদ্ধতা থাকবে না।

শনিবার বেলা তিনটার দিকে নগরের শুলকবহর এলাকায় মির্জা খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্ষা শেষ হলে প্রকল্পগুলোর কাজ পূর্ণগতিতে শেষ করা হবে। কাজ শেষ হলে চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী কোনো জলাবদ্ধতা থাকবে না। পানি নিষ্কাশনে আর সমস্যা হবে না। যদিও অতিবৃষ্টির কারণে সাময়িক জলজট হতে পারে।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. নুরুল করিম এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমানে সিডিএর দুটি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একটি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।

এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা। গত আট বছরে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। সিডিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অতীতে যথাযথ অর্থায়ন না হওয়ায় এখন বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ রয়েছে।

পাশাপাশি বিগত সরকারগুলোর রেখে যাওয়া দায়ও মেটাতে হচ্ছে। তারপরও চট্টগ্রামের প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন করে মানুষের কষ্ট দূর করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

এসব প্রকল্পে যদি কোনো লুটপাট হয়ে থাকে, তবে তার তদন্ত করা হবে। কারা জড়িত, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমের কারণে কিছু অসমাপ্ত কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে বর্ষা শেষে দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করা হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ছোট-বড় ১৩০টি খালকে প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করলে সুফল পাওয়া যাবে না।

কতটুকু বৃষ্টিতে কী পরিমাণ পানি প্রবাহিত হবে এবং কীভাবে সাগরে নিষ্কাশিত হবে, তার পূর্ণ হিসাব-নিকাশ করেই কাজ হচ্ছে।

জোয়ার-ভাটা, স্লুইসগেট পরিচালনা ও আউটলেট ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অতীতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সমন্বয়ের অভাব ছিল উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগে সমন্বয় ছিল না।

এখন সবাই সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য চট্টগ্রামের মেয়রের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

এ সময় নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, খালকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া প্রকল্পের পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল মৌসুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিতেই চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও বুকসমান, কোথাও হাঁটুপানিতে অচল হয়ে পড়ে জনজীবন।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে প্রবর্তক মোড় ও আশপাশের এলাকা। হাসপাতাল, রোগনির্ণয় কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিপণিবিতানের কারণে এলাকাটি সবসময়ই ব্যস্ত থাকে।

পরিদর্শন শেষে অর্থমন্ত্রী, তিন প্রতিমন্ত্রী ও সিটি মেয়র প্রবর্তক মোড়ের হিজড়া খালসহ নগরের বিভিন্ন খালে চলমান উন্নয়নকাজ ঘুরে দেখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামসুল আলম এবং প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহসিনুল হক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।