
তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূ ছাদিয়া আক্তার (১৮) হত্যাকান্ডের ৮৩দিনেও কোন আসামীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।বাদী পরিবার একাধিকবার আসামীদের সন্ধান দিলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই আসামীরা পালিয়ে যায়।ফলে পুলিশের ভূমিকায় রহস্যজনক বলে মনে করেন বাদী পরিবারসহ এলাকাবাসী।
নিহত ছাদিয়া আক্তার পৌর সভার শ্রীমদ্ধী গ্রামের দরিদ্র কৃষক শাহাবুদ্দিনের মেয়ে ও ভঙ্গার চর গ্রামের মোবারক মিয়ার ছেলে প্রবাসী ফারুকের স্ত্রী।জানা যায়, গত ৮মে সকালে উপজেলার মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের ভঙ্গারচর গ্রামের শ্বশুর বাড়ী থেকে অভিযুক্ত পরিবারের সাথে আতাত করে থানায় কোন অপমৃত্যু মামলা ছাড়াই ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ ছাদিয়ার লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। পুলিশ ছাদিয়ার লাশ উদ্ধার করছে এমন খবর পেয়ে তার বাবাসহ পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে যায়, তবে নিহতের পাশে পরিবারের কাউকে ভিড়তে দেয়নি বলেও অভিযোগ ছিলো পুলিশের বিরুদ্ধে।এরপর থানায় লাশ নিয়ে এসে অপমৃত্যুর মামলা করতে ভিকটিমের বাবাকে চাপ দেয় যদিও তারা হত্যা মামলা বা হত্যায় প্ররোচনা মামলা করতে পুলিশের নিকট অনুরোধ করেছিলেন বলে জানায়।এরপর এক রকম বাধ্য হয়েই বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ করেন এবং ১৫মে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে হোমনা থানা বিষয়টি আমলে নিয়ে হত্যা মামলা হিসেবে এফআইআর করেন।আদালতের নির্দেশে থানায় মামলা হত্যা মামলা নিলেও দীর্ঘ ৮৩দিনে কোন আসামীকে গ্রেপ্তার করেনি দায়িত্বে থাকা পুলিশ। আসামীদের থেকে দালালের মাধ্যমে সুবিধা নিয়ে দায়সারা ভাবেই চলছে ছাদিয়া হত্যার ঘটনা। এখন মামলাটি ফাইনাল রিপোর্ট দিতেও আসামীদের দালালরা থানায় আসা যাওয়া করতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ করেন বাদী পরিবার।মামলার বাদী ছাদিয়ার পিতা শাহাবুদ্দিন বলেন, আমার মেয়েকে চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে মেরেছে, গ্রামের অনেক মানুষ দেখেছে পুলিশকে বলেছেও। কিন্তু পুলিশ শুরু থেকেই আমাদের কোন কথা শুনেনি ও সহযোগিতা করেনি। এখন শুনতেছি মোটা অংকের টাকা খেয়ে নাকি মামলাটি ফাইনাল রিপোর্ট দিয়ে দিবে।
ঘটনার বিষয়ে হোমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন বালা’র সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল দিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, “ঘটনার পর থেকে আসামীরা পলাতক ছিলো, তারা আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করেছেন।” তবে “আসামীদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে কোন আসামী ধরেন নি” এমন প্রশ্ন করতেই তিনি ফোন কেটে দেন।

























