Dhaka , Monday, 23 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বাজার মনিটরিং : ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা, ভ্রাম্যমান আদালত। রূপগঞ্জে ৫৫০ বোতল স্কাফসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে মন্দিরে হামলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ লুটপাট ঝালকাঠিতে বয্লুর রহমান হক্কোনূরী বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাজাপুরে অপহৃত ১৬ মাসের শিশু উদ্ধার, মুক্তিপণ দাবি ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত প্লাস্টিকের জুতার ভেতরে ইয়াবা পাচার, ২৯৭০ পিসসহ গ্রেপ্তার ১ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে চোর চক্রের সক্রিয় দুই সদস্য গ্রেপ্তার ৩৬ কোটি মানুষের মুখের ভাষা ‘বাংলা’র স্বর্বস্তরে শুদ্ধ ব্যবহার, জাতি গঠনের অন্যতম হাতিয়ার :- জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সরকারি সেবা পেতে দালাল বাধ্যতামূলক? একটি নিভে যাওয়া প্রদীপ ও একটি অবুঝ শিশুর হাহাকার: পাভেলকে কি আমরা ফিরে পাব না? মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে গারো সম্প্রদায়ের সাথে বন বিভাগের বিরোধ রামগঞ্জের সাংবাদিকদের সম্মানে এনসিপির ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত। রমজানে পাঁচবিবিতে লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম, বাজার মনিটরিং জোরদারের আহ্বান রংপুরে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা: ভিজিএফ বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চরভদ্রাসনে এম’পি শহিদুল ইসলাম বাবুলের সাথে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। চুরির প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত ভূমি সেবা সিস্টেমে তথ্য সন্নিবেশ ও সংশোধন বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ও অমর একুশে বইমেলা শুরু শ্রীপুরে প্রণোদনার বীজ ও সাবরক বিতরণের উদ্বোধন রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি নারীর মৃত্যু ২০ লাখ টাকায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা রূপগঞ্জে সড়কের পাশে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার রূপগঞ্জে বেসরকারি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু অভিযোগ নাবালিকাকে ধর্ষণ: গৌরীপুরের মাসুদ নেত্রকোণায় গ্রেফতার নান্দাইলের হত্যা মামলার আসামি দুর্গাপুর থেকে গ্রেফতার সাতকানিয়া বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি মিনহাজুল আব্রার, সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম নির্বাচিত রমজান উপলক্ষে ইবি ছাত্রশিবিরের আল-কুরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতা যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত। নগরীর হালিশহরে ৩ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কটিয়াদিতে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং ৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ। শিক্ষার্থী শাওন হত্যার বিচারের দাবিতে কটিয়াদীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে গারো সম্প্রদায়ের সাথে বন বিভাগের বিরোধ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:11:26 pm, Monday, 23 February 2026
  • 5 বার পড়া হয়েছে

আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের গড়গড়িয়া এলাকায় লেক খনন নিয়ে বন বিভাগ ও গারো সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। লেক খনন বন্ধের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র জনতা’ ব্যানারে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে পঁচিশ মাইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গারোদের প্রথাগত মালিকানাধীন জমিতে লেক খনন এবং মাটি ভরাটের অভিযোগ আনা হয়। জবাবে বন বিভাগ বলছে, খরা মোকাবিলা এবং বন্যপ্রাণির পানীয় জলের সমস্যা নিরসনে সংরক্ষিত বনে লেক খনন হচ্ছে। স্বার্থান্বেষী মহল তাদের দুরভিসন্ধি হাসিলের জন্য এ অপপ্রচার চলছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, জাতীয় সদর উদ্যান রেঞ্জের লহুরিয়া বিটের গভীর জঙ্গলের গড়গড়িয়া এলাকায় লেক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। গায়রা গ্রামের কয়েকজন গারো নিম্নাঞ্চলে মাটি ফেলার প্রতিবাদ করায় লেকের দুই পাড়ে এখন মাটি জড়ো করা হচ্ছে। লেক খনন করা জায়গাটি আসলে দুই টিলার মাঝখানের সর্পিল খাল। বর্ষাকালে আশপাশের টিলা আর জঙ্গলের পানি জমে এ লেকে। অতিরিক্ত পানি বাইদ হয়ে বানার নদীতে গিয়ে পড়ে। জাতীয় সদর উদ্যান রেঞ্জ অফিস জানায়, ‘মধুপুর শালবন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম’ এর আওতায় লেক ১ হাজার ১৬৫ ফিট বর্ধিতকরণ হচ্ছে। লেকটি দীর্ঘ হলে বিপুল পরিমাণ পানি ধারণ করতে পারবে। খনন করা নিম্নাঞ্চল বন বিভাগের সংরক্ষিত বন এলাকার। চারপাশে গভীর বন এবং আশপাশে নেই কোন বাড়ি ঘর।
জাউসের ফরেস্ট রেঞ্জার মোশারফ হোসেন জানান, শুস্ক মৌসুমে বনাঞ্চলের বানার নদী, শতাধিক বাইদ, খাল এবং পুকুর শুকিয়ে যায়। তখন খাওয়ার পানির জন্য চারদিকে হাহাকার পড়ে। বিশেষ করে বন্যপ্রাণির করুণ দশা চোখে পড়ে। বানর, হনুমান ও হরিণসহ সব ধরনের বন্যপ্রাণী খাওয়ার পানির সন্ধানে আশপাশের জনপদে গিয়ে হামলা ও প্রাননাশের শিকার হয়। উন্মুক্ত জঙ্গল ছাড়াও লহুরিয়া বিটের সংরক্ষিত পশু প্রজনন কেন্দ্রে বেশ কিছু হরিণ এবং ২০ জোড়া ময়ূর রয়েছে। প্রজনন কেন্দ্রের পুকুরে অবমুক্ত হয়েছে শ খানেক কাছিম। খরা মৌসুমে এরা পানি সংকটে পড়ে। ৬৬৫ ফিট দীর্ঘ গড়গড়িয়া লেক খনন হয় পাঁচ দশক আগে। সেটিও অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকেনা বললেই চলে। খরা মৌসুমে প্রাণিকূলের পানির সহজলভ্যতার জন্য গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণ হচ্ছে। কিন্তু সরকারি জমিতে, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়াচ্ছে স্বার্থান্বেষী মহল ও কিছু গারো সম্প্রদায়ের যুবক। তারা তাদের প্রথাগত ভূমি মালিকানার দাবি তুলে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। কিন্তু গড়গড়িয়া এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন কোন ভূমি নেই। বনের জমিতেই খননকৃত মাটি ফেলা হচ্ছে।
সামাজিক বনায়নের সহব্যবস্থপনা কমিটির সভাপতি মোত্তালেব হোসেন জানান, বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। সহজে পানি মেলে না। এক সপ্তাহ আগে লেক খনন উদ্ধোধনকালে গারো নেতারা উপস্থিত ছিলেন। যেখানে লেক খনন হচ্ছে, সেখানে গারোদের জমিজমা বা বাড়িঘর নেই। তারপরও অযথা নিজেদের ভূমি দাবী করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। মধুপুর বনাঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব জানান, লেক সম্প্রসারণ ছাড়াও বনাঞ্চলের হাজামজা ১০টি পুকুর সংস্কার হচ্ছে। এতে বন এলাকায় পানি সংকট দূর হবে। বনবাসী ছাড়াও বন্য প্রাণিকূল সহজেই খাওয়ার পানি পাবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজের বিরুদ্ধে কেন তারা আন্দোলন করছে বুঝতে পারছেন না।
বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠনের সম্পাদক অলিক মৃ এবং বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক উজ্জ্বল আজিম এক বক্তব্যে জানান, বন বিভাগ এর আগে দোখলা রেঞ্জের চুনিয়া মৌজায় গারোদের আবাদী জমি দখল করে কৃত্রিম লেক খননের চেষ্টা চালায়। আন্দোলনের মুখে বন বিভাগ পিছু হটে। তাদের দাবি-গড়গড়িয়া লেক ও এর আশপাশের ভূমি গারোদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। সেখানে তাদের প্রথাগত ভূমি অধিকার রয়েছে। তাই নতুন করে লেক সম্প্রসারণকে তারা অবৈধ মনে করছেন।
টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মোহসিন জানান, সংরক্ষিত বনে কখনো কারো কোনো প্রথাগত ভূমি অধিকার থাকে না। গারোদের জমিতে লেক খনন হচ্ছে না। সুতরাং স্বার্থান্বেষী মহলের ইঙ্গিতে গারো যুবকদের একটি অংশ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বাজার মনিটরিং : ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা, ভ্রাম্যমান আদালত।

মধুপুর বনে লেক খনন নিয়ে গারো সম্প্রদায়ের সাথে বন বিভাগের বিরোধ

আপডেট সময় : 04:11:26 pm, Monday, 23 February 2026

আঃ হামিদ, মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের গড়গড়িয়া এলাকায় লেক খনন নিয়ে বন বিভাগ ও গারো সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। লেক খনন বন্ধের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার ‘সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র জনতা’ ব্যানারে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে পঁচিশ মাইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গারোদের প্রথাগত মালিকানাধীন জমিতে লেক খনন এবং মাটি ভরাটের অভিযোগ আনা হয়। জবাবে বন বিভাগ বলছে, খরা মোকাবিলা এবং বন্যপ্রাণির পানীয় জলের সমস্যা নিরসনে সংরক্ষিত বনে লেক খনন হচ্ছে। স্বার্থান্বেষী মহল তাদের দুরভিসন্ধি হাসিলের জন্য এ অপপ্রচার চলছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, জাতীয় সদর উদ্যান রেঞ্জের লহুরিয়া বিটের গভীর জঙ্গলের গড়গড়িয়া এলাকায় লেক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। গায়রা গ্রামের কয়েকজন গারো নিম্নাঞ্চলে মাটি ফেলার প্রতিবাদ করায় লেকের দুই পাড়ে এখন মাটি জড়ো করা হচ্ছে। লেক খনন করা জায়গাটি আসলে দুই টিলার মাঝখানের সর্পিল খাল। বর্ষাকালে আশপাশের টিলা আর জঙ্গলের পানি জমে এ লেকে। অতিরিক্ত পানি বাইদ হয়ে বানার নদীতে গিয়ে পড়ে। জাতীয় সদর উদ্যান রেঞ্জ অফিস জানায়, ‘মধুপুর শালবন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম’ এর আওতায় লেক ১ হাজার ১৬৫ ফিট বর্ধিতকরণ হচ্ছে। লেকটি দীর্ঘ হলে বিপুল পরিমাণ পানি ধারণ করতে পারবে। খনন করা নিম্নাঞ্চল বন বিভাগের সংরক্ষিত বন এলাকার। চারপাশে গভীর বন এবং আশপাশে নেই কোন বাড়ি ঘর।
জাউসের ফরেস্ট রেঞ্জার মোশারফ হোসেন জানান, শুস্ক মৌসুমে বনাঞ্চলের বানার নদী, শতাধিক বাইদ, খাল এবং পুকুর শুকিয়ে যায়। তখন খাওয়ার পানির জন্য চারদিকে হাহাকার পড়ে। বিশেষ করে বন্যপ্রাণির করুণ দশা চোখে পড়ে। বানর, হনুমান ও হরিণসহ সব ধরনের বন্যপ্রাণী খাওয়ার পানির সন্ধানে আশপাশের জনপদে গিয়ে হামলা ও প্রাননাশের শিকার হয়। উন্মুক্ত জঙ্গল ছাড়াও লহুরিয়া বিটের সংরক্ষিত পশু প্রজনন কেন্দ্রে বেশ কিছু হরিণ এবং ২০ জোড়া ময়ূর রয়েছে। প্রজনন কেন্দ্রের পুকুরে অবমুক্ত হয়েছে শ খানেক কাছিম। খরা মৌসুমে এরা পানি সংকটে পড়ে। ৬৬৫ ফিট দীর্ঘ গড়গড়িয়া লেক খনন হয় পাঁচ দশক আগে। সেটিও অনেকটা ভরাট হয়ে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকেনা বললেই চলে। খরা মৌসুমে প্রাণিকূলের পানির সহজলভ্যতার জন্য গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণ হচ্ছে। কিন্তু সরকারি জমিতে, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়াচ্ছে স্বার্থান্বেষী মহল ও কিছু গারো সম্প্রদায়ের যুবক। তারা তাদের প্রথাগত ভূমি মালিকানার দাবি তুলে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। কিন্তু গড়গড়িয়া এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন কোন ভূমি নেই। বনের জমিতেই খননকৃত মাটি ফেলা হচ্ছে।
সামাজিক বনায়নের সহব্যবস্থপনা কমিটির সভাপতি মোত্তালেব হোসেন জানান, বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। সহজে পানি মেলে না। এক সপ্তাহ আগে লেক খনন উদ্ধোধনকালে গারো নেতারা উপস্থিত ছিলেন। যেখানে লেক খনন হচ্ছে, সেখানে গারোদের জমিজমা বা বাড়িঘর নেই। তারপরও অযথা নিজেদের ভূমি দাবী করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। মধুপুর বনাঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব জানান, লেক সম্প্রসারণ ছাড়াও বনাঞ্চলের হাজামজা ১০টি পুকুর সংস্কার হচ্ছে। এতে বন এলাকায় পানি সংকট দূর হবে। বনবাসী ছাড়াও বন্য প্রাণিকূল সহজেই খাওয়ার পানি পাবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজের বিরুদ্ধে কেন তারা আন্দোলন করছে বুঝতে পারছেন না।
বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠনের সম্পাদক অলিক মৃ এবং বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক উজ্জ্বল আজিম এক বক্তব্যে জানান, বন বিভাগ এর আগে দোখলা রেঞ্জের চুনিয়া মৌজায় গারোদের আবাদী জমি দখল করে কৃত্রিম লেক খননের চেষ্টা চালায়। আন্দোলনের মুখে বন বিভাগ পিছু হটে। তাদের দাবি-গড়গড়িয়া লেক ও এর আশপাশের ভূমি গারোদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। সেখানে তাদের প্রথাগত ভূমি অধিকার রয়েছে। তাই নতুন করে লেক সম্প্রসারণকে তারা অবৈধ মনে করছেন।
টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মোহসিন জানান, সংরক্ষিত বনে কখনো কারো কোনো প্রথাগত ভূমি অধিকার থাকে না। গারোদের জমিতে লেক খনন হচ্ছে না। সুতরাং স্বার্থান্বেষী মহলের ইঙ্গিতে গারো যুবকদের একটি অংশ উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।